Blog

  • দুর্গাপূজার আয়োজন নিয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দুর্গাপূজার আয়োজন নিয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আগামী ১৩ অক্টোবর সারা দেশে অনুষ্ঠিতব্য শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    তিনি বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে যেন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপন করতে পারে, সেজন্য অসচ্ছল মন্দিরগুলোর অনুকূলে এবার প্রধান উপদেষ্টার তহবিল থেকে বরাদ্দ দ্বিগুণ করে ৪ কোটি টাকা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস পাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরমধ্যে রয়েছে পূজামণ্ডপ নির্মাণকালে নিরাপত্তা ও পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। পূজামণ্ডপগুলোকে আইপি ক্যামেরার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউএনও অফিস ও থানা কর্তৃক মনিটরিং করা। সার্বক্ষণিক মনিটরিং/সেবা প্রদানের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ বিশেষ টিম গঠন করা।স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও র‌্যাবের টহল নিশ্চিত করা।দুর্গাপূজা চলাকালীন পূজামণ্ডপ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশ, র‌্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা।পূজা উদযাপনকালে প্রতিটি পূজামণ্ডপে আনসার ফোর্স নিয়োজিত রাখা।সীমান্ত এলাকায় স্থাপিত পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিজিবি কর্তৃক সতর্কতামূলক কার্যক্রম/পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অনুরূপভাবে উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কর্তৃক নিরাপত্তা প্রদান করা।বড় বড় পূজামণ্ডপগুলোতে র‌্যাব ও পুলিশের বিশেষ টহল এবং নজরদারি বৃদ্ধি করা।

    এ ছাড়া দুর্গাপূজায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী ও দুষ্কৃতকারীদের অশুভ তৎপরতা রোধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।পূজামণ্ডপে অগ্নিকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্ঘটনারোধে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল/নৌপুলিশ/কোস্টগার্ডের ডুবুরি দলকে প্রস্তুত রাখা ও উদ্ধার কার্যক্রম গ্রহণ। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে বিসর্জন কার্যক্রম শেষ করা।প্রত্যেক পূজামণ্ডপে স্থানীয় প্রশাসন, থানা, পুলিশ ফাঁড়ি এবং ফায়ার সার্ভিসের টেলিফোন নম্বর/মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া।পূজামণ্ডপে আসা শিশু ও নারী দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।ঢাকাসহ সারা দেশে বিশেষ করে পূজামণ্ডপ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা। বিকল্প হিসেবে পূজামণ্ডপে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা।সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটিগুলোকে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা বিধানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক এবং পাহারাদার নিয়োজিত করা।দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিশেষ করে পুরান ঢাকা, নবাবপুর রাস্তাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।পূজামণ্ডপের আশেপাশের ডাস্টবিন, রাস্তা, ড্রেন, নালা, পুকুর এবং প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ব্যবহৃত রাস্তাঘাট সংস্কার/মেরামতকরণ।পুলিশ সদর দপ্তর, বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, জেলা সদরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা।আজান ও নামাজের সময়ে মসজিদের পার্শ্ববর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজা চলাকালে এবং বিসর্জনকালে শব্দ যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখা ও উচ্চস্বরে শব্দযন্ত্র ব্যবহার না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা।যেখানে ছাত্র সমন্বয়দের পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রয়োজন, সেখানে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা।স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এনটিএমসির মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব মনিটরিং করা।জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং মনিটরিং করা।

  • শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন: ড. ইউনূস

    শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে উদ্ভাবন করতে হবে। বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থ, শ্রম খাত, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, বেসামরিক প্রশাসন এবং ব্যবসার পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসব সংস্কারে নেদারল্যান্ডস সরকারের সহযোগিতা চাই।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ সহযোগিতা চান তিনি।

    ডাচ রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তার দেশের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের সঙ্গে কৃষি, সামুদ্রিক, শিল্প, যুব, অর্থনীতি, শ্রম, পরিবেশ এবং বন্যা ব্যবস্থাপনাসহ সবক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার করবে।

    অধ্যাপক ইউনূস ডাচ রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নেদারল্যান্ডসের নেতৃত্ব ও ব্যবসায়ীসহ সবার সঙ্গে আমার দীর্ঘ ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ক্যাম্পে বেড়ে ওঠা রোহিঙ্গাদের অবশ্যই শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। শিক্ষার অভাবে তাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকার না হয়।

    ডাচ রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন জানান, তারা কৃষি, পানিসহ সম্ভাব্য ব্যবসার ক্লাস্টারে আরও ডাচ বিনিয়োগ আনবেন।

    বৈঠকে এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ এবং ডেপুটি ডাচ রাষ্ট্রদূত থিজ ওয়াউডস্ট্রা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিচ্ছেদের পর ‘ডিভোর্স’ নামের সুগন্ধি নিয়ে হাজির রাজকুমারী

    বিচ্ছেদের পর ‘ডিভোর্স’ নামের সুগন্ধি নিয়ে হাজির রাজকুমারী

    স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর নতুন করে আলোচনায় দুবাইয়ের রাজকুমারী শেখ মাহরা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। গত জুলাইয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এবার নতুন এক সুগন্ধি বাজারে আনার ঘোষণা দিয়ে শিরোনাম হলেন এই রাজকুমারী। মূলত নামের কারণেই আলোচিত হচ্ছে এই সুগন্ধি।

    টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, মাহরার প্রসাধনী সংস্থা ‘মাহরা এম১’ এর তৈরি করা নতুন সুগন্ধির নাম ‘ডিভোর্স’। এখনও পর্যন্ত এই সুগন্ধি বাজারে আসেনি। তবে সংস্থাটি সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে, শিগগিরই দুবাইয়ের বাজারে এই সুগন্ধি পাওয়া যাবে।

    সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সুগন্ধির কালো বোতলের গায়ে ইংরেজি হরফে সাদা কালিতে লেখা ‘ডিভোর্স’। তবে সুগন্ধির গোটা প্যাকেজিং এমনই হবে কি না, সেটা অবশ্য নিশ্চিত করে কোথাও উল্লেখ করা নেই।

    অনেকেই এই সুগন্ধির দাম জানতে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন। তবে দামের বিষয়েও আপাতত কিছু জানায়নি মাহরা এম১।

  • কেন বাবা হওয়ার পর এখনো প্রকাশ্যে আসেননি রণবীর?

    কেন বাবা হওয়ার পর এখনো প্রকাশ্যে আসেননি রণবীর?

    মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত রোববার কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন বলিউড সেনসেশন দীপিকা পাড়ুকোন। ওই হাসপাতালের মালিক ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ ও নীতা আম্বানী।

    সোমবার রাতেই মুকেশের গাড়ি দেখা যায় হাসপাতালের বাইরে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাসপাতালে প্রবেশ করেন ভারতের শীর্ষ এই ধনী। দীপিকা ও নবজাতককে দেখতেই হাসপাতালে গিয়েছেন তিনি।

    জানা গেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর দীপিকার সন্তান পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে দীপিকার সন্তান। কিন্তু ৬ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ দর্শন সেরে পরের দিনই হাসপাতালে ভর্তি হন দীপিকা। ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় কন্যা সন্তানের।

    বাবা হওয়ার পর এখনো প্রকাশ্যে আসেননি রণবীর সিং। ধারনা করা হচ্ছে, আরও কিছু দিন হাসপাতালে কাটিয়ে বাড়ি ফিরবেন মা ও সন্তান।

    তবে এরই মধ্যে হাসপাতালে দেখা গেছে, রণবীরের দিদি রিতিকা ভবানীকে। সোমবার বিকালে রিতিকাকে দক্ষিণ মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেখা যায়। কিন্তু তার তরফ থেকে সংবাদমাধ্যমকে কিছু জানানো হয়নি।

    রণবীর ও দীপিকা ৮ সেপ্টেম্বরই ইনস্টাগ্রামে সন্তানের জন্মের কথা ঘোষণা করেন। জানান, তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়েছে। তবে নবজাতকের নাম এখনো ঘোষণা হয়নি।

    আম্বানীদের সঙ্গে রণবীর-দীপিকার সম্পর্ক যে খুবই ভাল, তা বোঝা গিয়েছিল অনন্ত আম্বানীর বিয়ের সময়ই। আম্বানীর বাড়ির বিয়েতে প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই জমিয়ে নাচ-গান করতে দেখা গেছে রণবীরকে। আম্বানী পরিবারের মালিকানাধীন হাসপাতালেই জন্ম হয়েছে বলিউডের তারকা এই দম্পতির প্রথম সন্তানের।

    রণবীর ইতোমধ্যেই পিতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। দীপাবলির সময় দীপিকা-রণবীরকে দেখা যাবে ‘সিংহম এগেন’ ছবিতে। পাশাপাশি রণবীর অপেক্ষা করছেন ‘ডন ৩’-এর জন্য।

  • স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল স্ত্রীর

    স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল স্ত্রীর

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের পল্লীতে স্বামী জাকির হোসেনের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের। সোমবার রাত ৯টার দিকে নিহতের বাবার বাড়ি উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চিলাইপাড় গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

    সুমাইয়া ওই গ্রামের মন্তাজ মিয়ার মেয়ে। ঘাতক স্বামী জাকির হোসেন একই উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের পূর্ব চাইরগাও গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে।

    জানা যায়, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ফলে তাদের দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এই কারণে সপ্তাহ দুয়েক আগে স্বামী জাকির হোসেনকে ডিভোর্স দেন সুমাইয়া। খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ জাকির হোসেন চিলাইপাড় গ্রামে এসে সুমাইয়াকে জোরপূর্বক তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

    এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) রনজয় চন্দ্র মল্লিক, দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান এবং ওসি (তদন্ত) শামছ উদ্দিন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • শেরপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ২

    শেরপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ২

    শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ২০ জন। এ সময় কমপক্ষে ৫ টি দোকান লুটপাট হয়েছে।

    সোমবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- মিজানুর রহমান মিজান (৩৫)। তিনি পেশায় একজন ট্রলি চালক। মিজান গৌরীপুর এলাকার মৃত মৌলভী আজাহার আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। অপরজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সোমবার ভোরে মারা যা। তার নাম শ্রাবন(২২)।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, গৌরীপুর মহল্লার এবং খোয়ারেরপার এলাকার শাপলা চত্বরে দুই দল কিশোরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লার লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই মহল্লার বাসিন্দারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

    এ সময় গৌরীপুর মহল্লার ট্রলি চালক মিজানকে খোয়ারারপাড় শাপলা চত্বর এলাকার সন্ত্রাসীরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী এবং পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে আনে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    অপরদিকে আহত শ্রাবনকে মুমূষু অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী এবং পুলিশ ওই এলাকায় টহল দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে নিহতের ঘটনায় এলাকা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে প্রবাসী খুন

    সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে প্রবাসী খুন

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কাতার প্রবাসী ফারুক মিয়া (৪৫) নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ভাতিজা রবি মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বহরা ইউনিয়নের দলগাও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

    নিহত ফারুক মিয়া উপজেলার বহরা ইউনিয়নের দলগাও গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। গুরুতর আহত রবি মিয়া ওই গ্রামের আনোয়ার আলীর ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শী নিহত ফারুকের খালাতো ভাই আনোয়ার আলী জানান-ফারুক মিয়া ও একই গ্রামের হামিদ মিয়া গংদের সঙ্গে একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ফারুক মিয়া জমিতে লাগানো গাছ কাটতে গেলে হামিদ মিয়া গংরা বাধা দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন মুরুব্বি বিষয়টি মিমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে সোমবার মাগরিব নামাজের পরে একটি সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। 

    এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ফারুক মিয়া ও তার খালাতো ভাইয়ের ছেলে রবি মিয়াকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা ফারুক মিয়া ও রবি মিয়াকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তারেক উজ জামান ফারুক মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মুমূর্ষু অবস্থায় রবি মিয়াকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল প্রেরণ করেন। 

    নিহত ফারুক মিয়া কাতার প্রবাসী। তিনি প্রায় ১৫ দিন আগে কাতার থেকে ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।

    মাধবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • সেফ জোনে ঘুমন্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, নিহত ৪০

    সেফ জোনে ঘুমন্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, নিহত ৪০

    ফিলিস্তিনের নিরীহ মানুষদের ওপর ইসরাইলের হত্যাযজ্ঞ চলছেই। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে খান ইউনিসের আল মাওয়াসি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরাইল। এই হামলায় কমপক্ষে ৬০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ।

    আল মাওয়াসি অঞ্চলের যে জায়গায় এই হামলা চালানো হয়, সে জায়গাটিকে সেফ জোন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তাই সেখানে শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিলেন বহু ফিলিস্তিনি।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যমতে, ক্যাম্পের তাঁবুগুলোকে লক্ষ্য করে ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে ইসরাইল। এতে ঘটনাস্থলেই অনেকে প্রাণ হারান।

    হামলার পক্ষে সাফাই গেয়ে ইসরাইল দাবি করেছে, সেফ জোনে থাকা শরণার্থী ক্যাম্পে হামাসের কমান্ড সেন্টার ছিল। হামাস এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, ভয়াবহ সব অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে ইসরাইল।

    গাজার জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এখনো মৃতদেহ উদ্ধার করছি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য পাঠাচ্ছি। এটা আরেকটা ইসরাইলি হত্যাকাণ্ড’।

    জরুরি সেবাদানকারীদের ধারণা, এখনো অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে হামাসের অভিযানের প্রতিশোধ নিতে গাজা এবং পশ্চিম তীরে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে দখলদার ইসরাইল। এই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন অগণিত মানুষ।

  • ড্রোন হামলায় কাঁপল রাশিয়া

    ড্রোন হামলায় কাঁপল রাশিয়া

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কাঁপল রাশিয়া। তরে রাতারাতি হামলায় কিয়েভের ছোড়া ১৪৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে মস্কো।

    মঙ্গলবার এই হামলায় রাশিয়ার রামেনস্কয়ি শহরের একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে যায়। বহুতল ভবনটিতে আগুন লেগে বেশকিছু অ্যপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আকস্মিক হামলায় ৯ বছর বয়সি একটি শিশু মারা যায়। কিয়েভের এ হামলার জেরে ৩০টি ফ্লাইট স্থগিত করেছে মস্কো। খবর এএফপি, ভয়েস অব আমেরিকার।

    এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ব্রিয়ানস্কে ৭২টি, মস্কোতে ২০টির বেশি, কুরস্ক অঞ্চলে ১৪টির বেশি, তুলা অঞ্চলে ১৩টির বেশি এবং দেশের আরও পাঁচটি স্থানে ২৫টির বেশি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের তিনটি গ্রাম দখল করার দাবি করছে রাশিয়া।

    মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা পূর্ব ইউক্রেনের ক্রাসনোগোরিভকা শহর এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের তিনটি গ্রাম দখল করেছে।

    মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে, রাশিয়ান সৈন্যরা গ্রিগোরিভকা, গ্যালিসিনিভকা এবং ভোডিয়ানে গ্রামগুলোকে ‘মুক্ত’ করেছে। পাশপাশি এই চারটি বসতির জন্য রাশিয়ান নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

    এর আগে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলের দাবি করেছে রাশিয়া। সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে নভোরোদিভকা শহরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি করেছে রাশিয়া। এ শহরটি কিয়েভের সেনাদের জন্য গুরত্বপূর্ণ একটি রেল ও সড়ক পরিবহণ কেন্দ্র ছিল।

    এ ছাড়া শহরটির অদূরে পোকরোভস্ক নগরীর দিকে রুশ বাহিনীর অগ্রসর হওয়ার কথাও জানিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা জানায়, গেল সপ্তাহেই নভোরোদিভকা ছেড়ে চলে গেছে দেশটির সেনারা। এর আগে পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চলের ৬টি গ্রাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে পুতিন বাহিনী।

    বিশ্লেষকদের মতে, মস্কো আক্রমণের নেশায় কিয়েভের নিয়ন্ত্রণ হারাতে বসেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এদিকে, রাশিয়ার আক্রমণের পালটা জবাব দিতে আরও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এজন্য পশ্চিমা মিত্রদের কাছে অনুমোদনও চেয়েছেন তিনি।

    রুশ হামলাকে প্রতিহত করতে আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সহায়তাও প্রয়োজন বলে জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

    উল্লেখ্য, দুই বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সম্প্রতি রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা দখল করে ইউক্রেনীয় সেনারা। এতে বেশ বিপাকে পড়ে মস্কো। তবে দ্রুতই পালটা জবাব দিয়ে আবারও কিয়েভকে কোণঠাসা করে ফেলতে শুরু করেছে পুতিন বাহিনী। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এরইমধ্যে দখল করে নিয়েছে বেশ কিছু এলাকা।

  • আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসছে ঢাকা-ওয়াশিংটন

    আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসছে ঢাকা-ওয়াশিংটন

    বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকার উচ্চপর্যায়ের প্রথম বৈঠক।

    যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিসট্যান্ট ট্রেজারি সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানকে উদ্ধৃত করে মঙ্গলবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এ খবর দিয়েছে।

    ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করতে পারবে বলে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র।

    প্রতিবেদন বলা হয়, বাংলাদেশের পক্ষে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইউএসএআইডি ও বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেবেন।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্রেন্ট নেইম্যান বলেছেন- বাংলাদেশ যেহেতু আর্থিক খাতে গভীর সংস্কারের মধ্য দিয়ে দুর্নীতি হ্রাস করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে চাইছে, সেহেতু আইএমএফ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছে ওয়াশিংটন।

    টানা কয়েক বছর ভালো প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বাংলাদেশ যখন আঞ্চলিক অর্থনীতিতে উদীয়মান সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল, তখনই করোনাভাইরাস মহামারি এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি ও খাদ্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশকে বেকায়দায় ফেলে দেয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সঙ্কটে পড়ে বাংলাদেশকে আইএমএফের কাছ থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিতে হয়।

    শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতা শুরু হলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকেই দেশের অর্থনীতি অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে।