ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে দুর্ঘটনায় ভেঙ্গে যাওয়া লঞ্চদুটি পরিদর্শণ করেছেন বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক ও বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার নৌ-যান দুটি পরিদর্শন করে যাত্রা বাতিল করেছেন।
আজমল হুদা জানান, লঞ্চ দুটি পরিদর্শন করেছি। লঞ্চ দুটি মেরামত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র ছাড়পত্র না পাওয়া ওই দুটি লঞ্চ রুটে সংযুক্ত হতে পারবেন না।
বুধবার (২২ জুলাই) রাত ২ টার একটু পরে মেঘনার ইলিশা চ্যানেলে এমভি মানামী লঞ্চ ডুবোচরে আটকে যায়। লঞ্চটি চর থেকে নামতে উচ্চ গতিতে ব্যাক গিয়ারে নামতে গিয়ে তার পিছন থেকে যাওয়া সুন্দরবন লঞ্চটিতে সজোরে ধাক্কা মারে। এতে সুন্দরবন লঞ্চের মাঝখানের অংশ দুমড়েমুছড়ে যায় এবং মানামী লঞ্চের পিছনের অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
যদিও মানামী লঞ্চের মাস্টার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ভিএইচএফ এ পেছনে যাবার খবরটি সুন্দরবন ১০ লঞ্চকে অবহিত করা হয়েছিলো। কিন্তু ওই লঞ্চ তার দেয়া তথ্যানুসারে গুরুত্ব না দেয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে সুন্দরবন-১০ লঞ্চের মাস্টার মজিবর রহমান মুঠোফােনে জানিয়েছেন, ভিএইচএফ এ কোন সিগন্যাল পাঠায়নি মানামী।
