সোমবার , ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

সুপারি চুরির অপবাদে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বাবা ও ছেলেকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

প্রতিবেদক
banglarmukh official
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৩ ৮:২২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঝালকাঠির নলছিটিতে সুপারি চুরির অভিযোগে শিকল দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে ১১ বছরের এক শিশুকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্মম নির্যাতন করেছে প্রভাবশালী একটি মহল। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবাকেও একইভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ১১ ঘন্টা শিকলে বেঁধে বাবা-ছেলেকে মারধরের পর সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় মুচলেকা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের তেতুলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১১দিকে ওই গ্রামের লতিফ খানের বাড়ির আঙিনায় শুকিয়ে মজুদ করে রাখা দুই কুড়ি (৪২০টি) সুপারি চুরির ঘটনা ঘটে। শিশু ছাব্বিরের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এনে তাকে ও তার বাবা মো. বাবুল হাওলাদারকে বাড়ি থেকে আটক লতিফ খানের বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর লতিফ খান ও স্থানীয় কয়েকজন মিলে বাড়ির উঠানে আমড়া গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় ওই দুজনের উপর পাশবিক নির্যাতন চালান। রাত ১২টার দিকে আব্বাস হাওলাদার নামে স্থানীয় এক মাংস বিক্রেতা কাঁচি দিয়ে ওই শিশুর মাথার চুল কেটে দেন। এরপর সারারাত গাছের সঙ্গে তাদেরকে বেঁধে রাখা হয়। সোমবার সকালে এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে মুচলেকা নিয়ে বাবুল হাওলাদার ও তার ছেলেকে ছেড়ে দেন লতিফ খান।

ভুক্তভোগী বাবুল হাওলাদার জানান, ছেলের বিরুদ্ধে সুুপারি চুরির অভিযোগ তুলে সারারাত আমাদেরকে খোলা আকাশের নিচে গাছে সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। রাতে শীতে অনেক কষ্ট পেয়েছি আমরা। সকালে একটি সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

নির্যাতনের শিকার শিশুর মা শিউলি বেগম বলেন, আমার ছেলে ও স্বামীকে রাতে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আমিও ঘটনাস্থলে যাই। তখন লতিফ খান আমাকে একটি চড় মরেন। আমার স্বামী ও ছেলেকে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে মারধরের কারণে তাদের সারা শরীর কালো হয়ে ফুলে ওঠেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমি অসহায়। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য আমাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী বলেন, হাতেনাতে না ধরে এবং কোনোপ্রকার সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়াই এভাবে চুরির অভিযোগ তুলে বাড়ি থেকে ১১ বছরের শিশু ও তার বাবাকে তুলে নিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা ঠিক হয়নি।

তবে লতিফ খান নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছাব্বির সুপারি চুরি করায় তাকে বেঁধে রাখা হয়। তাকে মারধর করা হয়নি। চুরি করার পরেও ছাব্বিরের বাবা তার ছেলেকে শাসন না করায় তাকেও আনা হয়েছে।

এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, ঘটনাটি আমি এখনো জানি না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
#

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

অস্ত্রোপচার শেষ, আশঙ্কামুক্ত নন ইউএনও ওয়াহিদা

গোরস্থান মসজিদ নির্মানে সহযোগিতার চেক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

শ্রেণি পাঠের নতুন গাইডলাইন

রোহিঙ্গা সাজছে বাঙালিরা!

বরগুনা পৌরসভা কার্যালয়কে মেয়রের ধূমপানমুক্ত ঘোষনা

কোকাকোলার বিজ্ঞাপনে বাংলা ভাষার বিকৃতি বন্ধে হাইকোর্টে রিট

বরিশাল আদালতের চেম্বার থেকে ফেন্সিডিল সহ আইনজীবী আটক

এ মুহূর্তে সড়ক পরিবহন আইন পরিবর্তনের সুযোগ নেই

পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে। আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার। তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে। তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।