সদ্য সমাপ্ত ঝিনাইদহ জেলার শৈললূপা উপজেলার ১০ নং বগুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া শফিকুল ইসলাম একটি হত্যা মামলার আসামি। এই মামলায় শিমুলের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা যুবলীগের এই যুগ্ম আহবায়ককে কারাগার থেকে প্রাইভেট কারে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
এখানেই শেষ নয়। থানায় এসে থানা গেইটের ভেতরে পুলিশের হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন শফিকুল ইসলাম। এসময় নিজেকের নির্দোষ দাবি করেন তিনি। এমনকি তখন তার হাতে কোনো হ্যান্ডকাফও ছিল না। শফিকুল ইসলামের সেই বক্তব্যই আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার করেছেন তার অনেক সমর্থক।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শৈলকূপা থানা গেটের ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ঝিনাইদহের শৈলকূপার ১০ নং বগুড়া ইউনিয়নে ৫ম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বিশ্বাস, ঝিনাইদহ জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ আরও অনেকে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন শফিকুল ইসলাম শিমুল।
নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগে নানা বিরোধ দেখা দেয়। এসবের জেরে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারী প্রকাশ্য দিবালোকে পেয়াজের ক্ষেতে হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় কলেস্নার খন্দকার নামের এক যুবক। সে বড়বাড়ি বগুড়া গ্রামের মৃত আকবর খন্দকারের ছেলে।


















