Blog

  • কোন বোর্ডে জিপিএ-৫ কত?

    কোন বোর্ডে জিপিএ-৫ কত?

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৯টি সাধারণ ও মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

    এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারা দেশে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন।

    এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৪৮ হাজার ৫৪৮, রাজশাহী বোর্ডে ২৪ হাজার ৯০২, কুমিল্লা বোর্ডে ৭ হাজার ৯২২, যশোর বোর্ডে ৯ হাজার ৭৪৯, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ হাজার ৭৫৯, বরিশাল বোর্ডে ৪ হাজার ১৬৭, সিলেট বোর্ডে ৬ হাজার ৬৯৮, দিনাজপুর বোর্ডে ১৪ হাজার ২৯৫, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৪ হাজার ৮২৬, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯ হাজার ৬১৩, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪ হাজার ৯২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    চলতি বছরের ৩০ জুন থেকে সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এবার সারা দেশে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার কারণে গত ১৮, ২১, ২৩ ও ২৫, ২৮ জুলাই এবং ১ ও ৪ আগস্টের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সবশেষে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এরপর অবশিষ্ট পরীক্ষা না নেওয়ার দাবি করে পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণার দেয় সরকার।

    এরপর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয় সাবজেক্ট ম্যাপিং করে স্থগিত পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া হবে। আর যেসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেসব পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছিলো, জেএসসির বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এইচএসসির ৭৫ শতাংশ যোগ করে যে নম্বর পাবে সেই নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষার ফল নির্ধারণ করা হবে।

    প্রস্তাবের পর মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দেয়, স্থগিত পরীক্ষাগুলো শুধু এইচএসসি পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল দিতে হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করে শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে ফল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

  • ‘আজ ওর ফল প্রকাশ হলো, কিন্তু মেয়েটা আমার নেই’

    ‘আজ ওর ফল প্রকাশ হলো, কিন্তু মেয়েটা আমার নেই’

    বাবা-মা বাধা দেবেন এজন্য বাসায় না জানিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গিয়েছিলেন নাফিসা আক্তার মারওয়া। শেখ হাসিনার পতনের শেষ দিনগুলোতে রাজপথে সম্মুখভাগে থেকে আন্দোলন করেছেন। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের দিনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে থানা রোডে পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হন এ শিক্ষার্থী।

    এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে নাফিসা জিপিএ-৪.২৫ পেয়ে পাস করেছেন। মেয়ের ফল জানার পর অঝোরে কাঁদছেন চা দোকানি বাবা আবুল হোসেন।

    তিনি বলেন, মেয়ের যাতে লেখাপড়া নষ্ট না হয়, সে জন্য রান্না করতে দিতাম না। চায়ের দোকান দিয়ে যা দুই টাকা উপার্জন করেছি, মারওয়ার লেখাপড়ায় দিয়েছি। আজ ওর ফল প্রকাশ হলো, কিন্তু মেয়েটা আমার নেই।

    সতেরো বছরের নাফিসা হোসেন মারওয়া। চলতি বছর টঙ্গীর শাহাজ উদ্দিন সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিল।

    নাফিসার বাবা আবুল হোসেন পেশায় একজন চা দোকানি। নাফিসা ও তার ছোট বোন রাইসাকে নিয়ে বাবা আবুল হোসেন থাকতেন টঙ্গীর এরশাদনগর বস্তি এলাকার আট নাম্বার ব্লকে একটি ভাড়া বাড়িতে। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে নাফিসার মা কুলসুম বিদেশে পাড়ি জমান কয়েক বছর আগে।

  • শুটিং সেটে শাকিবকে হিন্দি শেখাতেন সোনাল

    শুটিং সেটে শাকিবকে হিন্দি শেখাতেন সোনাল

    ঢাকাই সিনেমায় সময়ের বড় নাম শাকিব খান। ‘দরদ’র মাধ্যমে প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে অনন্য মামুন পরিচালিত চলচ্চিত্রটি।

    আসছে ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশসহ ২২টি দেশে ‘দরদ’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে এমনটাই জানালেন পরিচালক। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি, তামিল ও তেলেগু ভাষায় মুক্তি পাচ্ছে শাকিব ও বলিউডের সোনাল চৌহান অভিনীত সিনেমাটি।

