Blog

  • এক সিনেমায় দেখা যাবে পাঁচ নায়িকাকে

    এক সিনেমায় দেখা যাবে পাঁচ নায়িকাকে

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি সিনেমা হচ্ছে— ‘হাউসফুল’। এই জনপ্রিয়তার কারণে সিনেমাটির কয়েক পর্ব নিয়ে এসেছেন নির্মাতা। এর আগে ‘হাউসফুল’-এর প্রথম পর্ব মুক্তি পায় ২০১০ সালে। সিনেমাটি সুপারহিট হওয়ার পর দুই বছরের মাথায় নির্মাতা নিয়ে আসেন ‘হাউসফুল টু’। এটিও আলোচিত হয়। ২০১৬ সালে ‘হাউসফুল থ্রি’ এবং ২০১৯ সালে আসে সর্বশেষ পর্ব ‘হাউসফুল ফোর’। এবার হাউসফুলের নাম এখনো চূড়ান্ত না হলেও হাউসফুল ফাইভ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছেন নির্মাতা।

    বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তায় ভরপুর এই চার পর্বের সিনেমা ৮০০ কোটি রুপিরও বেশি আয় করেছে। কিন্তু এর চার সিনেমা তৈরি হয়েছে আলাদা গল্পে। তবে প্রতিটিই ছিল কমেডিতে ভরপুর। মূলত নির্ভেজাল হাস্যরসের কারণেই এক যুগের বেশি সময় ধরে বলিউডের আলোচিত ফ্র্যাঞ্চাইজির তালিকায় রয়েছে হাউসফুলের নাম। এবার আসছে এই ফ্র্যাঞ্জাইজির পঞ্চম সিনেমা, যা নিয়ে আসছেন প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।

    যেখানে এক সিনেমাতে থাকবেন তিন নায়ক আর পাঁচ নায়িকা। এর আগে জানা গিয়েছিল অক্ষয় কুমার, রিতেশ দেশমুখ, অভিষেক বচ্চনের নাম। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে— ইতোমধ্যে সিনেমায় যোগ দিয়েছেন পাঁচ নায়িকা। তারা হলেন— জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, নার্গিস ফাখরি, চিত্রাঙ্গদা সিং, সোনম বাজওয়া ও সৌন্দর্য শর্মা। লন্ডনে ৪৫ দিনের সূচিতে বিভিন্ন স্থানে কিছু দৃশ্যের শুটিং হবে সিনেমাটির। লন্ডনের পর মুম্বাইয়েও সিনেমার একটি বড় অংশের শুটিং হবে।

    জানা গেছে, হাউসফুল ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে পঞ্চম পর্বের বাজেটই সবচেয়ে বেশি। ৩০০ কোটি রুপি ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে সিনেমাটি। তাই আয়োজনও অনেক বড়। এ ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ মনসুখানি। আগামী ২০২৫ সালের ৬ জুন মুক্তির উদ্দেশ্যে হাউসফুল ফাইভের কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন নির্মাতারা।

  • কেজিতে পেঁয়াজের দাম কমল ১৫ টাকা

    কেজিতে পেঁয়াজের দাম কমল ১৫ টাকা

    প্রতি টন পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানি মূল্য ৫৫০ ডলারের যে শর্ত তা প্রত্যাহার করেছে ভারত। পাশাপাশি রপ্তানির ওপর আরোপ করা ৪০ শতাংশ শুল্ক অর্ধেকে নামিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। শুক্রবার দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণবিষয়ক কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড শর্ত বাতিলের এই আদেশ জারি করেছে। এতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন যেকোনো দামে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন। শনিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    এদিকে এমন খবরে শনিবার দেশের খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা কমেছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে দাম আরও কমবে বলে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ভারত একসময় পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে চলতি বছরের মে মাসে রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়। এছাড়া দেশটির সরকার রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।

    এদিকে ভারতের এমন সিদ্ধান্তের খবরে দেশে প্রত্যেকটি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর খুচরা বাজারেও। এক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজেরে দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা কমে ১০০-১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা একদিন আগেও শুক্রবার ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ আগের মতো ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর সর্ব বৃহৎ পাইকারি আড়ৎ শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ী শংকর চন্দ্র ঘোষ যুগান্তরকে বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে রপ্তানিমূল্য ৫৫০ ডলারের যে শর্ত ছিল তা প্রত্যাহারের খবর আমরা পেয়েছি। পাশাপাশি শুল্ক কমানোর খবরও আমরা পেয়েছি। এখন দেখার বিষয় দেশটির ব্যবসায়ীরা প্রতি টন কত টাকায় আমাদের কাছে রপ্তানিমূল্য দেয়। সব বিবেচনায় আমরা সাড়া দেব। তবে ইতোমধ্যে এই খবরে দেশে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আর কম দামের পেঁয়াজ দেশের বাজারে আসতে শুরু করলে সপ্তাহখানেকের মধ্যে দাম আরও কমতে থাকবে। অন্যদিকে শনিবার হিলির স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতের আমদানি করা নাসিক ও ইন্দোর পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৪-৮৬ টাকা। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০০ টাকা। যা এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পেঁয়াজ রপ্তানিকারী দেশ। বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতীয় পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। তবে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশেও রপ্তানি হয় ভারতীয় পেঁয়াজ। গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দামে ধস নামে। তবে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ে দাম। যার প্রভার বাংলাদেশের বাজারেও পড়ে। সে সময় থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে দাম।

  • বৃষ্টির পানি বরকতময়

    বৃষ্টির পানি বরকতময়

    জগতে কত কিছু থেকে আমরা উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করি! আর আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করে দিয়েছেন- তিনি যে বৃষ্টি দিয়ে থাকেন, এর পানি বরকতময়। মানে এতে রয়েছে প্রভূত কল্যাণ ও উপকার।

    এ বরকত কল্যাণ ও উপকারের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ পবিত্র কুরআন থেকে পড়ুন- আমি আকাশ থেকে বর্ষণ করি বরকতপূর্ণ পানি, তারপর তার মাধ্যমে উদগত করি উদ্যানরাজি ও এমন শস্য, যা কাটা হয়ে থাকে। এবং সৃষ্টি করি এমন উঁচু উঁচু খেজুর গাছ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ দানা। (এসব) বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ এবং (এমনিভাবে) আমি সেই পানি দিয়ে এক মৃত নগরকে সঞ্জীবিত করেছি। -সুরা ক্বাফ (৫০) : ৪৫

    এ আয়াতে বৃষ্টির পানিকে যেমন বরকত ও কল্যাণের ধারক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তেমনি এ পানি আমাদের জনজীবনকে কতটা উপকৃত ও আন্দোলিত করতে পারে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    বৃষ্টি কীভাবে হয়- আমাদের কাছে এ প্রশ্নের উত্তর তো অনেক সহজ। নদীনালা আর সাগরের পানি রোদের তাপে বাষ্প হয়ে উড়ে যায় আকাশে। সেখানে মেঘ হয়ে জমে থাকে। একসময় তা বৃষ্টির ফোঁটায় ঝরে পড়ে মাটিতে।

    সমীকরণটা তো সহজ, কিন্তু এ সহজ কাজটি করার শক্তি কি কারো আছে- এক আল্লাহ ছাড়া? তিনিই পারেন সাগরের পানিকে উড়িয়ে নিয়ে মেঘ আকারে জমা করতে। সে মেঘ তিনি হাঁকিয়েও নিয়ে যান। সেখান থেকে বর্ষণ করেন বৃষ্টি। এটা একমাত্র তার পক্ষেই সম্ভব। তিনিই জানেন- বৃষ্টি কখন হবে। তার ইচ্ছা ক্ষমতা ও জ্ঞানের বাইরে নেমে আসতে পারে না এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি।

    এজন্যেই তো আমরা দেখি, কখনো ঘন কালো মেঘে ছেয়ে যায় আকাশ, শোনা যায় মেঘের গর্জন, পৃথিবীবাসী চমকে ওঠে বিদ্যুতের ঝলকানিতে, কিন্তু এতকিছুর পরও বৃষ্টি হয় না। ঘন কালো মেঘ কোথায় যেন হারিয়ে যায়!

    আবার কখনো রোদঝলমলে আকাশও হঠাৎ করে মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যায়। নেমে আসে ঝুপঝাপ বৃষ্টি। কখনো আবার রোদেলা আকাশ থেকেও ঝড়ে বৃষ্টি। এসবই মহামহিম আল্লাহর ক্ষমতা। তার ইচ্ছাতেই হয় সবকিছু।

  • সিংহের ডেরায় বাঘিনীদের গর্জন, সিরিজ বাংলাদেশের

    সিংহের ডেরায় বাঘিনীদের গর্জন, সিরিজ বাংলাদেশের

    শ্রীলংকায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয় তুলেছে বাংলাদেশ নারী এ দল। তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ৩-০তে এগিয়ে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাঘিনীরা।

    রোববার সিরিজ নিশ্চিত করার ম্যাচে ১০ রানের জয় পেয়েছে রাবেয়া খানরা। তার আগে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট ও দ্বিতীয়টিতে ১০৪ রানের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এমন দাপুটে সিরিজ জয়ে আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটা নিয়ে রাখল বাংলাদেশ।

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হওয়ায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের কথা বলা হলেও মূলত, এটিই বিশ্বকাপের ছায়া দল। যেই দলে জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ছাড়াও আছেন অভিজ্ঞ জাহানারা ও শামীমা সুলতানারাও।

    সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৯৭ রানের স্বল্প পুঁজি গড়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক মেয়েরা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন দিলারা আক্তার।

  • মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

    মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মানিক ওরফে ঢাকাইয়া নামের এক পিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মানিক ওরফে ঢাকাইয়া (৪৫) সোনাইমুড়ী উপজেলার নদনা ইউনিয়নের উত্তর শাকতলা গ্রামের মৃত এনায়েত উল্যাহ খোকনের ছেলে।

    রোববার সকালে তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

    এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের শাকতলা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট ভোররাতের দিকে ভিকটিম (১৬) তার শয়নকক্ষে ঘুমিয়েছিল। অভিযুক্ত মানিক ওরফে ঢাকাইয়া চুপিসারে ভিকটিমের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে। এরপর ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শকাতর হাত দেয় এবং ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই সময় ভিকটিম জোরে চিৎকার করলে ভিকটিমের মা শয়নকক্ষে এসে ভিকটিমকে আসামির কবল থেকে উদ্ধার করে। তখন আসামি এ বিষয়ে কাউকে কোনো কিছু বললে ভিকটিম ও তার মাকে হত্যার হুমকি দেয়।

    সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় শনিবার বিকালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে তার স্বামীকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

  • অভিনেত্রীকে হয়রানি, ২ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    অভিনেত্রীকে হয়রানি, ২ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    বলিউড অভিনেত্রী কাদম্বরী জেঠওয়ানি জমি নিয়ে বিবাদের মামলায় পুলিশের কাছে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

    অভিনেত্রীর দাবি মিথ্যা অভিযোগে তাকে ও তার বাবা-মাকে ৪৩ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সেই মামলার পুনরায় তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে। খবর দ্য হিন্দুর।

    বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন তৎকালীন পশ্চিম জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (এসিপি) হনুমন্ত রাও এবং ইব্রাহিমপত্তনম থানার সার্কেল ইন্সপেক্টর এম সত্যনারায়ণ। বর্তমানে হনুমন্ত রাও অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে এবং সত্যনারায়ণ বিজয়ওয়াড়ার গভর্নরপেট পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউস অফিসার হিসেবে কর্মরত।

    মুম্বাইয়ের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স থানায় সজ্জন জিন্দালের বিরুদ্ধে ‘যৌন হেনস্তার’ অভিযোগ করার পর জেঠওয়ানিকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশ প্রথমে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। পরে ডিসেম্বরে আদালতের হস্তক্ষেপের পরে জিন্দালের বিরুদ্ধে মামলা করেন অভিনেত্রী।

    জেঠওয়ানির অভিযোগ, জিন্দালের বিরুদ্ধে ‘যৌন নির্যাতনের’ মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। পুলিশ কর্মকর্তা কান্তি রানা টাটা ও বিশাল গুন্নি তৎকালীন সরকারের প্রভাবে নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে চুপ করে দিয়েছিলেন। তাদের আরোপিত কিছু শর্তে রাজি হওয়ার পরই তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

    এখানেই শেষ নয়, ফেব্রুয়ারি মাসে যুবজনা শ্রমিকা রাইথু কংগ্রেস পার্টির নেতা কুক্কালা বিদ্যাসাগর অভিনেত্রী ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশ কাদম্বরী জেঠওয়ানি ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করে। এখন অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা এবং হেনস্তার বিষয়ে পুনঃ তদন্ত করছে। বিজয়ওয়াড়ার পুলিশ কমিশনার সেন্ট্রাল ক্রাইম স্টেশন থেকে এসিপি শ্রাবন্তী রায়কে নিয়োগ করেছেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, কাদম্বরী যখন পুলিশ হেফাজতে ছিলেন, তখন হনুমন্ত রাও বিজয়বরাতে আসেন। এই মামলার তদন্তে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সিআই সত্যনারায়ণ ছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা যিনি মামলা তদন্ত না করেই নথিভুক্ত করেন।

  • ৪৫ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

    ৪৫ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

    ক্ষমতার পালাবদলে পুলিশের সর্বস্তরে রদবলের ধারাবাহিকতায় এবার অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৪৫ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ রোববার পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলির আদেশ জারি করেছে।

    এই কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৩ জন অতিরিক্ত জিআইজি এবং ৩২ জন পুলিশ সুপার। বদলি করে তাদের নতুন দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে।

    নেত্রকোণা, বরিশাল, জামালপুর, পঞ্চগড়, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, লক্ষ্মীপুর, নীলফামারীর পুলিশ সুপারকে সরিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মেহেরপুর ও চাঁদপুরে নতুন পুলিশ সুপারকে যুক্ত করা হয়েছে।

  • মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যে কথা হলো

    মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যে কথা হলো

    মার্কিন প্রতিনিধিদল অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার আগ্রহ ব্যক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিন।

    রোববার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি একথা জানান।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তরের সহকারী আন্ডারসেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করছে। কিছুক্ষণ আগে তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে সূচিত বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সরকার এরইমধ্যে যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে সে সব পদক্ষেপ সম্পর্কে আমরা প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেছি।

  • ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানো এপিবিএন সদস্য গ্রেফতার

    ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানো এপিবিএন সদস্য গ্রেফতার

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেফতার মো. সুজন হোসেন ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন এমন দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    শুক্রবার এপিবিএন-১৩ উত্তরা পূর্বের এই কনস্টেবলকে এপিবিএনের পক্ষ থেকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশ তাকে শাহবাগ থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে থানায় হস্তান্তর করে। শনিবার তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে চানখারপুল এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। ওইদিন শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও ওই এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এতে মারা যান বেশ কয়েকজন। এ সময় তৎকালীন রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার আখতার হোসেনকে পাশে দাঁড়িয়ে থেকে নির্দেশ দিতে দেখা যায়।

    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই এলাকায় আন্দোলন করা ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি করছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। কেউ শুয়ে, কেউ হাঁটু গেড়ে বসে গুলি ছুঁড়ছিলেন। এর মধ্যে একটি ফুটেজে এপিবিএন-১৩ এর সদস্য কনস্টেবল সুজন রয়েছেন। ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সুজনকে শনাক্ত করা হয়।

    ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) সারোয়ার জাহান বলেন, ৫ আগস্ট লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে চানখারপুল এলাকায় গুলি চালানোর চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রচারের পর অভিযুক্ত এপিবিএন সদস্য সুজনকে শনাক্ত করে ডিবি পুলিশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর সরকারি বাহিনীতে কর্মরত কাউকে গ্রেফতার করতে গেলে যে প্রাতিষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হয়, সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মাইনুল ইসলাম খান পুলক। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট গুলিতে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সুজন অভিযুক্ত। তাকে প্রথমে ডিবি পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ শাহবাগ থানার ৯নং হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে থানায় হস্তান্তর করে। এরপর তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আইএমএফ

    সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আইএমএফ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)। এ লক্ষ্যে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল চলতি মাসের শেষ দিকে ঢাকায় আসবে। তারা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রমে সম্ভাব্য অর্থায়নে প্রয়োজনীয়তাগুলো মূল্যায়ন করবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে আইএমএফ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক জুলি কোজ্যাক এসব কথা বলেন। শ্রীলংকার বিষয়ে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গটি টেনে আনেন।

    গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ব্যাপক প্রাণহানির প্রসঙ্গে টেনে আইএমএফের যোগাযোগ পরিচালক জুলি কোজ্যাক বলেন, ‘সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশের প্রাণহানি ও আহত হওয়ার কারণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এটা খুবই পীড়াদায়ক, জীবনের সেই ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে খুব কষ্ট হচ্ছিল।’

    আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংস্থাটি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে আইএমএফের একটি মিশন চলতি মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে যাবে। প্রতিনিধিদলটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের জন্য কাজ করে আসবে। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ সফর করবে এবং স্টাফ সফর সম্পর্কে আরও বিশদ যথাসময়ে জানানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে এবং আইএমএফ প্রোগ্রামের প্রেক্ষাপটে জনগণের সমর্থনে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্র“তিবদ্ধ। তারা সংস্কার এজেন্ডাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। আসন্ন মিশনের অংশ হিসাবে প্রতিনিধিদলটি সব অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সম্ভাব্য অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তাগুলো মূল্যায়ন করবে।

    এদিকে আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪৭০ কোটি ডলারের একটি ঋণচুক্তি বর্তমানে চলমান রয়েছে। ২০২৬ সালে এ চুক্তির আওতায় ঋণের শেষ কিস্তির অর্থ বাংলাদেশের পাওয়ার কথা রয়েছে। গত জুনে ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ কিস্তির অর্থ আগামী ডিসেম্বরে পাওয়ার কথা রয়েছে।

    সংকট মোকাবিলা করতে আইএমএফ থেকে সরকার ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ নিলেও রিজার্ভ ও ডলার সংকট এখনও কাটেনি। যে কারণে আমদানি পরিস্থিতি ও ডলার বাজার এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বৈদেশিক বকেয়া ঋণও শোধ করা যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসে আইএমএফের কাছে আরও অতিরিক্ত ৩০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে আইএমএফের কাছে চিঠি দেওয়ার পর আইএমএফ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। বাড়তি ঋণ ছাড়ের শর্ত হিসাবে আরোপিত এলসি মার্জিন প্রত্যাহার করার কথা বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি গুটিকয়েক পণ্য ছাড়া বাকি সব পণ্য আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে আরোপিত মার্জিন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। একই সঙ্গে আইএমএফের শর্তে মুদ্রানীতিকে আরও সংকোচনমুখী করা হয়েছে।