আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে । তিনি আরও বলেছেন, ঈদকে সামনে রেখে এবারকার প্রস্তুতি অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো।
২ মাস ১৬ দিন পর রোববার (১৯ মে) সকালে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেছেন, প্রথম ইনিংস শেষ করেছি। ইনশাল্লাহ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলবো। দ্বিতীয় ইনিংসের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে- সড়কে ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। আশা করি তা আনতে পারবো।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন থেকে ২ মাস ১৬ দিন আগে আপনাদের (সাংবাদিক) সঙ্গে কথা বরেছিলাম। তারপর দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলাম। হয়তো সারাজীবনের জন্যই অনুপস্থিত ছিলাম! কিন্তু দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের অশেষ দোয়া ও প্রধানমন্ত্রীর সবিশেষ চেষ্টায় আমি ফিরে এসেছি।
নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার অনুপস্থিতিতেও আপনারা কাজে কোনো ঘাটতি তৈরি করেননি। এটা আমি সিঙ্গাপুরে থাকা অবস্থায়ই প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুনেছি। তিনি আমায় বলেছেন, তোমার মন্ত্রণালয় ঠিকঠাক মতো চলেছে।
মহাসড়কের অবস্থার কথা তুলে কাদের বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। তবে এবার ঈদে মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে না এটা বলতে পারি।
‘ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে ৪টি আন্ডার পাসের কাজ শেষ হবে ঈদের আগেই।আগামী ২৫ মে মেঘনা-গোমতি সেতু উদ্বোধন হবে বলেও জানান তিনি।
পরিবহন খাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিআরটিসির বাস ও ট্রাক চলে আসছে। গণপরিবহনের ঘাটতি পূরণ হবে।
নিজের চিকিৎসার বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৬ জুলাই চেকআপ করাতে যাবো। ভারি কাজ করতে চিকিৎসকেরা নিষেধ করেছেন। দুইমাস পরপর চেকআপ করাতে হবে।
‘আগের মতো রাস্তায় রাস্তায় রোদ-বৃষ্টি একাকার করে কাজ করতে পারবো না। তবে ধীরে ধীরে ২/৪ মাস পর আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবো, ইনশাল্লাহ।’
এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে যান ওবায়দুল কাদের। কার্যালয়ে গিয়ে প্রথমেই রুটিন কাজ করেন সেতুমন্ত্রী।
পরে পৌনে ১১টায় নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ক সভায় যোগ দেন ওবায়দুল কাদের।
সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে গত বুধবার (১৫ মে) বিকেলে দেশে ফেরেন তিনি।
