নিউজ ডেস্ক ::
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি ও ভরতকাঠি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ৬০ ফুট চওড়া এই খালের উপর নির্মিত হয়েছে এক মাত্র সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন পাড় হতে হয় গ্রামবাসীদের। প্রায় দুই যুগ ধরে ওই গ্রাম দুটির গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে সাঁকোটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে প্রতিদিন স্কুল যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। বিশেষ করে নারী ও বৃদ্ধদের যাতায়াতে এটি পার হতে হয় আতংক নিয়ে। বিশেষ করে রোগীদের এ সাঁকো পার হয়ে চিকিৎসা নিতে যাবার সময় দূর্ভোগের সীমা নেই। এভাবে বছরের পর বছর ধরে গ্রামবাসী কষ্ট করে যাতায়াত করলেও এখানে ব্রীজ বা কালভার্ট নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে আবেদন করে রাখা হলেও এসমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা। প্রায়ই এটি পারাপারের সময় দূর্ঘটনা ঘটেছে।
উওর জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা খান মাইনউদ্দিন ও ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মহাসিন জানান, বিগত দিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি ব্রীজ/কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। যা আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবি। কিন্তু নির্বাচন এলেই খালটির উপর কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দুটির ভোটেরদের কাছে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূর্ণ হয়নি বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।
এ বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা জানান, এই খালের উপর একটি ব্রীজ বা কালভার্ট একান্ত জরুরী। কারণ দুটি গ্রামের জনসাধারণের চলাচল ও যোগাযোগ একমাত্র মাধ্যম খালটি। এটি সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে জনদুর্ভোগের শেষ নেই। যদিও এজন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের টেকসই প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে এখন ব্রীজ/ কালভার্ট নির্মাণ হতে পারে।
