শেখ সুমন :
আসছে ৩০শে জুলাই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ( বি সি সি ) নির্বাচন। আর মাত্র নয় দিন বাকি। নয় দিন পরই দেখা যাবে কাকে নগর পিতা এবং কাদের কাউন্সিলর হিসাবে বেঁছে নিয়েছেন ত্রিশটি ওয়ার্ডের জনগন। কিন্তু জনগন যাকেই বেঁছে নিক না কেন , জনগনের কাছে নিজেদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং নিজেদের স্বপ্ন নিয়ে জনগনের দুয়ারে দুয়ারে পৌছে যাচ্ছেন প্রার্থীগন।
নগরীর মধ্যভাগে অবস্থিত সাত নং ওয়ার্ড।এই ওয়ার্ডটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়া সত্বেও এই ওয়ার্ড টি বিভিন্ন ভাবে অবহেলিত। এই ওয়ার্ডটিকে ঢেলে সাজিয়ে জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন করার স্বপ্ন নিয়ে এবার কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন বরিশাল ল কলেজের সাবেক ভিপি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন। যিনি বরিশালের সকলের কাছে মামা খোকন হিসেবে পরিচিত। এবারই প্রথম তিনি কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। ঠেলাগাড়ি প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের কাছে নিজের প্রতিক নিয়ে দেখা করেছেন তিনি। ওয়ার্ডে এখন এক আলোচিত নাম এ্ডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন।

রফিকুল ইসলাম খোকন আওয়ামী লীগ বরিশাল মহানগরীর এক অন্য তম নেতা। এছাড়াও তিনি মানুষের কাছে দানশীল ব্যাক্তি হিসাবে পরিচিত। রফিকুল ইসলাম খোকন একজন সংস্কৃতি কর্মী, ক্রিয়া প্রেমী। তিনি যুব সমাজের সাথে মিশে কাজ করতে খুব পছন্দ করেন। বিভিন্ন মসজিদ , মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন রফিকুল ইসলাম খোকন। কারো মেয়ের বিয়ে না হলে , কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে , শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সহায়তার জন্য এগিয়ে যান রফিকুল ইসলাম খোকন। শুধু তাই নয় , কোথাও কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে সেখানেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম খোকন ওয়ার্ডবাসীকে তার সেবা দানের পরিকল্পনার বীবরনে বলেন : আমি এই কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হতাম না। কিন্তু এলকার দুর্দশাগ্রস্থ জন-সাধারনের ইচ্ছায় ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল মহানগরের নেতৃবৃন্দরা আমাকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে বলেছেন তাই আমি দলের ও ওয়ার্ডবাসির ইচ্ছে পুরনের নির্দেশনা পালন করছি। দলও চাচ্ছে যে আমি যেন নির্বাচনে জয়ী হয়ে এই ওয়ার্ডকে বরিশালের অন্যতম মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলি। ইনশাআল্লাহ্ আমি নির্বাচনে জয়ী হলে ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের দরজায় আমি ডিজিটাল সেবা পৌছে দেব। ওয়ার্ডের ভোটার লিস্টগুলো অতি স্বল্প সময়ে যাতে খুজে বের করা যায় সেজন্য ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে ভোটার লিস্টগুলোর একটি ডিজিটাল সাপোর্টের মাধ্যমে দ্রুত সেবা প্রদানের ব্যাবস্থা করবো। এই এলাকার ড্রেনেজ ব্যাবস্থা বিগত বহুদিন থেকে খুবই দুর্বল তাই সে সমস্যা দ্রুত সমাধান করার চেস্টা করবো। আমার ইচ্ছে অনুযায়ী আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেম হবে উন্নত এবং আধুনিক। এলাকাবাসীকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহে তাদের সমস্যাগুলো সনাক্ত করতে ও দ্রুত সমাধানের জন্য একটি সাপ্তাহিক আলোচনা সভার আয়োজন করবো। যেখানে জনগন বলবে তাদের কি দরকার। আমি যখন যে অবস্থাতেই থাকিনা কেন তাদের সাথে সর্বহ্মন কানেক্ট ও নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য আমার অফিসে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স কলের ব্যাবস্থা রাখবো। একটি অভিযোগ বক্স ও আমার একটি ওয়েব সাইট পেইজে তাদের অভিযোগ ও সমস্যা জানানোর জন্য ব্যাবস্থা রাখবো, যাতে আমি নিজেই তাদের সমস্যাগুলো দ্রুত জানতে পারি ও নিরসনের ব্যাবস্থা নিতে পারি। এগুলো আমি ব্যাক্তিগত ভাবে হলেও জনগনের স্বার্থে করার ইচ্ছে রাখি। সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় যতোটুকু করা সম্ভব তাতো করবোই। এই ওয়ার্ডটিকে আমি মাদক মুক্ত করবো কারন কিশোর ও নবীন রা মাদকাশক্ত হলে উন্নয়ন ও পরিবেশ দুটোই রোগাক্রান্ত হবে বলে আমি মনে করি, তাই আমার ওয়ার্ড টি আমি মাদক মুক্ত করে ছাড়বো। ওয়ার্ডের কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্রতিষ্ঠানের সামনে বা বাইরে রাস্তা ঘাটে ইভটিজিং হবে না। মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠন করবো।

আমার সুপ্ত ইচ্ছা গুলোর বাস্তব রুপদানে সহায়তা করতে আপনারা (৭নং ওয়ার্ডবাসি) আমাকে কাউন্সিলর পদে ঠেলাগাড়ী মার্কায় ভোট প্রদান করে নির্বাচিত করুন। ইনশাআল্লাহ্ জনগনের কাছে যে ভালোবাসা পাচ্ছি তাতে আমি জয়ী হবো। পাশে ছিলাম,পাশে আছি এবং পাশে থাকবো যতোদিন বেঁচে থাকবো এটাই আমার অঙ্গিকার।
