গত বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলার অভিযোগ এনে সিটি মেয়র ও বরিশাল মহানগগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করে বরিশাল সদর উপজেলার ইউএনও এবং প্রশাসন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা কর্মীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে আগৈলঝাড়া উপজেলার সুজনকাঠী গ্রামের উপজেলা যুবলীগ নেতা ফাইজুল সেরনিয়াবাতকে ৯ নম্বর আসামী করা হয়েছে।
নানান সূত্রের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বুধবার (১৮ আগস্ট) রাতে বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের সামনে আনসার কর্তৃক নেতাকর্মীদের উপর গুলি বর্ষণ ও হামলার সময় এজাহারের উল্লেখিত ৯ নম্বর আসামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার ৯ নম্বর আসামী উপজেলা যুবলীগ নেতা ফাইজুল সেরনিয়াবাত তার করোনা আক্রান্ত মাকে নিয়ে করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসারত অবস্থায় বিগত দুই মাস যাবৎ বরিশালের একটি হাসপাতালে রয়েছেন। করোনা ওয়ার্ডে থাকার কারনে বাইরে চলাচল করছেন না তিনি।
যুবলীগ নেতা ফাইজুল সেরনিয়াবাত একাত্তরকে জানান, ঘরে তার বাবা অসুস্থ্য সত্বেও মা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই মাস যাবৎ হাসপাতালে রয়েছেন তিনি। বর্তমানে মাকে নিয়ে আমি বরিশাল রাহাত অনোয়ার হাসপাতালে থাকা সত্বেও মিথ্যা মামলার আসামী হতে হলো আমাকে। তিনি আরো বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো হচ্ছে। মামলা কারনে অসুস্থ্য মাকে করোনা ওয়ার্ডে রেখেই গ্রেপ্তার আতংকে পালিয়ে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে আমাকে। যে কারনে ব্যহত হচ্ছে করোনা আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা। এছাড়া এ মামলায় একজন মৃত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ফাইজুলের দাবীর বিষয়ে নিশ্চিত হতে ১৮ আগস্ট রাতে বরিশাল রাহাত অনোয়ার হাসপাতালে দায়িত্বরত নার্স অনিমার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি একাত্তরকে জানান, ঘটনার দিন বুধবার রাতে তার (অনিমার) নাইট ডিউটি ছিল। সেসময় ফাইজুল সেরনিয়াবাত ওই হাপাতালেই উপস্থিত ছিলেন।


















