Blog

  • ১০ বছর নিষিদ্ধ হতে পারে আওয়ামী লীগ

    ১০ বছর নিষিদ্ধ হতে পারে আওয়ামী লীগ

    চলতি বছরের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নির্বিচারে দমন পীড়ন চালায় শেখ হাসিনার সরকার। এতে সহস্রাধিক মানুষের প্রাণের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

    এদিকে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

    পরিপ্রেক্ষিত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    সভায় গণহত্যায় কোনো বাহিনী বা দলের সম্পৃক্ততায় গুম, খুন যৌন নির্যাতনকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা ও জড়িত রাজনৈতিক দলকে ১০ বছর নিষিদ্ধ করাসহ ৮টি সংশোধনীর প্রস্তাব করে আইন মন্ত্রণালয়।

    সোমবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব প্রস্তাব দেন আইন উপদেষ্টা। এদিকে এসব প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে আরও কিছু প্রস্তাব দিয়েছে বিশিষ্টজনরা।

    উপরোক্ত অভিযোগে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ। এই দলটিও ১০ বছর নিষিদ্ধ হতে পারে মত দেন অনেকে।

    সভায় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমকে সচল করার লক্ষ্যে প্রসিকিউশন ও ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করা হয়েছে। এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বোর্ডকে (ট্রাইব্যুনাল) পুনর্গঠন করা। আমরা এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের সংস্কার কার্যক্রম এখানেই থেমে থাকবে না। যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তাদের সবার মতামত নিয়ে এই আইন সংশোধন করা হবে।

    রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, ধারা ২০-এ রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকে নিষিদ্ধের কথা বলা হয়েছে। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে, এই নিষিদ্ধ কি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ অ্যাকটিভিটিসকে নিষিদ্ধ করবেন, নাকি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিষিদ্ধ করা হবে। কারণ হচ্ছে সারা পৃথিবীতেই রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটি রয়েছে। দেশে নিষিদ্ধ হলে দেশের বাইরে কার্যক্রম চলছে, সেক্ষেত্রে নিষিদ্ধের এলাকা কোনটা হবে, এটা ঠিক করা হবে কীভাবে?

    চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

    এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন, সমবায় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম রব্বানী, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব (চলতি দায়িত্ব) ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. বদিউল আলম মজুমদার, সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইকতেদার আহমেদ, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ও অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বেগম আসমা সিদ্দীকা, রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (ড্রাফটিং) মো. রফিকুল হাসান, ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী অফিসের কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান, আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সোস্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ড. জাহেদুর রহমান, সাংবাদিক সাঈদ আব্দুল্লাহ, সানজিদা ইসলাম, শরিফ ভূঁইয়া প্রমুখ নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

  • গুম কমিশনে অভিযোগ দেওয়ার মেয়াদ বাড়ল

    গুম কমিশনে অভিযোগ দেওয়ার মেয়াদ বাড়ল

    গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারিতে অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    সোমবার গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর দিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, এ সময়ের মধ্যে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে গুমের ঘটনার ভিকটিম নিজে অথবা পরিবারের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা গুমের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী যে কোনো ব্যক্তি স্বশরীরে কমিশনের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বা ডাকযোগে বা কার্যালয়ের ইমেইলে সর্বশেষ আগামী ১০ অক্টোবর সময়ের মধ্যে প্রতি কর্মদিবসে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।

    বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • উত্তরের আবর্জনা ভর্তি বেলুনের কড়া জবাব দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

    উত্তরের আবর্জনা ভর্তি বেলুনের কড়া জবাব দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

    উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অস্থিরতা সম্প্রতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। উত্তর কোরিয়া আবর্জনা ভর্তি বেলুন উড়িয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশপথে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করছে। এমন বেলুন ওড়ানোর বিরুদ্ধে ‘কঠোর সামরিক পদক্ষেপ’ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। খবর এএফপির।

    জানা গেছে, গত মে-র পর থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার আবর্জনা ভর্তি বেলুন উড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া। এসবের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ড এবং দক্ষিণের বিভিন্ন সরকারি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।

    দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রোপাগান্ডা লিফলেট সম্বলিত বেলুন পাঠানোর জবাব দিতে আবর্জনা ভর্তি বেলুন ওড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া।

    তবে বেলুন-কাণ্ডে এখন বিরক্তির চরমসীমায় পৌঁছে গেছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাই উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দেশটির জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ লি সুং-জুন বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়ার আবর্জনা ভর্তি বেলুন যদি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা দেয় অথবা সীমালঙ্ঘন করে, তাহলে সিউল কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেবে।’

    ‘উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে পর্যবেক্ষণ করছে আমাদের সামরিক বাহিনী। এছাড়া বেলুনগুলো কোথা থেকে ছোঁড়া হচ্ছে, সেটাও ট্র্যাক করা হচ্ছে’-যোগ করেন লি সুং-জুন।

    উত্তর কোরিয়ার আবর্জনা ভর্তি বেলুনের কারণে দক্ষিণের ইনচন বিমানবন্দরের কার্যক্রম কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরই এই হুঁশিয়ারি দেন দক্ষিণ কোরিয়ার এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা।

  • শ্রমিকদের সব দাবি মেনে নিলো মালিকপক্ষ

    শ্রমিকদের সব দাবি মেনে নিলো মালিকপক্ষ

    দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে আয়োজিত বৈঠকে শ্রমিকদের ১৮ দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শ্রমিকপক্ষ এবং মালিকপক্ষের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    একই সঙ্গে পবুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশের সব শিল্পকারখানা খোলা রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এ এইচ এম সফিউজ্জামান।

    সভায় জানানো হয়, দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের ১৮ দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ। এগুলো হলো, টিফিন বিল প্রদান, ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব কারখানায় ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন, শ্রমঘন এলাকায় টিসিবি ও ওএমএসের মাধ্যমে রেশন প্রদান, শ্রমিকদের আগের বকেয়া ১০ অক্টোবরের মধ্যে পরিশোধ, ঝুট ব্যবসা মনিটরিং করে শ্রমিকদের মধ্যে থেকে ক্রেতা বের করা, কারখানার শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা বন্ধ করতে মনিটরিং বিষয়ে একমত হয়েছে উভয়পক্ষ।

    এছাড়াও গত বছর ন্যূনতম মজুরি আন্দোলন ও বিভিন্ন সময়ে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে করা নিপীড়ন মামলা প্রত্যাহারের জন্য রিভিউ করে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাধান করা, নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা, রানাপ্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনের বিষয়ে কমিটি গঠন, সব কারখানায় ডে কেয়ার সেন্টার নিশ্চিতের দাবি মানা হয়েছে।

    অন্যায্যভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করা, নারী কর্মীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে তিন সদস্যের কমিটি গঠন, শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে কাজ করা, প্রভিডেন্ট ফান্ড পর্যালোচলা করে শ্রমিক মালিকের আলোচনার মাধ্যমে চালু করা এবং প্রতি বছর দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট দিতে কমিটি গঠন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    গতকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সরকারের কাছে ১৮টি দাবি উত্থাপন করে শ্রমিক পক্ষ।

    তাদের দাবিগুলো হলো

    ১. মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনপূর্বক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।

    ২. যে সব কারখানায় ২০২৩ সালে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

    ৩. শ্রম আইন সংশোধন করতে হবে।

    ৪. কোনো শ্রমিকের চাকরি পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলে/চাকরিচ্যুত হলে একটি বেসিকের সমান অর্থ প্রদান করতে হবে, এর সাথে সাংঘর্ষিক শ্রম আইনের ২৭ ধারাসহ অন্য ধারাসমূহ সংশোধন করতে হবে।

    ৫. সব প্রকার বকেয়া মজুরি অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

    ৬. হাজিরা বোনাস (২২৫ টাকা), রাত ৮ টার পর বিদ্যমান টিফিন বিলের সাথে ১০ টাকা এবং বিদ্যমান নাইট বিল১০ টাকা বৃদ্ধি করে নূন্যতম ১০০ টাকা করা।

    ৭. সব কারখানায় প্রভিডেন্ড ফান্ড ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

    ৮. মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্টের বিষয়ে কমিটি গঠন

    ৯. শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

    ১০. বিজিএমইএ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বায়োমেট্রিক ব্ল্যাকলিস্টিং করা যাবে না; বায়োমেট্রিক তালিকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    ১১. সব প্রকার হয়রানিমূলক এবং রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

    ১২. ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, প্রয়োজনে এ বিষয়ে আইন করতে হবে।

    ১৩. কলকারখানায় বৈষম্যবিহীন নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

    ১৪. জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

    ১৫. রানা প্লাজা এবং তাজরীন ফ্যাশনস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে তদন্তান্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ১৬. শ্রম আইন অনুযায়ী সব কারখানায় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করতে হবে।

    ১৭. অন্যায্যভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে।

    ১৮. নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১২০ দিন নির্ধারণ করতে হবে।

  • ইউনূস-বাইডেন বৈঠক রাতে

    ইউনূস-বাইডেন বৈঠক রাতে

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডিন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস মঙ্গলবার রাতে বৈঠকে বসবেন।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় (স্থানীয় সময় বেলা ১১টায়) এ বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর ফাহমিদ ফারহান।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ২৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়।

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের একজন কূটনীতিক জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যেদিন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তৃতা দেন, ওই দিন বিকালে তিনি অধিবেশনে আগত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

    এর আগে অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের কোনো শীর্ষ নেতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কোনো বৈঠক হয়নি। বাংলাদেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

    ছাত্র-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ইউনূসের প্রথম বিদেশ সফর। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

    এ তালিকায় আছেন- ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কফ, বাহরাইনের প্রধানমন্ত্রী সালমান বিন হামাদ আল খলিফা, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবো।

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফ্লিপো গ্র্যান্ডিসহ জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

  • গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছর সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের চতুর্থ ধাপের প্রাথমিক ভর্তি শুরু হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া ২৮ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক ভর্তি ও ফি প্রদান করতে হবে ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা হতে ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মূল কাগজপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। ইতিপূর্বে প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকলে জিএসটির অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশন হলেও শিক্ষার্থীর করণীয় কিছু নেই। মূল কাগজপত্র প্রাথমিক ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়েই জমা থাকবে।

  • ডেঙ্গুতে মৃত্যু কম হওয়ায় সন্তুষ্টির কিছু নেই: উপদেষ্টা

    ডেঙ্গুতে মৃত্যু কম হওয়ায় সন্তুষ্টির কিছু নেই: উপদেষ্টা

    এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কম, এতে সন্তুষ্টি প্রকাশের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ।

    তিনি বলেছেন, সংক্রমণ হচ্ছে- এটাই আমাদের চিন্তার বিষয়। আমাদের এদিকে বেশি নজর দিতে হবে। সংক্রমণ রোধে দুইটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। একটা হলো চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, লার্ভা সাইডের মেডিসিন দেওয়া, ফগিং করা। আরেকটা হলো জনগণকে সচেতন করা।

    মঙ্গলবার সকালে পুরান ঢাকার নয়াবাজারের নবাব সিরাজউদ্দৌলা পার্কে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বিভিন্ন পাড়ায় বা মহল্লায় গিয়ে অনুসন্ধানী রিপোর্ট করুন। কাউন্সিলরকে প্রথমেই গিয়ে জিজ্ঞেস করুন, কেন তার এলাকা এতো অপরিচ্ছন্ন।তাহলে দেখা যাবে, কাউন্সিলররাও তৎপর হবেন এবং ধাপে ধাপে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও মাঠে পাওয়া যাবে।

    উপদেষ্টা আরও বলেন, চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিম কাজ শুরু করে দিয়েছে। ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে তারা প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করছেন। ঝুকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এই টিমগুলো কাজ করবে। 

    পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এএইচএম কামরুজ্জামানসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • বিমানবন্দরে ভিআইপি সার্ভিস পাবেন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা: আসিফ নজরুল

    বিমানবন্দরে ভিআইপি সার্ভিস পাবেন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা: আসিফ নজরুল

    আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশের বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে সেবার মানোন্নয়ন করা হয়েছে। আরেকটি সেবা যেটা আমরা চালু করতে যাচ্ছি, সেটি হচ্ছে- বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশে এলে ভিআইপি সেবা পাবেন। একজন ভিআইপি এয়ারপোর্টে যেসব সুবিধা পান, লাউঞ্জ ব্যবহার ছাড়া আমরা সবই করার সুবিধা দেব।

    মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।

    ড. আসিফ নজরুল বলেন, একজন ভিআইপি যখন এয়ারপোর্টে যান তখন তার লাগেজ নিয়ে একজন সঙ্গে থাকেন, চেকইন করার সময় সঙ্গে একজন থাকেন, ইমিগ্রেশন করার সময় পাশে একজন থাকেন। প্রাথমিকভাবে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের কর্মীদের টার্গেট করেছি। ইউরোপের কর্মীদের পরে করব। প্রথম স্তরে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া এবং ফেরত আসা একজন কর্মী ভিআইপি ট্রিটমেন্ট পাবেন। লাউঞ্জ ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে আমরা পরে চিন্তা করছি, এটা অনেক পরের কাজ।

    তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে আমরা যেটা করব- বিমানবন্দরে যাওয়ার পর একজন কর্মীর যে অসহায় অবস্থা তৈরি হয়, সেটি দূর করব।

    তিনি আরও বলেন, কর্মী কোন গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন, চেকইন কিভাবে করবেন, ফরম পূরণ করা লাগলে কিভাবে করবেন, ইমিগ্রেশনে কোনো কাগজ চাইলে কিভাবে সেটি করবেন, এসব কাজে নিয়োজিত থাকবে বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক। প্রয়োজনে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ট্রেনিং দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ করব। আমরা এটি দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করব। একজন প্রবাসী যেন কোনো অবস্থাতেই এয়ারপোর্টে হয়রানির শিকার না হন, অপমানিত বোধ না করেন, এ ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স থাকবে। আমরা অবশ্যই এটি নিশ্চিত করে ছাড়ব।

  • গণঅভ্যুত্থানে নিহত ৭০৮ জনের তালিকা প্রকাশ

    গণঅভ্যুত্থানে নিহত ৭০৮ জনের তালিকা প্রকাশ

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তালিকায় প্রাথমিকভাবে ৭০৮ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।পরবর্তীতে আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয় থেকে।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব উম্মে হাবিবা স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে (২০২৪) সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় থেকে সংগৃহীত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদদের নামের খসড়া তালিকা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.hsd.gov.bd) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dghs.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্য সংশোধন/সংযোজন করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকাটি ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তালিকায় প্রকাশিত নাম-ঠিকানা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি যাচাই/সংশোধন/পূর্ণাঙ্গ করতে শহিদ পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধিদেরকে অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত তালিকার বিষয়ে কারো কোনো মতামত, পরামর্শ এবং নতুন কোনো তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করার মতো থেকে থাকলে তা সেবা গ্রহণকৃত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

    প্রকাশিত তালিকার তথ্য সংশোধনের জন্য যা করতে হবে, সেটিও বলে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    ১. শহিদ পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধিদেরকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)/জন্মনিবন্ধন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    ২. রেজিস্ট্রেশনের পর শহিদ ব্যক্তির তথ্য ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে হবে।

    ৩. প্রিন্ট করা কাগজের যে ঘরগুলোতে তথ্য নেই, সেগুলো পূরণ করতে হবে।

    ৪. পূরণকৃত তথ্য নিয়ে সেবা গ্রহণকৃত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তথ্য সংশোধনে সহায়তা করবে।

    ৫. প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি শহিদ পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধি কর্তৃক পূরণকৃত ফরমটি জমা নিয়ে অনলাইনে তথ্যগুলো হালনাগাদ করবেন।

    ৬. দাখিলকৃত তথ্য যথাযথভাবে সন্নিবেশিত বা সংশোধিত হল কি না- তা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পুনরায় যাচাই করা যাবে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে যদি কারো নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে শহিদ পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধিদেরকে উপযুক্ত প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক/সিভিল সার্জন/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো।

  • লালমোহনে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    লালমোহনে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    ভোলার লালমোহন উপজেলায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর হবে বলে ধারণা পুলিশের।

    রায়চাঁদ বাজারের রফিক নামে এক ব্যবসায়ী জানান, যোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে নিজের দোকানে ফিরছিলেন তিনি। এ সময় তিনি দেখতে পান অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তি মাটিতে শুয়ে হাত-পা নাড়ছিলেন। এরপর ওই ব্যক্তির কাছে গিয়ে রফিক দেখতে পান ধীরে ধীরে তার শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে। পরে রফিক বিষয়টি বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে খবর দেন।

    এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তারা লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তবে পরিচয় শনাক্ত করতে লাশ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এরপর কেউ যদি ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেন তাহলে লাশটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।