Blog

  • ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনে এএসআই’র ঝুলন্ত লাশ

    ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনে এএসআই’র ঝুলন্ত লাশ

    ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন থেকে এক নজলার রহমান নামে এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।

    এ ঘটনার পর পুলিশ লাইনে কোনো সংবাদকর্মীকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

    নিহত নজলার রহমান এএসআই হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে দায়িত্বে ছিলেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ লাইনের ব্যারাকে একটি কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা তদন্ত করছি পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮ পর্যন্ত ব্যাংক খোলা

    আয়কর পরিশোধের সুবিধার্থে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সব ব্যাংক রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও কথা বলা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটা নির্দেশনা সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “করদাতাগণের আয়কর পরিশোধের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে তফসিলি ব্যাংকের শাখাসমূহ ২৯ ও ৩০ নভেম্বর (বুধ ও বৃহস্পতিবার) রাত ৮টা পর্যন্ত আয়কর চালান জমা/পে-অর্ডার সুবিধা প্রদানের জন্য খোলা থাকবে। ”

    প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ করবর্ষের জন্য ৩০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন।

  • বরিশালের কৃতি সন্তান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

    বরিশালের কৃতি সন্তান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

    র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) প্রধান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান’র বিরুদ্ধে মনগড়া অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রি মহল। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্রিগেডিয়ার জেনালের জিয়াউল আহসানের সাহসী ভূমিকায় ওই মহলটি ঈশ্বার্ণিত হয়ে তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অপপ্রচার চালিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে।
    জঙ্গী দমন এবং সরকার বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশ অচল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জিয়া ছিলেন অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অন্যতম সিপাহশালার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপের কারণে দেশবিরোধী জঙ্গীগোষ্ঠী নির্মুল হয়েছে। দমন হয়েছে আন্দোলনের নামে নাশকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। বরিশাল তথা দেশবাসী তার এ সাফল্যে গর্বিত।

    বরিশালের সচেতন নাগরিকবৃন্দ তার বিরুদ্ধে হীন চক্রান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
    বরিশালের সচেতন নাগরিকদের পক্ষে
    এস.এম জাকির হোসেন
    কাউন্সিলর, ২০ নম্বর ওয়ার্ড,
    বরিশাল সিটি করপোরেশণ।

  • রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে ২৩১২ কোটি টাকার আশ্রয়ণ প্রকল্প

    রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে ২৩১২ কোটি টাকার আশ্রয়ণ প্রকল্প

    নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য ২ হাজার ৩১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। যেখানে এক লাখ রোহিঙ্গাকে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হবে।

    রোহিঙ্গাদের আবাসন প্রকল্পসহ মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে ১০ হাজার ৯৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। খবর বাসসের।

    এ সময় পরিকল্পনা সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা সচিব কে এম মোজ্জামেল হকসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। আশা করছি ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সেদেশের নাগরিকরা ফেরত যাওয়া শুরু করবে। এরপরও তারা যতদিন এখানে অবস্থান করবেন তাদের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ভাসানচরে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সব সময় বাণিজ্যিক লাভ দেখে প্রকল্প হাতে নেয় না। মিয়ানমার থেকে আসা সেদেশের নাগরিকরা কষ্টে আছেন। তাদের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আশা করি আমরা নিজেদের টাকায় কাজ শুরু করলেও বিদেশিরা সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসবে।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী এক বছরের মধ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সবগুলো পাকা রাস্তা পুর্নবাসনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখন থেকে নতুন রাস্তা না করে পুরনো রাস্তাগুলো আবার পাকা করতে হবে। এছাড়া এখন থেকে রাস্তা তৈরির সময় দু’পাশে জলাধার এবং ধীর গতির যান চলাচলের ব্যবস্থা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

  • সরকারের ভিত কাঁপে এক খুনে

    সরকারের ভিত কাঁপে এক খুনে

    রাত ৩টা। চারদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার।

    নিস্তব্ধতা ভেঙে বিকট শব্দে মহাসড়ক দিয়ে নাইট কোচ ছুটে চলেছে। একটি মাত্র চায়ের টং দোকান। দু-চার জন ক্রেতা। রাস্তার দিকে তাকিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরী। বাসের জন্য অপেক্ষায়। চোখেমুখে তার উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা। হঠাৎ পুলিশের একটি পিকআপ এসে থামল। ভিতরে তিনজন পুলিশ। লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে কিশোরীর দিকে। কোথায় যাবে? এক পুলিশের এমন প্রশ্নে হতচকিত কিশোরীটি। ভয়ে ভয়ে কিশোরীর জবাব, দিনাজপুর। মায়ের কাছে যাব।