    এদিকে বাংলা ও হিন্দি দুই ভাষাতেও ‘দরদ’র শুটিং হয়েছে। এ নিয়ে শুটিং সেটে ইউনিটে মজার মজার ঘটনা ঘটল। কারণ ছবির প্রধান দুই চরিত্র শাকিব যেমন হিন্দি কম পারেন, অন্যদিকে সোনাল তো বাংলা বোঝেনই না। ফলে শুটিং সেটে মজার মজার ঘটনা রয়েছে।

    এ ব্যাপারে অনন্য মামুন কালবেলাকে বলেন, সবচেয়ে মজা হতো শাকিব ভাই যখন সোনালকে বাংলা শেখাতেন, আবার সোনাল যখন শাকিব ভাইকে হিন্দি শেখাতেন। ওই দৃশ্য সামনাসামনি দেখলে যে কেউই হাসবেন। ইউনিটের সবাই হাসাহাসি করতেন এটা দেখে। তবে আমি ভীষণ খুশি এটা ভেবে যে, শাকিব ভাই ও সোনাল কাজটি সুন্দরভাবে উপহার দেওয়ার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। টিজারে আপনারা দেখেছেন, দুজনের রসায়ন কত সুন্দর ছিল। তাদের এত সুন্দর মানিয়েছে, প্রেক্ষাগৃহে দুজনের রসায়ন দর্শক দারুণ গ্রহণ করবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে দুর্ঘটনা: হাজার হাজার গাড়ি যেভাবে পৌঁছাচ্ছে রাশিয়ায়

    যুক্তরাষ্ট্রে দুর্ঘটনা: হাজার হাজার গাড়ি যেভাবে পৌঁছাচ্ছে রাশিয়ায়

    দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের ছোট দেশ জর্জিয়া। বর্তমানে সেখানে আন্তর্জাতিক পুরোনো গাড়ির বাজারের একটি বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, যার মূল্য বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বেশিরভাগ গাড়ি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এবং সেসব গাড়ির অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত রাশিয়ায় যাচ্ছে।

    জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসি থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে শিল্পনগরী রুস্তাভির খোলা স্থানে পুরোনো গাড়ির বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। ৪০টি ফুটবল মাঠের সমান এই স্থানে হাজার হাজার গাড়ি বিক্রি হয়। এখানে মার্সিডিজ, পোরশে, জাগুয়ার, টয়োটা থেকে শুরু করে সম্প্রতি টেসলা গাড়িও বিক্রি হচ্ছে।

    সবচেয়ে বড় গাড়ি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হলো ককেশাস অটো ইম্পোর্ট (সিএআই)। এই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নিলাম থেকে পুরোনো গাড়ি কেনে। এসব গাড়ির অনেকগুলোই দুর্ঘটনায় এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলোকে আমেরিকার বীমা কোম্পানিগুলো বাতিল ঘোষণা করেছে।

    সিএআই জানিয়েছে, তাদের ‘বিশেষজ্ঞদের দল’ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরাসরি গাড়িগুলো নির্বাচন করে এবং তারপর ১০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কনটেইনার জাহাজে করে জর্জিয়ার কৃষ্ণ সাগরের তীরে আনা হয়। জর্জিয়ায় পৌঁছানোর পর স্থানীয় মেকানিকরা গাড়িগুলো মেরামত করেন।

    সিএআই-এর ডেপুটি প্রধান নির্বাহী ডেভিড গুলাশভিলি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান জর্জিয়ার গাড়ির বহরকে আধুনিক করতে অনেক অবদান রেখেছে। ২০০৪ সালে তাদের ব্যবসা শুরু করার আগে জর্জিয়ায় মূলত সোভিয়েত আমলের লাডা ও ভাজ ব্র্যান্ডের গাড়ি চলত। বর্তমানে ৬০০ কর্মী নিয়ে সিএআই জর্জিয়ায় পশ্চিমা গাড়ির চাহিদা মেটাতে কাজ করছে।

    গত বছর জর্জিয়া ৩.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গাড়ি আমদানি করেছে, সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী। তারপর, দেশটি ২.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গাড়ি রপ্তানি করেছে, মূলত ককেশাস এবং কেন্দ্রীয় এশিয়ার সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলোতে। খনিজ তামার পর গাড়ি জর্জিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি পণ্য।

    রুস্তাভির বিশাল গাড়ির বাজারে প্রতিটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের ভিতরে একটি কার্ড থাকে, যেটি গাড়ির দাম, ইঞ্জিন সাইজ এবং উৎপাদনের তারিখ নির্দেশ করে।

    কাজাখস্তান থেকে আসা আলিশের টেজিকবায়েভ বলেন, আমরা প্রায় ৩.৫ বছর ধরে জর্জিয়া থেকে গাড়ি পুনঃরপ্তানি করছি। আমরা কাজাখস্তানে গাড়ি পাঠাই এবং অটো ট্যুরের ব্যবস্থা করি। ক্লায়েন্টরা তাদের নিজস্ব গাড়ি নেওয়ার জন্য জর্জিয়ায় আসেন।

    জর্জিয়া পূর্বে উত্তরের প্রতিবেশী রাশিয়ায় সেকেন্ডহ্যান্ড মার্কিন ও ইউরোপীয় গাড়ি রপ্তানি করত। কিন্তু ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেনে হামলার পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জর্জিয়ার রাজস্ব সেবা ঘোষণা দেয়, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে রাশিয়া এবং বেলারুশে আমদানি করা মার্কিন বা ইউরোপীয় গাড়ির পুনঃরপ্তানি ও ট্রানজিট সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

    জর্জিয়ার কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছেন, দেশটি রাশিয়ার বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনে সহায়তা করছে। তবে জর্জিয়ার মিডিয়া প্রকাশনা ইফ্যাক্টির সাম্প্রতিক একটি তদন্তে দেখা যায়, রাশিয়া-জর্জিয়া সীমান্তের উভয় পাশে গাড়ি বিক্রেতাদের একটি বাহিনী নানা ফাঁক-ফোকর ব্যবহার করছে।

    ডেভিড গুলাশভিলি বলেন, আমার কোম্পানি এখন রাশিয়ার সঙ্গে কোনো ব্যবসা করে না। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই আমরা রাশিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন বা রপ্তানি সীমিত করেছি। আপনি ককেশাস অটো ইম্পোর্টের মাধ্যমে রাশিয়ায় রপ্তানির জন্য একটি গাড়িও দেখতে পাবেন না। অন্যান্য দেশে পুনঃরপ্তানির জন্য গাড়িগুলোর চূড়ান্ত গন্তব্য নজরদারি করার জন্য কোনো বিদ্যমান যান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই।

    ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান এবং আর্মেনিয়ায় সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ির রপ্তানি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশগুলো রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন কাস্টমস ইউনিয়নের সদস্য। এর ফলে ওই দেশগুলোর মধ্যে নিবন্ধিত গাড়িগুলো রাশিয়ায় খুব কম শুল্কের সঙ্গে চালানো যেতে পারে।

    জর্জিয়ার জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে জর্জিয়া কাজাখস্তানে ৭ হাজার ৩৫২টি ব্যবহৃত গাড়ি রপ্তানি করেছিল। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা পাঁচ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৩৯ হাজার ৮৯৬ এ পৌঁছেছে।

    বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক কৌশল চলমান থাকলেও জর্জিয়ার সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি শিল্পের সফলতা তার ভৌগোলিক অবস্থান দিয়ে বোঝানো যায়। এটি কৃষ্ণ সাগর পোর্টের মাধ্যমে ইউরোপে এবং প্রতিবেশী আজারবাইজানের কাস্পিয়ান উপকূলে বাকু হয়ে কেন্দ্রীয় এশিয়ায় প্রবেশাধিকার পায়। এছাড়া উদ্ধার করা গাড়ি মেরামতের জন্য সস্তা শ্রমের খরচ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    ডেভিড গুলাশভিলি বলেন, আমেরিকায় ক্ষতিগ্রস্ত এই গাড়িগুলো পুনঃনির্মাণ করা অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর নয়। এর কারণ হলো, মানব সম্পদের খরচসহ পরিষেবা খরচ অনেক বেশি এবং এই গাড়িগুলোকে আবার রাস্তায় ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি খরচ সময় সাপেক্ষ এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে একটি গাড়ি পুনঃনির্মাণ এবং সেটিকে আবারও বৈধ করতে ছয় মাস সময় লাগে এবং মূলত ৫ হাজার ডলার খরচ হয়। কিন্তু জর্জিয়ায় একই গাড়ি মেরামত করতে ১ হাজার ডলার এবং এক মাস সময় লাগে।

