মার্চ ১৮, ২০২৬
Bangla Online News Banglarmukh24.com
প্রচ্ছদ

স্বাগত ২০২২

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা অতিক্রমের সাথে সাথে শুরু হয়েছে নতুন বর্ষ গণনা। ঘটনাবহুল ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ বিদায়ের পর শুরু হয়েছে নতুন বছর। স্বাগত ২০২২ সাল।

আজকের সকালে যে সূর্য উঠেছে তা নতুন বছরের। নতুন বছরে নতুনভাবেই শুরু হলো পথচলা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অস্থির সময়কালে নতুন বছরের আগমন ঘটল। সময়ের স্রোতকে কখনোই ফ্রেমে আটকে রাখা যায় না। সময়কে বলা হয় কালস্রোত। মানুষ এই স্রোতে এগিয়ে চলে। কখনো এই এগিয়ে চলা হয়ে ওঠে বর্ণময়। কখনো বা বিবর্ণ ধূসর। কিন্তু যেভাবেই হোক না কেন সে থামতে পারে না। সময় তাকে থামতে দেয় না।

এই কর্মময় জীবনে সময়ের স্রোত একমাত্র থামে জীবনের যবনিকাপাতের মধ্য দিয়ে। মানুষ যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন যাত্রায় শামিল হয়েছে তখনই সময়ের প্রশ্ন উঠেছে। সময়ই জীবনকে এক কঠিন বাস্তবের মুখে নিয়ে যায়।

সময় জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক। বড় পুঁজি। বড় শক্তি। প্রতিটি সেকেন্ড প্রতিটি মুহূর্ত জানান দেয় যে নির্ধারিত সময়কাল বুঝি শেষ হয়ে যাচ্ছে।

আমরা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হিসাব করি। কিন্তু এর কোনো স্থিতি নেই। এই মুহূর্তে যেটা বর্তমান কিছুক্ষণ পরই তা ধূসর বিবর্ণ অতীত। আবার ভবিষ্যৎ যা তারও কোনো স্থায়িত্ব নেই। ক্ষণে ক্ষণে ভবিষ্যৎ ঠাঁই নিচ্ছে বর্তমানে।

আবার মুহূর্তেই তা হারিয়ে যাচ্ছে অতীতের মাঝে। এ এক বিস্ময়কর বিষয়। মানুষ নিজেকে জ্ঞান-বিজ্ঞান কিংবা আবিষ্কারের যেখানেই নিয়ে গেছে সীমাবদ্ধতাও তাকে আটকে রেখেছে। এই সীমাবদ্ধতাকে কখনোই সে অতিক্রম করতে পারেনি।


উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায়, এখন আমরা যে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ পালন করি এরও রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। আরব দেশগুলোতে হিজরি নববর্ষ এবং মুসলিম জাহানেও তা পালনের রেওয়াজ রয়েছে।

গ্লোবালাইজেশন বা বৈশ্বিক কারণে ইংরেজি নববর্ষ বিশ্বব্যাপী নতুন উদ্যমে পালিত হয়। এর পেছনে ব্যবসায়িক স্বার্থও রয়েছে। প্রকৃত অর্থে আমরা যে ইংরেজি সাল বা খ্রিষ্টাব্দ মেনে চলি তা হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ইংরেজি নববর্ষ পালন করা হয়। এই ক্যালেন্ডার নিয়েও রয়েছে নানা বিতর্ক। এখনকার মতো শুরুতে সার্বজনীনভাবে ১ জানুয়ারি নববর্ষের প্রচলন ছিল না।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রকৃতপক্ষে একটি সৌর বছর। ধাপে ধাপে মানুষ সৌর বছরের বর্তমান ধারায় উপনীত হয়েছে। প্রথম দিকে মানুষ চাঁদের হিসাবেই নতুন বর্ষ গণনা শুরু করেছিল। চাঁদের হিসাবে ১০ মাসে বছর হতো।

সেখানে ঋতুর সাথে কোনো সম্পর্ক ছিল না। সূর্যের হিসাবে বা সৌর গণনার হিসাব আসে অনেক পরে। সৌর এবং চন্দ্র গণনায় আবার পার্থক্য রয়েছে। সৌর গণনায় ঋতুর সাথে সম্পর্ক থাকে।

প্রায় চার হাজার বছর আগে, খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে মেসোপটেমীয় (ইরাক) সভ্যতায় প্রথম বর্ষবরণ উৎসব চালু হয়েছিল। মেসোপটেমীয় সভ্যতার আবার চারটি আলাদা ভাগ আছে, সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, আসিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা। এর মধ্যে বর্ষবরণ উৎসব পালন শুরু হয় ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।

সম্পর্কিত পোস্ট

গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

Banglarmukh24

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুস সাত্তার

Banglarmukh24

মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ

Banglarmukh24

অবকাঠামো নয়, খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেবেন আমিনুল

Banglarmukh24

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন যারা

Banglarmukh24

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

Banglarmukh24