Blog

  • তারেক রহমানকে বকার ভিডিও দেখাতে পারলে জুতার মালা পরবেন হিরো আলম

    তারেক রহমানকে বকার ভিডিও দেখাতে পারলে জুতার মালা পরবেন হিরো আলম

    ঢালিউড অভিনেতা ও আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করতে গেলে তার ওপর হামলা করে একদল যুবক।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, হিরো আলমকে বেধড়ক পেটানো হচ্ছে। এমনকি কানে ধরে ওঠবসও করানো হচ্ছে।

    এ বিষয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে হিরো আলম বলেন, যে অপরাধ করেননি, সেই অপরাধের অভিযোগে আবারও পিটুনির শিকার হলেন তিনি।

    হিরো আলম বলেন, ‘আমাকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়েছে। সারা শরীরে ব্যথা। পিটিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল ওরা।’ কী অপরাধে পেটানো হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমি মামলা করতে গিয়েছিলাম।’

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে কয়েকজন যুবক তাকে পিটুনি দিয়েছে বলে জানান এ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। হিরো আলম বলেন, ‘আজকে আমাকে বিএনপির লোকজন মারধর করল। তারা বলছে— আমি তারেক জিয়ার নামে কী বলছি। কেউ যদি সেই ভিডিও দেখাতে পারেন যে, আমি হিরো আলম তারেক জিয়াকে বকা দিছি, গালি দিছি… তাহলে আমি পুরো জুতার মালা গলায় দিয়ে বগুড়া শহর ঘুরব।’

    মারধরের শিকার এ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘এক স্বৈরাচারের পতনের পর আরেক দল নিজেদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করেছে— এটি কি স্বাধীনতা? প্রকাশ্যে আমাকে হত্যাচেষ্টা করা হলো! আমি কখনো তারেক জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি করিনি।

    তিনি বলেন, ডিবি হারুন আমার পরিবারকে জিম্মি করে রিজভী সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছিল। এ কথা আগেও বলেছি। এর পরও আমাকে আদালতের মতো জায়গায় সবার সামনে পেটানো হলো। যারা এ হামলা করেছে, তাদের ফুটেজ আছে; শনাক্ত করে এদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান হিরো আলম।

    উল্লেখ্য, ‘২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে হিরো আলমের ওপর হামলা করা হয়েছিল। ভোট কারচুপি করা হয়েছে। এসব অভিযোগে ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে গিয়েছিলেন হিরো আলম। ওই ৩৯ ব্যক্তির মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বগুড়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম তানসেন ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

  • সপ্তাহে তিন দিন ছুটির যুগে প্রবেশ করল সৌদি

    সপ্তাহে তিন দিন ছুটির যুগে প্রবেশ করল সৌদি

    পুরো বিশ্বজুড়েই সপ্তাহে তিন দিন ছুটি দেওয়ার একটি সংস্কৃতি চালুর চেষ্টা চলছে। সেই পথে হেঁটে এবার সপ্তাহে তিন দিনের ছুটির যুগে প্রবেশ করেছে সৌদি আরব। অনেকের ধারণা, সাপ্তাহিক ছুটি যদি বেশি দিন থাকে তাহলে কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। খবর গালফ নিউজের।

    রাজধানী রিয়াদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এআই কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স ম্যানেজম্যান্ট প্লাটফর্ম লুসিডিয়া সৌদির প্রথম কোনো কোম্পানি হিসেবে কর্মীদের সপ্তাহে তিন দিন ছুটি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যার অর্থ এই কোম্পানির কর্মীরা এখন থেকে সপ্তাহে চারদিন অফিস করবেন। আর তিন দিন ছুটি কাটাবেন। সৌদিতে সাধারণত সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে দুই দিন।

    লুসিডিয়ার এ ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। সপ্তাহের প্রায় অর্ধেক সময় ছুটি দেওয়ার বিষয়টি কর্মীদের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে এ বিষয়টি দেখার জন্য অনেকেই আগ্রহী বলে জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

    সংবাদমাধ্যম আল এখবারিয়া বলেছে, লুসিডিয়া যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদিতে এটি অভূতপূর্ব নজির। তাদের এ উদ্যোগ অনেক মানুষকে রোমাঞ্চিত করেছে। অনেকেই এটির ফলাফল জানতে মুখিয়ে আছেন। যারমধ্যে আছে কর্মীদের উপর এটির প্রভাব এবং তাদের উৎপাদনশীলতা।

    এদিকে সৌদি আরবের মানব সম্পদ বিশেষজ্ঞ ড. খালিল আল থিয়াবি সৌদির সাপ্তাহিক ছুটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

    তিনি বলেছেন, যেহেতু জি-২০ জোটের দেশগুলোতে শনিবার ও রোববার সাপ্তাহিক বন্ধ দেওয়া হয়। যদি তাদের সঙ্গে মিলিয়ে সৌদিতেও এটি করা যায় তাহলে এটি দেশের অর্থনীতির জন্য ভালো হবে।

  • দলীয় নেতাকর্মীদের বিশেষ বার্তা বিএনপির

    দলীয় নেতাকর্মীদের বিশেষ বার্তা বিএনপির

    দেশের চলমান পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছে বিএনপি। দলীয় নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক কাজে সফরকালে যানবাহনের শোভাযাত্রা পরিহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গতকাল (রোববার) দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তৃণমূল পর্যায়ে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। খবর বিবিসি বাংলার।

    দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে, দলটির সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের উদ্দেশ্যে সাংগঠনিক কাজের উদ্দেশ্য সফরের সময় কোনো ধরনের মোটর সাইকেল বহর ও গাড়ি বা অন্য কোনো যানবাহনের শোভাযাত্রা পরিহার করতে বলা হয়েছে।

    সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, যে এলাকায় সাংগঠনিক সভা, কর্মী সভা অথবা জনসভা অনুষ্ঠিত হয় সেই এলাকায় ঊর্ধ্বতন নেতাদের আগমন ঘটলে শোভাযাত্রার কারণে প্রচণ্ড যানযটের সৃষ্টি হয় এবং মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

    একইসাথে দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুন বা নিজেদের নামে পোস্টার প্রদর্শন না করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    এ বার্তায় বলা হয়েছে, এটি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু, অনভিপ্রেত এবং দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থি।

  • শিল্পী সংঘের নেতাদের ২১ প্রশ্ন ছুড়ে দায়িত্ব ছাড়তে বললেন বাঁধন

    শিল্পী সংঘের নেতাদের ২১ প্রশ্ন ছুড়ে দায়িত্ব ছাড়তে বললেন বাঁধন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ছোটপর্দার শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’ ও এর নেতাকর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, প্রকাশ্যে বিগত সরকারের পক্ষ নিয়েছে সংগঠনটির কর্তারা। সরকার পতনের পর ছাত্রদের আন্দোলনে যারা নীরব ভূমিকায় ছিলেন এমন বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান থেকে অনেকেই পদত্যাগ করলেও ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’র ক্ষেত্রে তেমন কোনো চিত্রের দেখা মেলেনি।

    ফলে সংগঠনটির সংস্কার দাবি করছে সংস্কারকামী শিল্পীরা। এতে অভিনয়শিল্পী সংঘের কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এই সংগঠনের নামে ২১টি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তাদের দায়িত্ব ছাড়তে বলেছেন।

    রোববার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রশ্নগুলো তুলে ধরে বাধঁন লিখেছেন-

    ১. চলমান এই সংস্কারের আলাপের বিষয়টা আপনারা যারা সংগঠনের সদস্য আছেন কমিটির পক্ষ থেকে আপনাদের সাথে তারা শেয়ার করেননি কেন?

    ২. সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি রাষ্ট্রের ক্রাইসিস মূহুর্তে যে বিবৃতি প্রদান করেছে সেটার জন্য সাধারণ সদস্যদের অনুমতি নেওয়া হয়নি কেন?

    ৩. এখন যে তারা বলছেন, তারা তখন এত কিছু করেছেন সেটা সকল সাধারণ অভিনয়শিল্পী জানে না কেন?

    ৪. কেন তারা ‘আলো আসবেই’ হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে এমন আলোচনা হচ্ছে জেনেও গণহত্যাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন?

    ৫. তারা কেন প্রতিবাদ করেননি জোরালোভাবে?

    ৬. কেন একটা ন্যাশনাল ক্রাইসিসে তারা এমন আচরণ করবেন?

    ৭. আমরা তাদের আমাদের প্রতিনিধি মনে করি। আমরা তাদেরকে দেশের সকল অভিনয়শিল্পীর প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য করি। প্রতিনিধিরা এমন কেন হবে যে অন্যায়কে সমর্থন করে?

    ৮. কোন দল কী করছে সেটার দায় শিল্পী কেন নেবে?

    ৯. এটা তো গঠনতন্ত্রের বিরোধী। এটা তো একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। তাহলে কিভাবে রাষ্ট্রীয় রাজনীতির পাপেট হয়ে গেল এই সংগঠন?

    ১০. সাধারণ কিছু অভিনয়শিল্পী সংগঠনের সাথে বসতে চাইলেন যখন তাদের মতামত প্রকাশের জন্য, তখন সেই বিষয়ে তারা কেন আপনাদের সাথে আলাপ করলেন না?

    ১১. জানতে চান, সংগঠন কেন পেশাদার অভিনয়শিল্পী হিসেবে যে স্বার্থ, মর্যাদা, অধিকার রক্ষার দায়িত্ব গঠনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে নিলেন, সেই দায়িত্বে তারা ব্যর্থ হলেন কেন?

    ১২. একটা ক্লোজ ডোর বৈঠক করতে চাওয়া হয়েছিলো, দুই পাশে দুটি ক্যামেরা। সবাই সবার প্রতি সম্মান রেখে কথা বলার আহবান জানানো হয়েছিলো। তারা সেখানে কেন কে সদস্য আর কে সদস্য না সেটার প্রশ্ন তুললেন?

    ১৩. অভিনয়শিল্পীরা তো অভিনয়শিল্পী সংগঠনের সাথেই কথা বলবে। অন্য কারো সাথে না। সেটাকে তারা সম্মান দেখালেন না কেন?

    ১৪. এটা শুধু আমার, ওনাদের, তোমার, এমনটা হবে কেন?

    ১৫. আমরা একটা কেমন সংগঠন দেখতে চাই- সেই ভিশন শেয়ার করার সুযোগ কেন থাকবে না?

    ১৬. এটাতো সকল দৃশ্যমাধ্যমের পেশাদার অভিনয়শিল্পীদের একমাত্র সংগঠন হওয়ার কথা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী। তাহলে সেটা এখনো কেন হলো না?

    ১৭. অধিকাংশ অভিনয়শিল্পী কেন জানেন না যে আসলে সংগঠন এর কাজ কি? কি হবে এটা করে? এটার সদস্য কেন হবেন? সেই আগ্রহ এ সময়ের অভিনয়শিল্পীদের তৈরি হচ্ছে না কেন?

    ১৮. কেন গ্লোবালি এই সংগঠনটা ডেভেলপড হয়নি এতদিনেও?

    ১৯. কেন এতদিনেও স্বীকৃতি পায়নি যে অভিনয় একটি পেশা? কোথায় আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি?

    ২০. কেন এই সংগঠনের যা যা করার কথা ছিলো, কেন তারা তা করতে পারেননি?

    ২১. কেন আমরা লজ্জিত হলাম, অপমানিত হলাম? এটা কি কার্যকরী কমিটির ব্যর্থতা নয়?’

    প্রশ্ন শেষে বাঁধন লেখেন, ‘আমাদের সম্মানহানির দায় সংগঠনের সকল ডিসিশন মেকারের। তাই আমরা এই সকল জিজ্ঞাসায় পুরো কমিটিকে ক্লোজড ডোরে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলাম। যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিত সৃষ্টি না হয়। তারা কি করলেন, বিভেদ তৈরি করলেন। যেহেতু আপনারা বিভেদকারী এবং আপনাদের সকল অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসার সদিচ্ছা নাই, আপনাদের আহবান জানাচ্ছি প্লিজ দায়িত্ব ছেড়ে দেন।’

    সবশেষ এই অভিনেত্রীর আহ্বান, চলেন সবাই মিলেমিশে সকল দৃশ্যমাধ্যমের পেশাদার অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে একত্রিত করে সংগঠিত হয়ে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের সকল স্বার্থ, অধিকার এবং মর্যাদা নিশ্চিত করি। আমাদের বর্তমান সংগঠনটিকে সুন্দর করে এমন একটা সংগঠন বানাই যেটা সকল অভিনয়শিল্পীর ছায়া হবে।

    একসঙ্গে, ভেদাভেদহীন, অভিনয়শিল্পী পরিচয়ে। শিল্পীদের সকল অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা রক্ষা যদি সংগঠন নিশ্চিত করে তাহলেই না অভিনয়শিল্পী নিশ্চিন্তে শুধু অভিনয়টাই করতে পারবে। আসেন সবাই মিলে জানতে চাই। সংগঠনকে প্রশ্ন করি।’

  • বাগেরহাটে পিকআপ-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

    বাগেরহাটে পিকআপ-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে পিকআপ-ইজিবাইক সংঘর্ষে ইজিবাইকের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে আরো দুইজন আহত হয়েছেন। 

    সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কের কাটাখালি সংলগ্ন টাউন নওয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  

    স্থানায়রা জানান, খুলনাগামী একটি পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ইজিবাইকে থাকা ৪ যাত্রী নিহত হয় এবং একজন আহত হয়।

    নিহতদের মধ্যে তিন জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- শওকত (৪০), মাসুম (৩০) ও নিপা (২৮)। আরেক জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    নিহতদের মধ্যে নিপার বাড়ি বাগেরহাট সদর উপজেলায়। তিনি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। অন্যদের ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

    ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভির ইসলাম অনিক বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনকে মৃত এবং দুইজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।  

    আহত হিরণ শেখ (৩৫) এবং অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে আমরা খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এদের মধ্যে একজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

    কাটাখালি হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল হক বলেন, সংঘর্ষের পরই পিকআপটিসহ চালক পালিয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে ইজিবাইকের ৩ জন মারা গেছে। আহত দুইজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। শুনেছি তাদের মধ্যেও একজন মারা গেছে। 

    তিনি আরো বলেন, নিহত তিনজনের লাশ কাটাখালি হাইওয়ে থানায় রয়েছে। পিকআপটিকে শনাক্তের কাজ চলছে।

  • বিডিআর বিদ্রোহ মামলার ১৭ স্পেশাল পিপির নিয়োগ বাতিল

    বিডিআর বিদ্রোহ মামলার ১৭ স্পেশাল পিপির নিয়োগ বাতিল

    বিডিআর বিদ্রোহ বিস্ফোরক দ্রব্য মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ আদেশ বাতিল করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

    গত ৫ সেপ্টেম্বর উপ সলিসিটর (জিপি-পিপি) সানাহ মো. মাহরুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত এক আদেশ তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    আদেশে বলা হয়, ‘লালবাগ (ডিএমপি) থানার মামলা নং-৬৫, তারিখ: ২৮/০২/২০০৯ হতে উদ্ভূত বিডিআর বিদ্রোহ বিস্ফোরক দ্রব্য মামলার ১৭ জন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরের নিয়োগ আদেশ এতদ্বারা বাতিল করা হলো।’

    ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি, এই দুদিনে তৎকালীন বিডিআর বর্তমানে বিজিবি সদর দফতর পিলখানায় বিদ্রোহের নামে হত্যা করা হয় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে।

    যে ১৭ জনের নিয়োগ বাতিল হয়েছে:-

  • শেখ হাসিনা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন: তাজুল ইসলাম

    শেখ হাসিনা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন: তাজুল ইসলাম

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, নিরপরাধ কারও সাজা হবেনা; দোষী কেউ ছাড়ও পাবেনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালীন শেখ হাসিনাসহ গণহত্যা মামলার আসামিরা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রসিকিউশন টিমের কোনো আপত্তি থাকবে না। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রসিকিউশন টিমের যা যা করা দরকার সেটা করবে।

    সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    তাজুল ইসলাম বলেন, প্রসিকিউশন টিম কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে, তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হাসপাতাল পরিচালকদের কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজকেও কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করা হবে।

    তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমের কাছে থাকা ভিডিও-ছবির জন্য চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    তিনি বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করার জন্যই এই উদ্যোগ। যাতে করে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকে। ক্ষতিগ্রস্তরা এই গণহত্যার বিচারের জন্য মুখিয়ে আছেন। সাক্ষীরাও আগ্রহী। আলামত তাজা থাকতেই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমের কাছে থাকা ভিডিও-ছবির জন্য চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করার জন্যই এই উদ্যোগ। যাতে করে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকে। ক্ষতিগ্রস্তরা এই গণহত্যার বিচারের জন্য মুখিয়ে আছেন। সাক্ষীরাও আগ্রহী। আলামত তাজা থাকতেই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিচারে অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। কোনো রাজনৈতিক অভিলাষ নেই। ছাত্র-জনতার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্মমতার বিচার হওয়াই লক্ষ্য।

  • আমু ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক, আলোচনায় তার পালিত মেয়েও

    আমু ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক, আলোচনায় তার পালিত মেয়েও

    গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাদের দায়ের করা প্রথম তিনটি মামলায় আসামি করা হয়নি সাবেক এমপি আমির হোসেন আমুকে। ১৪ দলের এই সমন্বয়ক ঝালকাঠিতে ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক।

    অর্থবিত্তে ঠিক কতটা ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন সাবেক এমপি আমির হোসেন আমু তা জানা সম্ভব না হলেও তার সঙ্গে থাকা ছোট নেতারাও বনে গেছেন কোটিপতি। ৫ আগষ্টের আগ পর্যন্ত দোর্দণ্ড প্রতাপে ঝালকাঠি শাসন করা এই আওয়ামী লীগ নেতার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানে না কেউ। তার বিত্তের ভান্ডার দেখাশোনা করা ফখরুল মজিদ কিরনও আত্মগোপনে। সম্পর্কে ভায়রা এই কিরনের মাধ্যমেই ঠিকাদারি আর চাকরিসহ সব সেক্টর থেকে পার্সেন্টেজ আদায় করতেন আমু। যার সর্বশেষ চালানের পাঁচ কোটি টাকা ৫ আগস্ট রাতে উদ্ধার হয় ঝালকাঠি শহরের রোনালস রোডে থাকা সাবেক এই মন্ত্রীর বাসভবন থেকে। ওই ঘটনায় সেফ্র একটি সাধারণ ডায়রি করা ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ৩৫ দিনেও।

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমুর বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস কখনোই পায়নি কেউ। মৃদু প্রতিবাদেও ধ্বংস হয়ে যেত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। কেবল আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি নেতারাও ভয়ে কখনো কথা বলত না তার বিরুদ্ধে। যেন সবার কাছেই জ্যান্ত আতঙ্ক ছিলেন ১৪ দলের সমন্বয়ক এই নেতা। হাসিনা সরকারের পতনের পর ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাদের করা প্রথম তিনটি মামলায় আসামি করা হয়নি তাকে। বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলে ২ সেপ্টেম্বর দায়ের হওয়া সর্বশেষ মামলায় অনেকটা দায়সারাভাবে অন্তর্ভুক্ত হয় তার নাম। তাও সেই মামলার বাদী হননি বিএনপির দায়িত্বশীল কেউ।

    পরিচয় না প্রকাশের শর্তে ঝালকাঠির একাধিক বাসিন্দা বলেন, ‘ক্ষমতার আমল কেবল নয়, ক্ষমতার বাইরে থাকলেও আমু প্রশ্নে নেতিবাচক কিছু বলার সাহস পেত না কেউ। অথচ ঝালকাঠিতে হেন দুর্নীতি নেই যা করেননি এই নেতা। সব দপ্তরের ঠিকাদারি কাজে নির্দিষ্ট অঙ্কের পার্সেন্টেজ দিতে হতো তাকে। টিআর কাবিখা আর সংসদ-সদস্যদের নামে বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রেও নিতেন টাকা।’

    নলছিটি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়ে গত বছর নৈশপ্রহরী, অফিস সহকারী ও আয়া পদে তিনজন লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়েছে আমির হোসেন আমুর নির্ধারিত প্রতিনিধিকে। কেবল আমি নই, সব বিদ্যালয়সহ সব ধরনের নিয়োগেই ছিল একই নিয়ম।’

    ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যত ধরনের ঠিকাদারি টেন্ডার, সব ক্ষেত্রেই আমুকে দিতে হতো টাকা। ঠিকাদার নির্বচান প্রশ্নেও তার সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। ই-টেন্ডার চালু হওয়ার পরও নানা কৌশলে টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। কথা না শুনলে কেবল বদলি নয়, শারীরিক মানসিকভাবেও হতে হতো হেনস্তা।’ সড়ক বিভাগের মতো এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তর, গণপূর্ত, থানা প্রকৌশলী এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন বিভাগসহ সব ক্ষেত্রেই ছিল একই অবস্থা।

    বেপরোয়া এই অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে গত ১৬ বছর ধরে শত শত কোটি টাকা আয় করলেও দেশে আমির হোসেন আমুর তেমন কোনো সম্পদের সন্ধান মেলেনি। ঝালকাঠির রোনালস রোডে ভবন, বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডে প্রাসাদসম আলীশান বাড়ি এবং রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে বেশ বড়সড় একটি বাগানবাড়ি রয়েছে তার।

    আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর তেমন একটি ভরসা ছিল না তার। অথবা এমনও হতে পারে যে ব্যাংকে গেলে ছিল ধরা পড়ার ভয়। বস্তায় বস্তায় টাকা তিনি রাখতেন বাড়িতে। যার প্রমাণ মেলে ৫ আগস্ট। বিক্ষুব্ধ জনতা ওইদিন হামলা ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেয় তার রোনালস রোডের বাড়িতে। ভাঙচুর চলাকালেই বহু মানুষকে দেখা গেছে বাড়ি থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা নিয়ে বের হতে। তারপরও আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সেখান থেকে উদ্ধার করে কয়েক বস্তা ভর্তি টাকা। গোনার পর যার সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচ কোটিরও বেশি। একই সঙ্গে উদ্ধার হয় মোটা অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। ঝালকাঠির মতো বরিশাল নগরীতে থাকা আমুর প্রাসাদেও হামলা ভাঙচুর হয় সেদিন। সেখান থেকেও বান্ডিল বান্ডিল টাকা নিয়ে বের হয় হামলাকারীরা।

    যার বাড়িতেই থাকে বস্তা বস্তা টাকা সেই মানুষটার দেশে মাত্র তিনটি বাড়ি ছাড়া আর কিছু নেই- ভাবতেই যখন খটকা লাগে ঠিক তখনই আলোচনায় আসে তার পালিত মেয়ে সুমাইয়া হোসেনের নাম। ব্যক্তি জীবনে নিঃসন্তান আমু তার শ্যালিকা মেরী আক্তারের কন্যা এই সুমাইয়াকে পালক হিসেবে নেন আরও বহু বছর আগে। বর্তমানে দুবাইতে থাকা এই সুমাইয়ার বিয়েও হয়েছে দুবাই প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে। অবৈধ পন্থায় আয় করা শতকোটি টাকা ওই মেয়ের কাছে পাঠিয়েছেন আমু, এটাই আলোচনা ঝালকাঠি শহরে।

    পরিচয় না প্রকাশের শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ‘এমন কোনো সেক্টর নেই যেখান থেকে টাকা পেতেন না আমু। সব টাকাই নগদে পৌঁছাত তার কাছে। লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে কাজ করতেন ভায়রা ফখরুল মজিদ কিরন। এই কিরনও ছিলেন একটি রহস্যময় চরিত্র।

    শিল্পমন্ত্রী থাকাকালে আমুর এপিএস ছিলেন কিরন। সর্বশেষ সরকারে আমুকে মন্ত্রী করা না হলেও তার সংস্পর্শেই থেকে যান তিনি। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো আমুর পাশাপাশি সদ্য সাবেক সরকারে দায়িত্ব পালন করা শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ুনেরও এপিএস ছিলেন কিরন।

    ঝালকাঠির বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আলোচিত এই কিরনের বাড়ি ঢাকা বিভাগের নরসিংদী জেলায়। সর্বশেষ শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ুনের আপন ছোট ভাই কিরন তার নিজের এলাকা বাদ দিয়ে পড়ে থাকতেন ঝালকাঠি। কেবল সম্পদ ভান্ডারের দেখাশোনা আর পার্সেন্টেজ আদায় নয়, নির্বাচনি এলাকায় আমুর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও দেখাশোনা করতেন তিনি।

    পরিচয় না প্রকাশের শর্তে নলছিটি উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা এক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমুর সঙ্গে দেখা করতে হলে অনুমতি নিতে হতো কিরনের। উন্নয়নমূলক সব কাজের ভাগ-বাটোয়ারা করতেন তিনি। তার কথার বাইরে বলতে গেলে এক পা-ও চলতেন না আমু। পরিস্থিতি এমন ছিল কিরন যেন ছিলেন আমুর ছায়া। এই কিরনের মাধ্যমেই নির্বাচনি এলাকা থেকে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছেন আমু। যার প্রায় পুরোটাই এখন দুবাইতে তার মেয়ে সুমাইয়ার কাছে আছে বলে ধারণা সবার। এসব ব্যাপারে কথা বলার জন্য আমু ও কিরনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি কাউকে। মোবাইলে খুদে বার্তা দিয়েও মেলেনি উত্তর।

    ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, সাবেক এমপির বাসা থেকে পাঁচ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আমরা একটি সাধারণ ডায়রি করেছি। টাকা জমা আছে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

  • ২৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ

    ২৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ

    দেশের ২৫টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা, ফরিদপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রংপুর, গাইবান্ধা, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুর, গাজীপুর, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার, খুলনা ও গোপালগঞ্জে নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এতে বলা হয়, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ভোলায় অস্ত্রের মুখে ঠিকাদারের কাছে যুবলীগ কর্মীর চাঁদা দাবি

    ভোলায় অস্ত্রের মুখে ঠিকাদারের কাছে যুবলীগ কর্মীর চাঁদা দাবি

    ভোলা সদর উপজেলায় মো. জুলফিকার আহমেদ জুয়েল নামের এক ঠিকাদার তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেছেন মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজ মো. কবির হোসেনের বিরুদ্ধে।

    এ ঘটনায় চাঁদাবাজি মামলায় অভিযুক্ত কবিরকে ধারালো ছুরিসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কবির ভোলা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রিজার্ভ পুকুরপাড় এলাকার আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে ও যুবলীগের কর্মী।

    রোববার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর তাকে ধারালো ছুরিসহ আটক করে ভোলা সদর থানা পুলিশ।

    মামলার বাদী ঠিকাদার জুলফিকার আহমেদ জুয়েল ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনে টিকাদারি কাজ করার সময় অভিযুক্ত মো. কবির হোসেন তার কাছে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছে কিন্তু তাকে চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে রাতের আঁধারে ও প্রকাশ্য দিবালোকেও মালামাল চুরি ও লুট করে নিয়ে যায় কবির। কবির স্থানীয় চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য।

    এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালেও কেউ বিচার করতে পারেনি। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর তার কাছে পুনরায় ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করে কবির। তার দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের সদর রোডের কর্মকার ফার্মেসির সামনে প্রকাশ্যে একটি ধারালো ছুরি নিয়ে এসে চাঁদা দাবি করে।

    একপর্যায়ে কবির হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করতে গেলে ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে কবির তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

    এ ঘটনায় তিনি প্রাণ রক্ষায় ভোলা সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আলোকে সন্ধ্যার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কবিরকে ছুরিসহ গ্রেফতার করে।

    জুলফিকার আহমেদ আরও জানান, ভোলা পৌরসভার প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় যুবলীগের দাপট দেখিয়ে শহরের ওয়েস্টার্নপাড়া এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল কবির। এমনকি সে নিজে মাদক সেবন ও বিক্রি করত। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরও তার এসব অপকর্ম বন্ধ হয়নি।

    ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান পাটওয়ারী জানান, ঠিকাদার জুলফিকার আহমেদের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মো. কবির হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার কাছ থেকে ধারালো একটি ছুরি জব্দ করা হয়েছে।