হিমালয়সম পুঁজি নিয়েও পারল না মোহামেডান

লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জের সাথে ২৯৫ রানের লড়িয়ে পুঁজি নিয়ে হার মানার পর এবার শেরে বাংলায় শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৩২৪ রানের হিমালয়সমান সংগ্রহ গড়েও পারলো না মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ২ উইকেট আর ২ বল হাতে রেখে মোহামেডানের বড় পুঁজি টপকে গেছে শাইনপুকুর।

শাইনপুকুরকে এই অবিশ্বাস্য জয় এনে দেয়ার নায়ক আফিফ হোসেন ধ্রুব। তার ৮৬ বলে ৯৭ রানের চোখ ধাঁধানো এক ইনিংসের পর তুলির শেষ আঁচড়টা দিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ আর পেসার দেলোয়ার হোসেন।

অথচ ৩২৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল শাইনপুকুর। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন আফিফ। ষষ্ঠ উইকেটে অমিত হাসানকে নিয়ে ১১৮ রানের ম্যাচ জেতানো এক জুটি গড়েন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

অমিত ৪৩ করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। ঝড়ো গতিতে এগিয়ে চলা আফিফ সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ৮৬ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় ৯৭ রানে এসে শাহাদাত হোসেনের বলে ভুল করে বসেন তিনি। ৩ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় সাজঘরে।

তখনও শাইনপুকুরের জয়ের জন্য ৬৪ রান দরকার। বাকি দায়িত্বটুকু পালন করেছেন সোহরাওয়ার্দি শুভ আর দেলোয়ার হোসেন। ১৯ বলে ৩৪ রানের এক ইনিংস খেলে দেলোয়ার যখন ফিরেছেন, জয়ের জন্য আর মাত্র ৫ রান দরকার শাইনপুকুরের। ২৩ বলে ৩৪ করা সোহরাওয়ার্দি শুভ বিজয়ীর বেশেই মাঠ ছেড়েছেন।

এর আগে টপ অর্ডারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে খুব ভালো অবস্থানে ছিল মোহামেডান। লিটন দাস (৮৪), ইরফান শুক্কুর (৫০), অভিষেক মিত্র (৫০) আর রকিবুল হাসান (৭৪)-টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানই হাফসেঞ্চুরি করেন। ৪৫ করেন পাঁচ নাম্বারে নামা সোহাগ গাজীও।

কিন্তু ৪৫তম ওভার শেষেও ৪ উইকেটে ২৮৬ রানে থাকা দলটি শেষ ৩০ বলে করতে পারে মাত্র ৩৮ রান। উইকেট হারায় ৬টি।

৬ উইকেট হাতে নিয়েও যে দল শেষ ৫ ওভার পূর্ণ হওয়ার তিন বল আগেই অলআউট হয়ে যায়, দিনটি আসলে সে দলের জন্য ছিল না। মোহামেডানের এই হারটা যেন পাওনাই ছিল!

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *