Blog

  • সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক গ্রেফতার

    সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক গ্রেফতার

    সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীমকে রাজধানীর বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস।

    তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

    সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর রাজধানীর বারিধারা থেকে জাহিদ ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস। তাকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

  • ফোনের চার্জার সবসময়ই কেন সাদা বা কালো রংয়ের হয়?

    ফোনের চার্জার সবসময়ই কেন সাদা বা কালো রংয়ের হয়?

    ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন বা অন্য যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে চার্জার খুই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আমরা যেমন খাবার খেয়ে সুস্থ থাকি যা আমাদের গতিশীলতা এবং জীবনীশক্তি দেয়, ঠিক একইরকমভাবে ডিভাইসগুলোর জন্যও একই কাজ করে চার্জার। চার্জার ছাড়া যেকোনো ডিভাইসই বোঝা ছাড়া আর কিছু নয় – এটি অকেজো।

    তবে চার্জারের রং নিয়ে অনেকের মনে কৌতহল আছে। কেননা, খেয়াল করলে দেখবেন স্মার্টফোনের চার্জার বা অ্যাডাপ্টরের রঙ সাদা কিংবা কালো রঙের হয়। আপনি যদি মনে করেন, স্মার্টফোনের চার্জারের রঙের পেছনে কোন কারণ নেই তাহলে আপনার ধারণা ভুল।

    একটি নির্দিষ্ট কারণেই স্মার্টফোনের চার্জার শুধু কালো বা সাদা রঙের হয়ে থাকে। অনেকে মনে করেন যে কোম্পানিগুলোর টাকা বাঁচানোর জন্য এটা করে থাকে, কিন্তু আসল কারণটা অন্য কিছু।

    এখন অনেকেই লাল ওয়ানপ্লাস চার্জার নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে সেটার কেবল তারটি লাল এবং চার্জারটি কিন্তু সাদা। তাই প্রশ্ন থেকে যায়। সাদা এবং কালো ছাড়া অন্য রঙে চার্জার আসে না কেন?

    আসলে প্রতিটি রঙের ভিন্ন ভিন্ন তাপ পরিবাহী ক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ, একেকটি রঙ একেক মাত্রায় তাপ শোষণ করে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি তাপ শোষণ করতে পারে কালো রঙ। সেই জন্যই চার্জার মূলত কালো রঙের হয়। ওর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ যায়, ফলে তা সহজেই গরম হয়ে ওঠে। বেশি গরম হয়ে গেলে তার পুড়ে যাবে, ডিভাইসেরও ক্ষতি হবে। কালো রঙে সে ভয় নেই, তাই চার্জার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কালো রঙের হয়। অন্য রঙ সহজেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    প্রকৃতপক্ষে, প্রতিটি রঙের একটি ভিন্ন তাপ পরিবাহিতা আছে। এর মানে হলো যে, প্রতিটি রঙ বিভিন্ন পরিমাণে তাপ শোষণ করে। এর মধ্যে কালো রঙ সবচেয়ে বেশি তাপ শোষণ করতে পারে। এই কারণে, চার্জার বেশিরভাগ কালো হয়। এর মধ্য বিদ্যুৎ দিয়ে যায়, তাই এটি সামান্য গরম হয়। যদি এটি খুব গরম হয়ে যায়, তাহলে এটি পুড়ে যেতে পারে এবং ডিভাইসের ক্ষতি হতে পারে। কালো রঙের চার্জারে ভয় নেই, তাই চার্জারটি প্রধানত কালো হয়। অন্যান্য রঙ সহজেই উত্তপ্ত হয়।

    এখানে আর্থিক দিকও আছে। কালো চার্জারগুলোর কাঁচামালের খরচ অন্যান্য রঙের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে এটি কোম্পানিগুলোর জন্য খুবই সাশ্রয়ী।

    অবশ্য এই দুটি বৈশিষ্ট্য সাদা রঙের চার্জারেও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এ কারণেই আপনি সম্ভবত লক্ষ্য করেছেন যে, বেশিরভাগ গ্যাজেট নির্মাতারা আজকাল তাদের ডিভাইসের জন্য সাদা রঙের চার্জার অফার করে। কারণ সাদা রঙ কালো রঙ থেকে কম উত্তপ্ত হয়।

    ভিভো, অপো, ওয়ানপ্লাস, রেডমি ও রিয়েলমি-র মতো কোম্পানিগুলো বর্তমানে সাদা রঙের চার্জার অফার করছে। আর যখন অ্যাপলের কথা ওঠে আসে, তারা সবসময় সাদা চার্জার অফার করে এবং এখনও প্রযুক্তির বিশ্বে সেরার তকমা তাদেরই হাতে!

