Blog

  • নতুন প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রজ্ঞাপন

    নতুন প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রজ্ঞাপন

    তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর বিদ্যমান নীতিমালা যুগোপযোগী করে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা ‘প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা, ২০২৫’ নামে অভিহিত হবে। এ নীতিমালা সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ বা প্রচারের কাজে নিয়োজিত দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এ নীতিমালা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

    প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের নিয়মাবলিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের অনুকূলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু, নবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রদানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিয়োজিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলসহ নাম ও পদবি উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রধান তথ্য অফিসার বরাবর আবেদন করতে হবে।

    প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির জন্য তথ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত আবেদন ফরমের সংশ্লিষ্ট স্থানে এতদুদ্দেশ্যে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিয়োজিত কর্মকর্তার সুপারিশকৃত হতে হবে। গণমাধ্যম এতদুদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ সুপারিশ করলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের আবেদন বিবেচনা করা হবে না। আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে ন্যূনতম ৫ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি মিডিয়ায় প্রতিনিধিত্বকারী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে তথ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত আবেদন ফরমে সুপারিশের স্থানে আবেদনকারীর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। এ ছাড়া নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল প্রত্যয়ন/নিয়োগপত্র নিয়োগকারীর অফিশিয়াল ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এ ধরনের কার্ড নবায়নের ক্ষেত্রেও কার্ড ইস্যুর অনুরূপ শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। অন্যথায় কার্ড নবায়ন করা হবে না। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কমিটি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু, নবায়ন অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে যে কোনো সময় আবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সত্যতা যাচাইয়ের জন্য যে কোনো তথ্য চাইতে পারবে। অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি প্রয়োজন মনে করলে পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতে পারবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হারিয়ে গেলে নিকটবর্তী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে এবং এর অনুলিপি সংযুক্ত করে পুনরায় কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে পুনরায় কার্ড ইস্যুর বিষয়টি প্রধান তথ্য অফিসার বিবেচনা করবেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড আবশ্যিকভাবে তথ্য অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে। সময়ের ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট কার্ডধারীর অনুকূলে কোনো প্রকার প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু বা নবায়ন করা হবে না।

    প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রতিবছর ৭ জানুয়ারির মধ্যে ন্যূনতম ছয় মাসের জন্য সাংবাদিকদের অপরিবর্তনীয় হালনাগাদ তালিকা প্রেরণ করতে হবে। বছরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য ৭ জুলাইয়ের মধ্যে সাংবাদিকদের অপরিবর্তনীয় হালনাগাদ তালিকা প্রেরণ করতে হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মুদ্রিত হবে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী সাংবাদিক প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করলে তার বর্তমান প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তিনি নতুন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে পারবেন।প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী ব্যক্তি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব করা থেকে বিরত থাকলে অথবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রধান তথ্য অফিসারকে লিখিতভাবে তা জানাবেন এবং ১৫ দিনের মধ্যে ইস্যুকৃত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড তথ্য অধিদপ্তরে ফেরত পাঠাবেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। কোনো গণমাধ্যমের প্রকাশনা বা সম্প্রচারের লাইসেন্স/নিবন্ধন বাতিল করা হলে কিংবা বন্ধ হলে অথবা ডিএফপি মিডিয়া তালিকা থেকে বাদ গেলে কিংবা গণমাধ্যম প্রতিনিধির মৃত্যু হলে বা তিনি মিডিয়া থেকে চাকরিচ্যুত হলে অথবা পদত্যাগ করলে ওই গণমাধ্যমের প্রতিনিধির অনুকূলে প্রদত্ত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হবে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ব্যবহার করে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রধান তথ্য অফিসার সংশ্লিষ্ট প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড সাময়িকভাবে স্থগিত করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বিষয়টি অ্যাক্রিডিটেশন কমিটিতে প্রেরণ করবেন।

    প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কর্মরত সাংবাদিক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত ‘কোড অব কনডাক্ট’ বা এই নীতিমালার কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে কমিটি তার প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করবে এবং তথ্য অধিদপ্তর তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রচার করবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অথবা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে প্রধান তথ্য অফিসার কার্ড বাতিলের জন্য প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির কাছে সুপারিশ করতে পারবেন।

    রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মসূচির নিউজ কাভারেজ কিংবা অন্য কোনো পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য আসা বিদেশি সাংবাদিকদের সাময়িকভাবে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান করা যাবে। তবে, সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালন শেষে ৭ দিনের মধ্যে আবশ্যিকভাবে ওই কার্ড প্রধান তথ্য অফিসার বরাবর ফেরত দিতে হবে।প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের সুবিধাপ্রাপ্ত সাংবাদিক সরকারের বিভিন্ন সংবাদ উৎস, তথ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত সংবাদ ম্যাটেরিয়াল, স্থিরচিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট ও লিখিত তথ্য প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের বিধান অনুসরণ করে প্রবেশাধিকার পাবেন।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু বা বাতিল প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি করবে। কারো কার্ড বাতিল হলে বা কমিটির কোনো সিদ্ধান্তে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আপিল কমিটিতে আপিল করতে পারবেন। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু ও বাতিলের ক্ষেত্রে আপিল কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তবে প্রধান তথ্য অফিসার যৌক্তিক কারণে কোনো কার্ড সাময়িকভাবে স্থগিত করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন যা পরবর্তী সময়ে কমিটি কর্তৃক অনুমোদন করতে হবে। কোনো আবেদনকারী বা গণমাধ্যম প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসত্য। প্রতারণামূলক/জাল তথ্য বা প্রমাণক সরবরাহ করলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে ওই আবেদনকারী বা মিডিয়া প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কোনো ব্যক্তি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের অপব্যবহার করলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই নীতিমালা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। তবে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ব্যাবহার করে পুরুতর অপরাধ করলে প্রধান তথ্য অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড স্থগিত করতে পারবেন, যা পরবর্তী সময়ে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

    প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডটি স্থগিত থাকবে এবং বিচারিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে কার্ডটি বাতিল হবে। তবে আপিল আদালতে বা চূড়ান্তভাবে নির্দোষ সাব্যস্ত হলে তিনি পুনরায় কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হবে ডিজিটাল।

    ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের নিয়মাবলী বিষয়ে।বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ সম্পাদক, বরেণ্য সাংবাদিক/কলামিস্টরা ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাবেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরা পেশাগত এবং প্রধান তথ্য অফিসার নির্ধারিত অন্যান্য তথ্যাদি প্রদান সাপেক্ষে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্য হবেন।

    ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমে কমপক্ষে ২০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা এবং মূলধারার গণমাধ্যমে বছরে অন্তত ১০টি প্রতিবেদন প্রচার বা প্রকাশের প্রমাণ দাখিল করতে হবে। প্রতিবেদনগুলো প্রধান তথা অফিসার যাচাই সাপেক্ষে কমিটিতে উপস্থাপিত হবে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে- গণমাধ্যমে কর্মরত সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, উপসম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, বিভাগীয় সম্পাদক, প্রতিবেদক, আলোকচিত্রী ও ভিডিওগ্রাফারদের মোট সংখ্যার আনুপাতিক হারে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান করা হবে। তবে কার্ড প্রদানের সংখ্যা কোনোক্রমেই মোট সংখ্যার ৩০ শতাংশের বেশি হবে না এবং একক কোনো প্রতিষ্ঠান ১৫টির বেশি কার্ড পাবে না। উল্লিখিত ব্যক্তিদের তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্যাডে সিলসহ প্রদান করতে হবে। এই তালিকায় উল্লিখিত সাংবাদিকের বেতন ও নিয়োগ প্রাপ্তির প্রমাণাদিসহ অন্য যেকোনো তথ্য অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি প্রয়োজন মনে করলে যাচাই-বাছাই করবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যে ভুল পাওয়া গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের কার্ড প্রাপ্তির যোগ্যতা সর্বনিম্ন ০২ বছর হতে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত স্থগিত করা যাবে।

  • অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান বাড়াতে চায় সরকার: শিল্প সচিব

    অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান বাড়াতে চায় সরকার: শিল্প সচিব

    অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান বাড়াতে চায় সরকার। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। জনশক্তির দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশীয় কাঁচামাল ও সম্পদ ব্যবহার করে শ্রমঘন শিল্পায়নের জন্য কাজ চলছে।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে ফারস হোটেল শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) আয়োজিত কর্মশালায় শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম। সভাপতিত্ব করেন এনপিও’র মহাপরিচালক মো. নুরুজ্জামান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ইতোমধ্যে এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি মাস্টারপ্ল্যান ২০২১-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে’।

    শিল্প সচিব বলেন, যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান অপরিসীম। যে দেশ যত বেশি শিল্পসমৃদ্ধ, সে দেশ তত উন্নত। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও শিল্পখাতের অবদান বাড়ছে। কৃষি থেকে দ্রুত শিল্পোন্নত দেশের দিকে ধাবিত হচ্ছি। তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য শিল্প অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সরকার নানামুখী পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশীয় কাঁচামাল ও সম্পদ ব্যবহার করে শ্রমঘন শিল্পায়ন করতে চায়। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগত সুবিধাকে নিয়ে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানো অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে জাতীয় শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয়েছে। জনশক্তির দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।

    তিনি বলেন, শিল্প উন্নয়ন টেকসই ও স্থিতিশীল করতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো জরুরি। প্রতিবেশি দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা উৎপাদনশীলতায় তাদের অবস্থান অনেক এগিয়েছে। ২০২৪ সালে প্রকাশিত এপিও প্রোডাকটিভিটি ডেটাবুকের (উৎপাদনশীলতার তথ্য) তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের শ্রমিক প্রতি উৎপাদনশীলতার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এখানে ভারতের ৪ শতাংশ, চীনের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার ২ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে বাংলাদেশের জন্য উৎপাদনশীলতার গড় প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হওয়া সম্ভব।

    নূরুজ্জামান বলেন, এনপিও একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান যা দেশের শিল্প, সেবা ও কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কাজ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি মাস্টারপ্ল্যান ২০২১-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে’। মূলত এই মাষ্টার প্ল্যানের মাধ্যমে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এতে শিল্প, সেবা ও কৃষিখাতের উন্নয়নে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, মাষ্টার প্লান বাস্তবায়নে দুইটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে সবাই সমন্বিত ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় আনা এবং পরিকল্পনা সময়মত যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। তারমতে, মাষ্টার প্লান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় হতে প্রতিশ্রুতি জরুরি।

  • মার্চ থেকে শহিদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক সুবিধা কার্যকর

    মার্চ থেকে শহিদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক সুবিধা কার্যকর

    জুলাই আন্দোলনে শহিদদের পরিবার ও আহতদের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী মার্চ মাস থেকে তা কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জুলাই-আগস্টের শহিদের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন। আরও খোঁজা হচ্ছে। কেননা অনেকের এখনো হদিস মিলেনি। শহিদ পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তন্মধ্যে চলতি অর্থবছরে ১০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব পরিবারের সামর্থ্য আছে তাদের সরকারি বেসরকারি-চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।

    প্রেস সচিব আরও বলেন, আহতদের মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ ক্যাটাগরি করেছেন। আহত ‘এ’ ক্যাটাগরিতে যারা রয়েছেন তাদের এককালীন পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তারাও প্রতি মাসে পাবেন ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ সংখ্যা ৪৯৩।

    ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের তিন লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এ সংখ্যা ৯০৮। ‘সি’ ক্যাটাগরির আহতরা সুস্থ হয়ে গেছেন। এই ক্যাটাগরির যোদ্ধারা এককালীন এক লাখ টাকা করে পাবেন। তাদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এই ক্যাটাগরিতে আছেন ১০ হাজার ৬৪৮ জন।

  • দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না জুলাই আন্দোলনে আহতরা

    দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না জুলাই আন্দোলনে আহতরা

    এক দফা দাবিতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে টানা ২৮ ঘণ্টা ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জুলাই আন্দোলনে আহতরা। শুরুতে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবি জানানো হলেও পরে তারা এক দফা দাবিতে অনড় রয়েছেন।

    তাদের এক দফা দাবি হলো- তিনটি ক্যাটাগরির পরিবর্তে জুলাই আন্দোলনে আহতদের জন্য দুটি ক্যাটাগরি নির্ধারণ করতে হবে।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছেন আন্দোলনরতরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রধান ফটক ঘুরে দেখা গেছে, ৩০-৩৫ জন আন্দোলনকারী শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছেন। ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

    এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা এসে ঘুরে গেছেন। তারা আহতদের বুঝানোর চেষ্টা করছেন।

    সেখানে অবস্থান নেওয়া আহত ইয়াকুব আলী বলেন, বুধবার সকাল থেকে আমি এখানে অবস্থান করছি। এখান থেকে উঠে যাওয়ার জন্য নানা জায়গা থেকে চাপ আসছে; কিন্তু দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা উঠব না।

    আন্দোলনকারীরা বলেন, রাতে আমরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেছি। আজও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জুলাই আহতরা রওনা হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা জুলাই আহতদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে। তারা ইতোমধ্যে রওনা হয়েছেন ঢাকার উদ্দেশে। আশা করছি, বিকালের মধ্যে সবাই উপস্থিত হবেন।

    দাবির বিষয়ে অবস্থান কর্মসূচি থেকে একাধিক ব্যক্তি জানান, তাদের তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সরকার বৈষম্য করছে। অনেক গুলিবিদ্ধ আছেন, তাদের সি ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। যেটি স্পষ্ট বৈষম্য হিসেবে দেখছেন তারা। তাই তারা দুটি ক্যাটাগরি চান। তাদের এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

    জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত প্রায় ১৩ হাজার ৮৪৮ জনের নাম তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে সহায়তা, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে তিনটি ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ক্যাটাগরিগুলো পুনরায় সংশোধন করা হয়। সংশোধিত ক্যাটাগরির ভিত্তিতে তালিকা প্রণয়ন করে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ক্যাটাগরি-এ: অতি গুরুতর আহত, যাদের আজীবন সাহায্যের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তারা হলেন- নূন্যতম এক চোখ/হাত/পা ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের অনুপযোগী, সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন, সম্পূর্ণভাবে মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং কাজ করতে অক্ষম বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি।

    ক্যাটাগরি-বি: গুরুতর আহত, যাদের দীর্ঘদিন সাহায্য দিতে হবে। তারা হলেন আংশিক দৃষ্টিহীন, মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি।

    ক্যাটাগরি-সি: আহত যারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম হবেন। শ্রবণশক্তি/দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত, গুলিতে আহত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি। আহত যারা ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম জানিয়েছেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবার ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পাবে। আহতরা পরিচয়পত্রের পাশাপাশি আজীবন ভাতা ও চিকিৎসা সুবিধা পাবেন।

    গুরুতর আহতরা (এ ক্যাটাগরি) এককালীন ৫ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

    যাদের একটি অঙ্গহানি (বি ক্যাটাগরি) হয়েছে, তারা এককালীন ৩ লাখ টাকা এবং ১৫ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন।

    যারা সি ক্যাটাগরিতে আছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা নেই। তবে তারা পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাবেন।

  • শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে কে কোন পদে

    শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে কে কোন পদে

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃ্ত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দলের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলটির নাম দেওয়া হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।দলটির আহ্বায়ক হচ্ছেন নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠকে বেশ কয়েকটি পদের জন্য নাম চূড়ান্ত করেছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

    নতুন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে হাসনাত আবদুল্লাহর নাম চূড়ান্ত হয়েছে। আর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে থাকছেন সারজিস আলম।

    তবে যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সদস্য সচিব পদে অনেকগুলো নামের প্রস্তাব থাকায় কাউকে এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানা গেছে। পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল (২৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন এই রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

    নতুন কমিটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত নেতৃত্ব দেবে বলে জানা গেছে। এজন্য দলের আহ্বায়ক কমিটির আকার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কমিটির একটা খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সম্মুখযোদ্ধাদের স্থান দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনের আলোচিত নারী নেত্রীরা নতুন দলে জায়গা পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

  • অন্তরঙ্গ অবস্থায় নারী কাউন্সিলরের সঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা ধরা

    অন্তরঙ্গ অবস্থায় নারী কাউন্সিলরের সঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা ধরা

    রাজশাহীর তানোরে অন্তরঙ্গ অবস্থায় এক উপসহকারী কৃষি অফিসার ও পৌরসভার সাবেক এক নারী কাউন্সিলরকে হাতেনাতে ধরেছেন ছাত্র-জনতা। পরে স্থানীয়রা উত্তম-মাধ্যম দিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

    মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তানোর পৌরসভার বেলপুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত উপসহকারী কৃষি অফিসার রায়হানুল ইসলাম (৪৫)। তিনি এক বছর আগে তানোর পৌরসভার সাবেক নারী কাউন্সিলরের (৪৪) প্রেমে পড়েন। তাদের একাধিকবার দৈহিক মিলনও হয়। তারা উভয়ে বিবাহিত। তাদের সন্তানও রয়েছে।

    প্রেমের টানে রায়হানুল ইসলাম মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই সাবেক নারী কাউন্সিলরের স্বামীর বাড়িতে যান। এ সময় ওই নারীর স্বামী স্থানীয় ছাত্র-জনতার সহায়তায় আপত্তিকর অবস্থায় তাদের ধরে ফেলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী এই প্রতিবেদককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    পরে স্থানীয়রা উত্তম-মাধ্যম দিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকা কাবিনে কাজি ডেকে বিয়ে দেয়। বর্তমানে নারী কাউন্সিলর স্বামীকে তালাক দিয়ে কৃষি অফিসার রায়হানুল ইসলামের ভাড়া বাসায় রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপসহকারী কৃষি অফিসার রায়হানুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁ জেলা সদরে। তার পিতা মৃত জামিন উদ্দিন। তিনি চাকরি করার সুবাদে বেশ কয়েক বছর ধরে তানোরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। আর সাবেক নারী কাউন্সিলর তার স্বামী সিএনজিচালকের বাড়িতে থাকতেন। তার বাড়ি তানোর পৌরসভার বেলপুকুরিয়া গ্রামে।

    এ বিষয়ে তানোর থানার ওসি মিজানুর রহমান মিজান বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই।

    তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও রিসিভ হয়নি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার আলী রেজার মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি শুনেছি, খোঁজ নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

  • জুলাইয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়: জাতিসংঘ

    জুলাইয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়: জাতিসংঘ

    জুলাই মাসে বিক্ষোভকালে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল। এ সময় কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করে।

    জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

    জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (ওএইচসিএইচআর) কার্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘…রোম সংবিধির ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে- তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।’

    এতে আরও বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার উদ্দেশ্যেই খুব কাছে থেকে তাদের গুলি করে ।

    ওএইচসিএইচআর-এর অফিস গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেনেভা কার্যালয় থেকে ‘২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন’ শীর্ষক তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে যে, অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে, নিরাপত্তা বাহিনী সামরিক রাইফেল ও স্বয়ংক্রিয় পিস্তল থেকে জনতার ওপর প্রাণঘাতি গুলি চালিয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের মাথা ও শরীর লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

    নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের শরীরের এ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে শটগানের গুলি ছোঁড়ে। সাধারণত একাধিক বন্দুকধারী কয়েক রাউন্ড করে গুলি ছুঁড়ে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘যারা হামলা চালাতেন তারা ও তাদের কমান্ডাররা লক্ষ্যবস্তুতে থাকা জনতার কিছুসংখ্যক যেন মারা যায়, সে ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখতেন।’

    এতে আরও বলা হয়, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড আত্মরক্ষা বা অন্যদের প্রতিরক্ষা হিসেবে দেখানোর কোনো যুক্তি নেই। কারণ হতাহতরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলেন। তারা সম্পত্তি ভাঙচুর করছিলেন না বা দাঙ্গাকারীও ছিলেন না। তারা কোন হুমকিও ছিলেন না।’

    ওএইচসিএইচআর জানায়, জুলাই মাসের বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশে বিক্ষোভকারীদের ও অন্যান্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণের অংশ হিসেবে হত্যা, নির্যাতন, কারারুদ্ধতা ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির অনুচ্ছেদ ৭ (১) অনুযায়ী, একটি বেসামরিক জনসংখ্যার বিরুদ্ধে পরিচালিত ব্যাপক বা পদ্ধতিগত আক্রমণই মানবতাবিরোধী অপরাধ।

    এতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনো বেসামরিক জনগণের ওপর পরিচালিত আক্রমণ’ বলতে এমন একটি আচরণের ধারা বোঝায়, যা একাধিক হত্যা, নির্যাতন বা অন্যান্য কর্মকাণ্ড যখন তা রাষ্ট্র বা সাংগঠনিক নীতি অনুসরণ করে এ ধরণের আক্রমণের জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং এটি রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় নিষিদ্ধ।

    ওএইচসিএইচআর জানায়, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের সময় নির্দিষ্ট কিছু বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যা, নির্যাতন, কারাদণ্ড ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল যা রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় পড়ে।

    এতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকালে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরা তাদের হেফাজতে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে।

    ওএইচসিএইচআর দাবি করে বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণটি একটি সরকারি নীতি অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছিল বলে তাদের বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।

    রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে সহিংস ও বেআইনিভাবে দমন করার এবং ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্য আক্রমণটি সংগঠিত করেন ও নির্দেশনা দেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা পরিষেবা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বও সেই নীতি অনুসরণে সংঘটিত অপরাধ গোপন করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালায়, ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়, অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে এবং মিডিয়া, ভুক্তভোগী, ভুক্তভোগীর পরিবার ও আইনজীবীদের ভয় দেখায়।’

  • কৃষকের ছোট হিমাগার কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে: উপদেষ্টা

    কৃষকের ছোট হিমাগার কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে: উপদেষ্টা

    মৌসুমে সবজি উৎপাদন করে প্রতিবছরই মূল্য পাচ্ছে না কৃষক। পাশাপাশি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে। এতে বছরের পর বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পরও মলিন থাকছে কৃষকের মুখ। তবে এই দিন বদলের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ফসল রক্ষা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সাভারের রাজালাখ হর্টিকালচার সেন্টারের ‘কৃষকের শীতল ঘর’ নামে হিমাগার তৈরি করা হয়েছে। এতে স্বস্তির নিশ্বাস নিচ্ছেন কৃষক।

    বুধবার কৃষকের এই মিনি কোল্ডস্টোরেজ কার্যক্রম ও খামারি অ্যাপের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    এ সময় তিনি বলেন, কৃষকের মিনি কোল্ডস্টোরেজ ও খামারি অ্যাপ কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তিনি বলেন, একটা সময় জনসংখ্যার চেয়ে কৃষি জমির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। এখন কৃষি জমি কমেছে, জনসংখ্যা অনেক বেড়েছে। এরপরও কৃষকরা ভালো উৎপাদনের মধ্যদিয়ে আমাদের একটি সন্তোষজনক পর্যায়ে রেখেছেন।

    কম কৃষি জমিতে অধিক ফলন, পচনশীল কৃষি পণ্য সংরক্ষণের বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মত চাষাবাদ ব্যবস্থাপনা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে খামারি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। কৃষকদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল সংরক্ষণের জন্য মিনি কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ করা হয়েছে। সারা দেশে ১০০ মিনি কোল্ডস্টোরেজ তৈরি করা হবে। এ প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাশরুরের তত্ত্বাবধানে দুটি মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হয়েছে। সাভারের রাজালাখ হর্টিকালচার সেন্টারের ঘরের ভেতরে ও খোলা আকাশের নিচে কনটেইনারভিত্তিক সৌরচালিতভাবে তৈরি করা হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য আধুনিক শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যকে সঠিক সময়ে বাজারে উঠানো। এর মাধ্যমে মৌসুমে দামের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ, ফসলের অপচয় রোধ ও কৃষকের আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা কমবে। কৃষক সরাসরি বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন। কমবে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব।

    কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, কৃষকের শীতল ঘরের মাধ্যমে আমরা ফসলের অপচয় কমাব। কৃষকদের লাভজনক উৎপাদনের সুযোগ বাড়বে। সরকার ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এই প্রযুক্তিকে সহজলভ্য করা হবে। এ বিষয়ে কৃষককে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ। আপাতত সারা দেশে এ রকম আরও ১০০ মিনি কোল্ডস্টোরেজ সরকার নির্মাণ করে দেবে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম বলেন, এই কোল্ডস্টোরেজ কৃষকের জন্য নতুন দরজা খুলবে। এখন কৃষক নিজেই ফসল সংরক্ষণের মাধ্যমে দর নির্ধারণ করতে পারবেন। উন্নত এই প্রযুক্তি আমরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাই।

    প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাশরুর বলেন, স্থানীয় ও আমেরিকান হাইটেক ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের শীতল ঘর তৈরি হয়েছে। ইন্টারনেটভিত্তিক এবং রিয়েল টাইম তদারকি সুবিধা থাকায় মোবাইলে ঘরে বসে এই মিনি কোল্ডস্টোরেজ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মাত্র ৫ লাখ টাকায় কৃষক নিজের বাড়িতেই এটি তৈরি করতে পারবেন। আর কনটেইনারে সোলারসহ বানাতে লাগবে ১৫ লাখ টাকা। প্রচলিত কোল্ডস্টোরেজের চেয়ে এখানে খরচ প্রায় ৭০ শতাংশ কম লাগবে।

  • শাবান মাসে কত তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা যাবে

    শাবান মাসে কত তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা যাবে

    মাহে রমজানে একাগ্রচিত্তে সিয়াম-সাধনা ও অধ্যবসায়ের প্রস্তুতি গ্রহণের মাস শাবান। সুতরাং রমজানের পূর্বপ্রস্তুতির জন্য শাবান মাস গুরুত্ববহ। রাসূল (সা.) শাবান মাসের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে শাবানকে নিজের মাস বলে আখ্যায়িত করেন।

    হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, শাবান আমার মাস এবং রমজান আল্লাহর মাস। শাবান পবিত্রকারী এবং রমজান গুনাহ মাফকারী। (কানজুল উম্মার-৩৫২১৬)।

    অপর হাদিসে রাসূল (সা.) বিশেষভাবে শাবান মাস গণনা করার নির্দেশ দেন, যেন রমজানের রোজা রাখতে সুবিধা হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা রমজানের উদ্দেশ্যে শাবানের চাঁদের হিসাব রাখবে। (সুনানে তিরমিজি-৬৮)।

    রমজানের রোজা বাদে শাবানের রোজা শ্রেষ্ঠ রোজা। এ ছাড়া আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের এ মাসে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি রাত উপহার দিয়েছেন।

    রমজানের পর প্রিয়নবি শাবান মাসে সবচেয়ে বেশি রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা.)কে শাবান মাস ছাড়া আর কোনো মাসে এত অধিক রোজা রাখতে দেখিনি। তিনি শাবান মাসের অধিকাংশ দিনই রোজা রাখতেন। বরং প্রায় সারা মাসই তার রোজা অবস্থায় কাটত। (সুনানে নাসাই : হাদিস-২১৭৮, মুসনাদে আহমাদ : হাদিস-২৫৩৫৭)।

    শাবান মাসে অন্যান্য নেক আমলের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী রোযা রাখার চেষ্টা করা কর্তব্য।তবে এ রোজা রাখবে শাবান মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত। হাদিসে রমজানের এক-দুই দিন আগে রোযা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস ১৯১৪)

  • নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

    নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা নতুন ছাত্র সংগঠনের ঘোষণা করেছেন। এই ছাত্র সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’।

    বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই নাম ঘোষণা করা হয়।

    সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার এবং সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

    আহ্বায়ক কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়ামকে। এ ছাড়া রিফাত রশীদকে সিনিয়র সদস্য সচিব, তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরীকে মুখ্য সংগঠক এবং আশরেফা খাতুনকে মুখপাত্র করা হয়েছে সংগঠনটির।

    এদিকে নতুন ছাত্রসংগঠন ঘোষণার আগে মধুর ক্যান্টিনে বিক্ষোভ করেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের বিক্ষোভের পর নতুন এই ছাত্রসংগঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।