    জর্জিয়ায় আমদানি করা বেশিরভাগ গাড়িই পেট্রল এবং ডিজেল চালিত হলেও, প্রায় তিন দশক ধরে গাড়ির ইঞ্জিন মেরামতকারী জাজা আন্দ্রিয়াশভিলি বলছেন, বৈদ্যুতিক এবং বিশেষত হাইব্রিড গাড়ির প্রতি চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    আন্দ্রিয়াশভিলি বলেন, বর্তমানে আমরা যে গাড়িগুলো নিয়ে আসছি তার প্রায় ৩০ শতাংশ হাইব্রিড। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক না হলেও এটি টয়োটা প্রিয়াসের মতো হাইব্রিড। এই চাহিদা বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক, যেটি প্রতি কোয়ার্টারে ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশের মতো।

    সিএআই-এর ডেপুটি প্রধান নির্বাহী ডেভিড গুলাশভিলি বলেন, টেসলার বৃহত্তম পুনবিক্রয় বাজার হলো ইউক্রেন, যেখানে আমার ১০০ জন কর্মী কাজ করছে। এটি খুব ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আমরা সেখানে প্রভাব তৈরি করার চেষ্টা করছি। আমরা ইউক্রেনে প্রচুর পিকআপ ট্রাকও আমদানি করছি, যেগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • বড় বিজয়ের দিকে দৃষ্টি স্থির রাখতে হবে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি

    বড় বিজয়ের দিকে দৃষ্টি স্থির রাখতে হবে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘মনে রাখতে হবে, দুনিয়ার কোনো অর্জনেই অতি আবেগ প্রকাশ করা যাবে না। বরং স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সিজদায় লুটিয়ে পড়তে হবে এবং বড় বিজয়ের দিকে দৃষ্টি স্থির রাখতে হবে।’

    তিনি এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় যারা ভালো ফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, যারা কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাননি, তাদের হতাশ না হয়ে জীবনের পরবর্তী ধাপের সফলতার জন্য এখনই কাজ শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বাসীরা দুনিয়াতে কোনো কিছু হারালে বা অর্জন করতে না পারলে হতাশ হয় না। বরং ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে, নব প্রচেষ্টায় আরও ভালো কিছু অর্জনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে।’

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ভর্তি পরীক্ষায় কিছুটা এগিয়ে রাখলেও বাস্তবতায় এমন বহু উদাহরণ রয়েছে যেখানে জিপিএ-৫ না পেয়েও পরবর্তীতে উচ্চমানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই। তাই পরবর্তী ধাপের সফলতার জন্য স্বপ্ন, সাহস, বিশ্বাস, অধ্যবসায় ও পরিশ্রমকেই মুখ্য হিসেবে গ্রহণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

  • ৪৩তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন যারা

    ৪৩তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন যারা

    ৪৩তম বিসিএসে ২ হাজার ৬৪ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।

    এতে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশক্রমে ২ হাজার ৬৪ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

    ৪৩তম বিসিএস থেকে ২ হাজার ১৬৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য গত ২৬ ডিসেম্বর সুপারিশ করেছিল সরকারি কর্ম কমিশন। দীর্ঘ দশ মাস পর আজ গেজেট প্রকাশ করা হলো।

    ২ হাজার ৬৪ জনের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন ২৯৩ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৯৬ জন।

  • ৪৩তম বিসিএস থেকে দুই হাজার ৬৪ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

    ৪৩তম বিসিএস থেকে দুই হাজার ৬৪ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