    চল চল। উঠে পর গাড়িতে। মায়ের কাছে যাবি, নাকি কোথায় যাবি, পৌঁছে দেব, পুলিশ বলে তাকে। কিশোরীটি ইতস্তত করছিল। এই উঠ, ধমক দেয় এক পুলিশ। কিশোরী তাদের সঙ্গে পিকআপে উঠে পড়ে। এরপর রক্ষক ভক্ষকের বেশে। পিকআপেই ধর্ষণের চেষ্টা। হায়েনাদের কাছ থেকে রক্ষা পেতে গাড়ি থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কিশোরীটি। আবারও তাকে তুলে নেয়। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিশোরীকে নিয়ে যায় তারা। সেখানে উপর্যুপরি ধর্ষণ শেষে হত্যা করে কিশোরীকে। গাড়িতে কিশোরীর দেহ তুলে নেয়। চলন্ত গাড়ি থেকেই ছুড়ে ফেলে দেয় হতভাগ্য কিশোরীর নিথর দেহ। দিনাজপুরের সেই কিশোরী ইয়াসমিনের ঘটনা এটি। পুলিশবেশী হায়েনার দল ইয়াসমিনকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যায়নি। মাকে দেখতে যে কিশোরী মেয়েটি ঢাকা থেকে ছুটে চলে এসেছিল একদম একা। ভয়ডর পেছনে ফেলে পৌঁছে গিয়েছিল মায়ের দোরগোড়ায়।

    কিন্তু মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া দূরের কথা, ১৪ বছরের ইয়াসমিনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে পুলিশরূপী দুর্বৃত্তরা। শুধু তাই নয়, দুনিয়া থেকেই তাকে বিদায় করে দিয়েছে নির্মম নির্যাতন করে। কোনোরকম গোসল-জানাজা ছাড়া দাফন করে পুলিশ। ইয়াসমিন ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সারা দেশ যেন কেঁপে উঠেছিল। কেঁপে উঠেছিল তৎকালীন সরকারের ক্ষমতার ভিতও। বাংলাদেশের ইতিহাসে ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডটি সর্বাধিক আলোচিত ঘটনা। ইয়াসমিনকে নিয়ে চলচ্চিত্র ও নাটক তৈরি হয়েছে। কবি, সাহিত্যিক ও লেখকরা ইয়াসমিনকে নিয়ে বহু লেখালেখি করেছেন। বই প্রকাশ করেছেন। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। উত্তাল হয় গোটা দিনাজপুর। শান্ত মানুষ গর্জে ওঠে। গুলি চালায় পুলিশ। এতে জীবন দিয়েছেন অন্তত সাতজন। আর পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অগণিত মানুষকে। কারফিউ দিতে হয় সরকারকে। ইয়াসমিন হত্যার পর থেকে প্রতি বছর ২৪ আগস্ট ‘ইয়াসমিন হত্যা দিবস’ বা ‘নারী নির্যাতন ও প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের তিন সদস্যকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মামলার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়। দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার রিকশাচালক মৃত এমাজ উদ্দিন ও শরিফা বেগমের একমাত্র মেয়ে ইয়াসমিন বেগম। শহরের লালবাগ কোহিনূর স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত সে। বাবা মারা যাওয়ার পর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় ইয়াসমিনের। সংসারে অভাবের তাড়নায় মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৯২ সালে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে ঢাকায় যায়। সে আবুল আহসান আহমদ আলী নামের এক ব্যক্তির ধানমন্ডি ১ নম্বর সড়কের ১৩ নম্বর বাসার এক পরিবারে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। আবুল আহসান আহমদ আলীর গ্রামের বাড়িও দিনাজপুর। টানা তিন বছরে একবারও দিনাজপুরে মায়ের কাছে আসা হয়নি ইয়াসমিনের। তাই বাড়িতে আসার জন্য বিশেষ করে মাকে দেখার জন্য ভীষণ উতলা ছিল সে। গৃহস্বামী তাকে দুর্গাপূজার ছুটিতে যাওয়ার কথা বলেন।

    কিন্তু বাড়ি যাওয়ার জন্য উতলা ইয়াসমিন সেই বাক্যে সান্ত্বনা পায়নি। এ কারণে ১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্ট ওই পরিবারের ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে একাই দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হয়ে যায় ইয়াসমিন। সে উঠে পড়ে দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওগামী নৈশ কোচ হাছনা এন্টারপ্রাইজে। ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন রাত ৩টার দিকে দিনাজপুরের দশমাইল মোড়ে নামে। কোচের সুপারভাইজার দশমাইল মোড়ের পান দোকানদার জাবেদ আলী, ওসমান গনি, রহিমসহ স্থানীয়দের কাছে কিশোরী ইয়াসমিনকে দিয়ে সকাল হলে মেয়েটিকে দিনাজপুর শহরগামী যে কোনো গাড়িতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু এর কিছুক্ষণের মধ্যে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার টহল পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান সেখানে আসে। তারা মেয়েটিকে মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। দশমাইলের একটি আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিশোরীকে নিয়ে যায় তারা। পরে ধর্ষণ ও হত্যা করে। পরদিন সকালে ইয়াসমিনের লাশ পাওয়া যায় দিনাজপুর-দশমাইল মহাসড়কে রানীগঞ্জ ব্র্যাক অফিসের সামনে। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, পুলিশ হেফাজতে ধর্ষণ শেষে খুন হয় ইয়াসমিন। পুলিশের এই পৈশাচিক ঘটনা জানাজানি হলে দিনাজপুরবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। দিনাজপুর কোতোয়ালি পুলিশ ‘একজন অজ্ঞাত পরিচয় যুবতীর লাশ উদ্ধার’ মর্মে ঘটনাটি সাজিয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা ফাইল করে। লাশের তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বালুবাড়ী শেখ জাহাঙ্গীর গোরস্থানে দাফন করা হয়। লাশের কোনো প্রকার গোসল ও জানাজা হয়নি। এখানে উল্লেখ্য যে, উত্তর গোবিন্দপুর এলাকায় পড়ে থাকা ইয়াসমিনের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে কোতোয়ালি থানার এসআই স্বপন কুমার প্রকাশ্যে জনতার সামনেই লাশ উলঙ্গ করে ফেলেন, যা উত্সুক জনতার মাঝে ক্ষোভ সঞ্চার করে। এ নিয়ে পরদিন দিনাজপুরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের রহস্যময় আচরণ জনমনে কৌতূহল ও বিক্ষোভ শতগুণে জাগিয়ে তোলে। একপর্যায়ে ২৬ আগস্ট স্থানীয় জনতা কর্তৃক রামনগর মোড়ে মিটিং আহ্বান করে প্রচার চালানোর সময় কোতোয়ালি থানা এলাকায় পুলিশ মাইক ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় আশপাশ এলাকার লোকজন সংগঠিত হয়। সন্ধ্যার পরে রামনগর মোড়ে ইয়াসমিনের গায়েবি জানাজা শেষে রাত ১০টার দিকে প্রতিবাদী জনতা বিক্ষোভ মিছিলসহকারে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে। ক্ষুব্ধ জনতা কোতোয়ালি থানার সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং সারা রাত থানা অবরোধ করে রাখে। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এতে আট-দশ ব্যক্তি আহত হয়। ২৭ আগস্ট শহরে থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই বেলা ১১টার দিকে ঘটনার প্রতিবাদ ও সব প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলি এবং দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরে একটি বিশাল মিছিল বের করলে মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ শহরের বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গুলি চালালে সামু, কাদের, সিরাজসহ সাতজন নিহত হন। আহত হন তিন শতাধিক মানুষ। পরে বিক্ষুব্ধ জনগণ শহরের চারটি পুলিশ ফাঁড়ি জ্বালিয়ে দেয়। শহরের আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরে ১৪৪ ধারা (কারফিউ) জারি করা হয়। নামানো হয় বিডিআর। দিনাজপুর থেকে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া : এসব ঘটনায় দিনাজপুরবাসীর পক্ষে তিনটি মামলা করা হয়; যার মধ্যে নিরাপত্তার কারণে ইয়াসমিন হত্যা মামলাটি দিনাজপুর থেকে স্থানান্তর করা হয় রংপুরে। ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ আবদুল মতিন মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি পুলিশের এএসআই মইনুল, কনস্টেবল আবদুস সাত্তার ও পুলিশের পিকআপ ভ্যানচালক অমৃত লাল বর্মণের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ বিধান, ১৯৯৫-এর ৬ (৪) ধারায় ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে রংপুর জেলা কারাগারের অভ্যন্তরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

  • বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত- আহত ৬

    বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত- আহত ৬

    বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় সজিব (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬ জন। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে বরিশাল-বানারীপাড়া আঞ্চলিক সড়কের শেকেরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব বরিশালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার সোহরাবের ছেলে। আহতদের মধ্যে সোহেল (৩৮), কামরুল ইসলাম (২০) ও নান্নুর (৩৫) নাম জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রড বোঝাই একটি ট্রাক ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে পিরোজপুরের স্বরুপকাঠি যাওয়ার পথে বানারীপাড়ার শেকেরহাটে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকে থাকা চালক ও হেলপারসহ ৭ জন আহত হয়।

    আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) এ আর মুকুল বাংলানিউজকে জানান, ট্রাক খাদে পরে একজন নিহত হয়েছে। ট্রাকটি উদ্ধার করতে গিয়ে বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করায়।

    বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক। অপরদিকে, দুপুরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কাশিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রা (থ্রি হুইলার) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে চালকসহ তিনজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মহসিনকে (২৮) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান ওসি-তদন্ত মুকুল।

  • শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আত্মসমর্পণ সুযোগ দিয়েছে পুলিশ

    শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আত্মসমর্পণ সুযোগ দিয়েছে পুলিশ

    নুরই মাহাবুব

    বরিশাল জেলার চিহ্নিত শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আত্মসমর্পণ সুযোগ দিয়েছে পুলিশ। আত্মসমর্পণ করা মাদক ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তাও দেবে জেলা পুলিশ। অন্ধকার পথ ছেড়ে আলোর পথে আসার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যে জেলার ১০ থানার শতাধিক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের সাথে যোগাযোগও করেছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র। বুধবার আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম।

    এছাড়া জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১ আগস্ট মো. সাইফুল ইসলাম বরিশালের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। জেলার ১০ থানা এলাকায় ওপেন হাউজ ডে এবং কমিউনিটি পুলিশিং সভায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের অন্ধকারের পথ আলোর পথে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    পুলিশ সুপারের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করেন।বরিশালের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। জেলার ১০ থানা এলাকায় ওপেন হাউজ ডে এবং কমিউনিটি পুলিশিং সভায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের অন্ধকারের পথ আলোর পথে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। পুলিশ সুপারের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করেন। বরিশালের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন তিনি।

    তবে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলে তাকে এ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। পূর্বের মাদক মামলায় জামিনে থাকলে কিংবা অভিযোগ আছে কিন্তু মামলা নেই তাদের এ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অতীতে মাদক মামলা থাকলে বিচার হবে। এ ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেবে না পুলিশ।

  • অতিরিক্ত পর্ন দেখলে যেসব মারাত্মক ক্ষতি হবে

    অতিরিক্ত পর্ন দেখলে যেসব মারাত্মক ক্ষতি হবে

    বেশি পর্ন দেখা কী ক্ষতিকারক! এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই গবেষণা শুরু করে ইতালির এক স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। আর দীর্ঘ গবেষণার পর যে তথ্য সামনে এল, তা জানার পর চোখ কপালে উঠবে অনেকেরই। বিশেষত যাদের প্রতিনিয়ত পর্ন দেখার অভ্যাস আছে, ‘পর্ন না দেখলে যাদের ঘুম আসে না’, তাদের জন্য এই গবেষণার ফল বিশেষ চিন্তার।
    ভারতীয় মিডিয়া ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, মাত্রারিক্ত পর্ন দেখার ফলে পর্নে আসক্ত ব্যক্তি ক্রমশ ‘সেক্সুয়াল অ্যানোরেক্সিয়া’র দিকে ঝুঁকতে পারেন। সোজা ভাবে যাকে বলা হয় যৌন অনাক্রম্যতা।
    তাছাড়াও হতে পারে উদ্বেগ ব্যাধিও। তবে অনেক চিকিৎসকেই মনে করছেন এই গবেষণা একপেশে এবং এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গবেষক ডঃ নিকোল প্রস বলছেন পর্ন দেখার কারণে স্বাভাবিক যৌনতায় কোনও রকম সমস্যা হওয়ার কিছু নেই।
    কানাডার আরেকটি গবেষণার দাবি, যারা তুলনায় বেশি পর্ন দেখতে পছন্দ করেন তাদের মধ্যে লিঙ্গ সাম্যতার বিষয়টি বেশি করে কাজ করে। শুধু তাই নয়,  প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই গবেষণায় এও বলা হয়, যারা পর্ন দেখতে পছন্দ করেন তাদের মধ্যে যৌন হিংসার বিষয়টিও তুলনায় কম কাজ করে, অন্যদের ক্ষেত্রে যেটা ভয়াল রূপ ধারণ করলেও করতে পারে।
    আবার এই মতের উল্টো দিকও দেখিয়েছেন অনেকে। গবেষকদের কেউ কেউ বলছেন, যে পুরুষরা ‘হার্ডকোর পর্ন’ দেখতে অভ্যস্ত তাদের মধ্যে লিঙ্গ বৈষম্য মূলক আচরণেরও প্রভাব বিস্তার করে।
    এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে গবেষণা যে ফলাফলে এসে উপনীত হয়েছে সেখানে পর্ন দেখাকে প্রাথমিকভাবে আসক্তি হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে গবেষনাও এও বলা হয়েছে পর্নের আসক্তি কখনই মাদকাসক্তের মত বিষয় নয়। পর্ন দেখার বিষয় প্রতিনিয়ত কাজে প্রভাব ফেলে, ব্যবহারিক আচরণে প্রভাব ফেলে তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়া উচিত বলে মনে করেন গবেষকরা
  • মানুষের মৃত্যুর পর তার মস্তিষ্ক তা বুঝতে পারে

    মানুষের মৃত্যুর পর তার মস্তিষ্ক তা বুঝতে পারে

    মস্তিষ্ক হল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের মূল অংশ, যা মস্তকের অভ্যন্তরে অবস্থিত। মস্তিষ্কই হল দেহের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। মানব মস্তিষ্কের মূল গঠন-উপাদান হল নিউরন। মস্তিষ্কে মোট ১০ বিলিয়ন স্নায়ুকোষ বা নিউরন থাকে। এই কোষগুলো বৈদ্যুতিক সংকেতের মতো অনুভূতি পরিবহন করে থাকে। মস্তিষ্কের নির্দেশ অনুযায়ী-ই শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কোনো কাজ সমপন্ন করে থাকে। তাই বলা যেতেই পারে যে এই নিউরনের ওপরই নির্ভর করে মানুষের সমস্ত কার্যাবলী।

    তবে সামপ্রতিক এক গবেষণায় মস্তিষ্ক সম্পর্কে চমকপ্রদ এক তথ্য দিয়েছে গবেষকরা। তাদের মতে, মানুষের মৃত্যুর পরও তার মস্তিষ্ক জানতে পারে যে ঐ ব্যক্তি মারা গেছেন। মৃত্যুর সাথে সাথে সেই তথ্য চলে যায় মৃত ব্যক্তির মস্তিষ্কে। গবেষকরা দাবি করেছেন, মৃত্যুর পরও নাকি বেঁচে থাকে তার মস্তিষ্ক!

    মৃত্যুর পর মানুষের হূদক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে কী ঘটে সেই প্রশ্ন থেকেই গবেষণা শুরু করেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি লাঙন স্কুল অব মেডিসিনের ড. সাম পারনিয়া এবং তার দল। ড. পারনিয়ার দলটি হূদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ওপর গবেষণা পরিচালনা করেন।

    চিকিত্সা বিজ্ঞান অনুযায়ী রোগীর হূদক্রিয়া বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কে রক্ত পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং হূদক্রিয়া বন্ধ হলেই চিকিত্সা বিজ্ঞানে রোগীকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু সাম পারনিয়া প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে, হূদক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে ব্রেনের কার্যক্রম বন্ধ হতে দুই থেকে ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যেই মস্তিষ্ক জেনে যায় যে ঐ ব্যক্তি মারা গেছেন।
    -নিউইয়র্ক পোস্ট

  • জাবিতে নিপীড়ন ও উত্যক্তের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    জাবিতে নিপীড়ন ও উত্যক্তের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চারুকলা বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর শারীরিক নিপীড়নের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পাল্টা অভিযোগ করেছেন ৪৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
    সোমবার প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, ৪৬তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী গত ২২ নভেম্বর পুরাতন কলা ভবনের সামনে ক্লাস চলাকালীন তাদের অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও আপত্তিকর দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উত্যক্ত করেন। পরে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে পাঠান তারা। অভিযোগে তারা আরো উল্লেখ করেন, ওই শিক্ষার্থী ‘মাদকাসক্ত’ও বিভিন্ন সময় তিনি মেয়েদের সঙ্গে ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ করেন।
    এর আগে গত রবিবার ৪৬ ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করেন, গত ২২ নভেম্বর অভিযুক্ত চারুকলা বিভাগের ৫ সিনিয়র শিক্ষার্থী তাকে পুরাতন কলা ভবনের পিছনে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেন।
    এদিকে এ ঘটনায় ১৩ শিক্ষার্থীকে শোকজ করেছে বিভাগটি। একই সঙ্গে তাদের আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। সোমবার চারুকলা বিভাগের সভাপতি এম এম ময়েজ উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
    এম এম ময়েজ উদ্দীন বলেন, একটি অভিযোগ পত্র পেয়েছি। সেখানে র‌্যাগিংয়ের শিকার ৪৬ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বিচার চেয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ১৩ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা। তাদেরকে আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছে।
    এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, বিভাগীয়ভাবে বিষয়টির তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।