Blog

  • এক দশক পর ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলংকা

    এক দশক পর ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলংকা

    প্রথম দুই টেস্ট হেরে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে শ্রীলংকার। ধবলধোলাই এড়াতে সিরিজের শেষ টেস্টটা জিততেই হতো লংকানদের। কিন্তু ইংলিশদের বিপক্ষে যে গত এক দশকে সাদা পোশাকে কোন জয় নেই তাদের। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার নেতৃত্বে অসম্ভবকে সম্ভব করার চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে অবশেষে সফল হলো সফরকারীরা।

    পেসারদের নৈপুণ্য ও পাথুম নিসাংকার ব্যাটে ভর করে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ইংলিশদের ৮ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলংকা। সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারলেও শেষটা সুন্দর করার তৃপ্তি সঙ্গী হয়েছে তাদের।

    রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৬ রানে অলআউট করেই জয়ের সুবাস পায় শ্রীলংকা। ২১৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনে ১ উইকেট হারিয়ে ৯৪ রান তুলেও ফেলেছিল লঙ্কানরা।

    ভারত সফরে বাংলাদেশের টেস্ট দলে থাকতে পারেন যারা

    চতুর্থ দিনে অপরাজিত সেঞ্চুরি করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান নিসাঙ্কা। ১২৪ বলে ১৩ চার এবং ২ ছক্কায় করেন ১২৭ রান। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ৪০.৩ ওভারেই ২১৯ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে শ্রীলংকা।

    এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে অধিনায়ক ওলি পোপের সেঞ্চুরিতে ৩২৫ রান তোলে ইংল্যান্ড। ১৫৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে সম্মানজনক স্কোর এনে দেন পোপ।

    জবাব দিতে নেমে নিসাংকা (৬৪), অধিনায়ক ধনঞ্জয়া (৬৯) এবং কামিন্দু মেন্ডিসের (৬৪) ফিফটির পরও ২৬৩ রানে থামতে হয় লংকানদের। তবে ৬২ রানের লিড পেয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে সেটাকে সফরকারীদের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড। দুই লংকান পেসার লাহিরু কুমারা এবং বিশ্ব ফার্নান্দোর আগুনে বোলিংয়ে ১৫৬ রানে থমকে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। ২১ রানে ৪ উইকেট নেন কুমারা, ৩ উইকেট যায় ফার্নান্দোর ঝুলিতে।

  • যাত্রীর লাগেজ থেকে ৯ লাখ টাকা চুরি, বিমানের ৫ কর্মী গ্রেফতার

    যাত্রীর লাগেজ থেকে ৯ লাখ টাকা চুরি, বিমানের ৫ কর্মী গ্রেফতার

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেন্নাইগামী ফ্লাইটের এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৬ হাজার ৮০০ ইউরো চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিমানের পাঁচ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি সূত্র জানিয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর বিমানের বিজি-৩৬৩ ফ্লাইটে ঢাকা থেকে চেন্নাইগামী ফ্লাইটের এক যাত্রী তার লাগেজ থেকে ৬ হাজার ৮০০ ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে বিমান।

    বিমানের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চেন্নাই পৌঁছে ওই যাত্রী তার চেকড লাগেজে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা না পেয়ে লিখিত অভিযোগ করলে বিমানের নিরাপত্তা বিভাগ প্রাথমিক তদন্ত করে। তারা ঢাকা স্টেশনে কর্মরত ছয় ট্রাফিক হেলপারকে চিহ্নিত করে। জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাফিক হেলপাররা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

    পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিমানের নিরাপত্তা বিভাগ ঢাকার বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। এরপর ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। একজন পলাতক রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পেছনে যারা আছে তাদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে চুরি করা অর্থ দ্রুত উদ্ধার করে যাত্রীকে ফেরত দেওয়া হবে।

  • পুলিশ হেফাজত থেকে যুবলীগ নেতার পলায়ন, ওসিসহ ৩ জন প্রত্যাহার

    পুলিশ হেফাজত থেকে যুবলীগ নেতার পলায়ন, ওসিসহ ৩ জন প্রত্যাহার

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাইফুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবলীগ নেতা পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছেন। তিনি লোহাগাড়ার কলাউজান বলি পাড়া গ্রামের নজির আহমদের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

    রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাইফুল ইসলামকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন বলে জানান মো. আরফাত নামের এক ব্যক্তি।

    এ ঘটনায় লোহাগাড়া থানার অফিসার ইচার্জ মো. রাশেদুল ইসলাম, ডিউটি অফিসার আমির হোসেন ও সেন্ট্রি কনস্টেবল মো. এনামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    জানা যায়, স্থানীয় আরফাত, জসিম ও মুফিজ যুবলীগ নেতা সাইফুলকে রোববার সকালে উপজেলার পশ্চিম কলাউজান বাংলাবাজার বাহাদুর পাড়া আবদুল আলমের বাড়ি থেকে ধরে ওসির সাথে কথা বলে থানায় ডিউটি অফিসারের কাছে হস্তান্তর করেন। তাকে ডিউটি অফিসারের রুমে বসিয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে তিনি পালিয়ে যায়।

    আরফাত বলেন, সাইফুল স্বৈরাচার সরকারের দোষর ও দালাল। তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ট। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও ওয়ারেন্ট রয়েছে। আমরা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। থানা থেকে পুলিশের সহযোগীতায় সাইফুল পালিয়েছে।

    সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী নোমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়রা যুবলীগ নেতা সাইফুলকে ধরে থানায় হস্তান্তর করেন। পরে সাইফুল কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলায় তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • রোহিঙ্গা ও সংস্কার ইস্যুতে ভ্যাটিকানের সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস

    রোহিঙ্গা ও সংস্কার ইস্যুতে ভ্যাটিকানের সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রদূত কেভিন এস. রান্ডেল। সোমবার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আন্তঃধর্মীয় সংলাপ, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভা নিয়ে আলোচনা করেন।

    এ সময় বাংলাদেশের ইসলামিক স্কলারদের সঙ্গে ভ্যাটিকানের প্রতিনিধিদের আন্তঃধর্মীয় সংলাপের প্রস্তাব দেন রান্ডেল। এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য কার্যক্রম জোরালো করা উচিৎ বলেও মত দেন তিনি।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূতকে জানান প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্র সংস্কারে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর ব্যাপারেও রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন তিনি।

    আলোচনায় রোহিঙ্গা এবং রাষ্ট্র সংস্কার ইস্যুতে ভ্যাটিকান সিটির সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনুস। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এসডিজিবিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ।

  • রাশিয়াকে সহযোগিতা করায় ভারতকে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    রাশিয়াকে সহযোগিতা করায় ভারতকে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    ভারতীয় ২টি শিপিং কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নোভাটেকের ‘আর্কটিক এলএনজি-২’ প্রকল্পে জড়িত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

    রাশিয়ার অর্থনীতিতে নিষেধাজ্ঞার চাপ বৃদ্ধি ও রাশিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি সীমিত করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম নিউজ ডট এজেডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ভারতীয় কোম্পানি দুটির নাম হলো- গোটিক শিপিং কোম্পানি ও প্লিও এনার্জি কার্গো শিপিং। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই দুটি কোম্পানির সঙ্গে মার্কিন নাগরিক ও সংস্থাগুলোকে লেনদেন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

    ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে এই কোম্পানি দুটির সম্পত্তি জব্দ করার কথাও বলা হয়েছে। তবে কোম্পানি দুটি জাহাজগুলোর ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি বছরের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে- মার্কিন প্রশাসন গোটিক শিপিং কোম্পানি এবং প্লিও এনার্জি কার্গো শিপিংকে রাশিয়ার নোভাটেকের ‘আর্কটিক এলএনজি-২’ প্রকল্পে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ব্যবস্থাটি রাশিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি রোধ করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। কারণ রাশিয়ান অর্থনীতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাগুলো কঠোর করা হচ্ছে।

    এর আগে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে ওয়াশিংটন ‘আর্কটিক এলএনজি-২’ প্রকল্পের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। একই বছরের ডিসেম্বরে এলএনজি সরঞ্জাম উৎপাদনে জড়িত বেশ কয়েকটি রুশ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে রপ্তানি চালু রাখার জন্য রাশিয়া যেসব প্রতিষ্ঠানের এলএনজি ট্যাংকার ব্যবহার করছে বলে সন্দেহ করছে ওয়াশিংটন সেগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোও তাদের বন্দর দিয়ে রুশ এলএনজি পরিবহণে বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা করছে। এই ব্যবস্থা ২০২৫ সালের বসন্তে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্যাকেজে রাশিয়ার ‘আর্কটিক এলএনজি-২’ এবং ‘মারমানস্ক এলএনজির’—এর মতো রুশ এলএনজি প্রকল্পগুলো প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ, পণ্য সরবরাহ এবং পরিষেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ভারতীয় শিপিং কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে তাদের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হতে পারে। বিশেষ করে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিবেচনায় নিলে এটি নয়াদিল্লির জন্য নেতিবাচক হয়ে দেখা দিতে পারে।

    নয়াদিল্লি বহু বছর ধরে মস্কোর সঙ্গে সক্রিয় সহযোগিতা বজায় রেখেছে, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে। মার্কিন বিধিনিষেধ রাশিয়ান জ্বালানি পণ্য সরবরাহের জন্য লজিস্টিক চেইনে জড়িত ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে বিপদে ফেলতে পারে এ নিষেধাজ্ঞা; যা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কের গতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

  • ভিয়েতনামে সুপার টাইফুনে নিহত বেড়ে ৫৯

    ভিয়েতনামে সুপার টাইফুনে নিহত বেড়ে ৫৯

    ভিয়েতনামে সুপার টাইফুন ইয়াগির আঘাতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৯ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও কয়েকশ মানুষ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। বলা হচ্ছে, চলতি বছর আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় এটি। খবর বিবিসির।

    শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দেশটির কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিধসে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছে। ভিয়েতনামে আঘাত হানার আগে চীন এবং ফিলিপাইনে তাণ্ডব চালিয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়।

    শনিবার ভিয়েতনামে আঘাত হানে সুপার টাইফুন ইয়াগি। ঝড়টি এখন পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বন্যা এবং ভূমিধসের বিষয়ে সতর্ক করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    স্থানীয় সময় রোববার হোয়া বিনহ প্রদেশে একটি বাড়ির ওপর পাহাড় ধসে পড়ার ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ভিএনইএক্সপ্রেস জানায়, ইয়াগির প্রভাবে কয়েক ঘণ্টা টানা বৃষ্টিপাতের পর মধ্যরাতের দিকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

    ঘূর্ণিঝড়ের সময় একটি বাড়ি ধসে পড়েছে। দুর্ঘটনা থেকে ৫১ বছর বয়সি এক ব্যক্তি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন। তবে তার স্ত্রী, মেয়ে এবং দুই নাতি নিহত হয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    এর আগে চীনের হাইনানে ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া নিয়ে আঘাত হানে টাইফুন ইয়াগি। এতে অন্তত দুজন নিহত এবং আরও ৯২ জন আহত হয়েছে।

    এদিকে রোববার দুপুরের দিকে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলীয় লাও সেই প্রদেশের সা পা এলাকায় ভূমিধসের ঘটনায় ১৭ জন চাপা পড়ে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি নয়জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৬৮ বছর বয়সি এক নারী, এক বছর বয়সী এক শিশু এবং এক নবজাতক রয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    ইয়াগির প্রভাবে ঘন্টায় ২৩০ কিলোমিটারের (১৪৩ মাইল) বেশি বেগে ঝোড়ো বাতাস বয়ে গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়েছে এবং দ্বীপটির সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চলীয় কুয়াং নিহ প্রদেশে চারজন এবং হ্যানয়ের কাছাকাছি হাই ডুয়োং শহরে আরও একজন নিহত হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তুয়ান চাউ দ্বীপের হাই আউ বোট লকে কমপক্ষে ২৩টি নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা ডুবে গেছে। ভিয়েতনামে আঘাত হানার আগে চীন এবং ফিলিপাইনে টাইফুন ইয়াগির আঘাতে কমপক্ষে ২৪ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়।

    ভিয়েতনামের উপকূলীয় শহরগুলো থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লোকজনকে এই সময়ে বাড়িতেই অবস্থান করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। হ্যানয়সহ উত্তরাঞ্চলের ১২টি প্রদেশে সব স্কুল সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

  • অবশেষে ডিসি হলেন সেই নাফিসা আরেফিন

    অবশেষে ডিসি হলেন সেই নাফিসা আরেফিন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী থাকাকালীন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে নাফিসা আরেফিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগের পর প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি বিসিএস ২৪ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন।

    ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি তাকে নীলফামারীর ডিসি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে ওই সময় একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়।

    এর এক সপ্তাহ পর ১৩ জানুয়ারি ডিসি হিসেবে পদায়ন বাতিল করে তার স্থলে তারই ব্যাচমেট তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের একান্ত সচিব (পিএস) খন্দকার ইয়াসির আরেফীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    এ ঘটনার আড়াই বছর পর আবারও ডিসি পদে নিয়োগ পেলেন প্রশাসনের দক্ষ কর্মকর্তা নাফিসা আরেফিন। সোমবার ২৫ জেলার ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এবার তাকে ঢাকার পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুরের ডিসি করা হয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নাফিসা আরেফিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শামসুন্নাহার হল ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাফিসা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের উপসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ডিসিদের জন্য আয়োজিত ব্রিফিংয়েও তাকে ডাকা হয়নি।

    একপর্যায়ে তার নিয়োগ আদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। পরে তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সেই থেকে তিনি সেখানেই দায়িত্ব রয়েছেন

  • মেট্রোরেলে যে সব পণ্য বহন করা যাবে না

    মেট্রোরেলে যে সব পণ্য বহন করা যাবে না

    রাজধানীবাসীর দ্রুত ও আরামদায়ক যাতায়াতে নিয়মিত মেট্রোরেল ব্যবহারের যাত্রী বেড়েছে। তবে মেট্রোরেলে ব্যাগ ও বস্তা বহনের ক্ষেত্রে নিয়ম বেঁধে দিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

    ডিএমটিসিএল থেকে জানানো হয়েছে, ট্রলি ব্যাগ ও সাধারণ ব্যাগ বহনের ক্ষেত্রে ব্যাগটির দৈর্ঘ্য ২২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি ও উচ্চতা ৯ ইঞ্চির মধ্যে থাকতে হবে এবং ওজন ১৫ কেজির বেশি হওয়া যাবে না। বহনযোগ্য ব্যাকপ্যাক মেট্রোরেলের ভেতরে পিঠে বহন না করে হাতে রাখতে হবে।

    সব ধরনের মালামালের কার্টুন বহনের ক্ষেত্রে কার্টুনটির আকার দৈর্ঘ্য ১৮ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৮ ইঞ্চি ও উচ্চতা ১৮ ইঞ্চির চেয়ে বড় আকারে বড় হতে পারবে না। মেট্রোরেলে নির্দিষ্ট আকারের ব্যাগ ও কার্টুন বহন করা গেলেও সব ধরনের মালামালের বস্তা (প্লাস্টিক, পাট, মোটা কাপড় ইত্যাদির তৈরি) বহন নিষিদ্ধ।

    বহন করা যাবে না যেসব বস্তু বা পণ্য

    যেকোনো পশু-পাখি ও জন্তু (তবে অনুমতিসাপেক্ষে অন্ধদের পথ দেখানোর জন্য প্রশিক্ষিত গাইড কুকুর নেওয়া যাবে)। হিমায়িত সব ধরনের খাদ্যদ্রব্য (যেমন- মাছ, মাংস, দুধ, রসালো মিষ্টি, পানি ইত্যাদি) যা থেকে ঘনীভূত পানি পড়ে স্টেশন বা ট্রেন নোংরা হতে পারে এবং গন্ধ ছড়াতে পারে তা বহন করা যাবে না।

    কাঁচাবাজার- সব ধরনের কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস অথবা পানি ঝরছে বা পানি ঝরার সম্ভাবনা আছে এমন কাঁচাবাজারের ব্যাগ, গন্ধ ছড়াতে পারে এমন দ্রব্য যেমন-শুঁটকি ইত্যাদি অনাবৃত অবস্থায় বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে অনাবৃত অবস্থায় কোনো ধরনেই কৃষি পণ্যই বহন করা যাবে না।

    অনাবৃত/প্যাকিং ছাড়া গন্ধ ছড়ায় অথবা বা পানি ঝরার সম্ভাবনা আছে এমন সব ধরনের ফল (যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, বাঙ্গি, তরমুজ, কমলা, আঙুর ইত্যাদি), অনাবৃত/প্যাকেটবিহীন যেকোনো প্রকার খাবার এবং গন্ধ ছড়াতে পারে এমন খাবার যেমন-পোলাও, বিরিয়ানি ইত্যাদি এবং অনাবৃত অবস্থায় তাজা ফুল, ফুলের তোড়া, সব ধরনের গাছের চারা, গাছের টব ইত্যাদি বহন করা যাবে না।

    ছুরি, কাঁচি, দা, বঁটি ও অন্য যে কোনো ধারালো বস্তু, সব ধরনের ধাতব/লৌহ বস্তু যেমন- রড, পাইপ, তীক্ষ্ণ ও ধারালো প্রান্তযুক্ত কোনো ধাতব বস্তু, ধাতব বস্তু দ্বারা তৈরি যে কোনো সামগ্রী যেমন-ট্রাঙ্ক, গ্যাসের চুলা ইত্যাদি, খোলা অবস্থায় সকল প্রকার মেশিনারি পণ্য যেম-—ড্রিল মেশিন, ওয়েল্ডিং মেশিন, কাটার মেশিন, পাইপ রেঞ্জ ইত্যাদি মেট্রোরেলে বহন করা যাবে না।

    সব ধরনের গ্যাস ও এলপিজি সিলিন্ডার, যেকোনো ধরনের দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ, উন্মুক্ত অবস্থায় সব ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী যেমন—ক্রিকেট ব্যাট, স্ট্যাম্প, ফুটবল, হকি স্টিক, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, বাচ্চাদের যেকোনো ধরনের খেলনা ইত্যাদি, প্যাকেটবিহীন যেকোনো ইলেকট্রনিকস পণ্য যেমন- ব্লেন্ডার, ওভেন, কেটলি, ওয়াশিং মেশিন, গিজার, কম্পিউটার, মনিটর, প্রিন্টার, ইউপিএস, সাউন্ড বক্স ইত্যাদি, প্যাকেটবিহীন সকল ধরনের বাদ্যযন্ত্র যেমন- হারমোনিয়াম, তবলা, গিটার, বেহালা ইত্যাদিও মেট্রোরেলে বহন করা যাবে না।

    যেকোনো ধরনের জ্বালানি ও দাহ্য পদার্থ যেমন- পেট্রল, ডিজেল, অকটেন, কেরোসিন, তারপিন, অ্যালকোহল, স্প্রে জাতীয় ক্যান ইত্যাদি, যেকোনো ধরনের ক্ষয়কারী উপাদান ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যেমন- গাড়ির ব্যাটারি, আইপিএস, অ্যাসিড, পারদ, ক্ষার ইত্যাদি, গ্যাস ভর্তি বেলুন/উড়ন্ত খেলনা, যেকোনো ধরনের বাজি ও আতশবাজি ও সব ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য মেট্রোরেলে বহন করা নিষিদ্ধ।

    এছাড়া মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ মেট্রোরেল সিস্টেম, যাত্রী সাধারণ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় মেট্রোরেল স্টেশন ও ট্রেনে বহন নিষিদ্ধ দ্রব্যসামগ্রীর তালিকা প্রয়োজন ও বাস্তবতা অনুযায়ী সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজন করতে পারবে।

  • মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রপতির ‘সেকেন্ড হোম’, যা বলছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রপতির ‘সেকেন্ড হোম’, যা বলছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। আলোচিত বিষয়টি সংবেদনশীল জানিয়ে এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চান না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    প্রশ্ন ছিল, রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে যে আলোচনা চলছে, এটা সাংবিধানিকভাবে সম্ভব কিনা? সঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত কিনা এবং ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করবে কিনা?

    জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, এরসঙ্গে রিলেটেড (যুক্ত) কোনো কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের না। স্পেকুলেশনের (অনুমান) ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু করতে পারবে না।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। খুবই সেনসেটিভ (সংবেদনশীল)। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এটা দেখুক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি যুক্ত হয়ও, শেষ পর্যায়ে গিয়ে হবে। তখনই সেটা দেখা যাবে। এটা নিয়ে আমি আসলে কোনো কথা বলতে চাই না। এটার মধ্যে আইনগত দিক আছে, রাষ্ট্রপতির নিজের ব্যাপার আছে। এটা নিয়ে নাড়াচাড়া করা আমার কাজ না।

    রাষ্ট্রপতি মালয়েশিয়ার নাগরিক কিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে জানতে চাইবে কিনা-এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি অনুমানের ভিত্তিতে আমাদের মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে জানতে চাইবো না।

    সেকেন্ড হোম হওয়ার পর কি রাষ্ট্রপতি হওয়া যায়? উত্তরে তিনি এমন প্রশ্নে আইন উপদেষ্টাকে করার পরামর্শ দেন।

    প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিদেশে সম্পদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। গত রোববার জুলকারনাইন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে এ বিতর্কের সূচনা করেন।

  • যেভাবেই হোক ঘুস বন্ধ করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    যেভাবেই হোক ঘুস বন্ধ করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, যেভাবেই হোক ঘুস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি সোমবার রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরে কারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুধু কোটার জন্য হয়নি। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে ঘুস, দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। তাই ঘুস খাওয়া চলবে না। যেভাবেই হোক ঘুস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

    কারাগারকে সংশোধনাগার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কারারক্ষী ও কয়েকদিনের খাবারের মান উন্নত করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।

    তিনি এ সময় কারা কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ডোসিয়ার, শৃঙ্খলা এবং কল্যাণ নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

    কারা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কারাগারের নিরাপত্তা বিধান করা আপনাদের মূল দায়িত্ব। ঘুস ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে কারাগারের বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান সম্ভব। তাই ঘুস না খেয়ে আপনাদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুন। কেননা, ঘুষ খেলে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

    উপদেষ্টা এ সময় কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্পর্কে অবহিত হন।

    কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহের হোসেন-সহ কারা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।