Category: ধর্ম

  • বরিশালে আনন্দ-অশ্রুতে দেবী দূর্গাকে বিসর্জন

    বরিশালে আনন্দ-অশ্রুতে দেবী দূর্গাকে বিসর্জন

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:
    বিজয়া দশমীতে দেবীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব। শুভ শক্তির জয়ের প্রত্যাশা জানিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন ভক্তরা। ছিল পূজার আনন্দের রেশ আর বিদায়ের সুরও। আসছে বছর আবার হবে, এই প্রত্যাশায় এবার আনন্দের রেশটুকু থেকে যাবে আগামী সময়ের জন্য।
    সারা দেশের মতো বরিশালেও নানা আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
    মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরীর রাম কৃষ্ণ মিশনসহ বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে অঞ্জলি দিতে জড়ো হন পুণ্যার্থীরা। এ সময় দেবী দুর্গার বিদায়ক্ষণ ঘনিয়ে আসায় ভক্তদের চোখে মুখে ছিলো বেদনার ছাপ। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায় নিচ্ছেন দেবী দুর্গা ও তার পরিবার।

    এদিকে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের দশমীতে আজ মঙ্গলবার মণ্ডপে মণ্ডপে দশমীর বিহীত পূজার মধ্য দিয়ে ঘটে সমাপ্তি। অতঃপর দেবীর বিসর্জন আর ‘শান্তিজল’ গ্রহণ। গত শুক্রবার বোধনে অরুণ আলোর অঞ্জলি নিয়ে আনন্দময়ী মা উমাদেবীর আগমন ঘটে মর্ত্যে। হিন্দু বিশ্বাসে- টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মণ্ডপে মণ্ডপে থেকে ফিরে যাচ্ছেন কৈলাসে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। আর ‘শান্তিজল’ গ্রহণে শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

    ধান-দূর্বার দিব্যি, ফের এসো মা/মা তুমি আবার এসো- ভক্তদের এমন আকুতিতে বিদায় নিচ্ছেন দেবী। আজ সকাল থেকেই বিহিত পূজার পর ভক্তের কায়মনো প্রার্থনা আর ঢাক-উলুধ্বনি-শঙ্খনিনাদে হিন্দু রমণীদের পরম আকাঙ্ক্ষিত সিঁদুর খেলায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দিরগুলো। একদিকে বিদায়ের সুর। অন্যদিকে উৎসবের আমেজ।

    নিরঞ্জনে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে ভক্তরা ট্রাক ও ঠেলাগাড়িতে প্রতিমা নিয়ে সমবেত হতে শুরু করেন। শোভাযাত্রার পূর্বে নারীরা দেবীর ললাটের সিঁদুর আপন ললাটে এঁকে নেন। পুরুষরা অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করেন। তাদের অন্তরের কামনা আগামী শরতে আবার বাঙালি হিন্দুর ঘরে ঘরে ফিরে আসবেন মা ‘উমা’।

    মন্দির ও শোভাযাত্রার পথে বিপুল সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছিল র‌্যাব সদস্যদেরও। ট্রাকে প্রতিমা নিয়ে নারী-পুরুষ, শিশু, কিশোর হেঁটে এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে করে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে ভক্তরা ঢাক-ঢোল, করতাল ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রসহ শোভাযাত্রায় যোগ দেয়।

    রাস্তার দু’পাশে দাঁড়ানো হিন্দু নারীদের উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। বিকেল তিনটার পর মন্দির থেকে বিজয়ার শোভাযাত্রা শুরু হয়ে  কির্তণখোলা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়।

    প্রতিমা ঘাটে নিয়ে আসার পর ভক্তকুল শেষবারের মতো ধূপ-ধুনো নিয়ে আরতিতে মেতে ওঠেন। শেষে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীকে নৌকায় তুলে বিসর্জন দেয়া হয়। নদীপাড়ে ধর্মীয় রীতি মেনে অপরাজিতা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে ‘বল দুর্গা মায় কি, জয়’ ধ্বনিতে প্রতিমা পানিতে ফেলে গ্রহণ করা হয় ‘শান্তিজল’। অনেকে ঘরে আনেন সেই ‘শান্তিজল’।

  • বান্দার যে সহজ কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়ে যান

    বান্দার যে সহজ কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়ে যান

    দুনিয়াতে বান্দার সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি। তাই বান্দার জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আমল অনেক বেশি জরুরি। কেননা আল্লাহর সন্তুষ্টিতেই রয়েছে দুনিয়া ও পরকালের চূড়ান্ত সফলতা।

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিন-মুসলমানের জন্য অনেক ছোট ছোট আমল বর্ণনা করেছেন। যে সব আমলের কারণে বান্দার আল্লাহর রহমত লাভ করবেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবেন। যে রহমত ও সন্তুষ্টির কারণে পাবেন দুনিয়া ও পরকালের সফলতা।

    উম্মতের জন্য এমনই একটি ছোট আমলের কথা বলেছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যে আমলটি সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি রাজি-খুশি থাকবেন। আর তাহলো-
    رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم نَبِيًّا
    উচ্চারণ : রদিতুবিল্লাহি রব্বাও ওয়া বিল ইসলামি দিনাও ওয়া বি মুহাম্মাদিন (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) নাবিয়্যা। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, মিশকাত)
    অর্থ : ‘আমি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসাবে, ইসলামকে দ্বীন হিসাবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবি হিসাবে পেয়ে খুশি হয়েছি।

    আমলের গুরুত্ব
    হজরত ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত এই দোয়াটি তিনবার পড়বে, তাকে সন্তুষ্ট করা আল্লাহ তায়ালার দায়িত্ব হয়ে যায়।’ অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার সব ইবাদত-বন্দেগি কবুল করে তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।

    সুতরাং মুমিন-মুসলমানের উচিত, নিয়মিত সকালে ফজরের ফরজ নামাজের পর ৩ বার এবং সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর ৩ বার এ দোয়াটি পড়া।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ছোট্ট এ আমলটি নিয়মিত পালন করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • মৃতব্যক্তিকে কবরে শোয়াবেন কীভাবে?

    মৃতব্যক্তিকে কবরে শোয়াবেন কীভাবে?

    মৃতব্যক্তিকে কবরে শোয়ানোর পর তার চেহারা ডান দিকে থাকবে নাকি মৃতব্যক্তি শরির ডানকাত হয়ে থাকবে? নাকি মৃতব্যক্তির চেহারা কেবলামুখী করে দেয়া হবে, এর সঠিক নিয়মই বা কী?

    অনেক সময় দেখা যায়, মৃতব্যক্তিকে কবরে রাখার পর বহু আলেম কিংবা সাধারণ মানুষকে এ কথা বলতে শোনা যায় যে, ‘মাথা/চেহারা কেবলামুখী করে দাও।’ না, এমনটি ঠিক নয়, কারণ চেহারা কেবলামুখী করা শর্ত নয় বরং মৃতব্যক্তিকে ডান কাতে শোয়ানোই উদ্দেশ্য। আর তাতে চেহারাসহ সিনা ও পুরো শরীর এমনিতেই কেবলামুখী হয়ে যায়।

    সে আলোকে মৃতব্যক্তির জন্য কবরকে এমনভাবে খনন করা আবশ্যক, যাতে মৃতব্যক্তিকে কবরে রাখার পর তার শরির ও চেহারা এমনিতেই ডানদিকে কাত তথা কেবলামুখী হয়ে যায়। কারো দ্বারা যাতে চেহারা কেবলামূখী করে দিতে না হয়। অর্থাৎ কবরের যেখানে মৃতব্যক্তিকে শোয়ানো হবে সে স্থানটি ডান দিকে ঢালু হবে।

    সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণা
    সমাজে প্রচলিত আছে যে, মৃতব্যক্তিকে কবরে চিত করে শোয়ানোর পর চেহারা বা মুখ কেবলামুখী করে দিতে হয়। আসলে এ ধারণাটি ভুল। এমনটি করা ঠিক নয়।

    সঠিক পদ্ধতি হলো
    মৃতব্যক্তির জন্য কবর এমনভাবে খনন করা যাতে মৃতব্যক্তিকে শোয়ানোর পর বিনা প্রচেষ্টায় মৃতব্যক্তির চেহারা, সিনা ও শরীর ডানকাত হয়ে যায়। সে জন্য কবর খননের সময়ই মৃতব্যক্তিকে রাখার স্থানটি ডান দিকে ঢাল করে খনন করা।

    যদি কবর খননে সমস্যা হয়, তারপরও শুধু চেহারা কেবলামুখী করে ঘুরিয়ে না রেখে প্রয়োজনে মৃতব্যক্তিকে বাম পাশের দেয়ালের সাথে টেক লাগিয়ে ডান কাত করে দেয়া, যাতে সিনা ও চেহারাসহ পুরো শরীরই ডানকাত থাকে বা কেবলামুখী থাকে। কেননা চিত করে শোয়ানোর পর শুধু চেহারা কেবলার দিকে ঘুরিয়ে রাখা সঠিক পদ্ধতি নয়।

    মৃতব্যক্তিকে কেবলামুখী করে রাখার ব্যাপারে যে সব বক্তব্য পাওয়া যায়, তাহলো-
    > প্রসিদ্ধ তাবেয়ী ইবরাহিম নাখয়ি বলেন, ‘মৃতব্যক্তিকে কেবলামুখী করে রাখো।’

    > আবু সুফিয়ান রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘ডান কাতে রাখো, যেমনিভাবে লাহদ কবরে রাখা হয়।’

    সতর্কতা ও লক্ষণীয়
    মৃতব্যক্তিকে কবরে রাখার আগেই কবর খননের সময় তা ঠিক করে খনন করলে আর সমস্যা হয় না। তাই যে ব্যক্তি কবর খনন করবেন, তারা কবরের নিচের সমতল জায়গাটিকে একটু ডানদিকে ঢালু করে খনন করলেই আর এ সমস্যা হয় না।

    সুতরাং কবর খননের সময় বাম দিকের চেয়ে ডান দিক একটু ঢালু রেখেই কবর খনন করা। আর তাতেই মৃতব্যক্তি চেহারা, সিনা ও শরীর কেবলামুখী হয়ে যায়।

    তারপরও যদি কবর একেবারই সমান্তরাল হয় তবে প্রয়োজনে বাম পাশে দেয়ালে মৃতব্যক্তিকে টেক লাগিয়ে শোয়ানো যেতে পারে। কিন্তু চেহারা কেবলামুখী করে ঘুরিয়ে রাখা ঠিক নয়।

  • বরিশালে দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    বরিশালে দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল সদর উপজেলার ও মহানগরের বিভিন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার ও মহানগরের বিভিন্ন পূর্জা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. মাহবুবুর রহমান মধু, আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীবৃন্দ।

  • বিজয়া দশমী আজ,বরিশাল সহ সারাদেশের পূজা মন্ডপে বিদায়ের সুর

    বিজয়া দশমী আজ,বরিশাল সহ সারাদেশের পূজা মন্ডপে বিদায়ের সুর

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    শারদীয় দুর্গোৎসবের আজ শেষ দিন, শুভ বিজয়া দশমী। আজ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে যাবেন দুর্গতিনাশিনী দুর্গা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে আজ মঙ্গলবার।

    শ্রী শ্রী শংকর মঠ মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

    নানা ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার সারা দেশে মহানবমী উদ্‌যাপিত হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিন সকালে মণ্ডপে মণ্ডপে বিহিত পূজার মাধ্যমে শুরু হয় মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা। দুর্গতিনাশিনী দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে মনোজগতের আসুরিক প্রবৃত্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তি জাগরণে প্রার্থনা জানানো হয়।

