Blog

  • বৃষ্টি কবে থামবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    বৃষ্টি কবে থামবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    হালকা থেকে ভারী, গত কয়েকদিন ধরে দেশের অধিকাংশ জায়গায় ঝরছে বৃষ্টি। মাঝেমধ্যে একটুআধটু বিরতি নিলেও দিনের অধিকাংশ সময়ই ছিল বর্ষণমুখর। এর ফলে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি জনজীবনে ব্যঘাত ঘটছে।

    আবহাওয়া অফিস বলছে, রোববারের সারারাত বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল দুপুর নাগাদ কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ গণমাধ্যমে বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশেই কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। রোববার রাতভর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা ধারণা করছি, আগামীকাল দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। তবে এখনও বাংলাদেশের সমুদ্রগুলোর জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এর আগে, সকালে প্রকাশিত ৭২ ঘণ্টা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বর্তমান বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়া শিগগিরই পরিবর্তনের উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলে উল্লেখ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • ১৪ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৪ হাজার কোটি টাকা

    ১৪ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৪ হাজার কোটি টাকা

    রেমিট্যান্স প্রবাহে আগস্টের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে সেপ্টেম্বরেও। উপরন্তু গত মাসের চেয়েও এ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বাড়তে পারে। চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে (১৪ দিনে) প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১১৬ কোটি ৭২ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) ১৪ হাজার ৬ কোটি টাকার বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন বলছে, চলতি (সেপ্টেম্বর) মাসের প্রথম ১৪ দিনে ১১৬ কোটি ৭২ লাখ ডলার বা ১৪ হাজার ৬ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আর প্রতিদিন আসছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার করে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে আড়াই বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসতে পারে।

    সেপ্টেম্বরের ১৪ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১০টি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, চলতি মাসের (সেপ্টেম্বর) শুরু থেকেই রেমিট্যান্স আসার গতি ভালো রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাসটিতে আড়াই বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসবে। বৈধপথে রেমিট্যান্স আসার পেছনে সচেতনতা কাজ করছে। আবার বৈধপথে ডলারের দরবৃদ্ধিতে হুন্ডি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন প্রবাসীরা। এতে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি।

    দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ ২৬০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাইয়ে। বছরভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে। ওই অর্থবছর মোট রেমিট্যান্স আসে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার। চলতি বছরের জুন মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ২৫৪ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এটি এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সদ্য বিদায়ী আগস্ট মাসের পুরো সময়ে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স এসেছে ২২২ কোটি (২ দশমিক ২২ বিলিয়ন) ডলার, যা তার আগের বছরের (আগস্ট-২০২৩) একই সময়ের চেয়ে ৬২ কোটি ডলার বেশি। গত বছরের আগস্ট মাসে এসেছিল প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

    চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এছাড়া জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে মে মাসে আসে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এ ছাড়া এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ এবং জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার।

  • স্বৈরাচারের চল্লিশায় অতিথি বাঁধন

    স্বৈরাচারের চল্লিশায় অতিথি বাঁধন

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ৪০ দিন উপলক্ষে ‘স্বৈরাচারের চল্লিশা’ পালন করা হয়েছে। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে আজমল হাসপাতালের গলিতে এ আয়োজন করেন মিরপুরবাসী।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালান শেখ হাসিনা। তার পতনের ৪০ দিন উপলক্ষে এই চল্লিশা আয়োজনে গরু জবাই ও বিরিয়ানি রান্না করা হয়। একইসঙ্গে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে এলাকাবাসীসহ সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে ও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন এই অভিনেত্রী। আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মো. নাহী, মাসুদুর রহমান, ফারদিন হাসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাধারণ শিক্ষার্থী, শ্রমিক, দিনমজুর ও এলাকাবাসী।

    আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল অভিনেত্রী বাঁধনকে। ইতোমধ্যে অভিনেত্রীর উপস্থিত হওয়ার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    চল্লিশার আয়োজক মো. হাবিবুর রহমান জানান, আন্দোলনে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, বিশেষ করে আজমল হাসপাতালের গলিতে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে এ এলাকা হয়ে ওঠে এক অভেদ্য দুর্গ ও আন্দোলনকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তাই স্বৈরাচার পতনের চল্লিশতম দিনে আমরা বাঙালি মুসলিমের ঐতিহ্য অনুযায়ী চল্লিশা পালনের মাধ্যমে এলাকাবাসীর অবদানের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তাদের আপ্যায়নের একটা চেষ্টা করলাম।

  • ডিম ও মুরগির দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার

    ডিম ও মুরগির দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার

    পাইকারি ও খুচরা বাজারে মুরগি এবং ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। রোববার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সই করা চিঠিতে সংশ্লিষ্টদের এ দাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ডিম খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা এবং ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

    কৃষি বিপণন অধিদফতর, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর এবং পোলট্রি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সমন্বয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হয়েছে। গ্রুপের মতামতের ভিত্তিতে কৃষি বিপণন অধিদফতর ২০২৪ সালের মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের দাম নির্ধারণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়।

    এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে চিঠিতে ২০২৪ সালের মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের নির্ধারিত যৌক্তিক মূল্য (উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে) সঠিকভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

  • ৩ দিনের রিমান্ডে বরিশালের সাবেক এমপি শাহে আলম

    ৩ দিনের রিমান্ডে বরিশালের সাবেক এমপি শাহে আলম

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশানে কলেজ ছাত্র নিহতের ঘটনায় করা মামলায় বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহে আলমের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    রোববার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসার তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত ১৪ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশানের বাঁশতলা থেকে শাহে আলমকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই গুলশান ডিগ্রি কলেজের ছাত্র নাইমুর রহমান গুলশান থানাধীন শাহাজাদপুরে আন্দোলন করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরে নাইমুরের বাবা ১২ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেন।

  • চরফ্যাশনে সাপে কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    চরফ্যাশনে সাপে কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    চরফ্যাশন উপজেলার চরকলমী গ্রামের সাপে কামড়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহত মোহিমা বেগম(৪০) ওবায়েদ উল্লাহ কামাল স্ত্রী চরকলমী ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    জানা যায়, রবিবার দুপুরে বসত ঘরে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়া তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিলে ডাক্তার মৃত্যু ঘোষনা করেন।

    মাগরিব বাদ জানাযা শেষে তাকে পরিবারিক করব স্থানে দাফন করা হয়। শশীভূষণ থানার ওসি ম. এনামুল হক নিশ্চিত করেছেন।

  • সাগর উত্তাল, মাছ ধরা বন্ধ-শত শত মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে

    সাগর উত্তাল, মাছ ধরা বন্ধ-শত শত মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিন্মচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আজও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। রবিবার সকাল নয়টা থেকে আগের ২৪ ঘন্টায় জেলায় ২২১.৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

    টানা বৃষ্টিতে জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে। বিভিন্ন নিচু স্থানে পানি জমে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

    তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের, পুকুর ও আমন ক্ষেত। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমন চাষী ও বর্ষাকালীন সবজি চাষীরা।

    এদিকে নিন্মচাপের প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে নদ-নদীর পানির উচ্চতা।

    বাতাসের চাপও অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকা করছে আবহাওয়া অফিস। তাই পায়রা সহ সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    একই সাথে মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। স্থানীয়রা জানান, নিন্মচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হওয়ায় শত শত মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে শিববাড়িয়া নদীর দুই তীরে মৎস্য বন্দর আলিপুর ও মহিপুর আড়ৎ ঘাটে নোঙর করে আছে।

    ঝড়ো হাওয়া আর ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে সকল জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ি এবং শ্রমিকরা অলস সময় পার করছেন।

    এদিকে লাগাতার বৃষ্টিতে আমন ধান ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে উপজেলার চাকামইয়া, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের আমন ধানের চারা তলিয়ে আছে।

    দু এক দিনে কৃষি জমিতে আটকে পড়া পানি নিষ্কাশন করা না হলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

    মৎস্য ব্যবসায়িরা জানান, বর্তমানে সাগর উত্তাল রয়েছে। তাই সকল মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদে আশ্রয়ে এসেছে। মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা বলেন, এক সপ্তাহ ধরে মাছ ধরার বেশির ভাগ ট্রলার আড়ৎ ঘাটে নোঙর করা রয়েছে।

    আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে এসব জেলেরা সাগরে যেতে না পারায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এছাড়া বারবার লঘুচাপ ও নিন্মচাপের কারনে মৎস্য ব্যবসায় শত কোটি টাকার লোকসান হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

    এই অবস্থা চলতে থাকলে মৎস্য ব্যবসায়িরা পেশার পরিবর্তণ করতে বাধ্য হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

  • সাবেক এমপি শাহে আলমকে থানায় দিলো  জনতা

    সাবেক এমপি শাহে আলমকে থানায় দিলো জনতা

    বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহে আলম তালুকদারকে মারধরের পর থানায় দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।

    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে রাজধানীর গুলশান থানায় সোপর্দ করেন তারা।

    গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রিয়াজুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, শাহে আলমকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এর আগে, চাঁদার দাবিতে হামলা মারধর ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে শাহে আলম তালুকদারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন সৈয়দ আতিকুর রহমান নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মামলায় শাহে আলমের সঙ্গে তার তিন ভাইসহ ১৪ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শারমিন সুলতানা সুমি অভিযোগ তদন্ত করে সিআইডিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

  • সামান্য বৃষ্টিতেই পানির নিচে বরিশাল, খাল ভরাটকে দুষছেন বাসিন্দারা

    সামান্য বৃষ্টিতেই পানির নিচে বরিশাল, খাল ভরাটকে দুষছেন বাসিন্দারা

    অনলাইন ডেস্কঃ ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি খাল খনন এবং ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার অব্যাহত থাকলেও কোনোভাবেই জলাবদ্ধতা থেকে পরিত্রাণ মিলছে না বরিশাল নগরীর বাসিন্দাদের। এজন্য খাল ভরাট করে সড়ক ও মার্কেট নির্মাণকে দায়ী করছেন নগরবাসী।

    সাগরে নিম্নচাপের কারণে গতকাল শনিবার থেকে আজ রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে আবার কখনও মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর বেশির ভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নগরীর বটতলার মোড় থেকে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ পর্যন্ত হাঁটুসমান পানি। এ সড়কের সঙ্গে থাকা ২০টির বেশি শাখা সড়কও পানিতে ডুবে আছে। একইভাবে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় এ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

    নগরীর বটতলাবাসী বিদ্রুপ করে বলেন, ‘আকাশে মেঘ আসলেই সেখানকার সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। নগরীর কোথাও পানি না থাকলে বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমবেই। এ অবস্থা চলে আসছে খাল ভরাটের পর থেকে। বটতলা মসজিদ মোড় এলাকায় খাল ভরাট করে জেলা পরিষদ গড়ে তুলেছে বহুতল মার্কেট। এরপর খাল ভরাট করে সরু ড্রেন করা হয়েছে। এতে করে বৃষ্টির পানিতে ড্রেন ভরে তা সড়কে সয়লাব হয়।’

    প্রবীণ বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, ‘কীর্তনখোলা নদীর সঙ্গে সংযোগ ভাটার খালটি জিলা স্কুলের সামনে থেকে হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে বটতলা ও চৌমাথা হয়ে সাগরদী খালের সঙ্গে মিশেছে। ওই সময় ভারী বর্ষণে কোনোদিন ওই এলাকায় পানি জমেনি। কিন্তু খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। ওই সড়কের পানির চলে যায় ১৫ থেকে ২০টি শাখা সড়কে। যার ফলে বাসা থেকে বের হওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি থাকে না। এজন্য সিটি করপোরেশন থেকে ড্রেন পরিষ্কার করানো হলেও তাতেও মিলছে না সমাধান। বৃষ্টিতে কোথাও পানি না জমলে আমাদের এলাকায় পানি থাকবেই। আর এ কারণে জলাবদ্ধতার খবর নিতে সাংবাদিকরাও ভিড় করেন এ এলাকায়।’

    নগরীর কাউনিয়া সাবান ফ্যাক্টরি এলাকার বাসিন্দা মো. অলি বলেন, ‘বোঝার পর থেকেই আমি আমাদের এলাকার সড়ক বছরের বেশির ভাগ সময় পানির নিচে দেখে আসছি। ভারী বৃষ্টির প্রয়োজন হয় না, সামান্য বৃষ্টি হলেও সড়কটি পানির নিচে চলে যায়। বর্তমানে একই অবস্থা বিরাজ করছে। সড়কে থাকা পানির সঙ্গে ড্রেনের ময়লা পানি মিশে দুর্গন্ধময় পরিবেশ বিরাজ করছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ওই পানি পেরিয়ে মসজিদে যাওয়ার পর কারও অজু থাকে না। আবারও অজু করে নামাজে দাঁড়াতে হয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণে এক যুগের বেশি সময় ধরে সিটি করপোরেশনের দ্বারস্থ হলেও আজ না কাল এভাবে বছরের পর বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। আর আমরা এলাকাবাসী ওই পানিতে চলাচল করতে করতে এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।’ একই কথা জানালেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    সার্কুলার রোডের বাসিন্দা মো. তুহিন জানান, তাদের এলাকায় একসময় খাল ছিল। সেই খাল ভরাট করে সড়ক নির্মাণের পর থেকে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা থেকে শুরু করে আশপাশের এলাকায় পানিতে সয়লাব থাকে। একই অবস্থা কালুশাহ সড়কেরও। সেখানে তৃতীয় এবং পঞ্চম পরিষদের দুই মেয়রের বাসভবন হওয়া সত্ত্বেও বৃষ্টি হলে ওই সড়ক দিয়েও চলাচল কষ্টকর হয়ে যায়। একইভাবে পানিতে তলিয়ে থাকে পলিটেকনিক সড়কও। এ জলাবদ্ধতা নিয়ে বহু নিউজ হয়েছে। কিন্তু তাদের দুর্ভোগ আজও কমেনি বলে জানালেন তুহিন।

    নগরীর বাসিন্দা আলফাজ উদ্দিন বলেন, ‘ড্রেন পরিষ্কার থেকে শুরু করে খাল খননে কিছু সমস্যা কেটেছে। তবে কীর্তনখোলা নদীতে জোয়ারের পানিতে বেশির ভাগ সময় নগরীতে পানি ওঠে যায়। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় জোয়ার ও বৃষ্টি একসঙ্গে হলে। তখন হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে আমাদের চলাচল করতে হয়। অবশ্য বছরের পর বছর ধরে এ অবস্থা চলায় এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।’ এ পানি থেকে কবে নিস্তার মিলবে তার সদুত্তরও কেউ দিতে পারছে না বলে জানালেন আলফাজ।

    বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে নগরীর কালুখা বাড়ির বাসিন্দা মো. মিরাজ বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই আমতলার মোড় থেকে শুরু করে কালুখার বাড়ি এবং সিকদাপাড়া সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। আগে স্বাধীনতা পার্কটি একটি ধানি জমি ছিল। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী এলাকা ছিল নিচু জমি। এরসঙ্গে বেশ কিছু বড় বড় পুকুর ছিল। তা ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণের কারনে সামান্য থেকে ভারী বৃষ্টি, যা হোক না কেন সড়ক থাকে পানির নিচে। আর এ অবস্থা শুরু হয় সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর ভবন বৃদ্ধির কারণে।’

    ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রুস্তুম আলী বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে বেড়েছে পানির সঙ্গে যুদ্ধ। ভারী বর্ষণ এবং কীর্তনখোলায় জোয়ারের পানি এলাকা সয়লাব হয়ে যায়। আর সেই পানি সরতে অনেকদিন সময় লাগে। বছরের বেশির ভাগ সময় ওই পানি দিয়েই চলাচল করতে হয়। ছেলেমেয়ের স্কুল, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের একই অবস্থা।’

    এদিকে সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খাল ভরাট করে নগরীতে নির্মাণ করেছে বহুতল মার্কেট ও সড়ক। আর এতেই নগরে বাড়ছে জলাবদ্ধতা।

