Blog

  • গণহত্যায় উসকানিদাতা কবি ও সাংবাদিকদেরও বিচার হবে

    গণহত্যায় উসকানিদাতা কবি ও সাংবাদিকদেরও বিচার হবে

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম গণহত্যায় উসকানিদাতাদের বিচারের আওতায় আনার ওপর গুরুতারোপ করেছেন। তিনি বলেন, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিংবা গণহত্যায় উসকানি দিয়েছেন; তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।

    বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত বলতে বুঝিয়েছেন, বিভিন্ন লেখনি ও মতামতের মাধ্যমে জনমত তৈরি করে গণহত্যার পক্ষে পরোক্ষভাবে কাজ করেছেন এবং গণহত্যার জন্য উসকানি দিয়েছেন; তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। কেবল সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কবি পরিচয়ে কেউ রেহাই পাবেন না।

    সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, মামলাগুলো সরকার করছে না; জনগণ তাদের জায়গা থেকে করছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শত্রুতার জায়গা থেকেও মামলা করা হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে, এই মামলাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত করে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হলে তাকে মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হবে।

    এ সময় তিনি জানান, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সচিবালয় সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমি তাদের বলেছি, যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয় থাকে; তাহলে তার ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিস্তারিত পাঠাবেন। আমরা তার বিষয়টি দেখব।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়; জননিরাপত্তা যাতে নিশ্চিত হয়; আমরা যেহেতু একটি জরুরি পরিস্থিতিতে আছি; দেশ পুনর্গঠন করতে হচ্ছে; সেহেতেু সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের জন্য এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ সংস্কার করে আরও শক্তিশালী ও আস্থার জায়গায় নিয়ে এসে তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনা হবে। এ কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে বিভিন্ন অংশীজন ও মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছি। কীভাবে ফ্যাক্টচেকিং বিষয়টি আরও শক্তিশালী করা যায়; সেটা নিয়ে ভাবছি।

    একটি ফ্যাক্টচেকিং সেল করার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাতে এ ধরনের গুজবের সত্যতা যাচাই করে মানুষের কাছে সত্য তুলে ধরা যায়; মানুষ যাতে গুজব ও মিথ্যায় প্রভাবিত না হয়; সে জন্য আমরা ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে ভাবছি।

    এর আগে নাহিদ ইসলাম ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড’ এবং জুড়ি বোর্ডের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

  • রপ্তানি নেই, তবু ইলিশের দাম কমছে না কেন?

    রপ্তানি নেই, তবু ইলিশের দাম কমছে না কেন?

    ভারতে রপ্তানি না করার সিদ্ধান্তের পর সামাজিক মাধ্যমে ইলিশে দাম কমার তথ্য দেখে সম্প্রতি বাজারে গিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশেরই জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্যটির উচ্চমূল্য নিয়ে হতাশাও জানাচ্ছেন অনেকে।

    ভার্চুয়াল দুনিয়া থেকে বাস্তবের মাছের বাজার সবখানেই ইলিশের দাম নিয়ে কৌতূহল চোখে পড়ার মত। ক্রেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে বিক্রেতাদেরও।

    সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, ভারতে ইলিশ না পাঠানো ব্যাপারে সরকারের অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, আমরা ক্ষমা চাচ্ছি, কিন্তু আমরা ভারতে কোনো ইলিশ পাঠাতে পারব না। এটি দামি মাছ। আমরা দেখেছি, আমাদের দেশের মানুষই ইলিশ খেতে পারে না। কারণ সব ভারতে পাঠানো হয়।

    তবে রপ্তানি না হওয়ার পরেও বাজারে মাছটির দাম নাগালের মধ্যে নেই বলে জানাচ্ছেন ক্রেতারা

    ঢাকার হাতিরপুল বাজারে মাছ কিনতে আসা চাকরিজীবী নার্গিস বেগম বলেন, রপ্তানি বন্ধ কিন্তু দাম তো কমে নাই, মাঝখান থেকে আমরা বাজারে এসে নাজেহাল হই।

    এই ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন কারণে, মৎস্য উপদেষ্টার ভাষায় ‘দামী মাছটি’র দাম কমছে না। যার অন্যতম, যোগানের ঘাটতি।

    জেলের জালে ধরা পড়া ইলিশ তিন থেকে পাঁচ হাত ঘুরে ক্রেতার কাছে আসে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এসব জায়গায় দামের তারতম্যের ওপর বাজারও ওঠানামা করে।

    চাঁদপুরের আড়তগুলোতে মঙ্গলবার সকালে তিন থেকে চারশো গ্রাম ওজনের প্রতি মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২৫ হাজার টাকার আশেপাশে।

    অন্য মাছের মত ইলিশের ক্ষেত্রেও ওজনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। অর্থাৎ, মাছের আকার যত বড় হয়, কেজিপ্রতি দামও তত বেশি হয়ে থাকে।

    এছাড়া, সমুদ্র-মোহনা থেকে ধরা মাছ আর নদীর উজানের মাছের ক্ষেত্রেও দামে বেশ কিছুটা পার্থক্য থাকে বলেও জানান মাছ বিক্রেতারা।

    প্রায় এক কেজি ওজনের মাছের কেজিপ্রতি দাম উৎসে এক হাজার থেকে ১১০০ টাকা।

    অর্থাৎ, জেলেরা প্রতি কেজি মাছের জন্য এই দাম পেয়ে থাকেন বলে জানান, ভোলার মেঘনা নদীর জে‌লে ইব্রাহীম মা‌ঝি।

    আড়তে ওই আকৃতির মাছের দাম ওঠে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

    যা আরো দুই-তিনশো টাকা বেশি দামে কিনতে হয় ভোক্তাকে।

    চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার বলেন, মঙ্গলবার সকালে এক কেজি ওজনের মাছের মণ বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬২ হাজার টাকা।

    রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নয়শো গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের মাছের জন্য ১৮০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন বিক্রেতারা।

    আবদুল বারী জমাদার জানান, কিছুদিন ধরে এই দামের মধ্যেই ইলিশের বেচাকেনা হচ্ছে।

    যেসব কারণে দাম কমে না

    দেশের ইলিশ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর পহেলা মার্চ থেকে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাসের মাছ ধরা বন্ধ কর্মসূচি ঘোষণা করে।

    এই নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    এরপর মে-জুন থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইলিশ আহরণের মৌসুম।

    এই সময়টাকে ‘পিক টাইম’ বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

    চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার বলছেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার এই সময়টায় মাছের দেখা মিলছে খুবই কম। ২০২২ সালে প্রতিদিন ১২০০ মণ ইলিশ আসতো আমাদের মোকামগুলোয়, গত বছর আসে সাত-আটশো মণ আর এইবার আসতেছে দুই-আড়াইশো মণ।

    এ বছর ৪০ টি ট্রলারে দাদন (অগ্রিম অর্থ) দিয়েছেন জানিয়ে এখন পর্যন্ত একটি ট্রলার যথেষ্ট মাছ পায়নি বলে দাবি করেন তিনি। জানান, একেকটি ট্রলারে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা করে দিয়েছেন।

    এই দাদনদাতাদের মাধ্যমেই জেলেদের মাছ বিক্রির বাধ্যবাধকতা থাকে। এতে কমিশন এজেন্ট হিসেবে তারা দশ শতাংশ অর্থ পান।

    পর্যাপ্ত যোগান না থাকলে দাম হ্রাসের সুযোগ থাকে না এমনটাই জানাচ্ছেন অন্য ব্যবসায়ীরাও।

    আরেকটি কারণ, জেলে ও ট্রলারের খরচ তথা ব্যবসার বিনিয়োগ ও অন্যান্য ব্যয়।

    বেচা বিক্রির অনুপাতে খরচও কম নয়, বলছিলেন ভোলার আড়তদার মো. ইউনুছ মিয়া।

    তিনি বলেন, দশ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে ছয় হাজার টাকা খরচ করা লাগে।

    আবদুল বারী জমাদার জানান, আকৃতিভেদে একেকটি ট্রলার বানাতে ব্যয় হয় এক থেকে দেড় কোটি টাকা। সেগুলো দশ বারো বছর পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে।

    ফলে, ট্রলারের বিনিয়োগ তুলে আনতে গেলেও মাছের বেচা-বিক্রি ভালো দামে হওয়া জরুরি তাদের কাছে।

    এছাড়া, মাছের বাজারের উচ্চ দামের জন্য কেউ কেউ সিন্ডিকেটের অভিযোগও তুলে থাকেন।

    তবে, তা অস্বীকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

    আবদুল বারী জমাদারের দাবি, আমরা উন্মুক্ত নিলামে মাছ বিক্রি করি। সিন্ডিকেটের কোনো সুযোগ নেই।

    জেলেদের জালে মাছ ধরা পড়লে দাম নিজে থেকেই কিছুটা কমে আসবে বলে তার দাবি।

    বাংলাদেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, এর বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ লাখ একাত্তর হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।

  • সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ১১ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয়টি কমিশন গঠন এবং কমিশনের প্রধানদের নাম ঘোষণা করেন।

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসাবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক, আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র অনাবাসিক ফেলো ও আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (এআইবিএস) প্রেসিডেন্ট।

  • দক্ষিণ কোরিয়ায় সাগরে ডুবে নরসিংদীর ২ যুবকের মৃত্যু

    দক্ষিণ কোরিয়ায় সাগরে ডুবে নরসিংদীর ২ যুবকের মৃত্যু

    নরসিংদীর বেলাব উপজেলার দুই যুবক দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা গেছেন।

    সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্ধুদের নিয়ে সমুদ্রে নামলে তাদের মৃত্যু হয়।

    মৃতরা হলেন- বেলাব উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামের মো. মুজিবুর রহমানের ছেলে সাকিবুর রহমান সঞ্জিব (২৩) ও টেকপাঁড়ার মো. বাচ্চু মিয়ার ছেলে সৈকত হাসান শান্ত (২২)।

    স্বজনরা জানান, ২০২০ সালে পরিবারে স্বচ্ছলতা আনার জন্য সাকিবুর রহমান সঞ্জিব সরকারিভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি জমান। আর চার মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় যান সৈকত হাসান শান্ত। এর মধ্যে কিছু দিন আগে সঞ্জিব বাড়ি থেকে ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থল দক্ষিণ কোরিয়ায় যান। সোমবার ছুটি থাকায় অন্যান্য প্রবাসী বন্ধুদের নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরের সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নামেন সঞ্জিব আর শান্ত। এসময় সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বিকেল ৩টায় দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্ধার কর্মীরা সঞ্জিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। সঞ্জিবের মরদেহ উদ্ধার করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর একই স্থানে পাওয়া যায় শান্তর মরদেহ।

    এদিকে তাদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

    শান্তর বাবা মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মাত্র চার মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় যায় শান্ত। রাতে আমরা জানতে পারি শান্ত আর বেঁচে নেই। আল্লাহ তাকে নিয়ে গেছেন। সরকার যেন দ্রুত আমার ছেলের লাশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় এ অনুরোধ করছি।

    সঞ্জিবের চাচা আতিকুর রহমান জীবন জানান, সরকারের প্রতি দাবি, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে যেন দ্রুত সঞ্জিবের লাশ দেশে আনতে সহযোগিতা করে।
    বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল করিম বলেন, বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। কিন্তু তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ জানাননি। পরিবারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা চাইলে সরকারিভাবে মরদেহ আনার জন্য সহযোগিতা করা হবে।

  • এখনও ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত

    এখনও ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত

    বাংলাদেশ পুলিশের ১৮৭ জন সদস্য কর্মস্থলে এখনও অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পট পরিবর্তনের পর গত ১ আগস্ট থেকে মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তারা কর্মস্থলে যোগাযোগ না করে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অনুপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- ডিআইজি ১ জন, অতিরিক্ত ডিআইজি ৭ জন, পুলিশ সুপার ২ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ১ জন, সহকারী পুলিশ সুপার ৫ জন, পুলিশ পরিদর্শক ৫ জন, এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, এএসআই ৯ জন, নায়েক ৭ জন ও কনস্টেবল ১৩৬ জন।

    আরও জানানো হয়, ১৮৭ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ছুটিতে অতিবাস ৯৬ জন, কর্মস্থলে গরহাজির ৪৯ জন, স্বেচ্ছায় চাকরি ইস্তফা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ৩ জন ও অন্যান্য কারণে ৩৯ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    জানা গেছে, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এস এম মেহেদী হাসানসহ ডিএমপির একাধিক কর্মকর্তারা এখনও অনুপস্থিত।

  • ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুক্রবারও চলবে মেট্রোরেল, থামবে কাজীপাড়া

    ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুক্রবারও চলবে মেট্রোরেল, থামবে কাজীপাড়া

    আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুক্রবারও মেট্রোরেল চলবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

    একই দিন থেকে মেট্রোরেল কাজীপাড়া স্টেশনে থামবে বলেও জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আবদুর রউফ বলেন, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পর চলতি সপ্তাহ থেকে শুক্রবারও (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে মেট্রোরেল চালানোর চেষ্টা চলছে।

    এই শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে মেট্রোরেল কাজীপাড়া স্টেশনে থামবে আশা প্রকাশ করে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, স্টেশনটি পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে হামলা করে দুর্বৃত্তরা।

    এরপর ২৫ আগস্ট মেট্রো রেলের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলেও এই দুটি স্টেশনে কোনো ট্রেন থামতে পারছে না। ৫ আগস্টের আগে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জানিয়েছিল এ দুটি স্টেশন চালু হতে এক বছরের মতো সময় লাগবে।

    মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, যাত্রীদের জন্য দুটি স্টেশন প্রস্তুত করতে কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • বেনজীরের ক্যাশিয়ার মিজান গ্রেফতার

    বেনজীরের ক্যাশিয়ার মিজান গ্রেফতার

    রংধনু গ্রুপের পরিচালক ও রূপগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক আইজিপি বেনজীরের ক্যাশিয়ারখ্যাত মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

    মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে মিজানকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

    মিজানের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলাসহ ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতারের পর মিজানকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
    উল্লেখ্য, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ক্যাশিয়ার ছিলেন মিজান। এছাড়া বেনজীরের সম্পদ দেখভাল এবং অনৈতিক কাজের সহযোগীও ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, বেনজীরের নামে তোলা বিভিন্ন চাঁদা মিজানের কাছে জমা হতো।

  • মির্জা ফখরুলের নামে ভুয়া ডিও লেটার

    মির্জা ফখরুলের নামে ভুয়া ডিও লেটার

    অসৎ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া ডিও লেটার তৈরি করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জ্ঞাত হয়েছি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে বানোয়াট ডিও লেটার তৈরি করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রদান করা হচ্ছে—যা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য। যেসব মন্ত্রণালয়ে এ ধরনের ডিও লেটার পাওয়া যাবে সেই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

    মির্জা ফখরুলের নামে ভুয়া ডিও লেটার
    শেখ হাসিনার ভুয়া পদত্যাগপত্র ভাইরাল, ক্ষুব্ধ আ.লীগ
    উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষর জাল করে বিএনপির প্যাডে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ মর্মে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, কোনো স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল আমার স্বাক্ষর জাল করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে। ফেসবুকে পোস্টকৃত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

    বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘উল্লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি আমার স্বাক্ষরে বিএনপি’র দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট ও ভুয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আমার স্বাক্ষর জাল করে প্রচারিত ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিটির বিষয়ে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

  • বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

    বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

    অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আশ্বাস দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক।

    আবদুলায়ে সেক বলেন, সরকারের সংস্কার, বন্যার প্রতিক্রিয়া, উন্নত বায়ুর গুণমান এবং স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্বব্যাংক এই অর্থ বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থায়ন জোগাড় করতে পারে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাকে সমর্থন করতে চাই। ব্যাংকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রয়োজনে সহায়তা করবে।

    এর আগে আর্থিক খাত সংস্কারে প্রায় একশ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রায় একশ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়ে বিশ্বব্যাংককে চিঠি দিয়েছে সরকার। দুই কিস্তিতে ৫০ কোটি ডলার করে এই অর্থ চেয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি হেডকে বলেন, বিশ্বব্যাংককে অবশ্যই বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমে নমনীয়তা রাখতে হবে এবং ১৫ বছরের চরম দুর্ব্যবস্থাপনার পর একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে সহায়তা করতে হবে। এই ধ্বংসস্তূপ থেকে আমাদের নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আমি প্রস্তাব করব, আমাদের সাহায্য করুন।

    বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া কোটি কোটি ডলার পুনরুদ্ধারে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের কাছে চুরি করা সম্পদ ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশকে শূন্য দুর্নীতি সমৃদ্ধ একটি দেশ গড়তে বিশ্বব্যাংকের দক্ষতা প্রয়োজন হবে।

    এ সময় পাচার অর্থ ফেরাতে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর। তিনি বলেন, আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পেরে আনন্দিত। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে তথ্যের স্বচ্ছতা, তথ্যের সঠিকতা, কর সংগ্রহের ডিজিটালাইজেশন এবং আর্থিক খাতের সংস্কারে সহায়তা করতে চায়।

    এদিকে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ১০০ কোটি ইউরো (প্রতি ইউরো ১৩৩ টাকা করে হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় ১৩ হাজার ৩০৩ কোটি ৩১ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা) সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামী ১০ বছরে এই সহায়তা দেবে জার্মানি। এর মধ্যে চলতি বছরই বাংলাদেশ পাবে দেড় কোটি ইউরো। বেসরকারি খাত, গবেষণা ইনস্টিটিউট, একাডেমিয়া ও সুশীল সমাজের মতো সশ্লিষ্টদের সাথে এ নিয়ে আলোচনা ও প্রচারে একমত হয়েছে দুই দেশ।

  • মেট্রোরেলের পিলারে ‘ফাটলের’ বিষয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ

    মেট্রোরেলের পিলারে ‘ফাটলের’ বিষয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ

    মেট্রোরেলের ৩৬৬ নম্বর পিলারে কোনো ফাটল ধরেনি বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মেট্রোরেলের পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে- ফেসবুকে এমন একটি পোস্ট করেন এক ব্যক্তি। তারপরই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

    জানা গেছে, ফেসবুকে পোস্ট করা ওই ব্যক্তির নাম তাফসির আহমেদ খান। তিনি পিলারের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেন, আগারগাঁও স্টেশন থেকে একটু সামনে ৩৬৬ নম্বর পিলারে ফাটল হয়েছে। তারপর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এটা ফাটল নয়।

    তাফসির আহমেদ খান তার পোস্টে লিখেছেন, আগারগাঁও স্টেশনের একটু পরেই ৩৬৬ নম্বর পিলারে এই ক্র্যাকটি দেখেছিলাম। আগেও এই গ্রুপে একটা পোস্টে দেখেছি এ ধরনের একটি ক্র্যাক নিয়ে এবং তা দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিরসন করা হয়েছিল। তাই এই পোস্টটি করা।

    তিনি লেখেন, ছবিতে যত বড় মনে হচ্ছে, সরাসরি এতটা নয়। আর তাছাড়া এটা কে ক্র্যাক বলব না কি, এই টেকনিক্যাল টার্মটাও আমার জানা নাই। তারপরও পোস্ট করেছি, শুধু কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যে, এর চাইতে বেশি কিছু নয়।

    ওই পোস্ট খুব দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানান, পিলারে ফাটল পাওয়া যায়নি। এখানে ফাটল বলে যে ছবি প্রচার করা হয়েছে, সেটা মূলত জয়েন্টের দাগ।

    মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, পিলারগুলো ঢালাই করতে যে ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছিল সেটাতে চারটি অংশ ছিল যা নাট-বোল্ট দিয়ে লাগানো ছিল। এই অংশগুলোর মাঝে কিছুটা ফাঁকা থাকে। ঢালাইয়ের পর সেখানে কিছুটা ফাঁকা থাকে যা ফাটলের মতোই দেখতে।