Blog

  • ইরাক থেকে ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালাল ইরানপন্থি যোদ্ধারা

    ইরাক থেকে ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালাল ইরানপন্থি যোদ্ধারা

    সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স। এবার লেবাননে উত্তেজনার মধ্যে ইরাক থেকে ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি সশস্ত্রযোদ্ধা। রোববার এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইম অব ইসরাইল।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ইরাকি জোট ইসরাইলে ড্রোন হামলার দাবি করেছে।

    এর আগে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা রাতজুড়ে ইরাক থেকে আসা একাধিক সন্দেহজনক হামলা আটকে দিয়েছে। এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলি দাবি করেছে ইসরইল।

    এক টেলিগ্রাম বার্তায় ইরান-সমর্থিত এই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘গাজায় আমাদের জনগণের সমর্থনে ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের যোদ্ধারা রোববার সকালে ইসরাইলের কৌশলগত অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে’।

    গত শীতে, ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের বিরুদ্ধে ১৭৫টিরও বেশি রকেট এবং ড্রোন হামলার দাবি করেছে। মার্কিন বাহিনী উভয় দেশে এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। অবশ্য গত কয়েক মাসে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা অনেকাংশে কমে গেছে।

    গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে ইরান সমর্থিত এবং হামাসের মিত্র হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের উত্তেজনা বাড়ছে। এছাড়া ইয়েমেন ইরাক থেকেও বিভিন্ন সংগঠন ইসরাইলের লক্ষ্যে হামলা এবং পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটছে।

  • স্মার্টফোনে ব্যাক কভার লাগানো ভাল না ক্ষতিকর?

    স্মার্টফোনে ব্যাক কভার লাগানো ভাল না ক্ষতিকর?

    স্মার্টফোনকে ধুলা-ময়লার হাত থেকে রক্ষা ও আঘাতজনিত সমস্যা থেকে নিরাপদ রাখতে অনেকেই ব্যাক কভার ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই আবার ফোনকে সুন্দর দেখাতে পছন্দমতো ডিজাইন করিয়ে ব্যাক কভার ব্যবহার করেন।

    তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, ব্যাক কভার ব্যবহারে এসব সুবিধার বাইরে অনেক অসুবিধাও রয়েছে। ব্যাক কভার ব্যবহারের আগে জেনে নিন সে সব অসুবিধার কথা।

    ফোন গরম হয়ে যায়: ধাতব বা প্লাস্টিকের ব্যাক কভার লাগালে ফোন গরম হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে ব্যাটারিতে। চার্জ উঠতে সময় লাগে। তাছাড়া বারবার গরম হয়ে গেলে ফোন খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কমে যায় আয়ুও।

    ডিজাইন এবং ফিনিশ: প্রত্যেক মডেলের নিজস্ব ডিজাইন রয়েছে। সেটাই ফোনকে অন্যের থেকে আলাদা করে তোলে। ব্যাক কভার লাগালে ডিজাইন চাপা পড়ে যায়। এতে ফোনের লুক নষ্ট হতে পারে।

    ওজন বৃদ্ধি: কিছু কিছু ব্যাক কভার মোটা এবং বেশ ভারি হয়। ফলে ফোনের ওজনও এক ধাক্কায় বেড়ে যায় অনেকটা। ফোন ব্যবহার করাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

    ক্যামেরার গুণমান: অনেক সময় ব্যাক কভারের কারণে ক্যামেরার লেন্স ঢাকা পড়ে যায়। এর ফলে ফটো বা ভিডিওর গুণমানে প্রভাব পড়ে।

    সিগন্যালের সমস্যা: ধাতব ব্যাক কভারের কারণে নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সাধারণ ব্যাপার। যেখানে সিগন্যাল এমনিতেই কম, সেখানে সমস্যা আরও বেড়ে যায়।

