Blog

  • যে কারণে কমলাকে মঙ্গলে নেবেন না ইলন মাস্ক

    যে কারণে কমলাকে মঙ্গলে নেবেন না ইলন মাস্ক

    ‘মহাকাশে ভ্রমণে যেতে চান এমন যে কাউকেই’ মঙ্গল (গ্রহ) অভিযানে নিয়ে যেতে চান ইলন মাস্ক। তবে কমলা হ্যারিস মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও তাকে সেখানে নিয়ে যাবেন না বলেই নিশ্চিত করেছেন মার্কিন এই ধনকুবের।

    রোববার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাস্ক লিখেছেন, কেবল দুই বছরের মধ্যে মঙ্গলে পাঁচটি মহাকাশযান পাঠাবেন তিনি।

    অবশেষে হাজার হাজার স্টারশিপ মঙ্গল গ্রহে যাবে এবং দেখার জন্য এক গৌরবময় দৃশ্য হবে এটি!

    তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে সোচ্চার এ সমর্থক বলেছেন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দেখিয়ে তার এই ‘মঙ্গল অভিযান কর্মসূচিকে ধ্বংস করার পাশাপাশি মানবতাকেও ধ্বংস করবে’ আরেক ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।

    এর আগে মাস্ক বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা জিতলে আমরা কখনই মঙ্গলে যেতে পারব না।

    একই দাবি রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পও করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম স্কাইনিউজ।

    শনিবার ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দেন, আমার দলের সমর্থকরা আমাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে হোয়াইট হাউসে নিয়ে গেলে আমি তাদের মঙ্গলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করব।

    এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, আমি ইলনের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলব। ইলন তুমি ওই রকেট শিপের কাজ চালিয়ে যাও।

    মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ‘হাই-রিস্ক হাই রিওয়ার্ড’ মনোভাবের জন্য পরিচিতি আছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন কোম্পানি স্পেসএক্স-এর। আর এখন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারীদের আনা-নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধান পরিবহণ মাধ্যমও স্পেসএক্স।

    গত দুই দশকে স্পেসএক্সের উত্থান সত্ত্বেও মাস্ক বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমলাতন্ত্র ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ যেভাবে ‘দমবন্ধ’ পরিস্থিতি তৈরি করছে তাতে তিনি হতাশ।

    এ মুহূর্তে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগগুলোর মধ্যে একটি হলো- স্টারশিপ প্রোগ্রামটি সরকারি আমলাতন্ত্রের বোঝার মাধ্যমে দমন করা হচ্ছে, আর এটি প্রতি বছরই বাড়ছে।

    মাস্কের মনুষ্যবিহীন বিভিন্ন স্টারশিপ যদি দুই বছরের মধ্যে নিরাপদে মঙ্গলে পৌঁছতে পারে, তবে ২০২৮ সালের মধ্যে তিনি মানববাহী মিশন পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।

    এর আগে মাস্ক বলেছিলেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে মঙ্গলে একটি স্বনির্ভর জনবসতি দেখতে চান তিনি।

  • ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের ১০ টিম গঠন

    ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের ১০ টিম গঠন

    চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় মশক নিধন অভিযান কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সমন্বয় ও নিবিড়ভাবে তদারকি করতে ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৪টি টিম এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৩টি টিম কাজ করবে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় কার্যপরিচালনার জন্য পৃথক একটি টিম গঠন করা হয়েছে।

    সোমবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনসহ সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার বিভাগের এক জরুরি সভায় কমিটিগুলো গঠন করা হয়।

    এছাড়াও, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সাভার, দোহার, তারাব, রূপগঞ্জ ও অন্যান্য পৌরসভার জন্য আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ডেঙ্গুরোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলার কাজ সমন্বয় এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্মসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের টিম প্রধান করা হয়েছে।

    গঠিত টিমগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩টি ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব এলাকা পরিদর্শন এবং ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম মনিটরিং ও তদারকি করবেন।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য সংগ্রহ কমিটির কাছে নিয়মিতভাবে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় নেওয়া পদক্ষেপ এবং অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত সচিত্র প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

    জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপ এবং অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইট, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    সভায় ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ হতে নাগরিকদের রক্ষা করতে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল বিনষ্ট, পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং লার্ভা ও মশা নিধনসহ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম, এ কে এম তারিকুল আলম, মো. ফজলুর রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামানসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • একই টিকিট বারবার বিক্রি, বিআইডব্লিউটিএর ৬ কর্মচারী সাসপেন্ড

    একই টিকিট বারবার বিক্রি, বিআইডব্লিউটিএর ৬ কর্মচারী সাসপেন্ড

    ঢাকা নদীবন্দরের (সদরঘাট) প্রবেশগেটে যাত্রী প্রবেশের একই টিকিট বারবার বিক্রি করছিলেন বহিরাগত এক শ্রমিক। বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারের বদলে জমা হচ্ছিন তার পকেটে।

    ওই অবস্থায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে ধরা পড়েন ইউসুফ ঢালী নামের ওই শ্রমিক। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ হাজার ২৪৬ টাকা এবং ৮৯টি লুজ বা বাতিল টিকিট। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় সেখানে কর্তব্যরত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) তিন শুল্ক আদায়কারী ও তিন শুল্ক প্রহরীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিএ-এর পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ) কাজী ওয়াকিল নওয়াজ ছয় কর্মচারীকে সাসপেন্ড করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হচ্ছে।

    যে ছয়জন কর্মচারীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তারা হলেন শুল্ক আদায়কারী সলিমুল্লাহ চৌধুরী, জাহাঙ্গীর হোসেন মোনায়েম বসুনিয়া এবং শুল্ক প্রহরী মো. রেজওয়ানুল ইসলাম, রফিক উল্যাহ ও পারভেজ খান। তাদের মধ্যে কয়েকজন বিআইডব্লিউটিএ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের পদধারী নেতা রয়েছেন।

    ঘটনা ঘটে সদরঘাটের আওতাধীন লালকুঠী ঘাটের ১৮ নম্বর কাউন্টারে শনিবার সকালে। ওইদিন ওই কাউন্টারের সামনে দিয়ে যাওয়া যাত্রীদের প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করছিলেন অস্থায়ী লেবার মো. ইউসুফ ঢালী। ওই টিকিট আবারও বিক্রি করে টাকা আদায় করছিলেন তিনি। এ অবস্থায় তাকে হাতেনাতে ধরেন সদরঘাট ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিজন যাত্রী প্রবেশে ১০ টাকা আদায় হয়। যাত্রী প্রবেশের ওই টিকিট ছিঁড়ে ফেলার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ওই টিকিট না ছিঁড়ে তা আবারও বিক্রির ঘটনা ঘটে। এতে পুনরায় বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে ব্যক্তির পকেটে যায়। সদরঘাটে এ ধরনের অনিয়ম দীর্ঘদিন চলে আসছে। কিন্তু ধরা পড়ছিল না। সেনা সদস্যরা মনিটরিং করায় বিষয়টি ধরা পড়েছে।

  • শিগগিরই গঠিত হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন: তথ্য উপদেষ্টা

    শিগগিরই গঠিত হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন: তথ্য উপদেষ্টা

    শিগগিরই গঠিত হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন। আগামী সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

    সোমবার চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে সংবাদপত্রের প্রকাশক, সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদকসহ অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

    তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন।

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, এই আন্দোলনে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে কিছু গণমাধ্যমকর্মী ফ্যাসিবাদের পক্ষে ছিলেন। যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

    গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অবিচার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা হয়ে থাকে, তাহলে তা প্রত্যাহার করা হবে। পরিবর্তিত এই প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে কেউ যেন ফ্যাসিবাদের পক্ষে কথা না বলেন, সে বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর বলেন, ক্রোড়পত্রের বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    সভাপতির বক্তৃতায় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিডিয়া তালিকাভুক্তি, সংবাদপত্রের নিরীক্ষা, বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সমস্যা উল্লেখ করেন এবং সমস্যা থেকে উত্তরণে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ক্রোড়পত্র খাতে ৭৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বকেয়া বিল দ্রুত পরশোধের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে সংবাদপত্রের প্রকাশক, সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকরা প্রচার সংখ্যা নির্ধারণ, সংবাদপত্রের নিরীক্ষা, বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অসংগতির কথা উল্লেখ করেন। তারা সংবাদপত্র সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার জন্য মিডিয়া কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মতবিনিময় সভায় সাত শতাধিক পত্রিকার সংবাদপত্রের প্রকাশক, সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদকসহ অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভা শেষে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট পরিদর্শন করেন।

