Blog

  • স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে কয়েক বছর ধরে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে আসছে সরকার। এবার তাতে পরিবর্তন আনা হবে কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

    পাশাপাশি বয়স নিয়ে প্রতি বছর যে জটিলতার সৃষ্টি হয়, সেখানেও বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। আলোচিত বিষয়গুলো সামনে রেখে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা সংশোধনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সভা ডাকা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। সভায় মাউশিসহ রাজধানীর নামিদামি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ ১৫ সদস্য অংশ নেবেন।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা সভার নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সভার সদস্যরা হলেন—মাউশির মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি, মাউশির একজন যুগ্ম-সচিব, উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিবদের একজন, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, মাউশির কলেজ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক, মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক, উপ-পরিচালক, ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যে থাকবেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ এবং সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আব্দুর রশীদ এ বিষয়ে বলেন, ‘কী পরিবর্তন আসবে, সেটা কাল ঠিক হবে। আমরা প্রথমে বেসরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটা করব। তারপর সরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটাও সংশোধন করা হবে।’

    লটারির মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা এখন আমি বলতে পারব না। কাল বৈঠকে বসি, সবার কথা শুনি। মাউশি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, তারপর বলা যাবে। তবে খুব যে পরিবর্তন আসবে, সেটা বলা যায় না।’

  • শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা জানালেন জয়

    শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা জানালেন জয়

    ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে গত মাসে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

    বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয় বলেছেন, দেশে ফেরার বিষয়টা শেখ হাসিনার ওপর নির্ভর করবে।

    এর আগে, গত মাসে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছিলেন যে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হবেন এবং পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চায়।

    বাংলাদেশের গণআন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। এমন প্রেক্ষিতেই তিনি ওই কথা বলেন।

    তবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন কী-না, মঙ্গলবার জানতে চাওয়া হলে জয় বলেন, ‘এটা তার (শেখ হাসিনা) সিদ্ধান্ত। এ মুহূর্তে আমি আমার দলের লোকজনকে নিরাপদে রাখতে চাই। ইউনূস সরকার তাদের ওপর যে নিষ্ঠুরতা চালাচ্ছে, সেটাকে আমি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চাই’।

    বাংলাদেশে আগামী দেড় বছরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে সেনাপ্রধান যে মন্তব্য করেছেন, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কার্যকর কোন সংস্কার বা নির্বাচন করা অসম্ভব।

    নির্বাচন আয়োজনের সময় আরো আগেই প্রত্যাশিত ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

    সোমবার রয়টার্সে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশে ‘দেড় বছরের মধ্যেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণ হওয়া উচিত’ বলে তিনি মনে করেন। তবে ‘পরিস্থিতি যাই হোক না কেনো’ তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাবেন।

    তার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, শেষপর্যন্ত আমরা একটা সময়সীমা পেয়েছি, এতে আমি খুশী। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, একটি অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার দেশে নানা সংস্কারের কথা বলছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলবে।

    শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ বাহিনী অকার্যকর হয়ে পড়লে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

    তবে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানের অতীত কিছু উদাহরণও তুলে ধরেন।

    তিনি বলেছেন, দেশের সবচেয়ে পুরোনো এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য সংস্কার বা নির্বাচন করা অসম্ভব।

    তার ভাষায়, ‘এটা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্ভর করছে যে, তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করবে নাকি তাদের মতো করে নির্বাচন আয়োজন করবে’।

  • মাহফুজসহ যাদেরকে মঞ্চে আনলেন ড. ইউনূস

    মাহফুজসহ যাদেরকে মঞ্চে আনলেন ড. ইউনূস

    অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মার্কিন সরকারের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান বাইডেন।

    বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা জো বাইডেনকে জানান।

    শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কীভাবে ছাত্র-জনতা সাহস নিয়ে বুক পেতে দাঁড়িয়েছে, সেই ঘটনা পুরো বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন। বক্তব্যের শেষদিকে তার বিশেষ সহকারী মাহফুজসহ মোট ৩ জনকে স্টেজে ডেকে এনে আন্দোলনে তাদের ভূমিকা প্রকাশ করেন।

    নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

    বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের আন্দোলন ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের কথা জানান এবং নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থানের কথা বলার সময় তিনি দর্শকদের জানান, এখানে তাদের কয়েকজন প্রতিনিধি রয়েছে।

    এ সময় তিনি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজসহ ৩ জনকে স্টেজে আসতে বলেন। বিল ক্লিনটনও তাদের নাম শুনে হাততালি দেন। ৩ জনের মধ্যে একজন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা তিথি।

    তাদের স্টেজে এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তাদের দেখতে অন্য তরুণদের মতো মনে হলেও আপনি যখন তাদের কাজ দেখবেন, বক্তব্য শুনবেন, আপনিও অবাক হবেন। তারা সারাদেশ নাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক কিছু হয়েছে, কিন্তু তারা তাদের বক্তব্য, ত্যাগ কিংবা কমিটমেন্ট থেকে পিছিয়ে যায়নি। তাদের বক্তব্য ছিল- আপনারা চাইলে আমাদের হত্যা করতে পারেন, কিন্তু আমরা পথ ছেড়ে যাব না।

    শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে ড. ইউনূস বলেন, তারা যেভাবে কথা বলে, এরকম কথা আমি কখনো শুনিনি। তারা নতুন পৃথিবী, নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুত। প্লিজ আপনারা তাদের হেল্প করবেন। যেন তারা তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। এগুরু দায়িত্ব আমাদের সবার নিতে হবে।

    এসময় তিনি বিল ক্লিনটনের হাত ধরে বলেন, আপনি আমাদের সঙ্গে আছেন এ স্বপ্ন পূরণে।

    এসময় মাহফুজকে এগিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, গণ-অভুত্থানের পেছনের কারিগর মাহফুজ। যদিও মাহফুজ সব সময় বলে, সে নয়, আরও অনেকে আছে। যদিও সে গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের কারিগর হিসেবে পরিচিত।

    এটা খুব সুশৃঙ্খল আন্দোলন ছিল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটা হঠাৎ করে হয়েছে এমন কিছু নয়। খুবই গোছানো আন্দোলন। এছাড়াও এত বড় আন্দোলন হয়েছে মানুষ জানতো না। কে আন্দোলনের লিডার? যার ফলে একজনকে আটক করা যেত না। বলাও যেত না যে, একজনকে আটক করলে আন্দোলন শেষ।

    মাহফুজকে দেখিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তার কথা শুনলে সারা পৃথিবীর যে কোনো তরুণ অনুপ্রাণিত হবে। তারা নতুন বাংলাদেশ তৈরি করবে। তাদের সফলতার জন্য আপনারা প্রার্থনা করবেন। এ সময় বিল ক্লিনটনসহ সবাই হাততালি দিয়ে সম্মান জানান।

  • এইচএসসির ফলাফল ঘোষণায় নতুন সিদ্ধান্ত

    এইচএসসির ফলাফল ঘোষণায় নতুন সিদ্ধান্ত

    চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের কিছু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও আন্দোলনের কারণে কিছু পরীক্ষা বাতিল করা হয়। অনুষ্ঠিত পরীক্ষাগুলোর উত্তরপত্র (খাতা) মূল্যায়ন করে ফল তৈরি হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

    অন্যদিকে বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর ফল তৈরি করা হবে পরীক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক প্রফেসর তপন কুমার সরকার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। প্রথম দফায় প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।

    সিলেট বোর্ড ছাড়া বাকি বোর্ডগুলোর আবশ্যিক ছয়টি এবং কেউ কেউ বিভাগভিত্তিক একটি পরীক্ষাসহ ৭টি পরীক্ষা দিয়েছেন। ফলে কারও ছয়টি, কারও সাতটি পরীক্ষা বাতিল হয়েছে, যেগুলো সবই বিভাগভিত্তিক।

  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া হলেও টাকা নিতেন ছাত্রলীগের নেতা শিরোনামে দৈনিক দেশ রুপান্তর পত্রিকা সংবাদ প্রকাশ করেন।

    সংবাদে লিখেন স্থানীয় ছাত্রদল নেতা রিয়াজ হাওলাদার, রাহাত, সোহাগ সিকদার, রাজিব মন্ডলকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে নিয়ে আসে এসে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকর্মী নাহিদ রাফিনের বাসায় ওঠেন।

    দুপুরে রিয়াজ হাওলাদারের সাথে দেখা করতে আসলে ঘিরে ধরে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

