বুধবার , ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও সিটি মেয়রের প্রচেষ্টায় প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বরিশালের খালগুলো

প্রতিবেদক
banglarmukh official
জানুয়ারি ১৭, ২০২৪ ৫:৪৫ অপরাহ্ণ

দখল-দূষণের কবলে হারিয়ে যাওয়া বরিশাল নগরীর ২৪টি খালের মধ্যে প্রধান ৭টি খালের প্রাণ ফেরাতে খনন কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এর ফলে নগরীর কোলঘেঁষে বয়ে যাওয়া আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী খাল, পলাশপুর খাল, সাগরদী খাল, চাঁদমারী খাল এবং ভাটারখাল দীর্ঘদিন পরে হলেও অস্তিত্ব ফিরে পেতে যাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনের সংসদ সদস্য পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম ও সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর প্রচেষ্টায় খালগুলো পুনরায় নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। একইসঙ্গে ম্যাপ অনুযায়ী উদ্ধার হচ্ছে দখলকৃত খালের পাড়। খনন কাজ শেষ হলে নগরীর প্রায় সাড়ে ৫ লাখ বাসিন্দা জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ী মুক্তি পাবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর মধ্যে থাকা ১১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছোটবড় ৪৬ খালও আসবে সংস্কারের আওতায়।

জানা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে বরিশালে ৪৬টি খালের অস্তিত্ব ছিল। তবে স্বাধীনতা পরবর্তীতে তা কমে দাঁড়ায় ২৪টিতে। বর্তমানে বড়-ছোট মিলিয়ে টিকে থাকা ২৪টি খালও পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। দখল-দূষণ আর অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে টিকে থাকা খালগুলো মরাখালে পতিত হচ্ছে। আর হারিয়ে গেছে ২২টি খাল। এরমধ্যে এখন প্রাথমিকভাবে ৭টি প্রধান খালের খনন শুরু হওয়ায় আনন্দে ভাসছে ওইসব এলাকার বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর ৭টি খাল খননে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় পলাশপুর খাল (১ কিলোমিটার ৭০০ মিটার), ১ কোটি ৯ লাখ টাকায়, আমানতগঞ্জ খাল (২ কিলোমিটার ৫০ মিটার) ২ কোটি ৬৭ লাখ টাকায়, সাগরদী খাল (৯ কিলোমিটার) ২৮ লাখ টাকায়, রুপাতলী খাল (১ কিলোমিটার) ৩২ লাখ টাকায়, চাঁদমারি খাল (১ কিলোমিটার ৪২১ মিটার) ৪ লাখ টাকায়, ভাটার খাল (১৬০ মিটার) ও ২৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকায় জেল খালের (২ কিলোমিটার) সর্বমোট ১৯ কিলোমিটারে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়ানগর এলাকার বাসিন্দা মাহিমুল হাসান এমদাদ বলেন, বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিক জোয়ারে খাল উপচে সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকে। ফলে তখন আমাদের যাতায়াতসহ স্বাভাবিক কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যায়। এখন খাল খনন হলে হয়তো ওই দুর্ভোগ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি মিলবে।

সর্বশেষ - খেলাধুলা