স্টাফ রিপোর্টার// রেজুয়ানুর রহমান সফেন:
আদালতের নির্দেশ থমকে গেছে পুলিশের দাপটে।জমির প্রকৃত মালিককে চাদাবাজি মামলায় ফাসিয়ে হাজতে রেখে বহুতলা ভবন নির্মান করচে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কর্নকাঠীর বাসিন্দা মৃত আ: বাকের হাওলাদারের ছেলে দিনমজুর ওসমান গনি হাওলাদারেরে স্ত্রী রাজিয়া ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একই এলাকার বাসিন্দা মৃত জাবেদ আলী হাওলাদারের ছেলে মো: আক্কেল আলী হাওলাদারের কাছ থেকে কর্রকাঠী মৌজার ৬১ নং খতিয়ানের প্রায় ৮ শতাংশ জমির মালিকানা পান।জমি ক্রয় করার পর থেকে দখল বুঝে দীর্ঘদিন ভোগ দখল করে আসছিলেন। জমির সাব রেজিস্ট্র দলিল নম্বর ৯৬৭৩ । অপরদিকে নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে মাহবুবুল হাসান ২০০৮ সালে নভেম্বর মাসের ২০ তারিখ ৬১০ নং কর্নকাঠী মৌজার ৫৭ নং জে. এল থেকে ওই এলাকার বাসিন্দা মৃত আছমত আলী হাওলাদারের ছেলে মো: শাহাজাহান হাওলাদার ও আয়শা বেগম দের অর্থাত ১নং দাতার কাছ থেকে ২.৫২ শতাংশ , ২ নং দাতার কাছ থেকে ৩.০২ শতাংশ , ৩ থেকে ৬ নং দাতার কাছ থেকে ৩.৩৬ শতাংশ ৭ নং দাতার কাছ থেকে ০.৫০ শতাংশ, ৮ ও ৯ নং দাতার কাছ থেকে ১.৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ১৭ নং দাতার কাছ থেকে ২.৮০ শতাংশ সর্বমোট প্রায় সাড়ে ১৩ জমি ক্রয় করে।হাসানের ক্রয়কৃত সম্পত্তির রেজিস্ট্রিকৃত হাত নকশা ও পরিমাপ অনুযায়ী দেখা যায়, কুয়াকাটা বরিশাল মহাসড়কের পূর্ব পাশে মানে বর্তমান বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্য সরকারের অধিগ্রহনকৃত জমির মধ্যে হাসানের সাড়ে ১৩ শতাংশ জমি সরকার অদিগ্রহন করে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে মাহবুবুল হাসান তার শশুর (সাবেক কোর্ট ইন্সেপেক্টার ) সুলতান মাহামুদের প্রভাব খাটিয়ে রাস্তার অপরপাশে অপর পাশে রাজিয়ার ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল করে ভবন নির্মান করে যাচ্ছে। জমির মালিক রাজিয়া জানান , প্রথমে বন্দর থানা পুলিশকে জানাই । পুলিশ এ বিষয় কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আদালতের দারস্থ হন। আদালত রাজিয়ার সামী ওসমান গনি জমিতে স্থায়ীবস্তা চেয়ে মামলা করলে বিচার মামলাটি আমলে নিয়ে বন্দর থানা পুলিশকে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহন ও স্ব স্ব অবস্থানে উভয়কে স্থিতিশীল থাকার নির্দেশ দেন। অথচ পুলিশের জামাতা মাহবুবুল হাসান আদালতের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিচারক বরাবর পাল্টা আবেদন করলে আদালত তা না মন্জুর করে পরবর্তী তারিখ নির্ধারন করে ।রাজিয়ার স্বামী ওসমান গনি আদালতের নির্দেশের অনুকুলে , পুলিশের কাছে একাদিক বার গিয়েও কোন প্রতিকার পান নি। উল্টো নিজের সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে ওসশান গনি ও তার স্ত্রী রাজিয়া এবং অষ্ঠম শ্রেনীতে পরুয়া ছেলে হানিফের বিরুদ্ধে চাদাবাজি ও হত্যাচেষ্টা সহ একাদিক মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসিয়ে দেয় সাবেক কোর্ট ইন্সেপেক্টর সুলকান মাহমুদ। বিষয়টি মাহবুবুল হাসান ও মিজানের কাছে জানতে চাইলে উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, এর আগে এক সাংবাদিক আসছিলেন।তাকে চাদাবাজি মামলা দিয়ে ফাসিয়ে দিয়েছি । এ নিয়ে আপনার বেশী বোঝার দরকার নাই । যা বোঝার পুলিশ বুঝবে।

অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার মাহবুবুল হাসান আদালতের নিষেদ না মেনে জমিতে স্থাপনার কাজ করা শুরু করলে বাধা দিতে যায় রাজিয়া । বাধা দিতে যাওয়ায় রাজিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে । এবং সাবেক কোর্ট ইন্সেপেক্টর সুলকান মাহমুদ এর দাপটে কিছু পুলিশ এনে তাদের জমি থেকে বের করে দেয় এবং বাধা দিতে আসলে গ্রেফতারের হুমকি দেয়।
