রুপন কর অজিতঃ
বরিশালে চুরি হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে মোটরসাইকেল উদ্বার করে ভুক্তভুগীর কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এঘটনায় ঐ পুলিশ সদস্যদের কর্মতৎপরতা ও দক্ষতার প্রশংসা করেছে সচেতন মহল।
গতকাল সন্ধ্যা ৭ টার দিকে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায়, সন্ধ্যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানাধীন স্টিমার ঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সম্মুখে নানী বুড়ির মাজারের পার্শ্বে নিজের মোটরসাইকেলটি পার্কিং করে কেনাকাটায় ডিসি মার্কেটমুখী (হাজ্বী মহসিন মার্কেট) হন এক যুবক।
ফিরে মোটরসাইকেলটি না পেয়ে হতাশ হয়ে পার্শ্ববর্তী স্টিমার ঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত সদস্যদের অবহিত করেন।
বিষয়টি নজড়ে আসে ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলামের । তিনি তাৎক্ষনিক মোটসাইলেকটি উদ্বারে এস.আই বাশারসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযোগের ২০ মিনিটের মাথায় মোটরসাইকেলটি মার্কেটের পিছনে লঞ্চঘাটের ২ নং গেইটের পার্কিং পয়েন্টের পার্শ্বে পরিত্যক্ত একটি স্থানে আবিস্কার করেন তিনি।
এসময় তিনি মোটরসাইকেলটির মালিককে জানালে তিনি শনাক্ত করেন।
যথাযথ যাচাই বাছাই শেষে মালিকের কাছে হারিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করেন ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম।
এদিকে হারানোর ২০ মিনিটের মাথায় মোটরসাইকেলটি উদ্বার করায় সচেতন মহল প্রশংসা জুড়ে দিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তাকে। পাশাপাশি উচ্ছ্বসিত হয়েছেন ভুক্তভুগী ঐযুবকও। তিনি জানান, আমার অভিযোগের ২০ মিনিটের মধ্যে ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম স্যার মোটরসাইকেলটি উদ্বার করে দিয়েছেন। তার দক্ষতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানাধীন ষ্টীমার ঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই শহিদুল ইসলাম জানান, জনসাধারণের সেবায়ই আমাদের মুল মন্ত্র। দায়িত্ব যথাযথ পালনে অনড় অবস্থানে রয়েছি। আমার কাছে অভিযোগের ২০ মিনিটের মাথায় মোটরসাইকেলটি উদ্বারে সক্ষম হই। এদিকে বিষয়টি কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিমকে জানানো হয়েছে বলে জানাগেছে।

















