বুধবার , ৭ মার্চ ২০১৮ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

কিশোর প্রেমের ভয়ঙ্কর কিলিং মিশন

প্রতিবেদক
banglarmukh official
মার্চ ৭, ২০১৮ ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
কিশোর প্রেমের ভয়ঙ্কর কিলিং মিশন

মাইসার সঙ্গে আগেই রওনকের সম্পর্ক ছিল। পরে রওনক মাইসার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তুহু নামে আরেকটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে। কিন্তু তুহুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অন্য একটি ছেলের। তুহুর ওই প্রেমিক রওনকের আগের প্রেমিকাকে ব্যবহার করে রওনককে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয় হোলি উৎসব।

পরিকল্পনামতো রওনক হোলি উৎসবে এলে তাকে হত্যার মাধ্যমে ইতি ঘটে ত্রিভুজ প্রেমের গল্পের। এ ঘটনায় সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন— রিয়াজ আলম ওরফে ফারহান, ফাহিম আহম্মেদ ওরফে আব্রো, ইয়াসিন আলী, আল আমিন ওরফে ফারাবী খান ও লিজা আক্তার ওরফে মাইসা আলম। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত ছুরি। তবে মূল পরিকল্পনাকারী তুহুর দ্বিতীয় প্রেমিককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। গতকাল দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইব্রাহিম খান জানান, মূলত রওনকের দ্বিতীয় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ওই ছেলে ও রওনকের মধ্যে ফেসবুকে কথাকাটাকাটি ও একজন অন্যজনকে হুমকিদানের ঘটনা ঘটে। তাই ওই ছেলে পরিকল্পনা করে হোলি উৎসবকে বেছে নেয় রওনককে খুন করার  তাই মাইসাকে ব্যবহার করে রওনককে হোলি উৎসবে নিয়ে আসে ওই তরুণ।

ডিসি বলেন, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মাইসার কল পেয়ে ১ মার্চ রওনক কামরাঙ্গীরচরের বাসা থেকে কলাবাগানে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হয়। রওনক পৌঁছার আগেই ওই তরুণ লক্ষ্মীবাজারে কয়েকজনকে নিয়ে পরিকল্পনা করে এবং ছুরি সরবরাহ করে। রওনক বন্ধুদের সঙ্গে শাঁখারী বাজার শনি মন্দিরের সামনে গেলে মাইসা তাকে একপাশে ডেকে নিয়ে যায়।

সেখানে ২০-২৫ জন মিলে তাকে মারধর করে। এদের মধ্যে কয়েকজন রওনককে ছুরিকাঘাত করে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ফারহান নিজেই ছুরিকাঘাত করেছে। মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রওনকের বর্তমান প্রেমিকার কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, রওনক, মাইসা, তুহু কিংবা এই বন্ধুমহলের কেউ কোনো নির্দিষ্ট এলাকা অথবা একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে না। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ে তারা একসঙ্গে দেখা করে। এদের মধ্যে কলেজছাত্র যেমন রয়েছে তেমনি ফলের দোকানিও আছে। উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে তাদের পরিবারকে আরও সচেতন হতে হবে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক গলিতে ছুরিকাঘাতে রওনককে খুন করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার দিনই নিহতের মা হেনা বেগম অজ্ঞাতদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

পুলিশে চাকরি : ছাত্রলীগের জন্য ‘তদবিরে’র সুযোগ চান এমপি

শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ধর্ষণের পর কোরআন শরীফে হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করাতেন মাদরাসা অধ্যক্ষ

নির্বাচনের আগে বিকল্পধারার আদর্শ-চিন্তা বুঝতে চায় ভারত

চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম

‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিশ্বাসীদের প্রত্যাখ্যান করুন’ : গণপূর্তমন্ত্রী

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

কিয়ামতের দিন অজুর কারণে বিভিন্ন অঙ্গ উজ্জ্বল দেখাবে

টেলিটক দিয়ে শুরু হবে ফাইভ-জি : মোস্তাফা জব্বার

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টি খাওয়াবে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণ