Category: ধর্ম

  • আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা

    আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা

    শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজ। কিছুক্ষণ আগে শুরু হয়েছে মূল আকর্ষণ কুমারী পূজা। ঢাক-কাসার বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে দেবীরূপী কুমারীকে পূজা করছেন ভক্তরা।

    নতুন কাপড় ও বাহারি সাজে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী দুর্গাকে দেয়া হচ্ছে পুষ্পাঞ্জলি। অষ্টমী পূজার বিশেষ আয়োজন কুমারী পূজা। দেবীর সন্ধিপূজা ও কুমারী পূজার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

    হিন্দু বিশ্বাসে, কুমারী প্রকৃতি বা নারী জাতির প্রতীক এবং বীজাবস্থা। তাই কুমারী বা নারীতে দেবীভাব আরোপ করে তার সাধনা করা হয়। ঢাক-ঢোল বাদ্যসহকারে নানা আচারের মধ্যদিয়ে ৭ বছরের শিশু প্রিয়তা বন্দোপাধ্যায় দেবীরূপে পূজিত হবে।

  • পূজামণ্ডপে বাজানো হচ্ছে ‘আজানের সুর’!

    পূজামণ্ডপে বাজানো হচ্ছে ‘আজানের সুর’!

    দুর্গা পূজার মণ্ডপে বেজে উঠল আজানের সুর। আর এ নিয়ে শুরু হয়েছে পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্ক-অভিযোগ-অসন্তোষ। কোনো ধর্ম কখনই অন্য কোনো ধর্মকে আঘাত করার কথা বলেনি। আয়োজকরা জানায়, এ ভাবনা থেকেই বেলেঘাটা ৩৩ পল্লীর দুর্গাপুজোর থিম তৈরি করা হয়েছে।

    কলকাতা টাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্য মতে, এ পূজামণ্ডপে হিন্দু ছাড়াও অনেক ধর্মের রীতি-নীতি এবং ছবি ব্যবহার করেই সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপ। সেখানের একটি দৃশ্যে দেখা যায়, একটি বড় ছাতা। যার নিচে মন্দির-মসজিদ-গির্জা। আবার দুর্গা প্রতিমার হাতে দেয়া হয়নি কোনো অস্ত্র।

    সাজানো-গোছানো পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। বিতর্ক বাধল তখনই যখন পূজামণ্ডপ থেকে ভেসে এলো আজানের সুর। কারণ এ পূজামণ্ডপে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সঙ্গে মিল রেখেই বানানো হয়েছিল থিম। এ সম্প্রীতি তুলে ধরতেই দুর্গা পূজার মণ্ডপে বাজানো হয়েছে আজান।

    এরপরই নতুন নতুন বিতর্ক ও অভিযোগ শুরু হতে থাকে। অনেকের প্রশ্ন- হিন্দু ধর্মের দেবির পূজামণ্ডবে কেন আজান বাজানো হবে? দেবি দুর্গার হাত ১০টি বানানো হয়নি কেন? আবার দেবির হাতে অস্ত্র দেয়া হলো না কেন?

    এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাড়ছে পক্ষ-বিপক্ষ সমালোচনা ও ক্ষোভ। কেউ কেউ আবার মণ্ডপের থিম থেকে আজানের সুর বন্ধের জোর দাবি করছে।

    ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের অভিযোগ পূজামণ্ডপের থিমে আজানের সুর সংযুক্ত করে হিন্দু ধর্ম বিশ্বাসের ওপর আঘাত করা হয়েছে। সমালোচকদের কথা হলো-

    ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে এই নয় যে, সবাইকে সব ধর্ম গ্রহণ করে নিতে হবে। এটা পারস্পরিক সম্মানের বিষয়। তাদের প্রশ্ন- মসজিদ থেকে কখনও গায়ত্রী মন্ত্র বা মহিষাসুর মর্দিনী শোনা যায় কি?’

    পূজামণ্ডপে আজানের সুর বাজানোয় মুসলিমরা যে খুশি হয়ে এমনটি নয়, বরং তারাও চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যেভাবে চরম ক্ষোভ, অভিযোগ ও সমালোচনা করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

    উল্লেখ্য যে, রিন্টু দাস নামের এক শিল্পী একান্ত নিজের খেয়ালখুশিতে এ থিম বানিয়েছেন। তার কথায়-
    ‘আমাদের থিমের বিষয় হচ্ছে যে- আমরা সবাই এক, কেউ একা নই। সাম্প্রদায়িকতা ভুলে সবাই যাতে সম্প্রীতির পথে চলি এ থিমের মাধ্যমে সবার কাছে সেই বার্তা পৌছে দেয়া। আর দুর্গা মায়ের হাতে অস্ত্র নেই। এর মানে হলো- সেটা যুদ্ধ ভুলে শান্তির বার্তা বহন করা।’

  • মানুষের যে ক্ষতি ও কল্যাণ আল্লাহ ছাড়া কেউ করতে পারে না

    মানুষের যে ক্ষতি ও কল্যাণ আল্লাহ ছাড়া কেউ করতে পারে না

    মানুষের জন্য সর্বোত্তম নসিহত হচ্ছে কুরআনুল কারিমের নসিহত। এ নসিহত নিয়ে কুরআনসহ প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহ দুনিয়ায় আগমন করেছেন। কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের ব্যাখ্যা ও ভাব মানুষের কাছে সফলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।

    যারা তা গ্রহণ করেছেন তারা পেয়েছে কল্যাণ ও স্বাধীনতা আর যারা বিরত থেকেছেন বা আমল করেননি তারা হয়েছেন ক্ষতিগ্রহস্ত। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা মানুষের উদ্দেশ্যে সে ঘোষণাই দিয়েছেন-
    ‘রাসুল তোমাদের কাছে যা নিয়ে এসেছেন, তা গ্রহণ কর। আর যা থেকে নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাক।’

    বিশ্বনবি মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন সফল জীবন পরিচালনার সঠিক দিক-নির্দেশনা। এমন অনেক নসিহত পেশ করেছেন, যে নসিহত গ্রহণ করলে মানুষ দুনিয়া ও পরকালের কোথাও বিদপ ও মুসিবতে পড়বে না। না হবে তাদের কোনো ক্ষতি।

    এ নসিহতে আরও ওঠে এসেছে মানুষের ভালো-মন্দ কোনো কিছুই বান্দার হাতে নয়। হাদিসে এসেছে-
    হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে (আরোহী অবস্থায়) ছিলাম।
    তিনি বললেন, হে বালক! আমি তোমাকে কিছু কালেমা শিখিয়ে দেই-
    – (তুমি) আল্লাহ তাআলার বিধানের হেফাজত করবে। তাহলে তিনিও তোমার হেফাজত করবেন।
    – আল্লাহর সন্তুষ্টির বিষয়ে সর্বদা খেয়াল রাখবে। তাহলে তুমি তাঁকে (আল্লাহকে) তোমার সামনে পাবে।
    – যখন সাহায্যের প্রয়োজন হবে। তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে।
    (হে বালক! মনে রাখবে, গোটা দুনিয়ার) সব মানুষ যদি তোমার উপকার করতে একত্রিত হয়, তবে আল্লাহ তকদিরে যা লিখে রেখেছেন, ততটুকু ছাড়া কেউ তার কোনো উপকার করতে পারবে না।
    আর সব মানুষ যদি একত্রিত হয়ে তোমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে তবে আল্লাহ তোমার তকদিরে যা নির্ধারণ করে রেখেছেন, তা ব্যতিত অতিরিক্ত কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না। কেননা কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, কাগজগুলো শুকিয়ে গেছে। (তিরমিজি)

    সুতরাং ভালো ও মন্দ সব বিষয়ে আল্লাহর ওপর ভরসার করার বিকল্প নেই। ভালো থাকতে হাদিসে ঘোষিত নসিহত অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। আল্লাহ হুকুম আহকাম পালনের পাশাপাশি তারই কাছে সন্তুষ্টি কামনায় সাহায্য প্রার্থনা করা। দুনিয়ার সব অনষ্টি থেকে মুক্তি চাওয়া।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের আলোকে নিজেদের জীবনকে সাজানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • বরিশালে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে মহাসপ্তমী