  • আনসার বাহিনীর বরিশাল রেঞ্জের নতুন পরিচালক আসাদুজ্জামান গনী

    আনসার বাহিনীর বরিশাল রেঞ্জের নতুন পরিচালক আসাদুজ্জামান গনী

    আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বরিশাল রেঞ্জের নতুন পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান গনী।

    তিনি এর আগে দিনাজপুরের হিলির ৩৩ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভগা আনসার-১ শাখার উপ-সচিব জে এম আল আমীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বরিশাল রেঞ্জের পরিচালক সরোয়ার জাহান চৌধুরীকে শেরপুরের নলিতাবাড়ীর ৩১ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক হিসেবে বদলির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

  • প্রথম নারী উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    প্রথম নারী উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম এবং প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে পাঁচ শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

    নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। উপযুক্ত পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করবেন।

    শুচিতা শারমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি এবং এমএসসি সম্পন্ন করে ২০০৩ সালে প্রভাষক পদে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে পিএইচডি করছেন। এ ছাড়াও তিনি ডক্টরাল রিসার্চ স্কলার হিসেবে কর্পোরেট কমিউনিটি ইনভলভমেন্টে ও সুইজারল্যান্ড এবং ভারতের দ্বারা যৌথভাবে পরিচালিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে গবেষণায় অংশ নেন।

    শুচিতা শারমিন জাপানের কিউশু ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্কলার ছিলেন এবং সেখানে তিনি ইনটেনসিভ জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স সম্পন্ন করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে আচরণ ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণা পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ, জাপান, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নেপাল, মালয়েশিয়া এবং ভারতে তার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিমন্ত্রিত হয়ে বক্তৃতা ও গবেষণা করেছেন। আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ৪৫টিরও বেশি নিবন্ধ এবং তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটামের মুখে ২০ আগস্ট বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া পদত্যাগ করেন।

  • শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন বামপন্থী অনূঢ়া

    শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন বামপন্থী অনূঢ়া

    শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বামপন্থী অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে। গণবিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালানোর দুই বছরের বেশি সময় পর দেশটির ক্ষমতায় নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এলেন।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত আটটার দিকে শ্রীলঙ্কার নির্বাচন কমিশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কমিশন বলেছে, শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বামপন্থী অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে। তিনি ৪২ দশমিক ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

    অনূঢ়ার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিরোধী দল সঙ্গী জন বালাওয়াগার (এসজেবি) নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা ও ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমাসিংহে। সাজিথ প্রেমাদাসা পেয়েছেন ৩২ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। রণিল পেয়েছেন মাত্র ১৭ শতাংশ ভোট।

    এর আগে শনিবার ভোট গ্রহণ শেষে গণনায় দেখা যায়, কোনো প্রার্থী নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি। তাই গণনা গড়ায় দ্বিতীয় দফায়। ভোট গণনা করে রাতে নির্বাচন কমিশন ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) জোটের নেতা অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকেকে বিজয়ী ঘোষণা করে।

    এনপিপি জোট জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে। প্রেসিডেন্ট সচিবালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে লঙ্কান নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান আরএলএএম রত্নানায়েকে জানান, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে ও সাজিথ প্রেমাদাসা। কিন্তু তারা কেউই শতকরা কমপক্ষে ৫০ ভাগ ভোট পাননি।

    দ্য হিন্দু ও শ্রীলঙ্কার ডেইলি মিররের প্রতিবেদন জানানো হয়, অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে পেয়েছেন ৫৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৫ ভোট, যা মোট ভোটের শতকরা ৪২ দশমিক ৩১ ভাগ। সাজিথ প্রেমাদাসা পেয়েছেন ৪৩ লাখ ৬৩ হাজার ৩৫ ভোট, শতকরায় ৩২ দশমিক ৭৬ ভাগ। অন্যদিকে রনিল বিক্রমাসিংহে পেয়েছেন ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৭৬৭ ভোট (শতকরা ১৭ দশমিক ২৭ ভাগ)।

    প্রথম দফার গণনায় এগিয়ে ছিলেন মার্কসবাদী ও চীনপন্থি অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে। সাজিথ প্রেমাদাসা ভারতপন্থি হিসেবে পরিচিত। তার প্রতি ভারতের সমর্থন ছিল।

    শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেন দেশটির ১ কোটি ৭০ লাখ ভোটার। এবারের নির্বাচনে যেকোনো প্রার্থী নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন না, এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

  • ‘ইলিশ ভারতে উপহার হিসেবে নয়, রপ্তানি করা হবে’

    ‘ইলিশ ভারতে উপহার হিসেবে নয়, রপ্তানি করা হবে’

    ইলিশ ভারতে উপহার হিসেবে যাচ্ছে না উল্লেখ করে পরিবেশ বন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ইলিশ রপ্তানি করা হবে। রপ্তানির টাকা বাংলাদেশ সরকার পাবে। সেটা খুব ছোট করে দেখার মতো টাকা না। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ এখনো যায়নি, একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই পাড় থেকে যারা ইলিশ চাচ্ছে তারাও কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেক সমর্থন দিয়েছে, সেটি আমরা সকলে দেখেছি।

    সোমবার সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভেঙে যাওয়া মুছাপুর রেগুলেটর পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি জনতা বাজারসহ কয়েকটি ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

    রিজওয়ানা হাসান বলেন, যেখানেই নদীতে বালু আছে সেখানেই জেলা প্রশাসকরা মানুষের শত আপত্তি সত্ত্বেও রাজস্ব আয়ের কথা চিন্তা করে বালু মহাল ঘোষণা করে দেয়। বালু মহাল ঘোষণার যেমন সুযোগ আছে তেমনি বিলুপ্তির ও সুযোগ আছে। বালু উত্তোলনের মাধ্যমে নদীর ড্রেজিং কি বালু ব্যাবসায়ীদের কাছে তুলে দেব নাকি সরকারিভাবে ড্রেজিং করা হবে তা আমাদের ভাবার সময় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, মুছাপুর নদীর পাড়ে আসার কারণ হচ্ছে, সমস্যাটা সরকারের চশমা দিয়ে না দেখে মানুষের চোখ দিয়ে দেখার জন্য। মানুষ আর সরকার ভিন্ন সত্ত্বা হলে পরিবর্তন হবে না। মানুষকে আর সরকারকে এক জায়গায় এসে সমস্যার সমাধানে যেতে হবে। আমরা নদী তীরবর্তী এলাকায় এসে স্থানীয় মানুষের কথা শুনলাম। সরকারি হিসেব মতে প্রতিবছর নদী ভাঙনে ৩০ হাজার মানুষ সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়, যেটি বেসরকারি হিসেবে ১লাখের বেশি মানুষ সর্বশান্ত হয়ে যায়।

    লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে মুছাপুর রেগুলেটর লাগবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, রেগুলেটর দিনে দিনে তৈরি করা সম্ভব না। এটার একটা প্রক্রিয়া আছে। আমরা যদি দ্রুত গতিতেও রেগুলেটর নির্মাণ করতে চাই তাও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। এখানে যে চর হয়েছে সেখানের বালু সরিয়ে দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী প্রস্তাবনা দিয়েছে। নদীতে ক্যাপটেল ড্রেজিং এর পাশাপাশি মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং করতে হবে। সরকারকে রেগুলেটর আর ড্রেজিং দুটোর কথাই ভাবতে হচ্ছে। সবচেয়ে কার্যকর কোনটি হবে তা আমরা ভেবে দেখবো। যেটি কার্যকর হবে সেটিরই আগে বাস্তবায়ন হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঁইয়া, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমীর ফয়সাল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ’সহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ।

  • অভিযোগ তুলে নিতে বাদীর দিকে তেড়ে আসেন শিক্ষা তদন্ত কর্মকর্তা

    অভিযোগ তুলে নিতে বাদীর দিকে তেড়ে আসেন শিক্ষা তদন্ত কর্মকর্তা

    গাজীপুর মহানগরীর ৪১নং ওয়ার্ডের পূবাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুবী আক্তারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করায় বাদীকে অভিযোগ তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষা তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এমনকি অভিযোগকারীকে মারতে তেড়ে আসেন ওই কর্মকর্তা।

    অভিযোগকারীর নাম ফেরদৌস বেপারী। আর অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম কবির শাহাদাৎ। তিনি তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার। অভিযোগকারীর ভাষ্য, সোমবার তাকে ফোনে ডেকে এনে কড়া ভাষায় হুমকি ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেন কবির শাহাদাৎ।

    পূবাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুবী আক্তারকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ এবং নিয়োগের পর তার বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। রুবী আক্তারের অপসারণ দাবিতে গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করেন ফেরদৌস বেপারী।

    ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যম অভিযোগগুলো নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শাজাহান ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এরপর থেকে প্রায় এক মাস ধরে রুবীসহ কয়েকজন অভিযুক্ত বিদ্যালয়ে আসেন না।

    সোমবার তদন্ত কমিটির আহবায়ক জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার কবির শাহাদাৎ ফোনে ডেকে এনে কড়া ভাষায় ফেরদৌসকে অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেন। একপর্যায়ে পরিচয় জানতে চাইলে ফেরদৌসকে মারতে তেড়ে আসেন। তিনি তদন্তের ফাইল ছুড়ে ফেলেন। ওই সময় প্রধান শিক্ষক রুবীর স্বামী বাড়িয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জামান ভূইয়া ও সিটির ৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি পূবাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোশাররফ হোসেন রুবী আক্তারের উপস্থিতিতে ফেরদৌসকে মারতে তেড়ে আসেন।

    তাদের সুরে সুর মিলিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা জোর গলায় বলতে থাকেন, ‘আমি তদন্ত করব না দেখি কে আমার কী করতে পারে?’ এই বলে তিনি বাদীকে কক্ষ থেকে বের করে দিতে উদ্যত হন।

    বাদিকে কক্ষ থেকে বের করে দিতে তদন্ত কর্মকর্তার তেড়ে আসার ভিডিও যুগান্তরের হাতে এসেছে।

    এদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শাজাহান উল্টো ফেরদৌসসহ অভিভাবকদের বিরুদ্ধে নালিশ দিতে ছুটে আসেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। জেলা প্রশাসক বিষয়টি বুঝতে পেরে শাজাহানের অভিযোগ আমলে না নিয়ে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে বলেন ফেরদৌসকে।

    জানা যায়, গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শাজাহান ও প্রোগ্রামার কবির শাহাদাৎ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী কর্মকর্তা।

    তদন্ত কর্মকর্তা কবির শাহাদাৎ বলেন, আমি তদন্ত করব না। আমি মারতে তেড়ে আসিনি। তাদেরকে আমার রুমে আনতে চাচ্ছিলাম।

    গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগকারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে- এমন বিষয় প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পর্ক, মুখ খুললেন ঢাবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি

    ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পর্ক, মুখ খুললেন ঢাবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ইস্যুতে যখন আলোচনা তুঙ্গে তখন দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম না চালাতে পারা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা প্রকাশ্যে আসছেন। প্রথমে ঢাবি শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি পরে সেক্রেটারি প্রকাশ্যে আসার পর আলোচনা থেরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

    গতকাল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ৯দফার ঘোষক কাদের যখন শিবির সেক্রেটারিকে পরিচয় করিয়ে দেন তখন সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের একটি কিমিটির তালিকা প্রকাশ হয় যেখানে এসএম ফরহাদ নামে একজনের নাম উঠে আসে। তবে ছাত্রশিবির সেক্রেটারি বলছেন কবি জসীম উদ্‌দীন হল এবং সমাজকল্যাণ ইন্সটিটিউট ছাত্রলীগের কোন কর্মসূচি ও কার্যক্রমের সাথে আমার (এস এম ফরহাদ) কোন সম্পৃক্ততা নেই।

    তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কোন পদপদবীর জন্য কোন সিভি আমি কখনো কাউকে দিইনি। কখনো আমি নিজেকে ছাত্রলীগ হিসেবে কোনো মাধ্যমে পরিচয়ও দেইনি। হল বা ডিপার্টমেন্টের কমিটিতে কাকে রাখা হবে সেটা সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত। সেখানে আমাকে কেন জড়ানো হচ্ছে যেখানে আমি তাদের কার্যক্রমের সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই। বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে অতীতের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে আমি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমাকে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়ানোর বিষয়টিকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের স্পিরিট নষ্ট করার একটি অপচেষ্টা বলে আমি মনে করি।

    তিনি আরও বলেন, হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ও ডিপার্টমেন্ট ডিবেটিং ক্লাবের সেক্রেটারি হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ডিবেটের বিভিন্ন আয়োজনে ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে আমার উপস্থিত থাকার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে| এগুলোর সবগুলোই ছিল ডিবেট ক্লাব সংশ্লিষ্ট আয়োজন। কোনো রাজনৈতিক আয়োজন নয়।