    ৪৩তম বিসিএস থেকে দুই হাজার ৬৪ জনকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    তাদের নিয়োগ দিয়ে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশক্রমে ২ হাজার ৬৪ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

    এর আগে ৪৩তম বিসিএস সুপারিশপ্রাপ্ত ২ হাজার ৮০৫ থেকে ৭৪১ জন বাদ দেওয়া হয়।

    সাধারণত পিএসসি থেকে নিয়োগের সুপারিশের তালিকা জনপ্রশাসনে পাঠানো হয়। এরপর এই তালিকায় থাকা চাকরিপ্রার্থীদের নানা ধরনের তথ্য যাচাই করা হয়। সব তথ্য পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় তাদের নিয়োগের সুপারিশ করে।

    ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএস থেকে ২ হাজার ৮০৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২ হাজার ১৬৩ জনকে ক্যাডার পদে এবং ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বরে। সেই হিসাবে প্রায় চার বছর পর নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ হলো।

  • জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবককে মারধরের অভিযোগ

    জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবককে মারধরের অভিযোগ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্ণকাঠী’ এলাকা তে জমি ক্রয়ের কথা বলে জমির মালিককে ডেকে এনে বেদম মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিক সামুন সিকদার গুরুতর আহত হয়।

    মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আঃ রব সেরনিয়াবাত সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে। কর্ণকাঠী গ্রামের হাবিবুর রহমান চৌকিদার তার ছেলে পলাশ, জুলহাস,মৃদুল,আশিক, মাদকব্যাবসায়ী আলামিন সহ আরও কয়েকজন এ হামলা করেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র’রা আহত সামুন সিকদার কে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম কর্ণকাঠী এলাকায় কেউ জমি কিনলে বা বাড়ি তৈরির কাজ করতে চাইলে হাবিবুর রহমান চৌকিদার ও তার ছেলেদের টাকা না দিয়ে কোন কাজ’ই করা অসম্ভব হাবিবুর রহমান চৌকিদার স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তার মেজো ছেলে জুলাস হাওলাদার মাদকব্যাবসা এবং যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওয়াসিম দেওয়ান এর সাথে জেলা যুবলীগের রাজনীতি করেন সরকার পরিবর্তনের পর তাদের কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেখা না গেলে-ও তাদের চাঁদা নেওয়া চলামন’ই আছে। এছাড়াও কর্ণকাঠী গ্রামে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত জুলহাস হাওলাদার ও পলাশ হাওলাদার বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট চালায় তারা।

    স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, ৫তারিখের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪নং গেটের বিপরীতে দারুচিনি হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁয় চাঁদা নিতে আসলে চাঁদা না দেওয়ায় রেস্তোরাঁর মালিক রাজিব ও তার বাবাকে মারধর করেন তাদের ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে চাঁদা না দেওয়ায় রাজিব ও তার বাবাকে মৃত্যুর হমকি দিয়ে স্হান ত্যাগ করেন।

    স্থানীয় এক বাড়ির মালিক তার পরিচয় গোপন রাখার স্বর্তে বলেন তার কাছ থেকে প্রায়’ই চাঁদা নেন হাবিবুর রহমান চৌকিদারের ছেলেরা ৫তারিখের আগে চাঁদা না দিতে পারলে বিশ্বিবদ্যালয়ের কিছু ছাত্রলীগ নেতা সাথে নিয়ে এসে আমাকে মারতে চাইতেন মালামাল নিয়ে যেতে চাইতেন কাজ বন্ধ করে রাখতেন আমি এখানে না থাকায় রাতের আঁধারে বাড়ি তৈরির জন্য রাখা পাথর সিমেন্ট সহ বিভিন্ন মালামাল বিক্রি করে ফেলেন এজন্য বাধ্য হয়ে আমার তাদেরকে চাঁদা দিতে’ই হয় কারো কাছে ভয়ে মুখ ও খুলতে পারি না, আমি দূর থেকে এসেছি জমি ক্রয় করে বাড়ি করতে এখানে আমার আপন কেউ নেই। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাধারণ ছাত্র বলেন জুলাস হাওলাদারকে প্রায়সময় দেখতেন ববি ছাত্রলীগ নেতা আল সামাদ শান্ত, তমাল, খালেদ, সজলকে নিয়ে বিভিন্ন ভবনের মালিকের কাছে টাকা আনতেন শুধু তাই নয় এই এলাকায় যেই যায়গা বালু ফেলতো তাদের টাকা দিয়েই ফেলতে হতো। স্হানীয় যেকোনো ঘটনা ঘটলে জুলহাস তাদের খবর দিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক সেইসব বিষয় হস্তক্ষেপ করে মিমাংসা হলেই মিমাংসা করেছি বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নিতো, এমন অনেক ঘটনা রয়েছে, স্হানীয় লোকদের কাছে জিজ্ঞেস করলে অনেক তথ্য পাবেন।

    সামুন সিকদার জানান আমি হাবিবুর রহমানের বাড়ির পাশে জমি ক্রয় করেছি আমার জমি সে জবরদখল করে রেখে তার কাছে কম মূল্যে বিক্রি করতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিতেন, আমি রাজি না হলে তার ছেলেরা বিভিন্ন সময় গালাগালি করতেন মারার হুমকি দিতেন, একপর্যায়ে ভয়ে বাধ্য হয়ে তাকে জমি দিতে রাজি হই আমাকে ২০,০০০ হাজার টাকা স্টাম্প চুক্তিতে বায়না করেন হাবিবুর রহমান আগামীকাল ১৫ অক্টোবর দলিল নেওয়ার কথা এজন্য সন্ধ্যায় দলিল লেখকের কাছে কাগজ পত্র দিবে বলে আমাকে সব কাগজ পত্র তাদের কাছে দিয়ে যেতে বলেন। আমি সন্ধ্যার পরে কাগজ নিয়ে তার কাছে আসতেই সে মা-বোন তুলে গালিগালাজ শুরু করেন, আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই তার ছেলে জুলহাস, পলাশ, মৃদুল,আশিক সহ আরো কয়েকজন রড, স্টিলপাইপ, আরএফএল পাইপ, হাতুড়ি দিয়ে মারা শুরু করেন কয়েকজন লাথি ঘুসি মারতে থাকেন এসময় আমি মাটিতে পরে যাই আমাকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে আসে-পাসের লোকজন ছুটে আসলে তখন তাদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে শুনছি তার মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহাগ মামা ও নাহিদ মামা আহত হয়েছেন।

    স লোকজন বলেন ৫তারিখের পরে এমন ঘটনা কোন ভাবে কাম্য নয় হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠ বিচার নিশ্চিত করলে সামুনের মতো এমন হামলার শিকার হতে হবে না আমরা সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাই এমন যেন কারো উপর আর না ঘটে।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান চৌকিদারের মুঠোফোনে বার বার কল করে-ও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

  • ৩ বিচারকের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুনর্গঠন

    ৩ বিচারকের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুনর্গঠন

    ছাত্র-জনতা হত্যার বিচারে তিন বিচারকের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিটি) পুনর্গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শক্রমে হাইকোর্টের দুজন বিচারপতি এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজকে নিয়ে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের কাজ সম্পন্ন করেছি। এ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন হাইকোর্টের বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার। সদস্য হিসেবে হাইকোর্টের আরেকজন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী রয়েছেন।

    উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র-জনতা হত্যার বিচারকাজ শুরুর ব্যাপারে একটা বড় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করব খুব শিগগিরই বিচার কাজ শুরু হয়ে যাবে।

    চলতি মাসে আদালত বিচার কার্যক্রম শুরু করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • হয়রানিমূলক মামলা দায়েরকারীদের সতর্ক করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    হয়রানিমূলক মামলা দায়েরকারীদের সতর্ক করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরকারীদের সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার এ বিষয়ে এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করে মন্ত্রণালয়।

    এতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি হয়রানি করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ নানা প্রকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের উদ্দেশ্যমূলক মামলা দায়ের বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এ সকল কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোরভাবে হুঁশিয়ারিসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সকল অপতৎপরতাকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ অভিযোগ/তথ্য জানানোর জন্য এবং সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।