    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সমন্বয়ক রফিকুল আলম বলেন, ‘অপরিকল্পিত ড্রেনেজ-ব্যবস্থা, খাল খনন না করা, জলাশয় ভরাটের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ২০১০ সালের মাস্টারপ্ল্যানে নগরীতে ৪৬টি খালের নাম পাওয়া গেলেও এখন কোনোমতে অস্তিত্ব টিকে আছে মাত্র ৭টির। আর নগরীতে বর্তমানে জলাশয় টিকে আছে মাত্র ১০ শতাংশ। ফলে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহের জায়গা না থাকায় এ দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন। সেখানে ৩০টি ওয়ার্ড রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে প্রতিটি ওয়ার্ডে কমবেশি পানি থাকে। দীর্ঘদিন পর এ বছরের শুরুর দিকে ৭টি খাল খনন করা হয়। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলমান রয়েছে। তাতেও জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই মিলছে না নগরবাসীর।’

    সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মাধ্যমে ৭টি খান খনন করা হয়েছে। এ ছাড়া ড্রেনে যাতে পানি আটকে না যায় এ জন্য ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলমান রয়েছে।’

    শহর রক্ষা বাঁধের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়া এ ব্যাপারে কেউ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে না। তবে বিষয়টি সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনায় রয়েছে।’

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ বলেন, ‘কীর্তনখোলা নদীর পানি বাড়েনি। বিভিন্ন সময় সমীক্ষা চালিয়ে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। সমস্যা দেখা দিয়েছে নগরীর খাল, ডোবা, নালা ও পুকুর ভরাট করে বহুতল বাড়ি থেকে শুরু করে সড়ক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ কারণে নদী ও বৃষ্টির পানি জায়গা না পেয়ে সড়ক প্লাবিত করছে। নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় ইতোমধ্যে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ৭টি খাল খনন করা হয়েছে। এতে করে জলাবদ্ধতা অনেক কমে এসেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কীর্তনখোলা নদীর নগরীর প্রান্তে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ। বাঁধটি দেওয়া গেলে বিভিন্ন সময় বৃষ্টির সঙ্গে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নগরী প্লাবিত হয়। সে থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব ছিল। এর সঙ্গে ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং প্রতিবছর নগরীর মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের পুনঃখনন অব্যাহত রাখতে হবে। সেজন্য সিটি করপোরেশনকেও এগিয়ে আসতে হবে।’ তারা সাহায্য চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সাহায্য করতে প্রস্তত বলে জানান তিনি।

  • সবার সহযোগিতায় নতুন বরিশাল উপহার দিতে চাই : নতুন জেলা প্রশাসক

    সবার সহযোগিতায় নতুন বরিশাল উপহার দিতে চাই : নতুন জেলা প্রশাসক

    বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, আমি ব্যক্তি স্বার্থে নয়, জনগণের স্বার্থে কাজ করতে চাই। আমি দিতে এসেছি, আর নেয়ার দায়িত্ব আপনাদের।

    আমি চাই সকলের সহযোগিতায় নতুন বরিশাল উপহার দিতে।
    রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    আমি দুর্নীতিকে সহ্য করবো না জানিয়ে তিনি বলেন, আমি যতদিন আছি বরিশালে জনগণের স্বার্থ ছাড়া ব্যক্তি স্বার্থের কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। আর গুণগত মান নিশ্চিত করে যথাসময়ে প্রকল্প শেষও করতে হবে। আমি চাই প্রকল্পের বিষয় জনগণ থেকে শুরু করে সবাই অবগত থাকবে, তাই প্রকল্প স্থলে পুরো কার্যক্রম সাইনবোর্ডে টানিয়ে দেয়া হবে।

    সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আমার কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। ছাত্র আন্দোলনের স্পিরিট টাকে ধরে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করেছি। আমরা শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না।

    মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক গৌতম বাড়ৈ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মনদীপ ঘরাই, বরিশাল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, বরিশাল টেলিভিশন মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হুমায়ুন কবির, ইত্তেফাকের বরিশাল ব্যুরো প্রধান শাহিন হাফিজ, রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুশফিক সৌরভ, নাগরিক টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান তন্ময় তপু প্রমুখ।