বনমালী ছাত্রী নিবাসের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদের প্রতিকার চেয়ে আবেদন

সরকারি বিএম কলেজের বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের সহকারী সুপার ও বিএম কলেজ শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সরদার এবং হল সুপার আবু সাদেক মো: শাহ আলম হাওলাদার এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদের প্রতিকার চেয়ে অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেছেন বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে অবস্থানরত সাধারন ছাত্রীবৃন্দ। বৃহস্পতিবার এ আবেদন করা হয়।

আবেদনে সাধারন ছাত্রীরা গন স্বাক্ষর প্রদান করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আব্দুর রহিম ও আবু সাদেক শিক্ষক হিসেবে অত্যান্ত ভালো মানুষ। তারা বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে ছাত্রী নিবাসে নিয়ম শৃঙ্খলা ফিরে আসে। এছাড়া ডাইনিং ব্যবস্থার উন্নতি হয়।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হলে ফ্রি খাওয়া বন্ধ, কাগজ পুড়িয়ে রান্না করতে না দেয়া, বৈদ্যুতিক হিটার ধ্বংস এবং রাতে নির্ধারিত সময়ের পরে হালের বাইরে যাওয়া-আসায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ও কঠোর অবস্থানে যাওয়ার জন্য একদল কুচক্রি মহল ও কিছু রাজনৈতিক নেত্রী এই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যারা এই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি যানানো হয়।

এ ব্যাপারে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের সহকারী সুপার ও বিএম কলেজ শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সরদার জানান, ছাত্রীদের জীবন রক্ষায় বৈদ্যুতিক হিটার ধ্বংস, ডাইনিং থেকে খাবার রুমে নেয়া বন্ধ এবং রাতে নির্ধারিত সময়ের পর ছাত্রী নিবাসে আসা-যাওয়ায় উপর কড়াকড়ি আরোপ করায় কিছু অবৈধ সুবিধাভুগী নাখোশ হয়েছে। আমরা কর্তৃপক্ষেও নিয়ম বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে যাওয়ায় একটি দুষ্টু চক্রের ইন্ধনে কিছু ছাত্রী উত্তেজিত হয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছে। এসব অভিযোগ অমূলক।

হল সুপার আবু সাদেক মো: শাহ আলম হাওলাদার বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে সেখানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চেস্টা করে যাচ্ছি। ডাইনিং এর পরিবেশ সুন্দর রাখতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। আর এতে অনিয়মে অভ্যস্থ কিছু ছাত্রীর সমস্যা হতে পারে। সে কারনে হয়তো তারা এমন অভিযোগ তুলেছে। তদন্ত করলে সঠিক তথ্য বেড়িয়ে আসবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *