Blog

  • প্রত্যাহার হচ্ছে সাইবার আইনের মামলা, গ্রেফতাররা মুক্তি পাচ্ছেন

    প্রত্যাহার হচ্ছে সাইবার আইনের মামলা, গ্রেফতাররা মুক্তি পাচ্ছেন

    সাইবার আইনে দায়ের হওয়া ‘স্পিচ অফেন্স’ সম্পর্কিত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাছাড়া এসব মামলায় কেউ গ্রেফতার থাকলে তিনিও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাবেন।

    আইন মন্ত্রাণালয় সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর অধীনে আগস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে মোট ৫ হাজার ৮১৮টি মামলা চলমান রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, উক্ত মামলাগুলোর মধ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তমত প্রকাশের কারণে দায়ের হওয়া মামলাগুলোকে ‘স্পিচ অফেন্স’ এবং কম্পিউটার হ্যাকিং বা অন্যকোনো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিকে ‘কম্পিউটার অফেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    বর্তমানে স্পিচ অফেন্স সম্পর্কিত মোট ১ হাজার ৩৪০টি মামলা চলমান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৬১টি মামলা তদন্তকারী সংস্থার নিকট তদন্তাধীন এবং ৮৭৯টি মামলা দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

    স্পিচ অফেন্স সম্পর্কিত মামলাগুলোর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অধীনে ২৭৯টি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ৭৮৬টি এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীনে ২৭৫টি মামলা চলমান রয়েছে।

    বর্তমান সরকার স্পিচ অফেন্স-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১ হাজার ৩৪০টি স্পিচ অফেন্স সম্পর্কিত মামলার মধ্যে বিচারাধীন ৮৭৯টি মামলা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে। তদন্তাধীন ৪৬১টি মামলা চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

    এসব মামলায় কেউ গ্রেফতার থাকলে তিনি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাবেন।

  • অর্থনীতি পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা অপরিহার্য: প্রধান উপদেষ্টা

    অর্থনীতি পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা অপরিহার্য: প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে এবং সেখানে গণতন্ত্রের শেকড় গভীরে প্রোথিত করতে জাপানের সহযোগিতা অপরিহার্য।

    নিউইয়র্কে জাপানি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯ তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেই তিনি এনএইচকে-কে সাক্ষাৎকার দেন।

    তিনি বলেন, ‘এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ তার সবচেয়ে বড় দাতা জাপানের কাছ থেকে সহায়তার পেতে উন্মুখ।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তার দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে এবং সেখানে গণতন্ত্রের শেকড় গভীরে প্রোথিত করতে জাপানের সহযোগিতা অপরিহার্য।

    সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার করা এবং সরকার প্রস্তুত হলেই নির্বাচন আয়োজন করবে।’ তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা এমন কিছু নয় যে, তা আমরা মেনে নিতে পারব না।’

    জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে ছাত্ররা—উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই বিপ্লবে তরুণেরা তাদের জীবন দিয়েছে। এ সময় তিনি নীতিনির্ধারণে তরুণ প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে তার অবস্থানের ইঙ্গিত দেন।

  • একাদশ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল তিন দিন

    একাদশ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল তিন দিন

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের চলমান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের সময়সীমা তিন দিন বাড়ানো হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আগামী তেসরা অক্টোবর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। এর আগে রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ছিল ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    শিক্ষার্থীদের তেসরা অক্টোবরের বিকেল পাঁচটার মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ করতে হবে।

    রোববার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজ অনলাইনে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত জটিলতার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর আওতাধীন দেশের সব উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি ওয়েবসাইট এর College Login প্যানেলে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ করতে হবে।

  • বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে

    বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে

    গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আজ দিন ও রাতের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন ঘটলেও আগামীকাল থেকে সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আজ রাজধানীতে বৃষ্টি আরও হতে পারে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি বাড়তে পারে। এ বৃষ্টি থাকতে পারে আগামী মাসের অন্তত প্রথম চার দিন।

    সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—আজ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    সেই সঙ্গে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    তবে পরদিন বুধবার সারা দেশেই বৃষ্টিসহ ১ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    এ মাসের শুরুতে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে। আজ আবহাওয়া অফিস সূত্র জানাচ্ছে, বৃষ্টি হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। গত আগস্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছিল।

    বেশি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে ২০ আগস্টের ২০ পর থেকে দেশের দক্ষিণ–পূর্ব ও উত্তর–পূর্বাঞ্চলের অন্তত ১১ জেলায় বন্যার সৃষ্টি হয়।

  • যে কারণে জামায়াত ইসলামপন্থি দলগুলোকে কাছে টানছে

    যে কারণে জামায়াত ইসলামপন্থি দলগুলোকে কাছে টানছে

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় রেখে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে এক মঞ্চ বা প্ল্যাটফর্মে আনা যায় কি না তা নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে অন্যদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    দলটির নেতারা বলছেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভেদাভেদ ভুলে এক হয়ে কাজ করতে হবে- এটি কে ‘থিম’ ধরে ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন তারা, যার মূল লক্ষ্য হলো পরবর্তী সংসদ নির্বাচন।

    এসব রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও অনেকে মনে করছেন জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও আরও কয়েকটি ইসলামপন্থি দলের অল্প পরিসরে হলেও নিজস্ব অবস্থান আছে এবং এর আলোকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক অঙ্গনে সময় ও অবস্থান ভেদে তাদের কিছুটা প্রভাবও তৈরি হয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দলের প্রভাব আছে রাজনীতিতে কিন্তু তারা আসলে এককভাবে নির্বাচনি রাজনীতিতে আগে কখনো তেমন সফলতা পায়নি। আর এখন নতুন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ মাঠে নেই। ফলে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের কথা চিন্তা করেই হয়তো ধর্মভিত্তিক দলগুলো একজোট হওয়ার চিন্তা করছে।

    প্রসঙ্গত, স্বাধীন বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। সেই সুযোগ নিয়ে তখন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থি কয়েকটি দল রাজনীতি শুরু করেছিল। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সরকারের অংশ হয়েছিল জামায়াত।

    দেশে এ মূহুর্তে ১১টি ইসলামপন্থী দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। তবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধনের বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তে আটকে আছে। ২০১৩ সালে হাইকোর্ট এ নিবন্ধন বাতিল করেছিল।

    সাধারণত নির্বাচন এলে বরাবরই ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে তৎপরতা বেড়ে যায়, তবে এবারই প্রথম জামায়াত ইসলামী নিজেই এ ধরনের দলগুলোকে এক প্লাটফর্মে আনা যায় কি না তা নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছে।

    জামায়াতের প্রচার বিভাগের মুখপাত্র মতিউর রহমান আকন্দ অবশ্য বলছেন তার দল আগেও অনেকবার এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

    তিনি বলছেন, গোলাম আযমের (দলটির সাবেক আমির) সময় থেকেই ইসলামি আদর্শে বিশ্বাসী দলগুলোকে নিয়ে এমন চিন্তা হয়েছে। আর জামায়াত শুধু নির্বাচন নয় সামগ্রিক বিষয়েই গুরুত্ব দেয়। সে কারণেই ঐক্যের চেষ্টা শুরু হয়েছে।

    এখন কেন উদ্যোগ?

    জামায়াত যাদের সঙ্গে আলোচনা বা মত বিনিময় করেছে এমন কয়েকটি দল জানিয়েছে, মূলত আগামী নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলগুলোকে এক মঞ্চে আনা বা এক জায়গায় নিয়ে আসাই এবারের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে তাদের কাছে মনে হয়েছে।

    দলটির সূত্রগুলো বলছে ইতোমধ্যেই ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন, লেবার পার্টি, ১২ দলীয় জোট, ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি দল এবং কয়েকজন ইসলামি ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন জামায়াতের নেতারা।

    প্রসঙ্গত, তরিকত ফেডারেশন, খেলাফত আন্দোলন, মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, খেলাফত মজলিস এবং ইনসানিয়াত বিপ্লবের নাম নিবন্ধিত দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আছে।

    আবার পাঁচই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর সেনাপ্রধান জামায়াতে ইসলামী, হেফাজত ও খেলাফত মজলিসের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘরানার রাজনীতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও অনেকে মনে করেন। এর বাইরে ইসলামি আন্দোলন রাজনীতিতে বেশ সক্রিয়।

    দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলছেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিলো এমন কয়েকটি ইসলামি দলকে বাদ দিয়ে বাকীদের নিয়ে একত্রিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনা করছেন তারা।

    তিনি বলছেন, পুরো বিষয়টি নির্ভর করবে সামনে নির্বাচন প্রক্রিয়া কেমন হয় তার ওপর। তবে ইসলামী সংগঠনগুলোর উপলব্ধি হলো মাঠের জনগণ চায় আমরা এক হই। এটাকে বিবেচনায় নিয়ে কথাবার্তা চলছে। তবে কোন ফরম্যাটে কী হবে তা নির্ভর করবে নির্বাচন কেমন হয় তার ওপর।

    আবার কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন দাবি করলেও সংগঠনটির নেতাদের অনেকেই বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলছেন দলগুলোর মধ্যে আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।]

    তিনি বলেন, আলোচনা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। এখনো বলার মতো কোন পর্যায়ে আসেনি।

    একই ধরনের কথা বলেছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের। তিনি শুধু বলেছেন, আলোচনার প্রক্রিয়ায় আমরা আছি। তবে চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

    তবে জামায়াতের উদ্যোগে ঐক্য প্রক্রিয়ার আলোচনায় ইসলামপন্থী দলগুলো অংশ নিলেও কয়েকটি দলের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার জামায়াত প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর কিছু লেখা বা বক্তব্য নিয়ে আপত্তি আছে। সেগুলোর সুরাহা কীভাবে হবে সেই প্রশ্নও আছে অনেকের মধ্যে।

    জামায়াত উদ্যোগ নিলো কেন

    আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ পর্যায়ে এসে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হলেও শেখ হাসিনার বিদায়ের তিন সপ্তাহের মাথায় অন্তর্বর্তী সরকার সে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। তারও আগে শেখ হাসিনার বিদায়ের পরপরই সেনাপ্রধান যাদের সঙ্গে নতুন সরকারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন সেখানে জামায়াতের আমিরও উপস্থিত ছিলেন।

    দলটির মুখপাত্র মতিউর রহমান আকন্দ বলছেন এখন তারা যেটি চাইছেন সেটি হলো ইসলামি ভাবধারা বা আদর্শে বিশ্বাসীদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন বা এ ধরনের সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসা।

    যদিও অনেকে মনে করেন আগামী নির্বাচনে কোন কারণে আওয়ামী লীগ অংশ না নিলে কিংবা অংশ নিতে না পারলে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ‘ইসলামি শক্তি’র প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ২০-দলীয় জোট ভেঙে দেওয়ার পর থেকে জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছে বিএনপি।

    এরপর ২০-দলীয় জোটের দলগুলোকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলন করলেও জামায়াতের সঙ্গে দলটির প্রকাশ্যে আর সম্পর্ক গড়েনি। এমনকি ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরেও দল দুটির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রাজনৈতিক মহলের দৃষ্টিতে এসেছে।

    বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন বলছেন ইসলামপন্থী দলগুলো এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে পারে এবং সেজন্যই তারা হয়ত মনে করতে পারে যে জোটবদ্ধ থাকলে নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের শক্তি আরও দৃশ্যমান হবে। যদিও পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন কবে হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বলছে নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনসহ কয়েকটি বিষয়ের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে চান তারা। অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি অবশ্য শুরু থেকেই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।

    অন্যদিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বরাবরই সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে নতুন সরকারকে সময় দেয়ার পক্ষে মত দিয়ে আসছেন।

  • সিটি করপোরেশন চালাতে কমিটি, কাউন্সিলরের দায়িত্বে সরকারি কর্মকর্তা

    সিটি করপোরেশন চালাতে কমিটি, কাউন্সিলরের দায়িত্বে সরকারি কর্মকর্তা

    ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন করে দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    সিটি করপোরেশনগুলোর প্রশাসক হবেন এই কমিটির প্রধান। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করে কমিটিতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে সদস্য হিসেবে।

    গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনটি স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে রোববার।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলামের স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ‘স্থানীয় সরকার সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ২৫(ক) (২) মোতাবেক সরকার কর্তৃক নিম্নরূপভাবে কমিটি করা হল। ‘

    এই কমিটি স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কর্ম সম্পাদনে সহায়তা করবেন। কমিটির সদস্যরা কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করবেন।

    এ কাজের জন্য কমিটির সদস্যরা বিধি অনুযায়ী সম্মানী ভাতা পাবেন। তবে তা পাঁচ হাজার টাকার বেশি হবে না। এর বাইরে অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তারা পাবেন না।

    ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কমিটি ২৫ সদস্যের। কমিটির প্রধান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সদস্য সচিব।

    এছাড়া অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা মহানগর পুলিশ, রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসন, ঢাকা ওয়াসা, তিতাস গ্যাস, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন করে কর্মকর্তা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।

    ঢাকার বাইরের বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রধান। একইভাবে সদস্য সচিব প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এসব সিটি করপোরেশনে কমিটির সদস্য সংখ্যা ২৩ জন। কমিটির সদস্যরা সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি।

    গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের জন্য ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই তিনটি সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কমিটির সভাপতি। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।

    গত ৫ অগাস্ট প্রবল গণআন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। এর ১১ দিনের মাথায় ১৯ আগস্ট দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। সেদিনই সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বতীকালীন সরকার।

    গত বৃহস্পতিবার দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ৩২৩ পৌরসভার সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের অপসারণ করে দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    সিটি মেয়রদের মধ্যে প্রায় সবাই আত্মগোপনে অথবা মামলার আসামি হয়েছেন। তাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সমর্থক কাউন্সিলররাও কার্যালয়ে আসছিলেন না।

  • ইমরান সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ডজনখানেক, আটক অনেকে

    ইমরান সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ডজনখানেক, আটক অনেকে

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ডজনখানেক লোক আহত হয়েছে। শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কর্মীরা এবং তার সমর্থকরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করতে গেলে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

    পিটিআই-এর ইসলামাবাদ শাখার সভাপতি আমির গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছিলাম। তারপরেও পুলিশ আমাদের কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য বলপ্রয়োগ করেছে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের টিয়ার গ্যাসে বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন এবং অনেককে গ্রেফতার করা হয়।

    বিক্ষোভকারীরা এ সময় তিন রঙের টুপি পরে এবং দলীয় পতাকা উড়িয়ে ‘ইমরান খান দীর্ঘজীবী হোক’, ‘ইমরান খানকে মুক্তি দাও’ এবং ‘কারচুপির নির্বাচন মানি না মানব না’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর নিক্ষেপ করছে এবং পুলিশ পালটা টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করছে।

    পিটিআই অভিযোগ করে বলেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর লিয়াকত বাগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়ে সরকারের তালবাহানা এবং দেরিতে অনুমতি দেওয়ার কারণে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করার ঘোষণা দেয়।

    কিন্তু খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের আগেই উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন এবং বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।

    পিটিআই আরও অভিযোগ করে জানায়, ‘পিটিআইয়ের অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহার খান এবং সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার সালমান আকরাম রাজার গাড়ি ইসলামাবাদ পুলিশ থামিয়ে দেয়। যা সেনা সমর্থিত বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের কাপুরুষোচিত আচরণ’।

    অন্যদিকে পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র আযমা বোখারি পিটিআইকে দোষারোপ করে বলেন, ‘তারা শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্যই এ বিক্ষোভ করছে’।

  • হিজবুল্লাহ নেতা নাসরুল্লাহর বিয়োগে লেবাননে ৩ দিনের শোক

    হিজবুল্লাহ নেতা নাসরুল্লাহর বিয়োগে লেবাননে ৩ দিনের শোক

    ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর শাহাদাতের ঘটনায় লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আরও বড় সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, লেবাননের সব সরকারি দপ্তর, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পৌরসভায় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নাসরুল্লাহর জানাজার দিন সব সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। যদিও হিজবুল্লাহ এখনও জানাজার তারিখ ঘোষণা করেনি।

    শুক্রবার বৈরুতে নাসরুল্লাহ ও অন্যান্য কমান্ডারদের হত্যার পর লেবানন ও আশেপাশের অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। শনিবারও ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা চালায়। এতে ৩৩ জন নিহত এবং ১৯৫ জন আহত হয়েছেন।

  • ‘সমবায় ব্যাংক থেকে ১২ হাজার ভরি সোনার হদিস নেই’

    ‘সমবায় ব্যাংক থেকে ১২ হাজার ভরি সোনার হদিস নেই’

    বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকে থাকা ১২ হাজার ভরি সোনার কোনো হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ।

    রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বার্ডের ৫৭তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এই কথা জানান।

    এলজিআরডি উপদেষ্টা বলেন, ‘সমবায় ব্যাংকের ১২ হাজার ভরি সোনার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকের সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে। যারা একসময় ব্যাংকে ছিলেন তারাই বেদখল করে বসে আছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিপিআরসি চেয়ারম্যান ড. হোসেইন জিল্লুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. তোফায়েল আহমেদ, বার্ডের মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ।

  • ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুতে বছরের রেকর্ড

    ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুতে বছরের রেকর্ড

    ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১২২১ জন। যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্ত।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১২২১ জন।

    হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮৩, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬৭, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২০৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ২২৮, খুলনা বিভাগে ১৩৪ জন রয়েছেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৫৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৮ এবং রংপুর বিভাগে ২৮ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।