    সব ব্যাক কভারই কি খারাপ: এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, সব ব্যাক কভারই কী খারাপ? না, তা নয়। বাজারে হালকা এবং পাতলা ব্যাক কভারও পাওয়া যায়। এগুলো ফোনে লাগালে কোনও ক্ষতি হয় না। বরং ফোনকে সুরক্ষা যোগায়। মাথায় রাখতে হবে, ভাল মানের ব্যাক কভার ফোনে কোনও খারাপ প্রভাব ফেলে না। দেখতেও সুন্দর লাগে।

    ব্যাক কভার লাগানো কি উচিত: যদি কেউ ফোনকে ধুলা, ময়লা এবং স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করতে চায়, তা হলে হালকা ও পাতলা ব্যাক কভার বেছে নিতে পারেন। এতে কোনও ক্ষতি হবে না। তবে যদি কেউ ফোনের ডিজাইনকে অক্ষত রাখতে চান, তা হলে ব্যাক কভার ছাড়াই ফোন ব্যবহার করা উচিত।

  • জবিতে মশাল মিছিল

    জবিতে মশাল মিছিল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত মব জাস্টিস ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মশাল মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা পাহাড়ে সংঘটিত অরাজকতারও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

    শুক্রবার রাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।

    সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও পাহাড়ে সংঘটিত সহিংসতায় আমরা মর্মাহত। এসব ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হতে হবে। স্বৈরাচার হটিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা রক্ত দিয়েছি, জীবন দিয়েছি। নতুন বাংলাদেশ গড়ার সেই স্বাধীনতা আমরা ভূলুণ্ঠিত হতে দেবো না।

    এসময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান সজীব বলেন, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তারা শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে এমন কেউ কি ছিল না যে এটার প্রতিবাদ করবে? হল প্রোভোস্ট কোথায় ছিল? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ হত্যার দায় এড়াতে পারে না। আমরা পাহাড়ে সংঘটিত সহিংসতারও বিচার দাবি করছি।

    প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নওশিন বলেন, যারা হত্যা করেছে আমরা সুধু তাদের বিচার চাই না, যারা এই হত্যাকাণ্ড বসে বসে দেখেছে, ভিডিও করেছে কিন্তু প্রতিবাদ করেনি তাদেরও বিচার করতে হবে। পাহাড়ের ঘটনারও আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই। এসব ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি ষড়যন্ত্র তা বের করতে হবে।

    পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ঢাবির তোফাজ্জেল হত্যার সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাঁচ আগস্ট পর্যন্ত যারা স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এটা তাদের নতুন ষড়যন্ত্র। আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের মতো তোফাজ্জল ভাইয়ের হত্যাকারীদেরও বিচার করতে হবে। দেশে কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করা চলবে না।

    প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও পাহাড়ে গণপিটুনিতে হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি করছেন সারাদেশের মানুষ। এদিন দুপুরে একই দাবিতে মানববন্ধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’।

  • কুরআন তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করবেন যেভাবে

    কুরআন তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করবেন যেভাবে

    হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত-তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা,) নামাজে কুরআন তেলাওয়াত করতেন। যখনই কোনো সেজদার আয়াতে পৌঁছতেন,তখন তাকবির বলে সোজা সেজদায় চলে যেতেন। আমরাও তার সঙ্গে সেজদায় চলে যেতাম। (সুনানু আবি-দাউদ-১৪১৩)

    নামাজে হোক বা নামাজের বাহিরে হোক, সর্বমোট ১৪টি আয়াতে তিলাওয়াত করার পর সেজদা করা ওয়াজিব হয়। এ ওয়াজিব ছেড়ে দিলে বান্দা অবশ্যই গোনাহগার হবে।

    পুরো কুরআন শরিফের তেলাওয়াত শেষ করে একবারে বা এক বৈঠকে-১৪টি সিজদা আদায় করাও জায়েজ হবে। তবে তিলাওয়াতের সঙ্গে সঙ্গে আদায় করাটাই উত্তম।

    আপনি যদি নামাজের বাহিরে তিলাওয়াত করে থাকেন। তবে হিসাব করে যতটি তিলাওয়াতে সেজদা চলে গেছে ততটি তিলাওয়াতে সেজদা আদায় করে নিবেন।

    আর যদি নামাজের ভেতরে তেলাওয়াত করে থাকেন,এবং তিলাওয়াতে সেজদা পড়ার পর তিন আয়াতকে অতিক্রম না করে বরং এর ভেতরেই নামাজের রুকু করে সেজদায় চলে যান। তাহলে বিনা নিয়তে নামাজের সেজদার সঙ্গে আপনার উপর ওয়াজিব হয়ে যাওয়া তিলাওয়াতে সেজদা আদায় হয়ে গেছে।

    যেমন ফাতাওয়ায়ে শামীতে বর্ণিত রয়েছে- নামাজে আয়াতে সেজদা তিলাওয়াত করার পর সঙ্গে সঙ্গে নামাজের রুকু করে সেজদায় চলে গেলে বিনা নিয়তে নামাজের সেজদার সঙ্গে তিলাওয়াতে সেজদা আদায় হয়ে যাবে। (ফাতাওয়ায়ে শামী-২/১১২)

    তিলাওয়াতের সিজদার সময় দাঁড়ানো থেকে সিজদায় যাওয়া এবং সিজদা করে আবার দাঁড়িয়ে যাওয়া উভয়টিই মুস্তাহাব। তাই একাধিক তিলাওয়াতের সিজদা আদায় করতে চাইলেও এভাবেই করা উচিত। তবে বসে বসে সিজদা করলেও সিজদা আদায় হয়ে যাবে। আর তিলাওয়াতের সিজদার জন্য তাকবির অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যাওয়া সুন্নত।

  • বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এখন মুশফিকের

    বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এখন মুশফিকের

    চেন্নাই টেস্ট শুরুর আগে তামিম ইকবালের চেয়ে ৮ রান পিছিয়ে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে হলে আর ৯ রানের প্রয়োজন ছিল। তবে প্রথম ইনিংসে ৮ রানে আউট হলে তামিমের পাশে বসার সুযোগ পান তামিম। তাকে ছাড়িয়ে যেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে দ্বিতীয় ইনিংস পর্যন্ত।

    এ যাত্রায় মুশফিক আউট হয়েছেন ১৩ রানে। দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তামিমের দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ ১৫, ১৯২ রানের মাইলফলক ছাপিয়ে শীর্ষে আরোহণ করেছেন মুশফিক।

    দেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এখন পর্যন্ত ৯১ টেস্টে করেছেন ৫ হাজার ৯১৩ রান। ২৭১ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে করেছেন ৭ হাজার ৭৯২ রান। আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের আগে ১০২ ম্যাচে করেছিলেন ১ হাজার ৫০০ রান। সবমিলিয়ে মুশফিকের রান ১৫ হাজার ২০৫। দুইয়ে থাকা তামিম ইকবালের রান ১৫ হাজার ১৯২।

    বাংলাদেশের হয়ে রানের হিসাবে ১৫ হাজারি ক্লাবে নাম উঠেছে শুধু মুশফিক এবং তামিমের। তিনে থাকা সাকিব আল হাসানের রান ১৪ হাজার ৬৯৬। ৪র্থ স্থানে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের রান ১০ হাজার ৬৯৪। ১০ হাজার রান আর কেউ করতে পারেননি।

    চার সিনিয়রের পর এই তালিকায় আছেন লিটন দাস। দেশের হয়ে ২৪৪ ম্যাচ খেলে ফেলা লিটনের রান ৭ হাজার ১৮৩।

  • জীবনের যে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন কৌশানী

    জীবনের যে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন কৌশানী

    ‘বহুরূপী’ সিনেমা নিয়ে এবার পূজায় হাজির হচ্ছেন টালিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। এই ছবির টিজার ইতোমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলেছে। ছবিটিতে ‘ঝিমলি’ রূপে দেখা যাবে কৌশানীকে। নায়িকার বিপরীতে থাকছেন শিবপ্রসাদ মুখার্জি। তাদের জুটিতে রোম্যান্টিক গান ‘শিমূল-পলাশ’ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার ছবির দ্বিতীয় গান ‘আজ সারা বেলা’-এর মিউজিক লঞ্চ ইভেন্টে নানা কথা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী নিজের জীবনে আসা মুখোশধারী মানুষদের নিয়ে মুখ খোলেন।

    কৌশানী তার আশেপাশে থাকা মুখোশধারী মানুষদের চিনতে পারেন কিনা, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। নায়িকার উত্তর, ‘আমি যদি চিনতে পারতাম তাহলে তো খুবই ভালো হত। আমি অনেকবার ধাক্কা খেয়েছি, অনেকবার লাথি খেয়েছি, কিন্তু তাতেও আমি পুরোটা শিখে উঠতে পারিনি।’

    কৌশানী বলেন,‘এখন এই মুখোশধারীদের চেনার প্রসেসে আছি। আসলে আমি খুব তাড়াতাড়ি বিপরীতের মানুষটাকে নিজের মত ভেবে ফেলি। ভুল করে আমার নিজের কথা বলে ফেলি, নিজেকে উজাড় করে দেই। এটাই আমার প্রকৃতি, সবারই না অনেকগুলো মুখোশ থাকে, যদি সেটা চিনে ফেলতে পারতাম তাহলে হয়ত অনেক বড় জায়গা যেতে পারতাম।’

    ‘বহুরূপী’-এর পোস্টার লঞ্চের ইভেন্টেও নিজের প্রকৃতি ও তার জন্য কাজে কী প্রভাব পড়ে তা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে আমি বাড়িয়ে বলতে পারি না। দরকারের বেশি সত্যি কথা বলে ফেলি বলে আমার বদনামও রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। ‘আবার প্রলয়’-এর পর আমি প্রায় ৮ মাস কিছু কাজ করিনি। এর জন্য এমনও শুনতে হয়েছে যে আমি নাকি কাজ পাচ্ছি না। সেটা কিন্তু একেবারেই নয়। এর মাঝেও আমার কাছে অনেক কাজের অফার এসেছিল, কিন্তু আমি স্বেচ্ছায় সেইসব কাজ ছেড়ে দিয়েছি। কারণ আমার মনে হয়েছিল ‘আবার প্রলয়’-তে আমাকে অন্যরকম ভাবে দেখে দর্শকরা যে ভালোবাসাটা দিয়েছিলেন, সেটা যেন আমার পরের ছবিতে একটু না কমে। ‘আবার প্রলয়’ আমার জন্য খুব বিশেষ ছিল। তারপর আসে ‘বহুরূপী’-এর অফার।’

  • রায়হান রাফির সঙ্গে প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন তমা মির্জা

    রায়হান রাফির সঙ্গে প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন তমা মির্জা

    ঢাকাই সিনেমার নির্মাতা রায়হান রাফি। গত ঈদে মুক্তি পায় তার ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা ‘তুফান’।

    রাফির সঙ্গে চিত্রনায়িকা তমা মির্জার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন চলছে বেশ অনেকটা সময় ধরেই। এমনকি তাদের বিয়ে নিয়েও কথা শোনা গেছে। মাঝে মাঝে আবার সেই গুঞ্জন কিছুটা আড়ালও হয়। এখন আবার শোনা যাচ্ছে, তমার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে এই নির্মাতার। প্রেম-বিচ্ছেদ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন তমা মির্জা।

    রায়হান রাফির সঙ্গে কি আসলেই প্রেম ছিল তমার। এই প্রশ্নের জবাবে তমা জানান, রাফির সঙ্গে প্রেমে ছিল এটা তিনি কখনো বলেননি, তাহলে বিচ্ছেদের বিষয়টা এখন আসছে কেন? প্রেমের গুঞ্জনের বিষয়টি নিয়ে ফের প্রশ্ন করা হলে তমা বলেন, আমার নিজের দেশের সাংবাদিক বন্ধুরাও এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। জবাব দিতে পারিনি। কারণ, আমার কাছেই জবাব নেই।

    অন্যদিকে রাফি দাবি করেছিলেন, তাদের শুধু একটি বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে, সেই কথার প্রেক্ষিতে তমা বলেন, ভালোবাসা সরে গেলে বন্ধুত্ব থাকে? নাকি নতুন করে বন্ধুত্ব হতে পারে? সত্যিই আমার জানা নেই।

    যেহেতু তাদের বন্ধুত্বেও ফাটল, সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসেই যে, রায়হানের পরিচালনায় আগামীতে তমাকে দেখা মিলবে কি, তমা বললেন, আমি পেশাদার। মাকে হাসপাতালে ভর্তি করে কাজ করেছি। কিন্তু এর থেকেও বেশি কিছু মায়ের সঙ্গে ঘটে গেলে, তখন আমি কাজ করতে পারব না। একই ভাবে, ভালোবাসা মুছে গেলেও সেই মানুষটির সঙ্গে আগের মতো খুব স্বাভাবিক ভাবে কাজ করে যাব— সেটাও পারব না। আমি অবশ্যই অভিনেত্রী, কিন্তু এতটাও পেশাদার নই।

    মাসখানেক আগেই অভিনেত্রী তমার জন্মদিনে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজেদের সুন্দর মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন রাফি। উল্লেখ করেন, আমি খুব সৌভাগ্যবান যে, তোমাকে নিয়ে আরও একটি বছর পেলাম। রাফির সেই পোস্ট শেয়ার করা মাত্রই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তমা মির্জা। মন্তব্যের ঘরে এই অভিনেত্রী লেখেন, আমিও তোমাকে পেয়ে অনেক ভাগ্যবান রাফি।

    রায়হান রাফির পরিচালনায় প্রথমবার তমা মির্জা অভিনয় করেন ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ওয়েব ফিল্ম। পরে আবার তাদের দেখা যায়, ‘৭ নম্বর ফ্লোর’, ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায়। গতবছর মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। এ সিনেমায় আফরান নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন তমা।

  • হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ

    হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ

    মানুষ মাত্রই ভুল। তবে ভুল স্বীকার করে তা শুধরে নেওয়াটাই বড় কথা। এমনটাই মানেন অমিতাভ বচ্চন। তাই তো বলিউডের শাহেনশা হয়েও বিনম্র তিনি। হাত জোড় করে নিজের ভুলের জন্য চাইলেন ক্ষমা। কিন্তু কী এমন ভুল করেছেন বিগ বি?

    দিন কয়েক আগে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। তাতে বলেছিলেন, আমি আবর্জনা ফেলব না।

    এ কথাটি মারাঠি ভাষায় বলতে গিয়েই তিনি ভুল উচ্চারণ করে বসেন। ভুলের কথাটি তাকে জানান, বন্ধুবর সুদেশ ভোঁসলে। ভুল করেছেন তা জানতে পেরেই ক্ষমা চেয়ে নেন বলিউডের শাহেনশা। সঠিক উচ্চারণ করে কথাটি বলেন তিনি।

    অমিতাভের এই বিনম্রতায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। অনেকেই কমেন্টবক্সে তার এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, এই জন্যই তো আপনি অমিতাভ বচ্চন। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, শেখার কোনও বয়স হয় না সেকথা বিগ বি আবারও প্রমাণ করলেন। আর এই কারণেই তিনি এতদিন ধরে বলিউডে রাজত্ব করছেন।

    সম্প্রতি প্রভাস-দীপিকার ‘কল্কি’ সিনেমা অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন। এই চরিত্রের জন্য তুমুল প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। এদিকে আবার জল্পনা, রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ’ সিনেমায় তার কণ্ঠ শোনা যাবে, তাও আবার জটায়ুর চরিত্রে।

  • বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহের

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহের

    বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করার হুমকি দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে বিজেপির আয়োজিত নির্বাচনী এক সমাবেশে এই হুমকি দেন তিনি।