    দৈনিক রুপান্তর পত্রিকার এমন সংবাদ দেখে আমরা বিব্রত আমাদের সাথে দৈনিক রুপান্তর পত্রিকার কোন সংবাদ কর্মীর সাথে কথা হয়নি। তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রচার করেছে। আমরা এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    রিয়াজ হাওলাদার বলেন, ২৪/০৯/২৪ তারিখ বেলা ১১টার দিকে আমরা কর্ণকাঠী ভোলার মোড় স্বপনের চায়ের দোকানে বসা ছিলাম। এসময় দেখতে পাই পাশের ঘরোয়া হোটেলের সামনে কিছু বিক্ষুদ্ধ জনতা পাওনা টাকার জন্য (ববি’র) সাবেক ছাত্র রাজীব মন্ডলকে ঘিরে ধরেন। আমরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে সেখানে যেন কোন হানাহানি রক্তারক্তির ঘটনা না ঘটে সেজন্য (ববি) সাধারণ শিক্ষার্থীদের জানাই। তারা আসলে তাদের সাথে নিয়ে সমঝোতার বিষয়ে বিক্ষুদ্ধ জনতা ও (ববি’র) সাবেক ছাত্র রাজীব মন্ডলের সাথে কথা বলি। তাদের দুই পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে দেনা পাওনা পরিশোধের বিষয়ে পাওনাদার বেশি হওয়ায় তারা তাদের পক্ষ থেকে মোঃ হানিফ হাওলাদার রিয়াজ এর নাম বলেন ও রাজীব মন্ডলের পক্ষে তার ব্যাবসায়ী পার্টনার স্হানীয় বাসিন্দা আল আমিন জামিনদার হয়ে তিন মাসের সময় নিলে ঘটনা স্থলের সাক্ষী রেখে তাদের মধ্যে তিন শত টাকার স্টাম্পে চুক্তিনামা তৈরি করে বিষয়টি সমঝোতা করে দেই।  

  • যে সমস্যার সমূলে উৎখাত চান অভিনেতা

    যে সমস্যার সমূলে উৎখাত চান অভিনেতা

    গত ৯ আগস্ট ভোররাতে কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। সেই ঘটনায় ভারতজুড়ে তোলপাড় চলছে।

    সম্প্রতি অভাবের কারণে এক কেশসজ্জা শিল্পীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় পুরো বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি তোলপাড়। গত মে মাসে সাসপেন্ড করা হয়েছিল সেই হেয়ার ড্রেসারকে। সাসপেনশন তুলে নিলেও কাজ পাচ্ছিলেন না তিনি। অভাবের কারণে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন সেই শিল্পী।

    ধর্ষণ কাণ্ডের পর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় ক্ষুব্ধ টলিপাড়ার অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। মুখ খুলেছেন অনেক তারকা, পরিচালক-নির্মাতারা।

    অভিনেতা রজতাভ দত্ত বলেছেন, ‘আগে গল্পে-সাহিত্যে পড়েছিলাম গ্রামের কাউকে একঘরে করে রাখা হতো, সেরকমই আবার দেখতে পাচ্ছি। বিষয়টা অত্যন্ত ঘৃণ্য এবং নিন্দনীয়। এরকম ভয়ের পরিবেশ কেন থাকবে? একজন মানুষ জন্মের সঙ্গে সঙ্গে মতপ্রকাশের নিজের ইচ্ছামতো কাজ বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে। সেই অধিকারে বাধা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়, এটা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি মনে করি একটা অসুখকে যদি শনাক্ত করা যায় তাহলে সেটাকে সারিয়ে ফেলাটা তুলনামূলক সহজ। হয়তো অন্য ইন্ডাস্ট্রি বা কর্মক্ষেত্রেও এগুলো রয়েছে। আমাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রচার পায়। যেহেতু আমাদের যে কোনো জিনিসই অনেক বেশি মানুষের সামনে চলে আসে। সেটা যেভাবেই আসুক না কেন, অসুখটা যখন চিহ্নিত করা গেছে, তখন সেটাকে সমূলে উৎখাত করতে হবে।’

  • বয়স্ক ভাতার জন্য ৮০ বছরের বৃদ্ধার ২ কিলোমিটার হামাগুড়ি

    বয়স্ক ভাতার জন্য ৮০ বছরের বৃদ্ধার ২ কিলোমিটার হামাগুড়ি

    বয়স্ক ভাতা তুলতে ৮০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধাকে ২ কিলোমিটার রাস্তা হামাগুড়ি দিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে যেতে হলো।

    ওই বৃদ্ধার নাম পাথুরি দেহুরি। অসুস্থতার কারণে তিনি হাঁটতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ। তার পায়ে সমস্যা।

    গত শনিবার পূর্ব ভারতের ওড়িশার কেওনঝাড়ের তেলকই ব্লকে এমন ঘটনা ঘটে। সরকারি ভাতায় তার দিন চলে। কার্যত বাধ্য হয়েই তিনি গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত অফিসে।

    ৮০ বছর বয়সি সেই বৃদ্ধা জানান, এই বয়স্ক ভাতার টাকায় আমার দিন চলে। পঞ্চায়েতের কর্মকর্তা আমায় বলেছিলেন বয়স্ক ভাতার টাকা নিতে হলে অফিসে যেতে হবে। কেউ আমার বাড়িতে এসে বয়স্ক ভাতার টাকা পৌঁছে দিতে রাজি হয়নি, তাই বাধ্য হয়েই ২ কিলোমিটার পথ হামাগুড়ি দিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েছি।

    পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে যাতে বাড়িতে গিয়েই রেশন ও ভাতার টাকা দেওয়া হয় সেটা বলা হয়েছে।

  • জেলেনস্কিকে ‘ইতিহাসের সেরা বিক্রয়কর্মী’ বললেন ট্রাম্প

    জেলেনস্কিকে ‘ইতিহাসের সেরা বিক্রয়কর্মী’ বললেন ট্রাম্প

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ইতিহাসের সেরা বিক্রয়কর্মী বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, প্রতিবার তিনি (জেলেনস্কি) যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, ছয় হাজার কোটি মার্কিন ডলার জিতে চলে যান।

    এবারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেলেনস্কি মনেপ্রাণে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীর জয় চান বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। আগামী ৫ নভেম্বর এ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    সোমবার পেনসিলভানিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে জেলেনস্কিকে নিয়ে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। জেলেনস্কি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন।

    গত রোববার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। রাশিয়ার সঙ্গে আড়াই বছর ধরে চলা যুদ্ধ অবসানে কিয়েভের পরিকল্পনা জানাতে এবার সেখানে গেছেন তিনি।

    এএফপির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ট্রাম্পের কাছে নিজের পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন জেলেনস্কি। তিনি এ পরিকল্পনার নাম দিয়েছেন ‘বিজয় পরিকল্পনা’।

    পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্প আরও বলেছেন, যদি নির্বাচনে জেতেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ফোন করবেন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে দুজনকে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার তাগাদা দেবেন।

  • ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় অধ্যক্ষের হাতে ছয় বছরের ছাত্রী খুন

    ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় অধ্যক্ষের হাতে ছয় বছরের ছাত্রী খুন

    ভারতের গুজরাট প্রদেশের দাহোদ জেলায় ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ছয় বছরের শিশুকে গলা টিপে হত্যা করেছে অধ্যক্ষ। হত্যার পর স্কুল কম্পাউন্ডেই লাশ ফেলে রাখা হয়। এই খুনের অভিযোগে ৫৫ বছর বয়সি অধ্যক্ষ গোবিন্দ নাথকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর এনডিটিভির।

    ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা রাজদীপ সিং ঝালা গণমাধ্যমকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্কুল কম্পাউন্ড থেকে ছয় বছরের মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে জানা যায়, শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে তার। এরপর পুলিশ মামলা দায়ের করে ঘটনা তদন্তে ১০টি টিম গঠন করে।

    ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, অধ্যক্ষ গোবিন্দ নাথের সঙ্গেই প্রতিদিন স্কুলে যেত ওই শিশু। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোবিন্দ বলেছিলেন, ঘটনার দিন শিশুটিকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে অন্য কাজে চলে গিয়েছিলেন।

    তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের কাছে খুনের বর্ণনা দিয়ে দায় স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গোবিন্দ নাথ। পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন অধ্যক্ষ, তবে সে সময় মেয়েটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরেন গোবিন্দ। তখনই মেয়েটির মৃত্যু হয়।

  • ফখরুলের সঙ্গে কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, যে আলোচনা হলো

    ফখরুলের সঙ্গে কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, যে আলোচনা হলো

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় গুলশান চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাদের মধ্যে এই বৈঠক হয়।

    প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দুদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আমরা এ কথা বলেছি যে, ভবিষ্যতে যদি বাংলাদেশের জনগণ আমাদেরকে এদেশ পরিচালনায় দায়িত্ব দেয় তাহলে আমরা বাংলাদেশের মানুষ তথা কোরিয়ার মানুষের স্বার্থ, সেই স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে উভয়ের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রেখে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবো।

    তিনি বলেন, কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং ইনভেস্টমেন্ট- এগুলো আজকে আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা খোলাখুলিভাবে কথা বলেছি, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ছাত্র-জনতার যে বিপ্লব, সেই বিপ্লব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের যে পরিবর্তন, সেই পরিবর্তন নিয়ে আলাপ হয়েছে।

    মঈন খান আরও বলেন, গত ১৭ বছর দুর্নীতিতে যে এদেশ রেকর্ড গড়েছিল, শুধু তাই নয়- এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যেতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে। আর ভবিষ্যতে কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের যে সম্ভাবনা রয়েছে, যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক-স্পষ্টতই কোরিয়া কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিয়ে বাংলাদেশে আসেনি। তারা অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে, যাতে করে কোরিয়া ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণ এ থেকে উপকৃত হতে পারে। সেটাই হচ্ছে কোরিয়া ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মূলনীতি। সেই নীতি আমরা অনুসরণ করেই কিন্তু দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক অতীতেও বজায় রেখেছি ।

    বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে ড. মঈন খান, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাজভীরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।