Blog

  • বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে অসদাচারণ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে অসদাচারণ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ যাত্রীসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। যাত্রীসেবায় ন্যূনতম গাফিলতি বরদাস্ত করা হচ্ছে না। এরই অংশ হিসেবে বিদেশফেরত এক যাত্রীর সঙ্গে যাত্রীসেবা প্রদানকালে অসদাচারণের অভিযোগে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে (এআরও) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম ওই তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। তিন কর্মকর্তা হলেন- মো. আজিজুল হক, শিমুল চৌধুরী ও আল আমিন। এ ছাড়া একই ঘটনায় এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে হাউসের সদর দপ্তরে ক্লোজ করা হয়েছে। কাস্টমস হাউস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    ঢাকা কাস্টমস হাউস সূত্রমতে, ১৫ সেপ্টেম্বর বিদেশফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ চেকিং করেন বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা। তারা ওই যাত্রীর ব্যাগ খুলে অযথা হয়রানি করেন। ব্যাগ খুলে কয়েকজন চকোলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করেন। বিষয়টি দেখে এক যাত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়।

    এরপর যাত্রীর সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়টি এনবিআর কাস্টমস কমিশনারের নজরে আসে। কমিশনার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। একইসঙ্গে অপর এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে ক্লোজ করে হাউসের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করেছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম বলেন, যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। যাত্রী হয়রানির কারণে তিন কর্মকর্তাকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রবাসীরা যাতে সর্বোচ্চ সেবা পান, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।

  • মানিককে ঢাকায় এনে ফের গ্রেপ্তার

    মানিককে ঢাকায় এনে ফের গ্রেপ্তার

    হেলিকপ্টারযোগে সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে সিলেট থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। সিলেটের একটি আদালত থেকে জামিন পাওয়ায় তাকে ঢাকায় আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় ফের তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইং পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস।

    তিনি বলেন, বিচারপতি মানিককে সিলেট থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তেজগাঁও পুরান বিমানবন্দরে তাকে বহন করা র‍্যাবের হেলিকপ্টার অবতরণ করে। ঢাকা মহানগর পুলিশে তাকে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • চীন-বাংলাদেশ সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু

    চীন-বাংলাদেশ সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু

    চীন ও চট্টগ্রামের মধ্যে সদ্য প্রতিষ্ঠিত সরাসরি শিপিং রুটের প্রথম জাহাজটি সফলভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এটি বাংলাদেশ ও চীনের বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    সিঙ্গাপুর-ভিত্তিক প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল লাইনস (পিআইএল) পরিচালিত এমভি কোটা আঙ্গুন জাহাজটি চীনের নিংবো-ঝুশান বন্দর থেকে দ্রুত নয় দিনের যাত্রার পর সোমবার সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩ নম্বর জেটিতে নোঙর করে।

    ৫৫২টি কনটেইনার বহনকারী এই জাহাজটি একাধিক শিপিং কোম্পানির কনসোর্টিয়াম চীন-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস (সিসিই) পরিষেবার অধীনে উদ্বোধনী সমুদ্রযাত্রাকে চিহ্নিত করে। নতুন রুটটি চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে শিপিং সময় কমিয়ে দিয়েছে। আগে এ রুটে জাহাজ চলাচলের জন্য ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগতো।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টার্মিনাল ম্যানেজার কুদরত-ই-খুদা জাহাজের নোঙর করার বিষয়টি নিশ্চিত করে নতুন সরাসরি রুটের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন।

    তিনি বলেন, এমভি কোটা আংগুন রেকর্ড সময়েই যাত্রা সম্পন্ন করেছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা কলম্বোর মতো বন্দরে আগের মতো ট্রান্সশিপমেন্টের প্রয়োজন হয়নি, যা আগে সময় ও খরচ বাড়িয়ে দিত।

