Blog

  • সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের ছেলে সাফি কারাগারে

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের ছেলে সাফি কারাগারে

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে সাফি মোদ্দাসের খান জ্যোতিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    রাজধানীর আশুলিয়া থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় বৃহস্পতিবার রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক আবু তাহের মিয়া তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

    পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ভুক্তভোগী মো. রবিউল সানি বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলার ৪ নম্বর আসামি সাফি।

    মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ইউজিসির সাবেক সচিব ড. ফেরদৌস জামান, সাবেক সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীর, ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।

  • ওরিয়ন গ্রুপের কর্ণধার ওবায়দুল করিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ

    ওরিয়ন গ্রুপের কর্ণধার ওবায়দুল করিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ

    ওরিয়ন গ্রুপের কর্ণধার ওবায়দুল করিম ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে।

    বুধবার বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, এই ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত হওয়া ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকবে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার এ সময় পরবর্তীতে বাড়ানো হবে।

    চিঠিতে ওবায়দুল করিম ও তার স্ত্রী আরজুদা করিম, ছেলে সালমান ওবায়দুল করিম, মেহেদি হাসান ও মেয়ে জারিন করিমের নামসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেজাউল করিমের নামসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যও দেওয়া আছে।

    বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো হিসাব স্থগিত করা হলে হিসাব সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন- হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি চিঠি দেওয়ার দিন থেকে পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তাদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।

  • রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী

    রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী

    পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাগীব নূর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক আব্দুল মালেক। এসময় আসামিপক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন।

    দুপক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাগীব নূরের আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্যাহের আদালত তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

  • কোটি টাকা চাঁদা দাবি: আজিজ-বেনজির-হারিস-জোসেফের নামে মামলা

    কোটি টাকা চাঁদা দাবি: আজিজ-বেনজির-হারিস-জোসেফের নামে মামলা

    সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদ, আজিজের ভাই হারিস আহমেদ ও জোসেফ আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে এনে মামলা করা হয়েছে।

    মামলার অপর আসামি হচ্ছেন- র‌্যাব-৩ এর সাবেক অধিনায়ক শাফী উল্লাহ বুলবুল।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী হায়দারের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপার্সের চেয়ারম্যান সেলিম প্রধান।

    আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর অন্যান্য আসামিদের নির্দেশে শাফী উল্লাহ বুলবুল সেলিম প্রধানের গুলশানের বাসায় গিয়ে রেঞ্জ রোভার গাড়ি চাঁদা দাবি করেন। আবারও ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তার বাসায় গিয়ে ১০০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন আসামিরা।

    আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে থাইল্যান্ড যাচ্ছিলেন। ওই সময় বিমানের ভেতর থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে র‌্যাব-১ অফিসে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। রেঞ্জ রোভার গাড়ি ও ১০০ কোটি টাকা চাঁদা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তার সঙ্গে থাকা ১০ কোটি টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।

  • এস আলম গ্রুপের তথ্য চেয়ে সিঙ্গাপুরের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার চিঠি

    এস আলম গ্রুপের তথ্য চেয়ে সিঙ্গাপুরের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার চিঠি

    এস আলম গ্রুপ ও এর মালিকদের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদের বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে সিঙ্গাপুরের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (এফআইইউ)। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে তথ্য চেয়ে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    সূত্রটি জানায়, এস আলম গ্রুপ ও এর মালিকদের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদের বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়ে সিঙ্গাপুরের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট একটি ই-মেইল পাঠিয়েছে। বিস্তারিত তথ্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সেই তথ্য তাদের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    সিঙ্গাপুরের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগসহ বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো বিএফআইইউ-এর দায়িত্ব বলে জানায় সূত্রটি।

    এস আলম গ্রুপের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর পর সিঙ্গাপুরসহ বিদেশে এস আলমের বিপুল সম্পদের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাইফুল আলম সিঙ্গাপুরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা গড়ে তুলেছেন বলে এসব প্রতিবেদনে ওঠে আসে।

  • ঢাবিতে পিটিয়ে হত্যায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনকে থানায় সোপর্দ

    ঢাবিতে পিটিয়ে হত্যায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনকে থানায় সোপর্দ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আটককৃতদের শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আটককৃতরা হলেন-ছাত্রলীগের ফজলুল হক মুসলিম হল শাখার উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক থেকে পদত্যাগকৃত ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জালাল আহমেদ, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সুমন ও পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মুত্তাকীন সাকিন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তোফাজ্জলকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জালাল আহমেদ। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন।

    একটি ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, জালাল আহমেদসহ হলের ৮-১০ জন শিক্ষার্থী তোফাজ্জলকে বেধড়ক মারধর করছেন।

    শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান জানান, তিন শিক্ষার্থীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে গ্রেফতার দেখানো হবে।

    বুধবার রাতে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ওই হলে তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা করেন শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, তোফাজ্জলকে আটকের পর গেস্টরুমে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। সেখানে তাকে রাত ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় মারধর করেন।

    একপর্যায়ে তাকে ক্যান্টিনে বসিয়ে ভাতও খাওয়ানো হয়। এরপর পুনরায় মারধর করা হয়। রাত ১০টার দিকে হলের হাউস টিউটররা ঘটনাস্থলে গেলে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীরা সেখানে রেখেই চলে আসেন।

    এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মামলার এজাহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেট অ্যাডভাইজার আমানুল্লাহ উল্লেখ করেন, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে একজন যুবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র তাকে আটক করে। তাকে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্টরুমে নিয়ে সে মোবাইল চুরি করেছে বলে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুসি দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসা করলে তার নাম তোফাজ্জল বলে জানায়। পরে সে মানসিক রোগী বুঝতে পেরে তাকে হলের ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ানো হয়। পরে হলের গেস্টরুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে পেছনে হাত বেঁধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্র বেধড়ক মারধর করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষককে জানানো হলে তারা সহায়তা করে অচেতন যুবককে ঢামেকে নিয়ে যায়। পরে রাত ১২ টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    এ ঘটনায় হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। তিনি উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারান তিনি। এর কিছুদিনের মধ্যে অল্প সময়ের ব্যবধানে তোফাজ্জলের মা, বাবা ও একমাত্র বড়ভাই মারা যান। পরিবার ও অভিভাবক হারিয়ে পুরোপুরি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন গত ৩ থেকে ৪ বছর ধরে।

    গেল ২ থেকে ৩ বছর তোফাজ্জল প্রায়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়াতেন। যারা তাকে চিনতো সবাই সহযোগিতা করতেন। খাবারের বাইরে তার তেমন কোনো চাহিদা ছিল না।

  • মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর আহ্বান উপদেষ্টা নাহিদের

    মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর আহ্বান উপদেষ্টা নাহিদের

    তরুণ প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইন্টারনেটের দাম কমানোর পাশাপাশি সব মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

    বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে বাংলালিংক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতকালে উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইন্টারনেটের দাম কমাতে হবে। পাশাপাশি মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।

    জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এসময় মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর জন্য বাংলালিংক প্রতিনিধিদের প্রতিও আহ্বান জানান উপদেষ্টা।

    এসময় বাংলালিংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার জাহারাত আদিব চৌধুরী জনপ্রিয় এপ্লিকেশন টফির ব্যবহারে বিভিন্ন বাধার কথা উল্লেখ করলে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক এস, প্রধান কর্পোরেট ও নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা তাইমুর রহমান প্রমুখ।

  • আসাদুজ্জামানের বাসায় মিলল হরিণের শিং চামড়া মদ ও ফেনসিডিলের বোতল

    আসাদুজ্জামানের বাসায় মিলল হরিণের শিং চামড়া মদ ও ফেনসিডিলের বোতল

    ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে আশুলিয়া থানা পুলিশসহ যৌথবাহিনীর একটি দল। মঙ্গলবার রাতের ওই অভিযানে তার বাসা থেকে হরিণের শিং, চামড়া এবং মদ-ফেনসিডিলের খালি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।

    আসাদুজ্জামানের ছেলে সাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতি গ্রেফতার হয়ে পুলিশের রিমান্ডে যাওয়ার চার দিনের মাথায় এ অভিযান চালানো হয়।

    ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জ্যোতি আশুলিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে আছেন। মূলত এটা তাদেরই অভিযান। আমরা শুনেছি জ্যোতিকে সঙ্গে নিয়েই তারা বাসায় তল্লাশি চালায়।

    তল্লাশিতে কী কী পাওয়া গেছে প্রশ্নে তিনি বলেন, জ্যোতির রুম থেকে দুটি হরিণের শিং, একটি জেব্রা ও হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, মদ ও ফেনসিডিলের তিনটি খালি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।

    তবে অভিযানের সময় সাবেক এই মন্ত্রীর বাসা থেকে চারজনকে আটকের কথা জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা।

    তিনি বলেন, আটক চারজন বাসার কেউ না, তারা হয়ত অভিযানের সময় ঢুকে পড়েছিল। তাদের কাছে মোবাইল, টাকাসহ কিছু জিনিস পাওয়া গেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় চুরির মামলা হবে।

    প্রাথমিকভাবে আটকদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি পুলিশের এই পরিদর্শক।

    গত শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিকে। হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১১ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থানায় রবিউল সানি নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    পরদিন জ্যোতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাতদিনের রিমান্ড আবেন করলে তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

    গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হলেও আসাদুজ্জামান খান কামাল এখন পর্যন্ত লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন।

  • ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগ করা ভিসি অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ (সহকারী একান্ত সচিব) গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বুধবার দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    দুদকের তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

    এছাড়া, সৌমিত্র শেখরের বিরুদ্ধে এক ঠিকাদারের সোনালী ব্যাংকের আমানত রূপালী ব্যাংকে স্থানান্তরে প্রতি কোটিতে ৫০ হাজার টাকা আদায়, গাড়ির জ্বালানির জন্য বরাদ্দ সরকারি তহবিল আত্মসাৎ এবং অবৈধ অর্থে শেরপুরে জমি কিনে ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

    তার বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং শেরপুরে সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে দুদক।

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু-ও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন।

    তার স্ত্রীর নামে রামদিয়া কাশিয়ানীতে মেসার্স রাফি এগ্রো এন্ড ফিসারিজ এর নামে বিভিন্ন মৌজায় কয়েক শত বিঘা জমি ও মোহাম্মদপুর মধুসিটিতে ৬ নম্বর রোডে ৫৮৩ নম্বর বাড়ির এ-৬নং ফ্ল্যাট ক্রয়; ঢাকার উত্তরায় ১৭ নম্বর সেক্টরে ৩ নম্বর রোডে ৪৬ নম্বর সরকারি প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ নেয়া হয়।

    পাশাপাশি গোপালগঞ্জে পৌরসভায় ১০ শতক জমি কিনেছেন, পৈত্রিক জমিতে নির্মাণ করেছেন ৫ তলা বাড়ি। তার শ্যালকের নামে ৬ তলা বাড়ি, ১০ তলা কর্মাশিয়াল ও আবাসিক ভবন, ঢাকার মোহাম্মদপুরে মধুসিটিতে ১ বিঘার জমির ওপর ৬ তলা ভবন নির্মাণ, কুয়াকাটার লাইট হাউজের পাশে ওশান ব্লু রিসোর্ট রয়েছে। এছাড়াও নামে-বেনামে নিজ ও বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বিপুল সম্পদ রয়েছে লিকুর। তার অবৈধভাবে অর্জিত জ্ঞাত-আয় বর্হিভূত সম্পদ রয়েছে।

    অপরদিকে, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ২০১৪ সালে হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল ১৫ হাজার টাকা। ২০২৪ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ লাখ টাকা।

    এছাড়া, তার মালিকানাধীন ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি টয়োটা প্রাডো জিপ ও ৮৪ লাখ টাকা মূল্যের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার স্টেশন ওয়াগনের খোঁজ পাওয়া গেছে। তার আরও ৪ একর পৈতৃক জমি, রাজউকের বরাদ্দ করা ৩ কাঠা প্লট, ১৪ গন্ডা অকৃষি জমি, ৪ কাঠা প্লট এবং চকবাজার সুপার মার্কেটে একটি দোকান। তার স্ত্রী ঢাকার কাফরুলে একটি পাঁচতলা বাড়ি এবং ১৮৭২ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের মালিক।

    সাবেক এমপি মোস্তাফিজ ও তার আত্মীয়রা নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদক প্রমাণ পেয়েছে।

  • ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগ করা ভিসি অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ (সহকারী একান্ত সচিব) গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বুধবার দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    দুদকের তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

    এছাড়া, সৌমিত্র শেখরের বিরুদ্ধে এক ঠিকাদারের সোনালী ব্যাংকের আমানত রূপালী ব্যাংকে স্থানান্তরে প্রতি কোটিতে ৫০ হাজার টাকা আদায়, গাড়ির জ্বালানির জন্য বরাদ্দ সরকারি তহবিল আত্মসাৎ এবং অবৈধ অর্থে শেরপুরে জমি কিনে ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

    তার বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং শেরপুরে সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে দুদক।

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু-ও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন।

    তার স্ত্রীর নামে রামদিয়া কাশিয়ানীতে মেসার্স রাফি এগ্রো এন্ড ফিসারিজ এর নামে বিভিন্ন মৌজায় কয়েক শত বিঘা জমি ও মোহাম্মদপুর মধুসিটিতে ৬ নম্বর রোডে ৫৮৩ নম্বর বাড়ির এ-৬নং ফ্ল্যাট ক্রয়; ঢাকার উত্তরায় ১৭ নম্বর সেক্টরে ৩ নম্বর রোডে ৪৬ নম্বর সরকারি প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ নেয়া হয়।

    পাশাপাশি গোপালগঞ্জে পৌরসভায় ১০ শতক জমি কিনেছেন, পৈত্রিক জমিতে নির্মাণ করেছেন ৫ তলা বাড়ি। তার শ্যালকের নামে ৬ তলা বাড়ি, ১০ তলা কর্মাশিয়াল ও আবাসিক ভবন, ঢাকার মোহাম্মদপুরে মধুসিটিতে ১ বিঘার জমির ওপর ৬ তলা ভবন নির্মাণ, কুয়াকাটার লাইট হাউজের পাশে ওশান ব্লু রিসোর্ট রয়েছে। এছাড়াও নামে-বেনামে নিজ ও বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বিপুল সম্পদ রয়েছে লিকুর। তার অবৈধভাবে অর্জিত জ্ঞাত-আয় বর্হিভূত সম্পদ রয়েছে।

    অপরদিকে, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ২০১৪ সালে হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল ১৫ হাজার টাকা। ২০২৪ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ লাখ টাকা।

    এছাড়া, তার মালিকানাধীন ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি টয়োটা প্রাডো জিপ ও ৮৪ লাখ টাকা মূল্যের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার স্টেশন ওয়াগনের খোঁজ পাওয়া গেছে। তার আরও ৪ একর পৈতৃক জমি, রাজউকের বরাদ্দ করা ৩ কাঠা প্লট, ১৪ গন্ডা অকৃষি জমি, ৪ কাঠা প্লট এবং চকবাজার সুপার মার্কেটে একটি দোকান। তার স্ত্রী ঢাকার কাফরুলে একটি পাঁচতলা বাড়ি এবং ১৮৭২ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের মালিক।

    সাবেক এমপি মোস্তাফিজ ও তার আত্মীয়রা নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদক প্রমাণ পেয়েছে।