মঙ্গলবার , ১৪ নভেম্বর ২০১৭ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করায় ক্ষিপ্ত হন বাবর

প্রতিবেদক
banglarmukh official
নভেম্বর ১৪, ২০১৭ ৮:০২ অপরাহ্ণ

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করায় র‌্যাবের তৎকালীন ডিজির (মহাপরিচালক) উপর ক্ষিপ্ত হন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তাকে না জানিয়ে কেন হান্নাকে গ্রেফতার করা হলো সে বিষয় তিনি তার (ডিজি) কাছে জানতে চান।

মঙ্গলবার ঢাকার ১নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিনের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সৈয়দ রেজানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী একরামুদ্দিন।

যুক্তি উপস্থাপনে তিনি বলেন, মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়, মামলার আসামি জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানকে গ্রেফতারের পর র‌্যাবের ডিজি তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জানান। সে সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী র‌্যাবের ডিজির উপর ক্ষিপ্ত হন।

এ দিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আগামী কাল (বুধবার) পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

উল্লেখ্য, অন্য মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়।

আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আর ২০ জনের সাফাই সাক্ষী নেয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী।

ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)। ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। মামলা তদন্তের ভার পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আখন্দ। তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমানসহ ৩০ জনের নাম যুক্ত করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন।

অন্য মামলায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় পর এ মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯। এর মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পালাতক রয়েছেন। এ ছাড়া জামিনে আট এবং কারাগারে রয়েছেন ২৩ জন

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিএনপির সময় বিদ্যুতের পরিবর্তে খাম্বা উপহার পেয়েছিল জনগণ’

একই পরিবারের মা, মেয়েসহ ৩ নারীকে ধর্ষণ করল ভণ্ড পীর

গ্যালারি থেকে শুধুই আওয়াজ আসছে ‘বাংলাদেশ’ ‘বাংলাদেশ’

জমিসহ ঘর তুলে দেয়া হলো সেই আছপিয়ার মায়ের হাতে

গোপালগঞ্জ-১ : আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনলেন আরিফা রুমা

সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে হাছান মাহমুদের সাক্ষাৎ

ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুস্ঠিত

প্রথম ম্যাচ থেকেই প্রত্যাশা পূরণের প্রত্যয় স্মিথের

বানারীপাড়ায় পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী তুহিন গ্রেপ্তার

ববি’র ভর্তি পরিক্ষায় আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি-বাস সার্ভিস চালু করলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