    বরিশালে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে মহাসপ্তমী

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    উৎসবপ্রিয় সনাতন বাঙালি হিন্দুরা মেতে উঠেছে পূজার আনন্দে। শারদীয় দুর্গোৎসবের ষষ্ঠী পেরিয়ে আজ মহাসপ্তমী। ষষ্ঠী তিথিতে বেলতলায় বিহিত পূজার পর দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে মূল দুর্গোৎসবের সূচনা হয়।

    ছবি: স্বর্না বিস্বাস:

    শুক্রবার বরিশালের পূজামণ্ডপগুলোতে ধূপের ধোঁয়া, ঢাকঢোল, কাঁসর ঘণ্টা, শাঁখ উলুধ্বনী, ভক্তিমন্ত্রে আর চণ্ডিপাঠে মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ। উলুধ্বনি, শঙ্খনাদ, সাথে ঢোলের বোল, মাতৃবন্দনার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। নানা উপচারে ডালা সাজিয়ে আসতে থাকেন ভক্তরা। অশুভ শক্তির বিনাশে ‘মঙ্গলময়ী’ দেবীকে প্রার্থনা করেন ভক্তরা।

    ছবি: স্বর্না বিস্বাস:

    শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। প্রতি বছরের মতো এ বছরও সারা দেশে যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    ছবি: স্বর্না বিস্বাস:

  • মুসলিমদের ওপর যে কারণে জিন আক্রমণ করে

    মুসলিমদের ওপর যে কারণে জিন আক্রমণ করে

    শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। শয়তান ছাড়াও বদ-জিন মানুষের ওপর আক্রমণ করে থাকে। বদ-জিন ও শয়তানের আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকতে দুটি বিষয় মেনে চলা জরুরি।

    উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হাদিস মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী জিনের আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকতে ২টি নসিহত পেশ করেছেন। আর তাহলো-

    > উচ্চ আওয়াজে কুরআন তেলাওয়াত করা।
    যে ঘর কিংবা বাড়িতে উচ্চ আওয়াজে কুরআন তেলাওয়াত করা হয়, জিন কখনও সে ঘরে আক্রমণ করতে পারে না।
    > নাপাকি থেকে দূরে থাকা।
    ঘরে নাপাক বস্তু কিংবা নাপাক শরীরে না থাকা। বিশেষ করে বাচ্চাদের নাপাক কাপড়-চোপড় ঘরে না রাখা। হাদিসে পাকে এসেছে-

    হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, ‘বাথরুম জিন-শয়তানদের আস্তানা। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন বাথরুমে যাবে, সে যেন বলে-
    أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
    উচ্চারণ : ‘আউজুবিল্লাহি মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ।’
    অর্থ : ‘আমি আল্লাহর কাছে দুশ্চরিত্র ও দুশ্চরিত্রা জিন (শয়তান) থেকে আশ্রয় চাই।’ (আবু দাউদ)

    সুতরাং জিন ও শয়তানের আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকতে উচ্চ স্বরে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা। নাপাকি থেকে দূরে থাকা। বাথরুমসহ নাপাক স্থান অতিক্রম করার সময় উল্লেখিত দোয়ার আমল করা।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত আমলগুলো যথাযথ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব কাল মহাসপ্তমী

    ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব কাল মহাসপ্তমী

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা গতকাল শুরু হয়েছে। ঢাক-ঢোলের বাজনা, কাঁসা, শঙ্খের আওয়াজ এবং ভক্তদের উলুধ্বনিতে এখন মুখরিত প্রতিটি মন্দির ও পূজামন্ডপ।

    এর আগে বৃহস্পতিবার শুরু হয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। গোধূলি লগ্নে মন্দিরে মন্দিরে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে সূচনা ঘটে উৎসবের। আজ শনিবার হবে মহাসপ্তমী। রোববার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা। সোমবার মহানবমী আর মঙ্গলবার বিজয়া দশমী।

    দশমীর দিনে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে দুর্গোৎসব। রঙ তুলির ছোঁয়ায় এখন সজ্জিত মা দুর্গা। দুর্গা পূজা উপলক্ষে রাতে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় সজ্জিত প্রতিটি মন্দির। বরিশাল মহানগরে এবারেও সব থেকে বড় তোরণ নির্মান করেছে শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটি। এছাড়াও বড় পূজা মন্ডপ নির্মান করেছে শ্রীশ্রী পাষনময়ী কালী মাতার মন্দির। পাশাপাশি নানা ধরণের সাজ সজ্জায় সজ্জিত হয়েছে জগন্নাথ মন্দির। অপরদিকে ভিন্ন ধর্মী তোরণ ও আলোকসজ্জার সজে সজ্জিত হয়েছে ফলপট্রি মহানগর পূজা মন্ডপ।

    দুর্গা পূজাকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ব্যাপক। এবার জেলায় ৬শ ১৩টি মন্ডপে দুর্গাৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বরিশাল মহানগর ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, পূজায় মন্ডপে মন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষে পুলিশ আনসারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক টিম রাখা হয়েছে।

  • বরিশালে শারদীয় দূর্গা পূজার উদ্বোধন করলেন কাউন্সিলর মান্না

    বরিশালে শারদীয় দূর্গা পূজার উদ্বোধন করলেন কাউন্সিলর মান্না

    বরিশালে ফিতা কাটার মধ্যদিয়ে শ্রী শ্রী সার্বজনীন শারদীয় দূর্গা পূজার শুভ উদ্বোধন করলেন বিসিসি ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইদ আহম্মেদ মান্না।

    বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে বরিশাল শহরের ২১ নং ওয়ার্ডস্থ অক্সফোর্ড মিশন রোডের বাঁশতলা ঘোষ বাড়ীর দূর্গা পূজা মন্ডপের ফিতা কেটে উদ্বোধন করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক্ষ মোঃ হানিফ, বিশু ঘোষসহ এ্রলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    কাউন্সিলর সাইদ আহম্মেদ মান্না বলেন, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার যুব সমাজ আমাকে দির্ঘদিন যাবত পূজা উদযাপনের জন্য বলছিলো। তাই আমি সকলকে নিয়ে পূজার মন্ডপ প্রতিষ্ঠা করেছি। ধর্ম যার যার উৎসব সবার।

    স্থানীরা জানায়, সকল মিলে পূজার মন্ডপ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু পারছিলাম না। পরে কাউন্সিলর সাইদ আহম্মেদ মান্নার সহযোগীতা ও অর্থায়নে মন্ডপটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    এতে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন কাউন্সিলর সাইদ আহম্মেদ মান্নাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

  • ইয়াহুদিরা যে কারণে জুমআর দিনকে ঈদের মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন

    ইয়াহুদিরা যে কারণে জুমআর দিনকে ঈদের মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন

    মুসলিম উম্মাহর জন্য নির্ধারিত সাপ্তাহিক মর্যাদাপূর্ণ ইবাদতের দিন হলো শুক্রবার। এ দিনের ইবাদতকে ইয়াহুদিরা অনন্য মর্যাদা দেয়ার আক্ষেপ পোষণ করতো। কারণ এ দিন আরাফাতের ময়দানে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি নাজিল হয় গুরুত্বপূর্ণ খুশির আয়াত। ইসলামের পরিপূর্ণতার আয়াত।

    ইয়াহুদিদের ভাষায় আরাফাতের দিন শুক্রবার যদি ইসলামের পরিপূর্ণতার আয়াত তাদের ওপর নাজিল হতো তবে তারা এ দিনটিকে ঈদের দিন তথা সবচেয়ে বেশি খুশির দিন হিসেবে পালন করতো। হাদিসে পাকে এ ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে।

    হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, এক ইয়াহুদি তাঁকে বলল, ‘হে আমিরুল মুমিনিন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইয়াহুদি জাতির ওপর অবতীর্ণ হতো, তবে অবশ্যই আমরা সেই দিনকে ঈদ হিসেবে পালন করতাম।

    তিনি জানতে চাইলেন, (সেটি) কোন আয়াত? সে (ইয়াহুদি আয়াতটি) বলল-
    ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ৩)

    হজরত ওমর বললেন, ‘এটি যে দিনে এবং যে স্থানে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমরা জানি। তিনি সেদিন আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন আর সেটা ছিল জুমআর দিন।’ (বুখারি)

    সুতরাং এ গুরুত্বপূর্ণ দিনে আজানের সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া মুসলিম উম্মাহর জন্য আবশ্যক। কেননা আল্লাহ তাআলা ঘোষণা দিয়েছেন-

    ‘হে মুমিনগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য দ্রুত যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বোঝ।’ (সুরা জুমআ : আয়াত ৯)

    হাদিসে বর্ণিত জুমআর দিনের ফজিলত-
    – রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুমিনের জন্য জুমআর দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।’ তিনি আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহ পাকের কাছে জুমআর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের মতো শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদাসম্পন্ন।’ (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ)

    – হে মুসলমানগণ! জুমআর দিনকে আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের জন্য (সাপ্তাহিক) ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন (جَعَلَهُ اللهُ عِيْدًا)। তোমরা এদিন মিসওয়াক কর, গোসল কর ও সুগন্ধি লাগাও।’ (মুয়াত্তা মালেক, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)

    – জান্নাতে প্রতি জুমআর দিনে জান্নাতিদের হাট বসবে। জান্নাতি লোকেরা সেখানে একত্রিত হবেন। সেখানে এমন মনমুগ্ধকর হাওয়া বইবে, যে হাওয়ায় জান্নাতিদের সৌন্দর্য অনেক গুণে বেড়ে যাবে এবং তাদের স্ত্রীরা তা দেখে অভিভূত হবে। অনুরূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি স্ত্রীদের বেলায়ও হবে। (মুসলিম)

    >> জুমআর রাতে বা দিনে যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে মারা যায়; আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেন।’ (তিরমিজি)

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিন যথাযথভাবে নামাজ আদায়ে আগে আগে মসজিদে যাওয়ার তাওফিক দান করুন। জুমআর দিনের ফজিলত ও বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • ভালোবাসার মানুষকে পেতে যে দোয়া পড়বেন

    ভালোবাসার মানুষকে পেতে যে দোয়া পড়বেন

    বিশ্বের অন্যতম এক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে নাম ঠিকানাবিহীন এক প্রেমিক জানতে চান যে- ‘তিনি এক মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। এমন কোনো দোয়া কিংবা আমল আছে কি? যে আমল বা দোয়া পড়লে তিনি যে মেয়েকে ভালোবাসেন তাকে পাবেন কিংবা সে মেয়ে তাকে ভালোবাসবে। নতুবা সে মেয়ে তাকে বিয়ে করতে রাজি হবে?

    এ জিজ্ঞাসার জবাবে প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ জানান-
    ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কোনো মেয়েকে ভালোবাসা অবৈধ এবং কবিরা গোনাহ। তাই কোনো মেয়েকে ভালোবাসার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই উচিত।

    একান্তই যদি কেউ কারো প্রেমে পড়ে যায়, তবে তাকে একটি আমল করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ। আর তাহলো-

    যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে ভালোবাসে তাকে শুক্রবার মধ্যরাতে উঠতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করতে হবে। মনের আশা পূরণের নিয়তে এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে-

    فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
    উচ্চারণ : ‘ফা ইং তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১২৯)

    অর্থ : এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।

    এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে আল্লামা কাশ্মীরি রহ. রচিত কিতাব গাঞ্জিনা ই আসরার পড়ার পরামর্ও দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে জীবন-যাপন ও সঠিক পদ্ধতি তার দরবারে প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন। আমিন।

  • বরিশালে ২২ পুজামন্ডপে সরকারের আর্থিক সহায়তা প্রদান

    বরিশালে ২২ পুজামন্ডপে সরকারের আর্থিক সহায়তা প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল সদর উপজেলার ২২ টি পুজামন্ডপ কর্তৃপক্ষকে দুর্গাপুজা উপলক্ষে আর্থিক অনুদান দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার উপজেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ সহায়তা তুলে দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়- ২২ মন্ডপ কর্তৃপক্ষের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে চেক দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে দুর্গাপুজা উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধু এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগম প্রমুখ।’