সড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ,চেকপোস্টে কড়াকড়ি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। লকডাউনের ৫ম দিন রোববার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা মহানগরীতে ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল শুক্র ও শনিবারের তুলনায় বেশি।

রাজধানী মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের অহেতুক বাইরে ঘোরাফেরা নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করছে পুলিশ।

মিরপুর ১৪ থেকে ১ নাম্বার পর্যন্ত চারটি চেকপোস্টো যাত্রী পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা যায়। এসময় বিভিন্ন জায়গায় রিকশা উল্টে রেখে চালকদের শাস্তি দিতে দেখা যায়।

সকাল ৯টায় মিরপুর ১০ নাম্বারে গন্তব্যে যাওযার জন্য চাকরিজীবিদের বিভিন্ন পরিবহন খুঁজতে দেখা যায়। বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, ‘মিরপুর ১ নাম্বার থেকে ১০ নাম্বার এসেছি ৬০ টাকায়। উত্তরা যাবো সিএনজি পাচ্ছি না। খেপের মোটরসাইকেল ২৫০ টাকা ভাড়া বলছে।’

মিরপুর ১০ নাম্বারে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য বিকাশ জানান, সড়কে গাড়ির চাপ থাকায় পুলিশ চেকপোস্টের সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ও জরুরি সেবা নিতে যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা বেশি। তবে উপযুক্ত কাগজপত্র দেখালে যেতে দেয়া হচ্ছে।

 

দুপুর ১২ টার দিকে মিরপুর ১০ নাম্বারের পাশের গলিতে কিছু রিকশা উল্টে রাখে পুলিশ। এ সময় ক্ষোভ ঝেড়ে রিক্সা চালক শামসুল বলেন, ‘এই রিকশা আটকে রাখার আইন কই পাইছে। গাড়ি চলতেছে রোডে, তাদের তো ধরতে পারে না।’

 

দুপুর সাড়ে ১২ টায় মিরপুর ১৩ নাম্বার হারমান মাইনর স্কুল সংলগ্ন রাস্তায় উল্টানো রিকশার ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য দৌড়ে আসেন। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও মোবাইল থেকে ছবি মুছতে বলেন পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশ সদস্য কামরুল বলেন, ‘কোন চ্যানেল, কার্ড কই। যাই হোক ছবি তোলা যাবে না। মুছে ফেলেন।’ পরে পুলিশের সামনে ছবি মুছে ফেলতে হয়।

 

প্রধান সড়কে কড়াকড়ি থাকলেও অলি-গলিতে অনবরত চলাফেরা করছেন সাধারণ মানুষ। খোলা আছে সব ধরনের দোকান, চলছে বারোয়ারি গাড়ি। বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে অস্থায়ী ভ্যানবাজার। বেশকিছু মহল্লায় বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হলেও মানছেন না জনসাধারণ।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *