সোমবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

বরিশাল বিএডিসি অফিসে অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ লুটপাট আর স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

প্রতিবেদক
banglarmukh official
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অবসরে যাওয়া কর্মচারীদের দিয়ে চলছে বরিশাল বিএডিসি অফিস। প্রতি তিন বছর পর বদলির নিয়ম থাকলেও প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমার হালদারের অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ লুটপাট আর স্বেচ্ছাচারিতার কারনেই এমনটা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, অবসর গ্রহনের পরেও নিয়মিত অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, সহকারী প্রকৌশলী আবুল বাশার, আঃ খালেক এবং অফিস সহকারী মোর্শেদ। ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘদিন ধরে বহাল তবিয়তে আছেন এসব কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
তৎবির বানিজ্য করে বহাল তবিয়তে থাকায় বহাল তবিয়তে থাকায় এদের কারনে নতুন কোন কর্মচারী আসার সুযোগ পাচ্ছেন না। অবসরে যাওয়ার পরেও নিয়মিত অফিসের কর্যক্রম চালিয়েও বসে নেই তারা প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমার হালদারের সাথে যোগ সাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে বিপুল অর্থের মালিক হয়ে কোটিপতি বনে গেছেন তারা।
বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে, বিএডিসি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারী বর্তমানে কর্মরত মোর্শেদ প্রকল্প পরিচালকের মাধ্যমে ২০১৮ সালে সুমন তালুকদারকে মাছ এন্টারপ্রাইজ নামে ১০ কোটি টাকার ট্রেন্ডার পাইয়ে দিয়েছেন। এ বছর ও প্রায় ৫ কোটি টাকার কাজ দেয়া হয়েছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে বরিশাল বিএডিসি অফিসের কর্মচারীদের অসহনীয় দুনীতির ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। আর এ দুনিতির প্রধান হোতা হচ্ছে প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমার হালদার প্রতিটি টেন্ডারের ক্ষেত্রে তিনি তার পছন্দের কিছু ঠিকাদারদের কাছে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ইজিটি (ই টেন্ডার) তে প্রদত্ত আইডি নম্বর এবং ইস্টিমেট ( প্রাক্কলিত দর ১০% নিম্নে ) বিক্রি করেন।

যার ফলে অন্যান্য ঠিকাদাররানিদিষ্ট দরে (১০% নিম্নে) দরপত্র দাখিল করলেও তার কাজ পাবার কিংবা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বিবেচিত হওয়ারকোন সম্ভাবনা থাকে না অথচ সাধারন ঠিকাদাররা প্রতি বছরনিয়মিত বহু টাকা নবায়ন ফি দিয়ে আসছেন। এ ছাড়াও প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমারহালদার প্রতিবার দরপত্র আহবান করেতার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ ( আইডি নম্বরে ) ভাগাভাগি করে দেন। উল্লেখ্য যে ই টেন্ডার (ইজিপি) এ অন্যান্য দপ্তরে যেমন এলজিইডি, শিক্ষা অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ, বিআই ডব্লিউ টি এ , স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরে এল টি এম (লিমিটেড টেন্ডার মেথোড) পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করেন।

এত করে ঠিকাদাররা যেভাবে উপকৃত হন তেমনি দরপত্রে স্বচ্ছততাও বজায় থাকে কিন্তু বিএডিসি অফিসে প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমার হালদার স্বেচ্ছাচারি ভাবে এল টি এম (লিমিটেড টেন্ডার মেথোড) পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান না করে ও টি এম (ওপেন টেন্ডার মেডথ) পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করে এবং তার পছন্দসই ঠিকাদারদের কাজ ভাগাভাগি করে দিেেয় দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়েনিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা যার ফলে সাধারন ঠিকাদাররা বঞ্চিত হচ্ছে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক স্বপন কুমার হালদার’র কাছে জানতে চাইলে তিনি তিনি জানান, অফিসে আসেন কথা বলি।  চার দাওয়াত রইলো আইসেন।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ

আপনার জন্য নির্বাচিত