  • শহিদদের স্মরণে ঢাবিতে এক মিনিট নীরবতা পালন

    শহিদদের স্মরণে ঢাবিতে এক মিনিট নীরবতা পালন

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ফেসবুক পেইজ ‘ডিইউ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ওই পোস্টে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাবির ক্লাস শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের ক্লাস ব্যতীত অন্য সকল বর্ষের ক্লাস আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ১ম বর্ষের ক্লাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করা হবে। ক্লাস শুরুর প্রাক্কালে রোববার সকাল সাড়ে নয়টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন চত্বরে ২০২৪’র ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা কর্মসূচি পালন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।

    প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শান্তির প্রতীক হিসেবে পায়রা উড়ানো হয়।

    এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও কার্যকরভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যম কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা এক ধরনের মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। এই ট্রমা নিরসন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ঘাটতি পুষিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এরপর, সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বিভিন্ন অনুষদের ক্লাসরুম পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ, হৃদ্যতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্লাস অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • ইহরামের সময় নারীদের চেহারা খোলা রাখা যাবে?

    ইহরামের সময় নারীদের চেহারা খোলা রাখা যাবে?

    প্রশ্ন: আমরা কয়েকজন আল্লাহর ঘরে যাওয়ার ইচ্ছা করেছি। আমরা একটি পত্রিকায় পড়েছি যে, ইহরামের সময় নারীদের চেহারায় কাপড় না লাগে এমন হ্যাট জাতীয় উঁচু কিছু ব্যবহার করে তার উপর নেকাব ঝুলিয়ে পর্দা করা ওয়াজিব।

    এখন আমাদের প্রশ্ন হল, কারো যদি এভাবে চেহারার পর্দা করা কষ্টকর হয় এবং এজন্য চেহারা খোলা রাখতে বাধ্য হন তবে কি তিনি গুনাহগার হবেন? ইহরাম ধারণ কালীন সময়ের জন্য কি তিনি শরীয়তের দৃষ্টিতে এতটুকু ছাড় পাবেন?

    উত্তর: ইহরাম অবস্থাতেও নারীদের চেহারার পর্দা করার বিধান আছে- এসময়ে চেহারায় কাপড় লাগানো নিষেধ। কিন্তু ঢাকা নিষেধ নয়।

    হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বার্ণিত আছে, তিনি বলেন- ইহরাম অবস্থায় আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে ছিলাম। লোকেরা যখন আমাদের পাশ দিয়ে যেত তখন আমরা আমাদের চাদর মাথায় সামনে ঝুলিয়ে দিতাম। আর চলে যাওয়ার পর তা সরিয়ে ফেলতাম। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ১৮৩৩)

    এ হাদিস থেকেই ইহরাম অবস্থায় চেহারা ঢাকার হুকুম ও গুরুত্ব বুঝা যায়।

    মনে রাখা দরকার যে, হজ-ওমরার কাজগুলো সাধারণত পুরুষ-নারী সম্মিলিতভাবেই আদায় করা হয়। তাই এক্ষেত্রে নারীদের দায়িত্ব যথাসম্ভব পর্দায় থাকা এবং পুরুষদের দায়িত্ব নিজ নিজ চোখের হেফাজত করা।

    সুতরাং ক্যাপ বা হ্যাট জাতীয় কিছু মাথায় লাগিয়ে চেহারা ঢেকে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অবশ্য রাস্তায় চলাচলের সময় অথবা বেশি ভিড়ের মধ্যে প্রয়োজনে চেহারা খোলারও অবকাশ আছে।

    আর কারো জন্য যদি কোনো কারণে ক্যাপ ব্যবহার করা কষ্টকর হয়ে যায় তাহলে তার জন্য ছাড় গ্রহণের অবকাশ থাকবে ইনশাআল্লাহ। অবশ্য সতর্কতামূলক এজন্য ইস্তিগফার করতে থাকবে।

    সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা ১৪৫৩৯; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৪৯৯; ফাতাওয়া খানিয়া ১/২৮৬; মানাসিক, মোল্লা আলী আলকারী পৃ.১১৫

  • চেন্নাইয়ে টাইগার সমর্থককে চরম অপমান

    চেন্নাইয়ে টাইগার সমর্থককে চরম অপমান

    দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ভারত সফরে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সফরে দুটি টেস্ট আর তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ইতোমধ্যে চেন্নাই টেস্ট শেষ হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর কানপুরে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

    সদ্য শেষ হওয়া চেন্নাই টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ৫১৫ রানের টার্গেট তাড়ায় ২৮০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

    ভারত সিরিজে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন করতে গিয়ে ভারতীয়দের তোপের মুখে পড়েছেন রবি নাকে এক টাইগার সমর্থক। দেশের একটি অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, চেন্নাই টেস্ট চলাকালীন খেলা দেখতে আসা ভারতীয়রা নাকি তার মা-বাপ তুলে গালিগালাজ করেছেন।

    পুরো শরীরে টাইগারের ছবি এঁকে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ দলের হয়ে সমর্থন করে যাওয়া রবি জানিয়েছেন, ‘রাস্তায় আমি হাঁটতে গেলে আমাকে মওকা মওকা বলে গালি দিচ্ছে ভারতীয়রা। আমি হিন্দি ভাষা কিছুটা বুঝি, কিন্তু চেন্নাইয়ে তামিল ভাষায় গালি দিচ্ছে সেটা কিছুই বুঝি না। একজন বাঙালি ছিল তিনিই আমাকে বুঝিয়ে বলেছেন আপনাকে ভীষণ খারাপ ভাষায় গালি দিচ্ছে।’

    রবি আরও জানান, ‘আমাকে পতাকা ওড়াতে দিচ্ছে না। আমি ওদের দেখিয়েছি যে আমি টিকিট নিয়ে এসে মাঠে ঢুকেছি। আমিও আইসিসি ফ্যামিলি মেম্বার। তারপরও আমি টিকিট দিয়ে ঢুকেছি। মুশফিকুর রহিম আমাকে টিকিট দিয়েছেন। বাংলাদেশ কিংবা অন্য যে কোনো দেশে আমার ও শোয়েবের টিকিট লাগে না। তারপরও আমি আইনকে সম্মান করি। টিকিট দিয়ে ঢোকার পরও সেই সম্মান পাইনি।’

    রবি বলেন, ‘ভারত কোনোদিন বাংলাদেশের ভালো চায় না। প্রয়োজনে আফগানিস্তানকে সাপোর্ট করেন সেটা অনেক ভালো, কিন্তু ভারতকে করবেন না। আমি নিরাপত্তারক্ষীর কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম কিন্তু পাইনি। ওরা বাংলাদেশে গেলে আমরা অনেক সাহায্য করি, ভারতীয় ক্রিকেট দলের সর্মথক সুধীরকেও করি। ভারতীয়রা আমার মা-বোন তুলে গালাগালি করেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি লাল-সবুজের পতাকা উড়াবই, তাতে যদি আমার বুকে গুলিও চালায়। আমি সহ্য করতে না পেরে একটা সময় বলেছি, আমি আমার মায়ের দোয়া নিয়ে এসেছি, আপনারা গুলি চালান, গুলি চালান, তবুও আমার পতাকা উড়ানো থামবে না। যদি ওরা গুলি চালায় মাঠে আমি পতাকা উড়াবই। যে কোনো কিছুর বিনিময়ে।’

  • বাথুলীতে ওমর সানীর রেস্তোরাঁ, যা বললেন মৌসুমী

    বাথুলীতে ওমর সানীর রেস্তোরাঁ, যা বললেন মৌসুমী

    ঢালিউড অভিনেতা ওমর সানী সিনেমার অভিনয়ে এখন আর নিয়মিত নেই। আগের মতো সিনেমায় এখন আর তাকে দেখা যায় না। একসময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেতার সেই ব্যস্ততা এখন আর নেই। এ অভিনেতার এখন ব্যস্ততা শুটিং ফ্লোরে নয়, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়। এ ব্যবসা তিনি বেশ উপভোগ করছেন বলে জানান। রেস্তোরাঁর নতুন শাখাও তিনি চালু করেছেন। ঢাকার রামপুরায় শুরুর পর সাভারেও চালু করেছিলেন রেস্টুরেন্ট। এবার ওমর সানী ঢাকার বাইরে ধামরাইয়ে নতুন একটি রেস্টুরেন্ট চালু করেছেন।

    চিত্রনায়ক স্বামীর পথচলায় শুভকামনা জানিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী মৌসুমী। এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আছেন দেশীয় চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় এ নায়িকা। দেশে থাকলে স্বামীর উদ্যোগে পাশে থাকতেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সাভারে ‘চাপওয়ালা’রেস্টুরেন্ট চালুর পর খুবই জনপ্রিয় হয় ওই রেস্তোরাঁ। গেল মার্চে ঝড়ে সেই রেস্টুরেন্ট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার পরও সাভারের রেস্টুরেন্টটির জনপ্রিয়তায় অনুপ্রাণিত হয়ে ধামরাইয়ে নতুন শাখা চালুর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। গত শুক্রবার ধামরাইয়ের বাথুলীতে চালু করলেন চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি হাইওয়ে বাংলা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং পার্টি সেন্টার।

    ওমর সানীর বাংলা হোটেল চালু উপলক্ষ্যে শুভকামনা জানিয়েছেন স্ত্রী মৌসুমী। সবাইকে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে মৌসুমী বলেছেন— যারা আমাদের চাপওয়ালাতে সবসময় গেছেন, তাদের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। যারা আসেননি কখনো, তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা— কখনো সময় পেলে আসবেন আমাদের ছোট্ট রেস্টুরেন্টে। এই ভিডিওবার্তার কারণ— বাথুলীতে আমাদের আরও একটি রেস্টুরেন্ট চালু হয়েছে, চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি নামে। এখানে ভাত, খিচুড়ি, পোলাও—এ রকম বাংলা খাবারের সমারোহ থাকবে। থাকবে গরুভুনা, মুরগিভুনা, ভর্তা-ভাজি, ডাল। পাশাপাশি থাকবে স্পেশাল চাপ ও অন্যান্য জনপ্রিয় আইটেম।

    মৌসুমী আরও বলেন, অনেকেই বলেছিলেন— ‘আপনারা শুধু শহরভিত্তিক রেস্টুরেন্ট করেন, এদিকটায় করেন না। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এটা করা। আশা করি আপনারা সবাই এবং এলাকাবাসী পাশে থাকবেন, তাহলে আমাদের এই কষ্ট সার্থক হবে।’

    ভিডিওবার্তার একপর্যায়ে রেস্টুরেন্ট নিয়ে ওমর সানীর আগ্রহ ও আন্তরিকতার কথাও তুলে ধরলেন তিনি। মৌসুমী বলেন, ‘রেস্টুরেন্টে প্রচুর সময় দেয় ওমর সানী। ও অনেক ভালোবাসে এ কাজটা করতে। রেস্টুরেন্ট তার ভালোবাসার জায়গা। তাকে উৎসাহিত করার জন্য আপনারা আসবেন। দেখা হবে, আড্ডা হবে। আমন্ত্রণ রইল।’

    ভিডিওর একপর্যায়ে ওমর সানীও আগ্রহীদের আহ্বান জানান। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘হাইওয়েতে আমরা চাপওয়ালা শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টার করেছি। আপনারা আসবেন, এটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এলাকাবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ— আপনারা অবশ্যই আসবেন। সবাইকে নিয়ে আসবেন।’

  • রাজনীতি না করার কারণ জানালেন বুবলী

    রাজনীতি না করার কারণ জানালেন বুবলী

    বাংলাদেশে এ পর্যন্ত অনেক শোবিজ তারকাই রাজনীতিতে এসেছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ ভালো করতে পারলেও অধিকাংশ তারকাই ব্যর্থ হয়েছেন। সমালোচনার মুখে পড়ে ক্যারিয়ার শেষও হয়েছে অনেকের। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ আমলে তারকাদের বিতর্কিত নানা কর্মকাণ্ড সামনে আসার পর রাজনীতি নিয়ে চরম সমালোচনার শিকার হন তারা।

    সম্প্রতি মেরিল ক্যাফে লাইভ অনুষ্ঠানে সেই রাজনীতি নিয়েই কথা বলেছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। কেন রাজনীতিতে আসতে চান না, জানিয়েছেন সে কথাও।

    তিনি বলেন, আমরা শিল্পী, সিনেমার প্রয়োজনে আমাদের অনেক চরিত্রে চরিত্রায়ণ করতে হয়। কিন্তু আমি কখনওই পলিটিক্যাল কোনো কিছু চাই না আমার সঙ্গে যুক্ত হোক। কারণ আমি একজন শিল্পী, আমি সব দর্শকদের মনে জায়গা করে নিতে চাই। হ্যাঁ, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে কথা বলবো। আমার কাছে যা সঠিক বা বেঠিক মনে হবে, আমি সেই বিষয়ে কথা বলবো।

    রাজনীতিতে জড়িত সহকর্মীদের নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, পলিটিক্যাল পার্টির সঙ্গে অনেক শিল্পীই যুক্ত হয়েছেন, সেটা তাদের ব্যক্তিগত পছন্দ। তবে এ ব্যাপারটায় মাঝে মাঝে আমরাও ভুক্তভোগী হই। কেননা, অনেক শিল্পীই রাজনীতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেক ভুয়া নিউজ করাচ্ছেন। যেটা এক ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা। যে জায়গাটায় সংস্কার প্রয়োজন।

    বুবলী বলেন, আমাদের তো শুধু সংস্কার বলতে দুই-একটা সেক্টরের না। এ ধরনের যে-কোনো একটা মিথ্যা নিউজ করে ফেললো, যেটার কোনো ভিত্তি নেই, কোনো প্রমাণও নেই। এসবের জবাবদিহিতার প্রয়োজন।

    নায়িকা বলেন, অনেক রাজনীতিবিদকেই দেখি, যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তারা তখন সে দলে চলে যায়। এই যে ডিগবাজি দেওয়া মানুষগুলো একটু অন্যরকম। কারণ তারা যে কোনো সরকারের সময় নমিনেশন নিচ্ছে, আবার তা পরবর্তীতে আবার চেঞ্জ করে ফেলছে। আমার মনে হয় এসব বিষয়ে একটি সামগ্রিক পরিবর্তন দরকার।

    দেশপ্রেম বলতে শুধু নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়কে বুঝায় না। দেশপ্রেম হচ্ছে প্রত্যেকে তার নিজ নিজ দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করা বলেই মনে করেন এ অভিনেত্রী।

  • ৩ অতিরিক্ত আইজিপিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

    ৩ অতিরিক্ত আইজিপিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

    বাংলাদেশ পুলিশের রেলওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি দেবদাস ভট্টাচার্য্যসহ ছয় কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

    রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে ছয় কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।

    ছয় কর্মকর্তারা হলেন- রেলওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, শিল্পাঞ্চল পুলিশের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) একেএম হাফিজ আক্তার, ঢাকা পুলিশ টেলিকমের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) বশির আহম্মদ, আরআরএফের পুলিশ সুপার (পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্তির আদেশপ্রাপ্ত) মো. মীজানুর রহমান, এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম এবং ডিএমপির সহকারী পুলিশ সুপার মো. দাদন ফকির।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

    এর আগে গত ১৩ আগস্ট পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম ও সদ্য সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

  • সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন সচিব

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন সচিব

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার খবর গুজব বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

    রোববার সচিবালয়ে সরকারি কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব জমাদান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, আমার একটাই উত্তর- গুজবে কান দেবেন না। আমি এক কথাই বলে দিলাম, গুজবে কান দেবেন না।

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স ৬৫ বছর করার দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দিয়েছে প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

    সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের এই চিঠি গত ১৮ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি দেন।

  • দেশে চলমান অস্থিরতার জন্য যাদের দায়ী করলেন চমক

    দেশে চলমান অস্থিরতার জন্য যাদের দায়ী করলেন চমক

    গত ৫ আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নানা ঘটনায় দেশে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। মবের রাজত্ব, পাহাড়ে অস্থিরতাসহ নানা ঘটনায় কঠিন সময় পার করছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এসব ঘটনার জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী মনে করছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে চমক রাজপথে এবং সামাজিক মাধ্যমে সরব ছিলেন। এখনো দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    এর মধ্যে গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে চমক লিখেছেন, ‘পাহাড়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাহাড়িদেরকে উসকানিদাতা কে? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা।’

    এরপর অভিনেত্রী লেখেন, ‘বায়তুল মোকাররমে খতিব নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ। ঘটনার জন্য দায়ী কে? গোপালগঞ্জের হুজুর।’ চমকের দাবি, কয়েকটা বাস ভাড়া করে গোপালগঞ্জ থেকে লোক নিয়ে এসেছিলেন তিনি।

    এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চমক লেখেন, ‘ঢাবিতে হলের ভিতরে যুবককে পিটিয়ে হত্যা। অন্যতম হামলাকারী কে? ছাত্রলীগের সাবেক নেতা (সাথে আরো কিছু শিক্ষার্থী)।’

    তবে এসব অপরাধের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হলে তখন কটু মন্তব্য শুনতে হয় জানিয়ে চমক লিখেছেন, ‘এরপরও যখন কোনো ঘটনার পর কাউকে প্রমাণসহ বলা হয় যে, এই লোক তো লীগের। তখন এসে কমেন্ট করে বসে, আগে সবাই শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন করতো, এখন লীগ ট্যাগ দিয়ে করে।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘কিরে ভাই, দুইটার প্রেক্ষাপট কি এক হলো? যাদের জন্মগত স্বভাব মারামারি, গেঞ্জাম লাগানো, এরা কি এতো সহজেই তাদের চিরাচরিত স্বভাব পরিবর্তন করতে পারবে?’