Day: October 7, 2019

  • খুলনা ও ফরিদপুরসহ পনের জেলায় ট্যাংকলরী ধর্মঘট ৯ অক্টোবর থেকে

    খুলনা ও ফরিদপুরসহ পনের জেলায় ট্যাংকলরী ধর্মঘট ৯ অক্টোবর থেকে

    খুলনা প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    খুলনা ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের দুই সদস্যর নামে উদ্দেশ্যমূলক মামলার চার্জশীটে নাম দেয়ায় আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শ্রমিক ও মালিক সমিতিসহ চারটি সংগঠন। আগামী ৯ আক্টোবর খুলনা ও ফরিদপুরের ১৫ জেলায় ২৪ ঘন্টা ধর্মঘট (কর্ম বিরতি) পালন করবে শ্রমিকরা। এদিকে, মামলা থেকে নাম প্রত্যাহার করা না হলে ১০ আক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘট পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে ৪ সংগঠনের নেতারা। গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। আঃ রহিম ও মোঃ সাঈদ নামে খুলনা ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের দুই সদস্যর নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এ আন্দোলন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেন নেতারা। উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল খুলনার আড়ংঘাটা থানা এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় কেউ মারা না গেলেও দুই ট্যাংকলরী শ্রমিকসহ কয়েজনের নামে আড়ংঘাটা থানা একটি মামলা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও মালিকদের কয়েক দফা বৈঠক হয়। প্রশাসনের লোকজন দুর্ঘটনার সাথে জড়িতদের নামে মামলা দেয়া হবে এবং ট্যাংকলরী শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস প্রদান করেন। সম্প্রতি মামলার চার্চশীটে ওই দুই শ্রমিকের নাম দিলে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে ৪ সংগঠনের নেতারা বৈঠকে বসেন, বেঠকে ৯ অক্টোবর ২৪ ঘন্টা কর্ম বিরতি ও মামলার বিষয়ে ফয়সালা না হলে খুলনা বিভাগের ১০ ও বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় ট্যাংকলরী চলাচল বন্ধ রেখে তিনটি ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও বিপনন বন্ধ এবং আগামী ১০ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘট পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকালকের সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর এজেন্টস এন্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের মহাসচিব শেখ ফরহাদ হোসেন। বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শেখ নুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলী আজিম, পদ্মা মেঘনা যমুনা ট্যাংকলরী শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি সুলতান মাহমুদ পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম কালু প্রমুখ।

     

  • আবরারের কোনো শত্রু ছিল না : মা

    আবরারের কোনো শত্রু ছিল না : মা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    এমন শান্তশিষ্ট ছেলের কোনো শত্রু থাকতে পারে এ কথা কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছেন না বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন। তিনি বলেন, ছেলে আবরার ফাহাদের কোনো শত্রু ছিল না। তাদের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সমর্থক। ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

    সোমবার সকালে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। পরিবারের সদস্যরা বুঝে উঠতে পারছেন না এত মেধাবী ও শান্তশিষ্ট ছেলেটিকে কারা কী কারণে হত্যা করল।

    বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওই হলের নিচতলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

    আবরারের বাবার নাম বরকতুল্লাহ। তিনি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা ছিলেন। মা রোকেয়া খাতুন একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ফাহাদ বড়। ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ঢাকা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সেও ঢাকা কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে। বুয়েটের শেরে বাংলা হলের কাছেই তার হোস্টেল। কুষ্টিয়ার পিটিআই সড়কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের বাসার পাশেই তাদের বাড়ি।

    পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০ দিন আগে ছুটিতে দুই ভাই বাড়িতে এসেছিলেন। এ মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত বাড়িতে থাকতে চেয়েছিলেন আবরার। তবে সামনে পরীক্ষা, তাই পড়াশোনার চাপ আছে একথা বলে রোববার ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন আবরার। ছোট বেলা থেকেই আবরার ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। ২০১৫ সালে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন আবরার। এইচএসসিতে ভালো ফলাফল করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হন আবরার। চান্স পেয়েছিলেন মেডিকেল কলেজেও।

    ছেলের হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে মা রোকেয়া খাতুন বলেন, রোববার সকালে আমি তাকে নিজে ঘুম থেকে ডেকে তুলি। সে ঢাকায় রওনা দেয়। মাঝে তিন থেকে চারবার ছেলের সঙ্গে মুঠোফোনে আমার কথা হয়। বিকেল ৫টায় হলে পৌঁছে ছেলে আমাকে ফোন দেয়। এরপর আর কথা হয়নি। রাতে অনেকবার ফোন দিয়েছিলাম, ও আর ফোন ধরেনি।

    ছোট ভাই আবরার ফায়াজ বলেন, ফোন না ধরায় আমি ফেসবুকের মেসেঞ্জারে ভাইয়াকে নক করি। ভাইয়া সে সময়ও ফেসবুকে অ্যাকটিভ ছিল, তবে সাড়া দেয়নি।

    চাচা মিজানুর রহমান বলেন, আবরার ফাহাদ শিবিরের কর্মী বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এটা বানোয়াট, আবরার একজন উদারমনা ও প্রগতিশীল ছেলে। আমরা গোটা পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক। হানিফ সাহেবের সব প্রোগ্রাম আমরা যাই। তবে আবরার তাবলিগে যেত। বুয়েটে ভর্তির পরও দুই তিনবার সে তাবলিগে গিয়েছিল।

    এর আগে গত ৫ অক্টোবর এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নিজের ফেসবুকে দুটি সমালোচনামূলক পোস্ট দেন আবরার।

  • অশ্লীল প্রস্তাবে ক্ষেপেছেন স্বস্তিকা

    অশ্লীল প্রস্তাবে ক্ষেপেছেন স্বস্তিকা

     

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় তিনি। শুটিং হোক কিংবা পার্টি, নিজের নানা মুহূর্তের ছবি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। ফলোয়ারের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। বলছি বরাবরই ঠোঁট কাটা অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কথা।

    কোনো বিষয়েই লুকোছাপা করার অভ্যেস তো নেই-ই তার। কাউকে পরোয়াও করেন না। স্পষ্ট ভাষায় নিজের বক্তব্য জাহির করতে তার জুড়ি মেলা ভার।

    সোশাল সাইটে প্রায়ই নিজের ছবি পোস্ট করেন মুখোপাধ্যায়। ভক্তরা তার ছবিতে লাইক দেয়, কমেন্ট করে। এবার এক ফেসবুক ব্যাবহারকারীর বিরুদ্ধে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে স্বস্তিকার দাবি, সুদীপ দত্ত নামের ওই ব্যক্তি তাকে অশ্লীল প্রস্তাব দিয়েছেন ম্যাসেজে।

    কী সেই প্রস্তাব তারও একটি ছবির সঙ্গে দিয়েছেন স্বস্তিকা। ‘একটা রাত ডেকে নাও না’- বাক্য দিয়ে শুরু করা সেই ম্যাসেজে এমন অশ্লীল সব কথা রয়েছে যা উচ্চারণ করে পড়ার উপায় নেই।

    সেই সুদীপ্ত দত্তের স্ত্রী ও তার পরিবারের উদ্দেশ্যে স্বস্তিকা লিখেছেন, ‘মিস্টার সুদীপ দত্তের ফেসবুক পরিচিতি বলছে তিনি বিবাহিত এবং সমাজে গৃহিত কোনো প্রাণী। আমি নিশ্চিত উনার স্ত্রী ও পরিবারের সবাই খুবই সম্মানিত হবেন উনার আসল চেহারাটা দেখে।

    অনেকেই ধারণা করেন অভিনেত্রী মানেই পতিতা। কিন্তু এই লোকটির বিচার করবে কে?’

  • আবরার হত্যা : ৪ ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৬

    আবরার হত্যা : ৪ ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৬

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মোট ছয়জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদের মধ্যে চারজন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ নেতা। বাকি দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    আটককৃতরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তানভীরুল আবেদীন ইথান (১৬তম ব্যাচ) ও জিসান।
    সোমবার বেলা ৩টার দিকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার ও ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেফতাহুল ইসলাম জিয়নকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সকালে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং সহ-সভাপতি ফুয়াদ হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, বুয়েটের শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থী, সিসিটিভি ফুটেজ ও আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

    সূত্র জানায়, ফাহাদকে জেরা ও পেটানোর সময় ওই কক্ষে অমিত সাহা, মুজতাবা রাফিদ, ইফতি মোশারফ ওরফে সকালসহ তৃতীয় বর্ষের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই কক্ষে এসে দ্বিতীয় দফায় ফাহাদকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই বর্ষের মেফতাহুল ইসলাম জিয়নসহ কয়েকজন। তারা সবাই মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারী।রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।
    তিনি বলেন, ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই। কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে।

    এদিকে দুপুরে ঢামেক হাসপাতাল মর্গের সামনে আবরার ফাহাদের মামাতো ভাই জহুরুল বলেন, ফাহাদের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

  • ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছিল আবরারের

    ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছিল আবরারের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ‘ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন ছিল আবরার ফাহাদের। মৃত্যু তার সেই স্বপ্নকে পূরণ হতে দিল না।’

    সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের মামাত ভাই জহুরুল ইসলাম কথাগুলো বলছিলেন।

    জহুরুল ইসলাম বলেন, অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল আবরার। কুষ্টিয়া থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করে, এরপর ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হয়। তার মৃত্যুতে শুধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নয়, এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    তিনি বলেন, খুবই ভালো স্বভাবের ছিল আবরার। বাড়িতে থাকাকালীন বাইরে খুব কম যেত, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ছাড়া বাইরের লোকের সঙ্গে খুব কম মিশত। বইপড়া ছিল তার একমাত্র পছন্দের কাজ। তার সংগ্রহে পাঠ্যবইয়ের বাইরেও বিভিন্ন ধরনের বাংলা-ইংরেজি বই রয়েছে।

    জহুরুল ইসলাম জানান, আবরারকে কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। মরদেহ নিতে তার বাবা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    তিনি জানান, আবরারের বাবা মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, মা গৃহিণী। পরিবারে তাদের দুই সন্তান। আবরারের ছোট ভাই ঢাকা কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

  • ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা: সরকারি চাল পাবে বরিশালের ৩ লাখ জেলে

    ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা: সরকারি চাল পাবে বরিশালের ৩ লাখ জেলে

    অনলাইন ডেস্ক:

    সারা দেশের নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরার ওপর আগামী বুধবার (৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হতে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেদের পুনর্বাসনে প্রতিবারের মতো এবারও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বরিশাল বিভাগের তিন লক্ষাধিক জেলেকে চাল দেওয়ার প্রাক-প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতিমধ্যে এই চাল বরাদ্দ চেয়ে বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তর স্ব স্ব জেলার ডিসিদের কাছে চিঠিও দিয়েছে।

    বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অফিস সূত্র জানায়- ৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরার পাশাপাশি সংরক্ষণ, বিপণন, পরিবহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ জন্য বিভাগের ৬ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়েছে। বিশেষ করে জেলা, উপজেলা প্রশাসন সভা করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় নিষেধাজ্ঞা কারণে তিন লাখের বেশি জেলেকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।

    আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে যাতে জেলেরা এই সহায়তা পান সে লক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. অলিউর রহমান বলেন- ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে আট মাসের জন্য শুরু হবে জাটকা ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় যেসব ইলিশ ডিম ছাড়বে সেগুলো যাতে বড় হওয়ার সুযোগ পায়, সে জন্য ১ নভেম্বর থেকে আট মাসের এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। জাটকা (৯ ইঞ্চির কম সাইজের ইলিশ) ধরার ওপর ওই নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত।

    বরিশাল মৎস্য অফিসের একটি সূত্র জানায়- ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদিত হয় প্রায় ৪ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে শুধু বরিশাল বিভাগ থেকে উৎপাদন হয়েছে ৬৬ শতাংশ ইলিশ। পরিমাণে যা ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫ মেট্রিক টন। এবার এই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা

    চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ইলিশ সারা বছরই ডিম ছাড়ে। তবে আশ্বিনের পূর্ণিমার আগে ও পরে ৮০ শতাংশ মা ইলিশ মিঠাপানিতে এসে ডিম ছাড়ে। পরিপক্ব ইলিশ এ সময় ডিম ছাড়ার জন্য সাগর থেকে উপকূলের মিঠাপানির নদ-নদীতে চলে আসে। বাধাহীন পরিবেশে যাতে ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতেই এই সময়ে নদীতে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

    বরিশাল জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস জানান, নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিনে মৎস্য বিভাগ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’

  • বরিশালে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের কোপে বড় ভাই রক্তাক্ত

    বরিশালে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের কোপে বড় ভাই রক্তাক্ত

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল নগরীর ধান গবেষণা সড়কে মাদাকাসক্ত ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত হয়েছেন বড় ভাই। ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কোপে ফজলুর রহমান রানুর শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এর আগে ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে ওই এলাকার চেয়ারম্যান বাড়িতে।

    ফজলুর রহমান রানুর স্বজনদের অভিযোগ- তার আপন ছোট ভাই মনির মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত এবং নিজেও মাদক সেবন করেন। পাশাপাশি নিজের ঘরে নারী রেখে দেহ ব্যবসা করাচ্ছেন। এই বিষয়টি সম্প্রতি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত এবং প্রতিবাদ করার মনির ক্ষুব্ধ হন।

    স্বজনেরা জানায়- সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মনির বড় ভাই রানুর ওপরে হামলা করে। এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এসময় রক্তাক্ত অবস্থায় রানুকে উদ্ধার করে শেবাচিমে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পরে খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু এই অভিযুক্ত মনিরকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

    পুলিশ জানিয়েছে- এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীতে বরিশাল নগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বাংলাদেশে আমরা শান্তিপূর্নভাবে যার যার ধর্ম পালন করি। উৎসব গুলোতে হিন্দু মুসলমানের কোন ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি। শারদীয় দুর্গোৎসব সকলের জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

  • ঝালকাঠিতে বলগেটের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত সেই সেতুটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা

    ঝালকাঠিতে বলগেটের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত সেই সেতুটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে বলগেটের ধাক্কায় একটি আয়রণ সেতুতে ফাটল ধরেছে। ভেঙে গেছে সেতুর নিচের লোহার পিলার। এ অবস্থায় সেতুটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    স্থানীয়রা জানায়, আজ সোমবার সকালে সুগন্ধা নদী থেকে বালু নিয়ে একটি বলগেট পোনাবালিয়া খাল দিয়ে পাওতা গ্রামে যাচ্ছিল। বলগেটটি গোবিন্দপুর গ্রামে আসলে আয়রণ সেতুর নিচের লোহার পিলারে ধাক্কা লাগে। এতে পিলারটি ভেঙে গিয়ে সেতুর মাঝখানে একটি ফাটল ধরে। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    তারা আরো জানায়, সেতুটি দিয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। সেতু পারাপার করে গোবিন্দুপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অপরপ্রান্তের শহিদীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেতুটি ভেঙে পড়ার আগেই ভেঙে যাওয়া পিলার ও ফাটল মেরামতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    স্থানীয়রা জানায়, ২০০৬ সালে এলজিইডি বিভাগ পেনাবালিয়া খালের ওপর আয়রণ সেতুটি নির্মাণ করে। সেতুটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।

    বলগেটের মালিক ফাহাদ হোসেন বলেন, বলগেটের শ্রমিকরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে। আমি খোঁজ-খবর নিচ্ছি। আমাদের বলগেটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে কিছু একটা করব।

    এ ব্যাপারে নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আবদুল্লাহ হেল বাকি বিল্লাহ চৌধুরী বলেন, সেতুটির পিলার ভেঙে গেছে এবং ওপরে ফাটল ধরেছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পরবর্তীতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রিফাত হত্যা : আরও এক আসামির আত্মসমর্পণ

    রিফাত হত্যা : আরও এক আসামির আত্মসমর্পণ

    বরগুনা প্রতিনিধি ::

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ ওরফে মহিবুল্লাহ (১৭) আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। এ নিয়ে তিন দফায় ৬ আসামি আদালতে সেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে।

    সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তাকে শিশু আদালতে পাঠান। শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে যশোর শিশু কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে রবিবার মামলার ৩ নম্বর অভিযুক্ত আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৮), ২ নম্বর রাকিবুল হাসান রিফাত হাওলাদার (১৫) ও ৩ নম্বর অভিযুক্ত আবু আবদুল্লাহ রায়হান (১৬) এবং ১২ নম্বর অভিযুক্ত প্রিন্স মোল্লা (১৫) আদালতে আত্মসমর্পণ করে। তাদের মধ্যে মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতকে বরগুনা জেলা কারাগারে এবং বাকি তিন জনকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় যশোর শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২ অক্টোবর অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফ মল্লিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে।

    এখন পর্যন্ত রিফাত হত্যা মামলার ১৫ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ৬ আসামি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। যাদের মধ্যে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও আরিয়ান শ্রাবণ জামিনে আছে।

    গত ৩ অক্টোবর বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ মামলার পলাতক আট অভিযুক্তের মালামাল জব্দের নির্দেশ দেন। এ মামলার তিন অভিযুক্ত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

    তারা হলো অভিযোগপত্রের ৬ নম্বর আসামি মো. মুসা (২২), মো. নাইম (১৭) ও মো. রাকিবুল হাসান নিয়ামত (১৫)।

    গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিনই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পাঁচ-ছয় জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।