    কুদরত-ই-খুদা আরও বলেন, পণ্যভেদে ১৯ সেপ্টেম্বর জাহাজটি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পিআইএলের অপারেশন অফিসার মাহতাব উদ্দিন বলেন, এই সরাসরি রুটটি ট্রানজিট সময় ব্যাপকভাবে কমাবে, যা বাংলাদেশের শিল্পখাত, বিশেষ করে যেসব খাত চীনা আমদানির ওপর নির্ভরশীল, যেমন পোশাক খাতের মেশিনারি ও কাঁচামালের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

    মাহতাব আরও জানান, প্রথম যাত্রাতেই রপ্তানির চাহিদা বাড়ছে। জাহাজটি ৫৫২টি আমদানি কনটেইনার নিয়ে এসেছে এবং আমরা আশা করছি, ৪০০-৫০০টি রপ্তানি কনটেইনার চীনে পাঠানো সম্ভব হবে।

    চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে মোট ২৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ চীন থেকে ২২.৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।

    বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তৈরি পোশাক শিল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাঁচামাল চীন থেকে আসে। এ পর্যন্ত এসব পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের মাধ্যমে আসত, যা সময়ক্ষেপণ করত।

    নতুন এই সরাসরি পরিষেবা পণ্য সরবরাহের সময় অনেকটাই কমিয়ে দেবে, যা পোশাক শিল্পের জন্য বেশ উপকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সিসিই পরিষেবার পাশাপাশি পিআইএল চট্টগ্রাম-চীন রুটে বিডি১ এবং বিডি২ নামে আরও দুটি পরিষেবা পরিচালনা করে, যদিও এসব রুটে সিঙ্গাপুরে ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য থামতে হয়।

    বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ সরাসরি শিপিং পরিষেবার শুরু হওয়াকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা এই ধরনের পরিষেবার দাবি জানিয়ে আসছেন, যা কাঁচামাল, মেশিনারি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য দ্রুত আমদানির জন্য প্রয়োজনীয়।

    তিনি আরও বলেন, শিপিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাড়তি প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের ব্যবসার জন্য মালামাল পরিবহন খরচ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই রুটে নিয়মিত শিপিং অপারেশন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে দীর্ঘমেয়াদে সুবিধাগুলো পাওয়া যায়।

    তবে মোহাম্মদ আরিফ সতর্ক করে বলেন, চীন-চট্টগ্রাম সরাসরি রুট অনেক সুবিধা দেবে। তবে, এই পরিষেবা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হওয়া দীর্ঘমেয়াদে সুবিধা পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য বাড়তে থাকায়, এই সরাসরি রুটটি উভয় দেশের আমদানি ও রপ্তানি ক্ষেত্রে দ্রুত ও সাশ্রয়ী শিপিং সমাধান প্রদান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: তারেক রহমান

    অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: তারেক রহমান

    ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হাজারও শহিদের রক্তের বিনিময়ে লাখো কোটি জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফসল উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সরকারের কোনো কোনো কার্যক্রম সবার কাছে হয়তো সাফল্য হিসেবে বিবেচিত নাও হতে পারে। কিন্ত এই সরকারের ব্যর্থতা হবে আমাদের সবার ব্যর্থতা, বাংলাদেশের পক্ষের গণতন্ত্রকামী জনগণের ব্যর্থতা। এটি আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে। সুতরাং এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। দেশ-বিদেশ থেকে নানা রকমের উস্কানিতেও জনগণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ হতে দেবে না। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাতে নিজেরাই নিজেদের ব্যর্থতার কারণ না হয়ে দাঁড়ায় সে ব্যাপারে তাদেরকেও সতর্ক থাকতে হবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমাবেশে যুক্ত হন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্র-রাজনীতি এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি দলীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম সংস্কারের লক্ষ্যে ২০২৩ সালেই বাংলাদেশের পক্ষের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। তবে, ঘোষিত ৩১ দফাই শেষ কথা নয়। বিএনপি মনে করে, রাষ্ট্র কিংবা রাজনীতি, সব ক্ষেত্রেই সংস্কার কার্যক্রম একটি ধারাবাহিক এবং চলমান প্রক্রিয়া। সুতরাং রাষ্ট্র এবং রাজনীতি সংস্কারে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির আরো প্রয়োজনীয় পরিবর্তন পরিমার্জনকেও বিএনপি স্বাগত জানায়।