    প্রদেশের সাহেবগঞ্জ জেলায় পরিবর্তন যাত্রা নামের এক পদযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যের প্রত্যেকটি গ্রামে গ্রামে আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এই পদযাত্রার মাধ্যমে পরিবর্তনের বার্তা দেওয়া হবে। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রত্যেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে উল্টো ঝুলিয়ে রাখা হবে।

    দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে বিজেপিকে সরকার গঠনে সহায়তা করার জন্য জনতার প্রতি আহ্বান জানান অমিত শাহ। এ সময় তিনি বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

    অমিত শাহ বলেছেন, এই জমি আদিবাসীদের। কিন্তু এখানে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। আদিবাসীদের সংখ্যা ৪৪ শতাংশ থেকে কমে ২৮ শতাংশ হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীরা জেএমএম, কংগ্রেস এবং আরজেডির ভোট ব্যাংক হওয়ায় এখানকার সরকার জনকল্যাণের পরিবর্তে অনুপ্রবেশকারীদের কল্যাণে নিযুক্ত রয়েছে। যে সরকার অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে উপজাতি মেয়ে এবং তাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে পরিবর্তন আনতে হবে। চাকরির জন্য আমার উপজাতি ভাই ও বোনেরা দেশের বিভিন্ন অংশে যান। এর পরিবর্তে, এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে সরকার সাঁওতাল পরগণার জন্য কর্মসংস্থান নিয়ে আসবে। আমরা শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে পরিবর্তন করতে চাই না। আমরা চাই ঝাড়খন্ডকে পাল্টে দিতে।

  • বৈরুতে ইসরাইলের হামলায় নিহত বেড়ে ৩১

    বৈরুতে ইসরাইলের হামলায় নিহত বেড়ে ৩১

    লেবাননের বৈরুতের শহরতলিতে ইসরাইলি বিমান হামলায় তিন শিশু ও সাত নারীসহ অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার এ হামলা হয়েছে।

    প্রায় এক বছর ধরে চলা হিজবুল্লাহ ও ইসরাইল সংঘর্ষের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক এ হামলায় নিহতদের মধ্যে হিজবুল্লাহর ১৬ সদস্যও রয়েছে। খবর রয়টার্সের

    হিজবুল্লাহ বলেছে, শুক্রবারের হামলায় তাদের এক সিনিয়র নেতা ইব্রাহিম আকিল ও আরেক শীর্ষ কমান্ডার আহমেদ ওয়াহবিসহ ১৬ যোদ্ধা নিহত হয়েছে।

    চলতি সপ্তাহে টানা দুই দিনের হামলার পর হিজবুল্লাহর ওপর আরও একটি হামলার ঘটনা ইসরাইল ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির মধ্যকার দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

    শুক্রবারের হামলার ওই স্থানে সাংবাদিকদের হিজবুল্লাহ সংলগ্ন পরিবহনমন্ত্রী আলী হামিহ বলেছেন, অন্তত ২৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

    তিনি বলেন, ইসরাইলি শত্রুরা এই অঞ্চলকে যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ধসে পড়া ভবনগুলো খনন করতে উদ্ধারকারীদের সাহায্য করার জন্য যানবাহন ও সরঞ্জাম পাঠিয়েছিল মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, আমরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নারী ও শিশুদের উদ্ধার করছি।

    মধ্যরাতের ঠিক পরে একটি বিবৃতিতে আকিলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হিজবুল্লাহ। বিবৃতিতে তাকে ‘শীর্ষ নেতাদের একজন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

    এর আগের হামলায় হিজবুল্লাহ সদস্যদের ব্যবহৃত পেজার ও ওয়াকি-টকি বিস্ফোরিত হয়েছিল। এতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার জনেরও বেশি মানুষ।

    পেজার ও ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণের জন্য ইসরাইল দায়ী বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়েছিল। তবে ইসরাইল এমন অভিযোগ স্বীকার বা নাকচ করেনি।