বাকেরগঞ্জ উপজেলার বঙ্গশ্রী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা বাদল খলিফা সহ তাদের আত্মীয় – স্বজন ও পরিবারদেরকে জড়িয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন একই এলাকার বাসিন্দা মামলাবাজ বাদী আনিসুর রহমান বিশ্বাস মিন্টু।এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিরীহ ব্যক্তিদেরকে মামলা দিয়ে হয়রানি এবং মারধর করায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বিশ্বাস মতিউর রহমানের ছোট ভাই বি এন পি নেতা তৎকালীন বি এনপির সাবেক এমপি আবুল হোসেনের সহযোদ্ধা আনিসুর রহমান বিশ্বাস মন্টু এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে হিন্দু বাড়ির জমি দখল এবং তাদেরকে মারধর করে এলাকা ছাড়া করেছে।
বর্তমানে বাদল খলিফা,মান্নান খলিফা,বাবুল খলিফা,মোতাহার খলিফা,শাকিল,শাকিব,নাসির খলিফা,মশিউর খলিফা,মামুন খলিফা,কাউসার খলিফা,হুমায়ন খলিফা,পারভেজ খলিফা,বজলু খলিফা এদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।যে কোন মুহূর্তে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।উল্লেখ্য বাদলের সাথে নান্না বিশ্বাসের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নান্না বিশ্বাস হঠাৎ করে বাদলকে বেধড়ক মারধর মুখের উপর আঘাত করলে তারা কোনো উপায় না পেয়ে বাদলের পরিবার সহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।বাদল জানান আউলিয়াপুরের বাসিন্দা অফের উদ্দিন ফকির মারা যাওয়ার আগে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা মিন্টু বিশ্বাসের কাছে রেখে যান।ওই টাকা মিন্টু বিশ্বাস অস্বীকার করে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাহবুব অফিস উদ্দিন ফকিরের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তার নামে দোয়া খায়ের করার জন্য ঈদের পরের শুক্রবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে ও ঘোষনা দেওয়া হয়।মিন্টু বিশ্বাস অফিস উদ্দিন ফকিরের রক্ষিত টাকা ফেরত না দেওয়ায় এবং অস্বীকার করায় তার নামে জিয়াফত অনুষ্ঠান হয় নি।এই নিয়ে বাধঁন খলিফার সাথে কথা কাটাকাটি হলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বাদল খলিফা বর্তমানে ১২ নং ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় মেম্বার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।বাদলকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য বিশ্বাস গ্রুপ উঠে পড়ে লেগেছে।বর্তমানে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার ভাই মতিউর রহমান বিশ্বাস যুবলীগের নেতা হওয়ার কারনে এলাকায় ত্রাস ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের এনে মিন্টু বিশ্বাস বাদল খলিফাকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।বাদল এর পরিবার সাংবাদিকদের জানান,এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ও প্রশাশনের উপরোক্ত কর্মকর্তার দৃষ্টি কামনা করছেন।