    স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের সমালোচনা কের তিনি বলেন, লাখো শহীদের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্র-রাজনীতি শাসন প্রশাসন হওয়ার কথা ছিল গভর্নমেন্ট অফ দ্য পিপল বাই দ্য ফর দ্য পিপল। অথচ গত ১৫ বছর বাংলাদেশে মাফিয়া শাসন চালু করা হয়েছিল। দেশে বিদেশে পলাতক স্বৈরাচার বিনাভোটের সরকারের পরিচয় হয়ে উঠেছিল গভর্নমেন্ট অফ দ্য মাফিয়া বাই দ্য মাফিয়া ফর দ্য মাফিয়া।

    তারেক রহমান বলেন, এই মাফিয়া চক্র দেশকে সর্বক্ষেত্রে ভঙ্গুর করে দিয়েছিলো। দেশকে সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর ঋণ নির্ভর এবং পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। মাফিয়া চক্র দেশের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া করে দিয়েছে। গত দেড় দশকে দেশ থেকে ১৭ লক্ষ কোটি টাকার বেশি পাচার করে দিয়েছে।

    ৫ই আগস্টের পতিত স্বৈরাচারের বেপরোয়া দুর্নীতি আর লুটপাটের কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বর্তমানে ১০০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশে আজ যে শিশুটি জন্ম নিয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই সেই শিশুটিরও মাথা পিছু ঋণ কমপক্ষে দেড় লাখ টাকা।

    হাসিনা সরকার রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, মাফিয়া চক্র দেশকে শুধু অর্থনৈতিক ভাবেই ভঙ্গুরকরে দেয়নি। দেশের আর্থ-সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক রীতিনীতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রতি সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান অকার্যকরকরে ফেলা হয়েছিল। খোদ ফ্যাসিবাদকেই বিচার বিভাগের সূতিকাগারে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্য এবং গণতান্ত্রিক সেটি দেশের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর আচরণে স্পষ্ট হয়ে উঠে। কিন্তু মাফিয়া চক্র দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে গিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকেও সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, অন্যায় অনিয়ম আর অরাজকতার বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণে মাফিয়া চক্রের প্রধান দেশ ছেড়ে পালানোর পর/দেশে মাফিয়া শাসন-শোষণের অবসান ঘটেছে। পতিত স্বৈরাচারের পলায়নের মধ্য দিয়ে একটি -গণতান্ত্রিক-মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পথে প্রধান বাধা দূর হয়েছে। তবে বাধা দূর হলেও মাফিয়া চক্রের রেখে যাওয়া ১৫ বছরের জঞ্জাল দূর হয়নি। এই জঞ্জাল দূর করে জনগণের বাংলাদেশে জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। তবে মাফিয়া চক্রের প্রধান হাসিনা দেশ ছেড়ে পালালেও মাফিয়া চক্রের বেনিফিশিয়ারি অপশক্তি প্রশাসনের অভ্যন্তরে থেকে কিংবা রাজনীতির ছদ্মাবরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ কিংবা যেকোনো দেশেই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত সরকার অবশ্যই জনগণের সরকার। তাই জনগণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। রাখবে। তবে কোনো এক পর্যায়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জবাবদিহিও কিন্তু নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা হয়। সুতরাং, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব সংস্কার কার্যক্রমের প্রথম এবং প্রধান টার্গেটও হওয়া জরুরি।

    তারেক রহমান বলেন, এজন্যই অগ্রাধিকারভিত্তিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত জবাবদিহিমূলক সরকার এবং সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া দরকার। কারণ, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া সংস্কার কার্যক্রমের প্রক্রিয়ায় জনগণের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছাড়া উন্নয়ন-গণতন্ত্র কিংবা সংস্কার কোনোটিই টেকসই এবং কার্যকর হয় না। একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিটি ভোটারের ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করে ভোটারদের কাঙ্খিত প্রতিনিধি নির্বাচন করারঅধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

    তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যে বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন জনপ্রশাসনের সংস্কার এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে ‘সক্ষম এবং উপযুক্ত’ গড়ে তুলতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যেই বেশ কিছু ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তবে বিএনপি মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এজেন্ডা সেটিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে না পারলে গণঅভুত্থানের সাফল্য ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্রকারী চক্র নানা সুযোগ নিতে পারে। এর কিছু আলামত ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এবারের গণঅভ্যুথানের চরিত্র অতীতের যে কোনো গণঅভ্যুত্থানের চেয়ে ব্যতিক্রম। কেন ব্যতিক্রম? কারণ পলাতক স্বৈরাচারের অবৈধ শাসনকালে সব গণতান্ত্রিক অধিকার মানবাধিকার হারিয়ে জনগণ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বও হারাতে বসেছিল। তাই, এবারের গণঅভ্যুথানের মধ্য দিয়ে কেবল মানুষের অধিকারই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেয়েছে। দেশ এবংজনগণ এখন গুম খুন অপহরণ আর বিভীষিকাময় ‘আয়নাঘরে’র আতংকমুক্ত, স্বাধীন। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার পর এবার দেশ এবজনগণের স্বাধীনতা সুরক্ষায় প্রথম কাজ হতে হবে, রাষ্ট্র এবং সমাজে মানুষের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার এবং ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

    বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে বারো কোটি ভোটার। এরমধ্যে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় প্রায় আড়াই কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। ভোটার হওয়ার পর তরুণ প্রজন্মের এই আড়াই কোটি ভোটার একটি জাতীয় নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। ভোট দিয়ে তারা তাদের কাঙিক্ষত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারেনি। কিংবা তাদের নিজেরাও কেউ ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায়নি। বিএনপি মনে করে, দেশের জনশক্তির অর্ধেক নারী এবং তারুণ্যের এই বৃহৎ অংশকে, রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের বাইরে রেখে একটি বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। সংবিধান কিংবা প্রবিধানে যাই থাকুক জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা না গেলে সংস্কার প্রক্রিয়ায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা না গেলে শেষ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কার্যক্রমেরই কার্যকরী ফল পাওয়া যাবে না।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ। আরও বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ।

    সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ঢাকা বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী। ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত আছেন।

  • জন্মের পর চার মাস নাম ছাড়া ছিলেন ঐশ্বরিয়াকন্যা আরাধ্যা

    জন্মের পর চার মাস নাম ছাড়া ছিলেন ঐশ্বরিয়াকন্যা আরাধ্যা

    অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের কন্যা আরাধ্যা গত বছর ১৬ নভেম্বর ১২ বছরে পা দিয়েছে। জন্মের পর থেকেই আরাধ্যাকে নিয়ে দর্শকের কৌতূহলের আর শেষ নেই। তবে মা ঐশ্বরিয়া এবং বাবা অভিষেক একটা সময় পর্যন্ত মেয়েকে ক্যামেরার আড়ালে রাখার চেষ্টা করেন।

    বচ্চন পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হওয়ার কারণে তাকে নিয়ে একটু বাড়তি কৌতূহল থাকাটাই তো স্বাভাবিক। তাই তো সন্তানের ব্যক্তিগত জীবন কখনো তেমনভাবে প্রকাশ্যে আসতে দেননি এই দম্পত্তি। দাদা-দাদিরও চোখের মণি আরাধ্যা। জয়া বচ্চনের সঙ্গে আরাধ্যাকে তেমন দেখতে পাওয়া না গেলেও, অমিতাভের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা গিয়েছে আরাধ্যাকে।

    তবে মজার ব্যাপার হল মেয়ের নাম নির্ধারণ করতে নাকি প্রায় চার মাস সময় লেগেছিল বচ্চন দম্পতির! যদিও মেয়ের জন্মের আগে থেকেই আরাধ্যা নামটা বেছে রেখেছিলেন বচ্চন দম্পতি। পরিবারের বাকি সদস্যরা সহমত কি না সেই অপেক্ষায় ছিলেন দম্পতি। অতীতের এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানান, মেয়ের জন্মের পর থেকে দম ফেলার ফুরসত ছিল না তার। কীভাবে চার মাস পেরিয়ে গিয়েছে বুঝেই উঠতে পারেননি।

    জন্মের পর থেকেই মেয়েকে আগলে রেখেছেন ঐশ্বরিয়া। প্রকাশ্যে সব সময় মেয়ের হাত ধরেই থাকেন। বাড়িতেও তার সঙ্গেই মেয়ের সমীকরণ সবচেয়ে ভাল। এই মুহূর্তে কৈশোরের দিকে এগোচ্ছে সে। ব্যস্ততা থাকলেও মেয়েকে সময় দেওয়াই প্রধান ঐশ্বরিয়ার জীবনে। সেই অনুযায়ী মেয়ের জন্মের পর থেকেই কাজের পরিমাণ বেশ খানিকটা কমিয়ে দিয়েছেন বলিউড কুইন।

  • বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার পরদিন ঘরে মিলল রক্তাক্ত লাশ

    বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার পরদিন ঘরে মিলল রক্তাক্ত লাশ

    গাজীপুরের টঙ্গীতে ইদ্রিস আলী (৪৯) নামের এক ব্যক্তির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকাল তিনটার দিকে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    ইদ্রিস আলী টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার শেখ নাসির উদ্দিনের ছেলে।

    পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

    পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে পূর্ব আরিচপুর ভূইয়া পাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ইদ্রিস ও তার কয়েক বন্ধুকে দেখেন স্থানীয়রা। পরদিন সোমবার দুপুরে ওই কক্ষে ইদ্রিসের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ বিকালে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    ওই কক্ষে ইদ্রিস ও তার বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবন করাকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

    টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মামুনুর রশীদ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার মাথায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। একটি হত্যা মামলা রুজু করা হবে ।

  • আজ গণসমাবেশ থেকে যে বার্তা দেবেন তারেক রহমান

    আজ গণসমাবেশ থেকে যে বার্তা দেবেন তারেক রহমান

    আজ রাজধানীতে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় গণসমাবেশ শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। বেলা আড়াইটায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ হবে। এতে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও ঢাকা জেলা ছাড়াও আশপাশের সকল জেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দেবেন। ইতমধ্যে জড়ো হতে শুরু করেছে নেতাকর্মীলা।

    সমাবেশে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    নেতারা জানান, এই সমাবেশ থেকে তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নতুন বার্তা দেবেন।

    এদিন সিলেট, খুলনা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, রাজশাহী মহানগরে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। এতে নেতৃত্ব দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতারা।

    আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে রাজধানী ঢাকায় গণসমাবেশ এবং ঢাকার বাইরে অন্য মহানগরগুলোতে ১৫ সেপ্টেম্বর শোভাযাত্রা করার কথা ছিল বিএনপির। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে কর্মসূচি পিছিয়ে আজ মঙ্গলবার করার ঘোষণা দেয় দলটি।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে তারেক রহমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড, জাতীয় নির্বাচন, রাষ্ট্র সংস্কারে দলের দেওয়া ৩১ দফা, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে দলের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ করণীয়, রাজপথের সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যেবদ্ধ থাকা, আন্দোলনসহ নানা বার্তা দেবেন।

    জানতে চাইলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, গত ১৭ বছর আমরা কখনো ছিলাম ছোট কারাগারে অথবা বাংলাদেশ নামক ফ্যাসিবাদের বৃহৎ কারাগারে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের মধ্যদিয়ে সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা মুক্ত পরিবেশে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার শান্তিপূর্ণ উপায়ে ঢাকায় গণসমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছি। এবার নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই সমাবেশ সফল করতে কাজ করেছেন।

    জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, এই সমাবেশের মূল আকর্ষণ দেশনায়ক তারেক রহমান। তিনি কী বক্তব্য দেন, তা শোনার আগ্রহ নিয়ে-ই গণতন্ত্রকামী মানুষ নয়াপল্টনে জমায়েত হবে।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই সমাবেশে ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা এবং নারায়নগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেবে। অতীতের মতো বাধা না থাকায় ভয়-ডরহীনভাবে বাস ট্রেনে অনেকটা রিলাক্স মুডে যেভাবে পারেন – এই সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিয়েছেন ।

    ঢাকা জেলা বিএনপির প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে ঐক্যবদ্ধ ঢাকা জেলা বিএনপি গণসমাবেশে অংশ নেবে; এই নির্দেশনাই নেতাকর্মীদের আমরা দিয়েছি। জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছি, নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবার আগ্রহের জায়গা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশ থেকে কী বার্তা দেন। তার সেই বক্তব্য শোনার জন্যই মূলত নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে আসবেন।

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠেছে মন্তব্য করে নিপুণ বলেন, আসলে দেশনায়ক তারেক রহমান এখন নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি যা বলেন, নেতাকর্মীরা তাই মেনে চলেন। তার এক ডাকে-ই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বিএনপির ৪২২ জন নেতাকর্মী জীবন উৎস্বর্গ করেছেন। বাকি নির্যাতনের কথা বাদ দিলাম। এটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সমাবেশ পরিচালনা করবেন দলের প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

    ঢাকার বাইরে ৯ মহানগরে শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন যারা: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্যদের মধ্যে আজ সিলেট মহানগরে শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন মির্জা আব্বাস, খুলনায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ময়মনসিংহে নজরুল ইসলাম খান, চট্টগ্রামে সালাউদ্দিন আহমেদ, বরিশালে বেগম সেলিমা রহমান, রংপুরে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রম। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে ফরিদপুরে বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, কুমিল্লায় মো. শাজাহান, রাজশাহীতে শামসুজ্জামান দুদু শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন।

    বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করেছি। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। এটা আমাদের প্রাথমিক বিজয়। এখন আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে হবে। সেজন্য গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে আছি এবং থাকব।

  • ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা ও তাৎপর্য

    ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা ও তাৎপর্য

    ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল, আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে মা আমিনার কোলজুড়ে নেমে এলেন রাহমাতুল্লিল আলামিন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

    পারস্যের কবি শেখ সাদী (রহ.) নবীজি সাল্লাল্লাহুর আগমন স্মরণ করে গেয়ে উঠেছেন,

    ‘বালাগাল উলা বি-কামালিহি,

    কাশাফাদ্দুজা বি জামালিহি,

    হাসুনাত জামিয়ু খিসালিহি,

    সাল্লু আলায়হে ওয়া আলিহি…’

    কবিতাটির ভাবার্থ হচ্ছে-

    ‘সাধনায় যিনি সুউচ্চ মর্যাদায় পূর্ণতায় পৌঁছেছেন

    যার সৌন্দর্যের ছটায় বিতাড়িত হয়েছে সমস্ত আঁধার,

    সব সচ্চরিত্রের সম্মিলন ঘটেছে যার মাঝে

    তবে আসুন দরুদ ও সালাম জানাই তার ও তার বংশধরদের প্রতি।

    বিশ্বনবীর আগমনে পুলকিত হয় দুনিয়া। এ আনন্দ মুক্তি ও শান্তির। আনন্দ সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব ও সমমর্যাদার। বিশ্ব যখন অন্যায়, অবিচার, জুলুম ও বহুবিধ কুসংস্কারে নিমজ্জিত ছিল, ঠিক তখনই আল্লাহ তাআলা হিদায়াতের আলোক প্রদীপরূপে পৃথিবীর বুকে পাঠিয়েছেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে। তিনি পৃথিবীর বুকে এমন এক সুসভ্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা সর্বাঙ্গসুন্দর ও সমুজ্জ্বল আলোক আভায় উদ্ভাসিত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসুল পাঠিয়েছি, যাতে তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো (কল্যাণ ও ন্যায়বিধান মেনে চলো) এবং তাগুত থেকে বেঁচে থাকো।’ (সুরা-১৬ নাহল, আয়াত: ৩৬)।

    রবি অর্থ বসন্ত। আউয়াল মানে প্রথম। রবিউল আউয়াল হলো আরবের বসন্তের প্রথম মাস বা প্রথম বসন্ত। রবিউল আউয়াল আরবি হিজরি চান্দ্রমাসের তৃতীয় মাস। প্রকৃতি বসন্তকালে ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়। নবজাগরণের সূচনা হয়। পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুখের সমীরণে অবগাহন করে। আনন্দের সমুদ্রে আবেগের বান আসে। (লিসানুল আরব)।

    রবিউল আউয়াল মাসে এই পৃথিবীতে শুভাগমন করেন মানবতার মুক্তিদূত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.)। এই মাসে তিনি প্রিয় জন্মভূমি মক্কা মুকাররমা থেকে মদিনা মুনাওয়ারায় হিজরত করেন। রবিউল আউয়াল মাসেই তিনি ইন্তেকাল করেন। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)

    রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখের এ দিনটি মিলাদুন্নবী (সা.) নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। মিলাদুন্নবী (সা.)-এর মূল শিক্ষা মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসার, কঠোর সাধনার, দাঁতভাঙা, রক্তঝরা, পরিপূর্ণ ও একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধর্ম বা জীবনবিধান ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ রূপে সর্বস্তরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সব আল্লাহদ্রোহী শক্তিকে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করে ইসলামকে সগৌরবে প্রতিষ্ঠা করা।

    মিলাদুন্নবী (সা.)-এর অর্থ নবী (সা.)-এর জন্ম অনুষ্ঠান। ধীরে ধীরে এর সঙ্গে ‘ঈদ’ শব্দ যোগ হয়ে ‘ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ রূপ লাভ করে। যার অর্থ মহানবী (সা.)-এর জন্মোৎসব। এ পর্যায়ে আরেকটি পরিভাষাও প্রচলিত হতে থাকে ‘সিরাতুন্নবী (সা.)’ অর্থাৎ নবী (সা.) জীবনচরিত বা জীবনী আলোচনা অনুষ্ঠান। এ দিবসে অনেকে জশনে জুলুশ বা শোভাযাত্রা ও আনন্দ র্যালিও করে থাকেন। মিলাদ শব্দের আভিধানিক অর্থ জন্মলগ্ন, জন্মক্ষণ, জন্ম সম্পর্কে আলোচনা। আমাদের পরিভাষায় মিলাদ বলতে বোঝায় প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও জীবনী আলোচনা এবং তাঁর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করা। কুরআন করিমে রয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন, ফেরেশতাগণ তাঁর জন্য দোয়া করেন; হে বিশ্বাসীগণ তোমরা তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ ও যথাযথরূপে সালাম পেশ করো।’ (সুরা-৩৩ আহজাব, আয়াত: ৫৬)।

    মিলাদুন্নবী (সা.)-এর মূল শিক্ষা কালেমা তাইয়্যেবা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর প্রেরিত রাসুল)। কালেমার নিগূঢ় অর্থ হাজারও প্রকারে বিশ্লেষণ করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ অথচ অতি সংক্ষিপ্ত ও অতি নিখুঁত বিশ্লেষণ হলো- ‘বিশ্বপ্রভু আল্লাহর প্রতি আমি ইমান আনলাম, তাঁর সব আদেশ-নিষেধ মেনে নিলাম।’ (ইমানে মুজমাল) । মিলাদুন্নবী (সা.)-এর মূল শিক্ষা মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসার, কঠোর সাধনার, দাঁতভাঙা, রক্তঝরা, পরিপূর্ণ ও একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধর্ম বা জীবনবিধান ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ রূপে সর্বস্তরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সব আল্লাহদ্রোহী শক্তিকে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করে ইসলামকে সগৌরবে প্রতিষ্ঠা করা। এটাই নবী-রাসুল প্রেরণের আসল উদ্দেশ্য। পবিত্র কুরআনে বিবৃত হয়েছে, ‘তিনি সে মহান প্রভু, যিনি রাসুল প্রেরণ করেছেন, সঠিক পন্থা ও সত্য ধর্মসহযোগে; যাতে সে ধর্মকে বিজয়ী করতে পারেন সর্বধর্মের শিখরে, যদিও কাফির-মুশরিকেরা তা অপছন্দ করে।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ৩৩; সুরা-৬১ ছফ, আয়াত: ৯)।

    আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পথ অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ (সা.) যা যা করতে বলেছেন, তা করতে হবে, আর যা করতে বারণ করেছেন, তা বর্জন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনের ঘোষণা- ‘রাসুল (সাধারণ) তোমাদের যা দেন, তা তোমরা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকো।’ (সুরা: রও হাশর, আয়াত: ৭) ।

    রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভালোবাসা ইমানের পূর্বশর্ত। ভালোবাসা প্রকাশ পায় নির্দেশ পালন ও অনুকরণের মধ্যে। কুরআন মাজিদে বলা হয়েছে- ‘(হে রাসুল সা.!) বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তবে আমার অনুসরণ করো; (তাহলে) আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।’ (সুরা-৩ আলে ইমরান, আয়াত: ৩১)।

    প্রিয় নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘তোমরা কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ মুমিন হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা-পুত্র ও যাবতীয় সবকিছুর চেয়ে প্রিয় হব।’ (বুখারি: ১৩ ও ১৪)।

    অশান্ত বিশ্বকে শান্তির ছায়াতলে আনতে হলে চাই বিশ্বনবীর আদর্শ অনুসরণ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণের ফলেই আমরা পেতে পারি মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। কেননা এর মাঝেই রয়েছে সর্বপ্রকার কল্যাণ।

  • বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৭

    বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৭

    পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে পাবনা-রাজশাহী মহাসড়কের দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাতমাইল নামক স্থানে একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত জলিল প্রামাণিকের ছেলে শিমুল প্রামাণিক (৩২) এবং দাপুনিয়া ইউনিয়নের ইসলাম গাঁতি ভাটাপারা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে সফর হোসেন (৩০)।

    আহতরা হলেন- ইসলাম গাঁতি গ্রামের মৃত এলাই হোসেনের ছেলে হামিদুল (২৫), সুবহান প্রামাণিকের ছেলে মোহাম্মদ রেজাউল (৩০), সাহাপুরের আব্দুর রবের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৮), আনার হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩০), মিজানুর রহমানের ছেলে হারেছ (৩২), রবিউল ইসলাম (৩৫) ও আব্দুল (৩৩)।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পাবনার বাস টার্মিনাল থেকে ঈশ্বরদী অভিমুখে ছেড়ে যাওয়া ছাব্বির পরিবহণ নামক একটি যাত্রীবাহী বাস দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত এবং অপরজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন মারা যান। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    পাবনা সদর থানার ওসি রওশন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টা

    দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    রোববার প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে এসে পৌঁছালে বাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে স্বাগত জানান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ (অব.), মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধান ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং গোয়েন্দা সংস্থা, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র‍্যাব এর মহাপরিচালক এবং সেনাসদরের কর্মকর্তারা।

    প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনা সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে।