Blog

  • আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি যাচাই-বাছাই করছে বাংলাদেশ

    আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি যাচাই-বাছাই করছে বাংলাদেশ

    আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ চুক্তিটি যাচাই-বাছাই করছে ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার । 

    ২০১৭ সালে তৎকালীন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার আদানি গ্রুপের সঙ্গে তাদের ঝাড়খন্ড ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিটি করে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার চুক্তির শর্তাবলি এবং বিদ্যুতের জন্য যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ন্যায্য কি না সেটি মূলত খতিয়ে দেখতে চায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্তর্বর্তী সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, আদানি গ্রুপের মতো ভারতীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে করা চুক্তি যাচাই-বাছাই করা হবে। তাদের সঙ্গে কী ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে? কী শর্তাবলি দেওয়া হয়েছে? দেশের আইন না মেনে বিদেশি কোম্পানি থাকতে পারে না।

    ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তাই সেসব তদন্ত হবে; এটি ভারতীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করা হবে না। তারা এখানে (বাংলাদেশ) যা যা করছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। এজন্য বাংলাদেশকে কত মূল্য দিতে হচ্ছে, সেটা কি ন্যায়সঙ্গত? এসব প্রশ্ন উঠে আসবে।

    ২০১৭ সালের নভেম্বরে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের ঝাড়খণ্ড ইউনিটের (এপিজেএল) সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২৫ বছরের জন্য ১৪৯৬ মেগাওয়াট (নেট) বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় এজেপিএলের গোড্ডা প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত শতভাগ বিদ্যুৎ কিনে নেবে বাংলাদেশ। সম্পূর্ণ আমদানি করা কয়লায় পরিচালিত এই ইউনিটকে ২০১৯ সালের মার্চ ভারত সরকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে।

    ২০২৩ সালের এপ্রিল-জুনে গোড্ডা প্ল্যান্ট সম্পূর্ণরূপে বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের বেস লোডের ৭ থেকে ১০ শতাংশ সরবরাহ করে।

    যোগাযোগ করা হলে আদানি পাওয়ারের একজন মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ সরকার আমাদের চুক্তিটি পর্যালোচনা করছে, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। সত্যিকারের অংশীদারিত্বের মূল্যবোধ থেকে তাদের কাছে বিপুল পাওনা থাকা সত্ত্বেও আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছি এবং তাদের কাছে আমাদের পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করেছি। কারণ, এটি আমাদের কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।

    টাকার অঙ্ক হিসাব করলে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ রফতানি করে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থমূল্যের ব্যবসা করেছে ভারত। যা ভারত থেকে বাংলাদেশে মোট রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ১০ শতাংশ।

  • উখিয়ায় ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ রোহিঙ্গা নিহত

    উখিয়ায় ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ রোহিঙ্গা নিহত

    কক্সবাজারের উখিয়ার ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে ক্যাম্প-৪ ও ক্যাম্প-২০ এ ঘটনা ঘটে। 

    নিহতরা হলেন-রহমত উল্লাহ ও ইমাম হোসেন। নিহত রহমত ক্যাম্প-৪ ও ইমাম হোসেন ক্যাম্প-২০ এর বাসিন্দা। 

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন। 

    নিহতরা একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তারা কোন গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত তা স্পষ্ট করতে পারেনি পুলিশ।

    উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, বুধবার ভোরে পৃথকভাবে ক্যাম্প-৪ ও ক্যাম্প ২০ এ সন্ত্রাসীরা একযোগে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। পুলিশ সুরলতাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ৪ সংসদ সদস্যের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

    সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ৪ সংসদ সদস্যের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

    সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনসহ চার সংসদ সদস্যের নানা দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বুধবার দুদক এই অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

    দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু হওয়া অন্য সাবেক সংসদ সদস্যরা হলেন– ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, বগুড়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ।

    মো. আকতারুল ইসলাম জানান, মো. জাকির হোসেন নিজ নামে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১০ শতাংশ জমিসহ দোতলা বাড়ি; রৌমারীতে ৩ দশমিক ২৮ একর জমিতে মার্কেট ও চাতাল করেছেন। বিভিন্ন ব্যাংকে ও ব্যবসায় বিনিয়োগসহ তার নামে ৫ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে কুড়িগ্রামে ২৬টি বিদ্যালয় শিশু কল্যাণ ট্রাস্টে অর্ন্তভুক্তির জন্য অনুমোদন দেন।

    এছাড়া দেশে-বিদেশে তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য গোয়েন্দা তথ্যানুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে সঠিক পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রকাশ্য অনুসন্ধানের জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নানা দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রমের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজের, স্ত্রী ও পরিবারের নামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার ছেলে আবির হাসান তানিমের নামে কানাডার বেগম পাড়ায় ১৫ লাখ ৫০ হাজার কানাডিয়ান ডলারে বাড়ি কিনেছেন।

    এছাড়া দেশ-বিদেশে তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য দুদকের গোয়েন্দাদের হাতে রয়েছে।

    বগুড়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ কাজ শেষ না করে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি, ফ্ল্যাট কেনাসহ স্ত্রী ও সন্তানদের নামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

    এছাড়া দেশ-বিদেশে তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য গোয়েন্দা তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রমের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজের, স্ত্রী ও পরিবারের নামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তথ্য রয়েছে।

    এছাড়া দেশে-বিদেশে তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য গোয়েন্দা তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে।

  • ৪ ডিসির রদবদল

    ৪ ডিসির রদবদল

    বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অসন্তোষের পর দেশের নবনিযুক্ত ৫৯ ডিসির মধ্যে আট ডিসির নিয়োগ বাতিল করার পাশাপাশি চার জেলার ডিসি রদবদল করা হয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

    বদলি হওয়াদের মধ্যে টাঙ্গাইলের ডিসিকে পঞ্চগড়, নীলফামারীর ডিসিকে টাঙ্গাইল, নাটোরে ডিসিকে লক্ষ্মীপুর এবং পঞ্চগড়ের ডিসিকে নীলফামারীতে বদলি করা হয়েছে।

    সিনিয়র সচিব বলেন, একটি বাছাই কমিটির মাধ্যমে ফিটলিস্ট তৈরি করা হয়। সেই কমিটি আজকে বসেছিল। পর্যালোচনা করে ইমিডিয়েট যেটা হয়েছে, ইতোমধ্যে আটজনের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। ্একই সঙ্গে ৪ জেলায় রদবদল করা হয়েছে। 

  • সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

    বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড ভাষণটি সম্প্রচার করবে।

  • নতুন ৮ ডিসির নিয়োগ বাতিল

    নতুন ৮ ডিসির নিয়োগ বাতিল

    সদ্য নিয়োগ পাওয়া ৫৯ ডিসির মধ্যে ৮ জনের নিয়োগ বাতিল করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেসউর রহমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

    সিনিয়র সচিব বলেন, একটি বাছাই কমিটির মাধ্যমে ফিটলিস্ট হয়। সেই কমিটি আজ বৈঠকে বসেছিল। পর্যালোচনা করে ৮ জনের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

    বাতিল হওয়া ৮ জেলার মধ্যে রয়েছে রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, শরিয়তপুর ও লক্ষ্মীপুর।

    এর আগে গত সোমবার এবং মঙ্গলবার দুই দিনে দেশের ৫৯ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হট্টগোল করেন উপসচিব পর্যায়ের একদল কর্মকর্তা।

  • ঘুমের মধ্যে ভয় পেলে যে দোয়া পড়বেন

    ঘুমের মধ্যে ভয় পেলে যে দোয়া পড়বেন

    অনেকে ঘুমের মধ্যে ভয় পায়। কেউ কেউ একাকিত্বে ভোগে। অনেক সময় রাতের বা দিনের নির্জনতায়, ঘুমের ভেতর, কোথায় একাকী থাকলে মনের ভেতর ভীতির সঞ্চার হয়।

    ঘুমের ভেতরেও অনেকে দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠেন। যেকোনো ভয়ের মুহূর্তেই আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত।

    মহানবী (সা.) এসব মুহূর্ত থেকে পরিত্রাণের জন্য দোয়া শিখিয়েছেন-

    أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ ‏.

    উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা হিত্তাম্মাাতি মিন গযাবিহি ওয়া ‘ইক্বা বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা দিহি ওয়া মিন হামাযা তিশ শায়া ত্বীনি ওয়া আন ইয়াহ যুরূন।

    অর্থ: আমি আশ্রয় চাই আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্যগুলোর, যার মাধ্যমে তার ক্রোধ থেকে ও তার বান্দাদের ক্ষতি থেকে এবং শয়তানদের কুমন্ত্রণা ও তাদের উপস্থিতি থেকে।’

    উপকারিতা: আমর ইবনু শু‘আইব (রহ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ভীতিকর পরিস্থিতিতে এ বাক্যগুলোর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করার শিক্ষা দিতেন: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ

    (অর্থ) ‘আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্যগুলোর মাধ্যমে তার গজব ও তার বান্দাদের অনিষ্টতা ও শয়তানের কুমন্ত্রণা ও আমার নিকট তার উপস্থিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইছি।’

    আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) এ বাক্যগুলো তার বালেগ সন্তানদের শেখাতেন এবং নাবালেগদের জন্য লিখে তা তার গলায় ঝুলিয়ে দিতেন। (আবূ দাঊদ,৩৮৯৩)

    ঘুমের মধ্যে খারাপ স্বপ্ন দেখলে হাদিসে আরও কিছু আমলের কথা বলা হয়েছে। সেগুলোর উপর আমল করা উচিত। আমলগুলো হলো-

    ১. শরীরের বাঁ দিক করে তিনবার (বাতাসে আদ্র ধরনের) থুথু নিক্ষেপ করবে। (মুসলিম, হাদিস : ২২৬১)

    ২. যে কাত হয়ে ঘুমিয়ে খারাপ স্বপ্ন দেখেছে, সে কাত পরিবর্তন করে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে শোবে। (মুসলিম, হাদিস : ২২৬২) অবস্থা বদলে দেওয়ার ইঙ্গিতস্বরূপ এটা করা হয়ে থাকে।

    ৩. খারাপ স্বপ্ন দেখলে কারও কাছে বলবে না। আর নিজেও এর ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করবে না। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৮৩)

  • তোপের মুখে সৌরভ গাঙ্গুলীর স্ত্রী ডোনা

    তোপের মুখে সৌরভ গাঙ্গুলীর স্ত্রী ডোনা

    গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিল ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়কে।

    তিনি বলেছেন, ‘এতলোক অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, অনেকে প্রাণ হারাচ্ছে। লোকের অসুস্থতা তো আর কমছে না। এটা তো আমাদের কর্তব্য। রেপ-টেপ সব জায়গাতেই হয়, কিন্তু বাংলার মতো এত প্রতিবাদ কোথায় হচ্ছে?’

    ডোনা আরও বলেন, ‘এটা তো আমাদের গর্ব, বাংলার যে সব মানুষ প্রতিবাদ করছে। একদিকে ব্যাপারটা দুঃখের, তবে সব শ্রেণির মানুষ এসে প্রতিবাদ করছে। আশা করছি তাড়াতাড়ি জাস্টিস পেয়ে যাবে’।

    সোমবার বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ডাকে এক নাচের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনরোষের মুখে পড়েছেন এই নৃত্যশিল্পী।

    ডোনার মন্তব্যের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেন অদিতি রায় নামে এক সংবাদকর্মী। তিনি লেখেন, ‘সেই তো! খুবই খুশি হওয়ার মতোই ব্যাপার। তবে আসল ব্যাপারটা হল কে এই নারী? থাকে কোথায়? খায় কী? মাথায় কিছু নেই, না হয় হৃদয়ে?’

    সেই পোস্টে দীপ্সিতা ধর লেখেন, ‘ছোটবেলায় ওনার নাচ দেখতে গেছিলাম মিলেনিয়াম পার্কে, ভালো লাগেনি, এই কথা গুলো শোনার পর নাচটা কম খারাপ লাগছে।’

    সেই পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে সাফাই গাইলের সৌরভ-পত্নী। ডোনা লেখেন, ‘আমি ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, প্রথমত একজন নারী, তারপর এক কন্যা সন্তানের মা। আমি পাগল নই যে ধর্ষণকে সমর্থন করব। বরং, আমি নিজের মতো করে প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমি বলেছি, আমি নাচের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে খুশি। যদি নারী সাংবাদিকরা আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করে তাহলে আমরা কী করে একটা আদর্শ সমাজ গড়ব। যেখানে নারীরা মাথা উঁচু করে বাঁচবে, খুব দুঃখের! আর যদি আপনাদের মনে হয় যে সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে চলা একজন নারীকে ছোট করে আপনারা খুশি থাকবেন, তাহলে আমারও মনে হয় আপনাদের চিকিৎসার প্রয়োজন’।

  • ভিডিও ভাইরাল, চিৎকার করছেন অভিনেত্রী

    ভিডিও ভাইরাল, চিৎকার করছেন অভিনেত্রী

    টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় চিৎকার করছেন ‘তুফান’ ছবিতে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করে ‘দুষ্টু কোকিল’ খ্যাতি পাওয়া এই অভিনেত্রী।

    ব্যক্তিগত জীবনে মা-বাবা ও তিন পোষ্যকে নিয়েই অভিনেত্রীর জগৎ। মাঝে-মধ্যেই পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে যান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাতা ঘাঁটলেই তাদের ছবি আর ভিডিও চোখে পড়ে।

    মিমির সংসারের সেই তিন পোষ্যের নাম চিকু, ম্যাক্স আর জাদু। বাড়িতে থাকলে এই তিনজনকে নিয়েই সময় কাটে নায়িকার। মিমি তার চিকু, ম্যাক্স আর জাদুর কীর্তিকলাপ মাঝে মাঝেই পোস্ট করে থাকেন।

    বেশ কিছুদিন আগে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নায়িকা। যেখানে দেখা যায়, ক্ষত-বিক্ষত তার হাত! জাদুর নখের আঁচড় লেগেছিল।

    এরপর ঘটল আরও এক ঘটনা। মিমির শখের একটি সবুজ রঙের জামা ছিঁড়ে ফেলেছে তার পোষ্যরা। আর তা দেখেই রেগে লাল মিমি।

    সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন মিমি। যেখানে দেখা যাচ্ছে রীতিমতো চিত্‍কার করছেন অভিনেত্রী। আর নায়িকাকে দেখে ছুটে পালাচ্ছে তার আদরের দুই পোষ্য। কারণ নায়িকা নিজেও জানেন ওদের বলে তো কোনো লাভ নেই। তবে চিকু এবং জাদু দুজনেই বুঝতে পেরেছে যে তাদের মা রেগে গেছে।

  • কোটা আন্দোলন: গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

    কোটা আন্দোলন: গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আরো একজন প্রাণ হারিয়েছেন। বিএনপির সমর্থক নিহত মো. বাবলু মৃধা (৪৭) পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মো. কামরুজ্জামান।

    মৃতের ছেলে আবু তালিব বলেন, গত ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আমি গিয়েছিলাম। আমার বাবা ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে আমাকে খুঁজতে গিয়ে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া লাকি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পুলিশের গুলিতে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। পরে রাতে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  

    আবু তালিব বলেন, ১৮ আগস্ট ঢামেক থেকে তাকে পিলখানার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ২২ আগস্ট সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।

    জানা গেছে, মৃত বাবলু মৃধা পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী গ্রামের মফেজ আলী মৃধার ছেলে। বর্তমানে যাত্রাবাড়ী দনিয়া সালাম বাবুর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুই ছেলের জনক ছিলেন তিনি। মৃতের ছেলে আবু তালিব দনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ইন্টার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ছোট ছেলে মাহিন দেড় বছর বয়সী।