    শ্রী শ্রী শংকর মঠ মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

    শ্রী শ্রী শংকর মঠ মণ্ডপ এর কমিটি জানান, সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে শ্রী শ্রী শংকর মঠ মণ্ডপ এ মহানবমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে কলাবাগান মণ্ডপে নিয়মিত পূজার ভেতর দিয়ে শুরু হয় প্রতিদিনকার আয়োজন। এরপর চলে প্রসাদ বিতরণপর্ব। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে পূজা শুরু হয় সকাল সাড়ে ছয়টায়।

    শ্রী শ্রী শংকর মঠ মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

    বাংলার মুখ ২৪ ডট কম এর প্রতিবেদক মণ্ডপ ঘুরে দেখতে পান, মহানবমী উপলক্ষে মন্দির-মণ্ডপে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বরিশালের মণ্ডপগুলোতে প্রিয়জন বা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাজির হয়েছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। তাঁদের পরনে ছিল নতুন পোশাক। অন্য ধর্মের লোকজনের উপস্থিতিও দেখা গেছে। দেবীর আশীর্বাদ কামনা করে কায়মনে চলে প্রার্থনা। দেবীর সঙ্গে সেলফি তোলাও চলে সমানতালে। মণ্ডপ ছেড়ে যাওয়ার আগে ভক্তদের কেউ কেউ প্রণামীও দেন।

    রামকৃষ্ণ মিশন মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

    ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ ও কাঁসরের ধ্বনিতে মুখরিত ছিল মণ্ডপ।ছোট বোন স্মৃতি পালকে সঙ্গে নিয়ে পূজামণ্ডপে এসেছেন কলেজছাত্রী মৌমিতা পাল। প্রতিমার গড়ন, আকর্ষণীয় বেশভূষা, আলোকসজ্জার পাশাপাশি মণ্ডপের প্রবেশফটক দেখে মুগ্ধ মৌমিতা। মণ্ডপের প্রবেশফটক দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘কী সুন্দর! ঠিক গুহার মতো।’ এ মণ্ডপটি ভারতের মহারাষ্ট্রের ইলোরা গুহামন্দিরের আদলে গড়া হয়েছে।

    রামকৃষ্ণ মিশন মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

     

    এই উৎসব ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হেঁশেলে রান্নার পদে পরিবর্তন আসে। সাধারণত দুর্গাপূজার দিনগুলোতে একেক দিন একেক খাবারের আয়োজন করা হয়। খাবারের তালিকায় কেউ আমিষ রাখেন, কেউ আবার নিরামিষ। রাতের খাবারে থাকে বন্ধুবান্ধবের সরব উপস্থিতি।

    রামকৃষ্ণ মিশন মণ্ডপ থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

     

    ছেলে অসীম বিশ্বাস আগামী বছর এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন। তাঁর মঙ্গল কামনা করে পূজামণ্ডপে এসেছেন মা চন্দ্রিমা বিশ্বাস। ভক্তদের দীর্ঘ লাইনের তিনি বেশ পেছনের দিকেই ছিলেন। সেখানেই কথা হয় তাঁর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ছোট মেয়ের এসএসসি পরীক্ষার আগে মায়ের কাছে আশীর্বাদ নিতে এসেছিলাম। মেয়ে ভালো ফল করেছে। এবার এসেছি ছেলের জন্য।’

  • সন্তানকে প্রথমেই যে কথা শেখাতে বলেছেন বিশ্বনবি

    সন্তানকে প্রথমেই যে কথা শেখাতে বলেছেন বিশ্বনবি

    হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিশু সন্তানতে প্রথমে কালেমা শিক্ষা দেয়ার নসিহত পেশ করেছেন। কোমল হৃদয়ে তাওহিদের কালেমা শেখাতে পারলেই শিশুর জন্য তা হবে সার্থক ও সফল।

    শিশুকে কথা বলা শেখানোর দায়িত্ব কিংবা শিশুর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সময় যিনি অতিবাহিত করার বিষয়টি দেখাশুনা করেন প্রত্যেক শিশু সন্তানের মা। এ কারণেই নেপোলিয়ান বলেছিলেন-
    ‘আমাকে একজন ভালো ‘মা’ দাও, আমি তোমাদের একটি ভালো জাতি উপহার দেবো।’

    নেপোলিয়ানের চিন্তা দর্শনের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বিখ্যাত কবি আব্দুর রহমান আল –কাশগারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনি প্রত্যেক ‘মা’কে শিশুর পাঠশালা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন-
    ‘হিজনুল উম্মাহাতি হিয়া আল মাদরাসাতু লিল বানিনা ওয়াল বানাত’ অর্থাৎ ‘মায়ের কোল বালক-বালিকাদের জন্য পাঠশালা স্বরূপ।’

    শিশুদের চিন্তা-চেতনার বিকাশ সাধনে মা-এর ভূমিকা অত্যধিক। কেননা শিশুরা মা-এর সঙ্গেই বড় হয়। শিশুর সুশিক্ষা ও আত্মবিশ্বাসও অর্জিত হয় মা-এর কাছে। তাইতো প্লেটো বলেছেন-
    ‘মা-এর শিক্ষাই শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের বুনিয়াদ।’

    সুতরাং শিশুকে উত্তম শিক্ষা দেয়া প্রতিটি মানুষের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে নির্দেশ দিয়ে বলেন-
    ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।’

    পরিবারের লোকদের এমন শিক্ষা দাও। যাতে সে অন্যায় পথে ধাবিত না হয়। ইসলামের সুমহান সত্য ও সুন্দরের সঙ্গে সন্তানকে গড়ে তোলা ঈমানের দাবি। শিশুকে কথা বলা শেখাতে হাদিসের উপদেশ হলো এমন-
    হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা নিজ নিজ শিশুকে সর্বপ্রথম কথা শিখাবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’ (বায়হাকি, মুস্তাদরেকে হাকেম)

    দুনিয়ার সব শিশুর কথা বলা শুরু হকো কালেমা পাঠের মাধ্যমে। আর তাতে শিশুর জন্য বয়ে আনবে কল্যাণ ও বরকত। এর মাধ্যমেই শিশু হবে বিশুদ্ধ হৃদয়ের অধিকারী।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাদের শিশু-সন্তানের কুরআন-হাদিসের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী উত্তম জীবন ব্যবস্থায় বড় করে গড়ে তোলার তাওফিক দান করুন। কালেমার মাধ্যমে কথা বলা শুরু করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীতে বরিশাল নগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বাংলাদেশে আমরা শান্তিপূর্নভাবে যার যার ধর্ম পালন করি। উৎসব গুলোতে হিন্দু মুসলমানের কোন ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি। শারদীয় দুর্গোৎসব সকলের জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

  • যে আমলকারীর জন্য জান্নাতের ৮ দরজাই খোলা থাকে

    যে আমলকারীর জন্য জান্নাতের ৮ দরজাই খোলা থাকে

    ঈমানের সঙ্গে জীবন-যাপন অনেক কঠিন কাজ। আর ঈমানের সঙ্গে অল্প বা ছোট আমলই মানুষের নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে বলেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেছেন-
    ‘তোমার ঈমানকে খাঁটি করো, অল্প আমলই নামাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।’

    প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষণায় এমন একটি ছোট আমল রয়েছে। যে আমলটি করলে আল্লাহ তাআলা আমলকারীর জন্য জান্নাতের ৮টি দরজাই সব সময় খোলা রাখবেন। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করছেন-

    হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (ঈমানের সঙ্গে) পূর্ণাঙ্গভাবে ওজু করে এবং তারপর বলে-
    اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَ انَّ مُحَمَّدً عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ
    উচ্চারণ : ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
    তার (ওই ব্যক্তির) জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেয়া হবে। (সে) যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, প্রবেশ করতে পারবে। (মুসলিম, তিরমিজি)

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের জন্য অসংখ্য উপদেশ দিয়েছেন। শুধু ওজুর ফজিলত প্রসঙ্গেই অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত হাদিসে ঘোষিত ছোট ছোট আমলগুলো দ্বারা নিজেদের নাজাতের পথকে প্রশস্ত করে নেয়া।

    ওজু করা ইবাদত হিসেবে ছোট্ট ও সহজ হলেও এর রয়েছে অনেক বড় সাওয়াব। যে ইবাদত ও আমলের মাধ্যমে মানুষ গোনাহ মুক্ত হয়ে যায় বলেও ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনবি। তিনি বলেছেন-

    ‘(মুসলিম বা মুমিন) বান্দা ওজু করার সময়, যখন সে মুখমণ্ডল ধোয় তখন পানির সঙ্গে সে সব গোনাহ বের হয়ে যায়, যা সে দু’চোখ দ্বারা করেছিল। (আবার) যখন সে দুই হাত ধোয় তখন হাত দ্বারা সংঘটিত গোনাহ ওজুর পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়।, যখন সে দুই পা ধোয়, তখন পা দ্বারা সংঘটিত গোনাহ পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়। এভাবে সে (ওজুকারী) গোনাহমুক্ত জীবন লাভ করে।’ (মুসলিম)

    শুধু তা-ই নয়, কেয়ামতের ময়দানে অগণিত-অসংখ্য মানুষের মধ্য থেকে মুমিন-মুসলমানকে বের করবে আনবেন এ ওজুর ইবাদতকারীদেরকেই। যারা দুনিয়াতে ওজুর আমল ও ইবাদত জারি রাখবে, কেয়ামতের দিন সেসব বান্দার ওজুর স্থান- মুখ, হাত, মাথা ও পা ইত্যাদি নূরের আলোকে জ্বলবে। যা দেখে মুমিনদের চিহ্নিত করা হবে।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রত্যেক আমল-ইবাদতসহ সব সময় ওজু অবস্থায় থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসে ঘোষিত ওজুর ফজিলত ও বরকত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • বরিশালে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা, মণ্ডপে ভক্তদের ঢল

    বরিশালে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা, মণ্ডপে ভক্তদের ঢল

     ‍স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজ। বরিশাল সেজেছে নতুন সাজে।ঢাক-কাসার বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে বরিশালের বিভিন্ন মন্দিরে দেবীরূপী কুমারীকে পূজা করছেন ভক্তরা।

    রামকৃষ্ণ মিশন মন্দির থেকে ছবি তুলেছেন বাংলার মুখ ২৪ ডট কম  এর স্টাফ রিপোর্টার স্বর্না বিস্বাস

     

     

    নতুন কাপড় ও বাহারি সাজে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী দুর্গাকে দেয়া হচ্ছে পুষ্পাঞ্জলি। অষ্টমী পূজার বিশেষ আয়োজন কুমারী পূজা। দেবীর সন্ধিপূজা ও কুমারী পূজার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

    রামকৃষ্ণ মিশন মন্দির থেকে ছবি তুলেছেন বাংলার মুখ ২৪ ডট কম  এর স্টাফ রিপোর্টার স্বর্না বিস্বাস

     

     

    হিন্দু বিশ্বাসে, কুমারী প্রকৃতি বা নারী জাতির প্রতীক এবং বীজাবস্থা। তাই কুমারী বা নারীতে দেবীভাব আরোপ করে তার সাধনা করা হয়। ঢাক-ঢোল বাদ্যসহকারে নানা আচারের মধ্যদিয়ে ৭ বছরের শিশু প্রিয়তা বন্দোপাধ্যায় দেবীরূপে পূজিত হবে।

    রামকৃষ্ণ মিশন মন্দির থেকে ছবি তুলেছেন বাংলার মুখ ২৪ ডট কম  এর স্টাফ রিপোর্টার স্বর্না বিস্বাস

     

  • ৫০ কেজি স্বর্ণের প্রতিমা

    ৫০ কেজি স্বর্ণের প্রতিমা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    গোটা ভারতে এখন উৎসবের জোয়ার। তাদের এই উৎসবের উপলক্ষ্য হলো দুর্গাপূজা। প্রতি বছর উৎসবের আমেজ বাড়ার সঙ্গে আয়োজন হচ্ছে যথাসম্ভব বৃহৎ আকারে। দেশটির বাংলাভাষী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গও এই উৎসব আয়োজনের অন্যতম সঙ্গী। কলকাতায় এবার বড় আকর্ষণ ৫০ কেজি স্বর্ণের তৈরি প্রতিমা।

    ইন্ডিয়া ট্যুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কলকাতা যেন এবার বর-বধূর মতো নানা রঙে সেজেছে। সেই আলোর ঝলকানিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ মেতেছে উৎসবের আমেজে। কলকাতার আড়াই হাজার মন্ডপের মধ্যে সন্তোষ মিত্র স্কয়ারের পূজামণ্ডপের ৫০ কেজি স্বর্ণের প্রতিমা তাই অনন্য।

    কলকাতা শহরের অন্যতম পরিচিত এলাকা শিয়ালদহের কাছে সন্তোষ মিত্র স্কয়ারের সর্বজনীন পূজা মন্ডপের শুধু দুর্গাপ্রতিমা নয় সঙ্গে অসুর এবং সিংহও সাজানো হয়েছে স্বর্ণের পাত দিয়ে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতে ব্যবহৃত হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ কেজি স্বর্ণ।

    তবে কলকাতার প্রত্যেকটি পূজামন্ডপের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট। শরতের বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাইতো ওই পূজামন্ডপে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভীড় জমাচ্ছে। সবার একটাই আশা ‘অভিজাত’ এই দুর্গা প্রতিমাকে একবার স্বচক্ষে দেখা। অসংখ্য মানুষের এমন ভীড় মন্ডপটির জৌলুস বাড়িয়েছে বহুগুণ।

    সন্তোষ মিত্র স্কয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির প্রেসিডেন্ট প্রদীপ ঘোষ টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘এই পূজামন্ডপ ৮৪ বছরের পুরনো। আমরা এবার একেবারে ব্যতিক্রম কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছি। তারই প্রেক্ষিতে প্রতিমা তৈরি করেছি খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে। প্রায় ৫০ কেজি স্বর্ণ প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে।’

    গোটা পূজামন্ডপ এমনভাবে সাজানো হয়েছে দেখে মনে হচ্ছে এ যেন আরেক শীষমহল। আর প্যান্ডেল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১০ হাজার খন্ড কাচ। কলকাতার এই পূজামন্ডপে যাওয়া মানুষজন সম্মোহিত হচ্ছেন। তারা দুর্গাপূজার মধ্যেও দিওয়ালির মতো অনুভূতি উপভোগ করছেন।

    মন্ডপে নিয়মিত যাওয়া আসার শ্রেয়া ব্যানার্জির। তিনি এবারের এই ব্যতিক্রম দুর্গাপ্রতিমা দেখে অভিভূত। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই অসাধারণ। যেভাবো সবকিছু সাজানো হয়েছে তা অসামান্য। আমরা এবারের এমন আয়োজন দেখে সত্যি খুবই মুগ্ধ।’

    তবে এই মন্ডপের আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ এখনো রয়েই গেছে। তা হলো পূজা শেষ হলেও এবারের এই প্রতিমা পানিতে ‘বিসর্জন’ দেয়া হবে না। এটা সেখানে রয়ে যাবে, যাতে করে মানুষজন বছরজুড়ে তাদের দুর্গাপ্রতিমার এমন ব্যতিক্রম রুপ দেখে মুগ্ধ হতে পারেন।