মার্চ ১২, ২০২৬
Bangla Online News Banglarmukh24.com
জাতীয় নির্বাচন প্রচ্ছদ রাজনীতি

মানবতাবিরোধী অপরাধী আলীমপুত্র পেলেন চিঠি

জয়পুরহাট-১ আসনেও (সদর ও পাঁচবিবি) কৌশলগত কারণে দুজনকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।গতকাল সোমবার তাঁদের এ-সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ফয়সল আলীম।

ফয়সল আলীম সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা আবদুল আলীমের বড় ছেলে। আবদুল আলীমকে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাভোগ করার সময় মারা যান। জয়পুরহাট-১ আসনে তিনি বিএনপি থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে মন্ত্রী ছিলেন।

২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে জেলা বিএনপির সভাপতি মোজাহার আলী প্রধান জেলার-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাজা সামছুল আলমকে ৩৪ হাজার ২৯২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। তবে ২০১৪ সালে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামছুল আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ নির্বাচিত হন। মোজাহার আলী গত ৫ জানুয়ারি মারা যান।

মুঠোফোনে জানতে চাইলে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি ও ফয়সল এ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সাংসদ সামছুল আলম।

জয়পুরহাট-২ : জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল) আসনে দুই সাবেক সাংসদকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তাঁরা হলেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা ও আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান।

২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন আবু সাঈদ আল মাহমুদ। বিএনপির প্রার্থী ছিলেন গোলাম মোস্তফা। নির্বাচনে আবু সাঈদ পেয়েছিলেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২১ ভোট। গোলাম মোস্তফা ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮১ ভোট পেয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। আবু সাঈদ আল মাহমুদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ নির্বাচিত হন।

মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রয়াত আবদুল আলীমের ছেলে ফয়সল আলীম ছাড়াও চিঠি পেয়েছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফজলুর রহমান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সাংসদ ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তাঁর পক্ষে দলীয় নেতা-কর্মীরা অনেক আগে থেকেই মাঠে কাজ করছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওবায়দুর রহমান চন্দন বলেন, ‘আমি নিজেও জয়পুরহাট-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। দলের সাবেক দুই সাংসদ গোলাম মোস্তফা ও আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমানের নামে মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে চূড়ান্ত করবে দল।

গোলাম মোস্তফা বলেন, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এখানে বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ‘একতরফা’ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংসদ নির্বাচিত হন। এবার অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে সাংসদ নির্বাচিত হবেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ আল মাহমুদ বলেন, ‘সাংসদ নির্বাচিত হয়ে আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল উপজেলায় দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছি। টিআর ও কাবিখার শত ভাগ কাজ করেছি। গত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাইনি। আশা করছি, এবার নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।

সম্পর্কিত পোস্ট

গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

Banglarmukh24

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুস সাত্তার

Banglarmukh24

মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ

Banglarmukh24

অবকাঠামো নয়, খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেবেন আমিনুল

Banglarmukh24

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন যারা

Banglarmukh24

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

Banglarmukh24