Blog

  • গণত্রাণে মোট সংগ্রহ ১১ কোটি,

    গণত্রাণে মোট সংগ্রহ ১১ কোটি,

    বন্যার্তদের সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে গণত্রাণে মোট ১১ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৯ টাকা সংগ্রহ হয়েছে। নগদ অর্থ, ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত অর্থ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৭৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ টাকা ব্যয় হয়েছে।

    বর্তমানে ফান্ডে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭৫ টাকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবদুল কাদের।

    বুধবার নিজের ফেসবুকে পোস্টে তিনি এ কথা জানান। এছাড়া ত্রাণ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতরা তাদের ফেসবুকে এ বিষয়ে তথ্য দেন।

    টাকার হিসাব দিয়ে আবদুল কাদের জানান, গত ২২ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নগদ অর্থ, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মোট সংগ্রহ ১১ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৯ টাকা। গণত্রাণ ও গণরান্না কর্মসূচি বাবদ ব্যয় হয়েছে মোট ১ কোটি ৭৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ টাকা। ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭৫ টাকা বর্তমানে ফান্ডে রয়েছে।

    তিনি বলেন, এই টাকা আমাদের সমন্বয়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের দ্বারা পরিচালিত জনতা ও সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে। এই অর্থ বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি আমরা।

    এই অর্থ কিভাবে এবং কাদের মাধ্যমে ব্যবহৃত হলে সর্বোচ্চ মানুষের উপকার হবে সে বিষয়ে স্থানীয় এবং দেশের ছাত্র-জনতার পরামর্শ আহ্বান করেন সমন্বয়ক কাদের।

    তিনি বলেন, তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এ অর্থ ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি আকস্মিক ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ২২ আগস্ট থেকে গণত্রাণ সংগ্রহ শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) এ কর্মসূচি শেষ করা হয়।

  • সরকারি অফিসে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহারের নির্দেশ

    সরকারি অফিসে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহারের নির্দেশ

    সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক-সামগ্রী থেকে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এর ব্যবহার বন্ধ করতে সব সরকারি অফিসে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্যসামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী— প্লাস্টিকের ফাইল, ফোল্ডারের পরিবর্তে কাগজ বা পরিবেশবান্ধব অন্যান্য সামগ্রীর তৈরি ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কটন বা জুট ফেব্রিকের ব্যাগ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে কাঁচের বোতল ও কাঁচের গ্লাস ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিকের ব্যানারের পরিবর্তে কটন ফেব্রিক, জুট ফেরিক বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদানে তৈরি ব্যানার ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে। দাওয়াত পত্র, ভিজিটিং কার্ড ও বিভিন্ন ধরনের প্রচারপত্রে প্লাস্টিকের লেমিনেটেড পরিহার করতে বলা হয়েছে।

    বিভিন্ন সভা বা সেমিনারে সররাহকৃত খাবারের প্যাকেট যেন কাগজের তৈরি ও পরিবেশবান্ধব হয়, সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, কাপ, স্টু, কাটলারিসহ সব ধরনের পণ্য পরিহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্লাস্টিকের কলমের বদলে পেনসিল কাগজের কলম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। বার্ষিক প্রতিবেদনসহ সব ধরনের প্রকাশনায় লেমিনেটেড মোড়ক ও প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং ফুলের তোড়ায় প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়।

    বর্ণিত বিষয়ে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং আওতাধীন দফতর বা সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সব সিনিয়র সচিব বা সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    অপরদিকে, প্লাস্টিকদূষণে সচেতনতা তৈরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়কে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণার উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৫ আগস্ট জারি করা এক চিঠির মাধ্যমে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    উল্লেখ্য, ২৮ আগস্ট পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৭ ধরনের বস্তু, সামগ্রী,পদার্থকে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৯ আগস্ট জারি করা এক অফিস আদেশে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দফতর ও সংস্থাগুলোকে ব্যক্তিগত ও দাফতরিক পর্যায়ে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ ঘোষণা’ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রম নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হলেন আফসানা

    জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হলেন আফসানা

    জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের নতুন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই পদে নিয়োগ পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক আফসানা বেগম। 

    বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আইন, ১৯৯৫ এর ধারা-১০ (২) অনুযায়ী আফসানা বেগমকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে আগামী ২ বছরের জন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।’

  • গণভবনকে জাদুঘর করা হবে: উপদেষ্টা আসিফ

    গণভবনকে জাদুঘর করা হবে: উপদেষ্টা আসিফ

    গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্প‌তিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলবিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের (কেবিনেট) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

    উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শে‌ষে সন্ধ‌্যায় রাজধানীর ফ‌রেন সা‌র্ভিস একা‌ডে‌মি‌তে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এ তথ‌্য জানান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

    তিনি ব‌লেন, গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে পরিণত করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণভবন যেমন ছিল তেমন রেখে স্মৃতি জাদুঘর করা হবে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    আসিফ মাহমুদ ব‌লেন, সাউথ কোরিয়ায় এমন স্মৃতি মেমোরিয়াল করা হয়েছিল। আরও অন‌্য দেশেও হয়েছে। তাদের থেকে জেনে গণভবনকে স্মৃতি জাদুঘর করা হবে। সেখানে ফ্যাসিবাদী সরকারের কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হবে।

  • সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’

    সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’

     সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সচিব সভায় প্রধান উপদেষ্টা এ নির্দেশনা দেন।

    উপদেষ্টার নির্দেশনাগুলো হলো:

    ১. সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন।

    ২. সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করতে হবে।

    ৩. জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা বৈষম্যহীন মানবিক দেশ গড়ার যে প্রত্যয়, যে ভয়হীন চিত্ত আমাদের উপহার দিয়েছে, তার ওপর দাঁড়িয়ে বিবেক ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

    ৪. নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য গৎবাঁধা চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে, চিন্তার সংস্কার করে, সৃজনশীল উপায়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

    ৫. দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে, সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

    ৬. সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    ৭. সরকারি ক্রয়ে যথার্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দুর করতে হবে।

    ৮. সৃষ্টিশীল, নাগরিক-বান্ধব মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কর্মসূচির সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা দাখিল করবে, যা নিয়মিত মূল্যায়ন/পরিবীক্ষণ করা হবে।

    ৯. ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্ট নতুন বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আগ্রহ, ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, দেশের স্বার্থে তা সর্বোত্তম উপায়ে কাজে লাগাতে হবে।

  • ঈদে মিলাদুন্নবী ১৬ সেপ্টেম্বর

    ঈদে মিলাদুন্নবী ১৬ সেপ্টেম্বর

    বাংলাদেশের আকাশে আজ ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। সে হিসেবে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

    বুধবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আজ ২৯ সফর ১৪৪৬ হিজরি, ২০ ভাদ্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।

    এমতাবস্থায়, আগামীকাল ২১ ভাদ্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বৃহস্পতিবার থেকে ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। পরিপ্রেক্ষিতে, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি, ১ আশ্বিন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. সোমবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

    সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহা. বশিরুল আলম, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুন্সী জালাল উদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আমিনুর রহমান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আ. রহমান খান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. রুহুল আমিন, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

  • ছাত্র আন্দোলনে নিহত তারেকের লাশ ১ মাস পর দাফন!

    ছাত্র আন্দোলনে নিহত তারেকের লাশ ১ মাস পর দাফন!

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ভোলার চরফ্যাশনের ১২ জন নিহত হয়েছেন। এদের একজন হলেন তারেক। দীর্ঘ এক মাস পর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে তার লাশ পাওয়া যায়। বুধবার তাকে দাফন করা হয়েছে।Advertisement

    তারেকের বাড়ি চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর গ্রামে। বাবার নাম মো. রিয়াজ। তিনি ঢাকায় যাত্রাবাড়ী বিবির বাগিচা এক নম্বর গেট এলাকার একটি মেসে থাকতেন। সেখানে একটি টেইলার্সের কর্মচারী ছিলেন।

    গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে গুলিতে নিহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। দীর্ঘ এক মাস ধরে পরিবার তার কোনো খবর পাচ্ছিলেন না। ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে তার লাশ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকালে ৯নং ওয়ার্ডে তার পৈতৃক বাড়ি সংলগ্ন মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    তারেকের চাচাতো ভাই মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, পরিবার গ্রামে থাকলেও একাই একটি মেসে থাকত তারেক। গত ৫ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে নাস্তা করে সেখান থেকে বের হয় তারেক। দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটের পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাচ্ছিলেন সহকর্মীরা। তবে তারাও বিষয়টি পরিবারকে জানাননি। আর তার সঙ্গে পরিবারেরও যোগাযোগ খুব কম হতো।

    ১৫ আগস্টের পর পরিবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে না পেয়ে তাদের মনে সন্দেহ জাগে। পরবর্তীতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়, হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। ঢাকা মেডিকেলের বিভিন্ন ওয়ার্ডেও খোঁজা হয় তাকে। তবে কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সব বেওয়ারিশ লাশের ছবি তুলে স্বজনদের পাঠানো হয়। সেসব ছবির ভেতর লাশের হাতে আঙুলে থাকা আংটি দেখে নিহত হওয়ার প্রায় ১ মাস পর প্রাথমিকভাবে এই লাশ তারেকের বলে শনাক্ত করেন তারা। গত রোববার গ্রাম থেকে তারেকের বাবা মো. রিয়াজ ঢাকায় আসেন। রোববারই তাকে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে সরাসরি লাশ দেখানো হয়। তিনিও তার ছেলের হাতের আংটিসহ হাত-পায়ের নখ, গালে ছোট গর্ত ও মাথার চুল দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।

    জানা গেছে, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিল তারেক। স্থানীয় ইয়াকুব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। বাবা কৃষিকাজ করায় সংসারের অভাব অনটনের মধ্যে পড়াশোনার পাশাপাশি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় টেইলারিংয়ের কাজ করত তারেক।

  • বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ বিষয়টি জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে অবহিত করা যাচ্ছে যে, আগামীকাল ৫ সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার অনিবার্য কারণবশত সকল বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে উল্লেখ্য যে, অফিসসহ ও অন্যান্য কার্যক্রম যথারীতি চলমান থাকবে।

    বুধবার গভীর রাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। আহতদের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এ অবস্থায় বরিশাল নগরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

  • বরিশালে জমা হয়নি ৪০টি আগ্নেয়াস্ত্র

    বরিশালে জমা হয়নি ৪০টি আগ্নেয়াস্ত্র

    বরিশালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) পর্যন্ত মোট ৩২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিপর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৩৬৪টি। সে অনুযায়ী এখনো ৪০টি অস্ত্র জমা হয়নি। এগুলো উদ্ধারে যৌথবাহিনী পরিচালনা করবে বলে জানা গেছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ফজলুল করীম জানান, মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ১৪১টি অস্ত্রের লাইসেন্সের মধ্যে মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত মহানগরীর চারটি থানায় মোট ১০১টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা হয়েছে।

    বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলার ১০টি থানায় অস্ত্র জমা পড়েছে ৮৩টি। তার আগেই ১৫০টি অস্ত্র জমা ছিল।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘জেলা ও মহানগর এলাকায় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তি পর্যায়ে ৩৬৪টি লাইসেন্স দিয়েছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর মধ্যে বেশিরভাগ লাইসেন্সের মালিক আওয়ামী লীগ নেতা বা অনুসারীরা।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগ করেন। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান দলের নেতারাও।

    এরই মধ্যে বরিশালে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। যাদের অনেকের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। তারা আত্মগোপন এবং গ্রেপ্তারের ভয়ে আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিতে পারেননি বলে ধারনা সংশ্লিষ্টদের।

  • ভোলায় টাকা না পেয়ে মাকে হত্যা, ঘাতক ছেলে আটক

    ভোলায় টাকা না পেয়ে মাকে হত্যা, ঘাতক ছেলে আটক

    বরিশালের ভোলায় টাকার জন্য নুর জাহান বেগম নামে এক মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে ভুট্টো ওরফে শিপনকে আটক করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ভোলা সদর হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। নিহত নুর জাহান বেগম ভোলা পৌর কাঁঠালি এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সাইফুল ইসলামের স্ত্রী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুর জাহান বেগম প্রায় ৩০ বছর ধরে পৌর কাঁঠালি এলাকার হাওলাদার বাড়িতে পৌর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিনের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। সে সুবাধে তিনি হেলাল কাউন্সিলরের পুরাতন বসতঘরে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন।

    সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভুট্টো তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা-ছেলের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে প্রথমে কাঠ দিয়ে মাকে পিটিয়ে আহত ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে।

    ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, এ ঘটনায় নিহত নূরজাহানের বোনের ছেলে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ মামলায় ঘাতক ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।