Month: March 2024

  • ঝালকাঠি জেলা অফিসার্স এসোসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

    ঝালকাঠি জেলা অফিসার্স এসোসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

    মোঃ জাহিদ, ঝালকাঠি

    ঝালকাঠি জেলা অফিসার্স এসোসিয়েশন এর ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

    জানা গেছে গত ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ শুক্রবার রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত ওয়াকফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি জেলা অফিসার্স এসোসিয়েন এর সভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষায়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুঃ আঃ হামিদ জমাদ্দার, মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. আবু নইম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর ঝালকাঠি জেলা অফিসার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং উপ-কর কমিশনার আল আমিনকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করে খসড়া কমিটি গঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ১০ মার্চ ২০২৪ রবিবার উক্ত এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয় এবং ২৪ মার্চ ২০২৪ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মহোদ্বয়ের অনুমতিক্রমে এসোসিয়েশনের দুই বছর মেয়াদী ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট্য গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি স্বাক্ষরিত ও প্রকাশ করা হয়।

    উক্ত কমিটিতে সহ সভাপতি হিসাবে – জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন অতিরিক্ত সচিব, জনাব কামাল হোসেন যুগ্ম সচিব, অতিঃ ডিআইজি জনাব তাপতুন নাসরীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে – জনাব মোঃ আতিকুর রহমান মিয়া পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি, মো: ফজলুল হক, অতিরিক্ত কমিশনার( কাস্টমস, ভ্যাট ও এক্সাইজ), জনাব মো: আলমগীর হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর একান্ত সচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে যুগ্ম সচিব জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার জনাব আব্দুল্লাহ্ আল- মামুন এছাড়াও দপ্তর সম্পাদক এডিসি ডিবি ডিএমপি জনাব মোঃ ইলিয়াছ হোসেন পিপিএম , প্রচার সম্পাদক জনাব মোঃ জসিম উদ্দীন খাঁন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক এডিসি (এ্যাডমিন) কাজী মাকসুদা লিমা পিপিএম -বার, কর্মসংস্হান সহায়তা সম্পাদক জনাব মো: ইরশাদ হাসান, দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক জনাব আবদুল লতিফ খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জনাব সমীর কুমার রজক দাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক সিনিয়র সহকারী জজ জনাব মোঃ মওদুদ আহমেদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামান এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য জনাব মো: হারুন-অর-রশিদ, অতিরিক্ত সচিব, জনাব অমল কৃষ্ণ মন্ডল, অতিরিক্ত সচিব, অধ্যাপক আ ন ম শাহাদাৎ প্রমূখ।

  • মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ

    মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ

    প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ ১৯ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ঢাকার উত্তরে জয়দেবপুরে (বর্তমান গাজীপুর) অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

    এ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে শহীদদের কবর জিয়ারত ও আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেওয়া ভাষণে ‘তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে,’ এই মন্ত্রবলে বলিয়ান হয়ে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সামনে প্রথমবার রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার-হাজার জনগণ অবতীর্ণ হয়েছিল সেই সম্মুখযুদ্ধে।

    ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়। এ খবর জানাজানি হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই শহীদ হন অনেকে। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ হাতে লিখে একটি বাণী দিয়েছিলেন। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই বাণী বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

    ওই সময় বাণীতে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় দিন। ওইদিন পাক মিলিটারি বাহিনী জয়দেবপুরে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের জওয়ানদের নিরস্ত্র করার প্রয়াস পেলে জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক, ছাত্র, জনতা সবাই বিরাট প্রতিরোধের সৃষ্টি করে। ফলে, মিলিটারির গুলিতে তিনটি অমূল্য প্রাণ নষ্ট হয় এবং বহু লোক আহত হয়। ’

    বাণীতে তিনি বলেন, ‘আমি তার কয়েকদিন মাত্র পূর্বে ৭ মার্চ তারিখে ডাক দিয়েছিলাম, যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোল। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই। ’

    তিনি বলেন, ‘কোনো মহৎ কাজই ত্যাগ ব্যতিত হয় না। জয়দেপুরের নিয়ামত, মনু, খলিফা ও চান্দনা চৌরাস্তায় হুরমতের আত্মত্যাগও বৃথা যায় নাই। শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যায় না। তাই আজ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের ফলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ’

    বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রাম শেষ হয়েছে। আসুন আজ আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার সংগ্রামে লিপ্ত হই। ’ তিনি জয় বাংলা বলে বাণীটি শেষ করেন।

  • বরিশালের মেঘনায় অভিযানে ২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশালের মেঘনায় অভিযানে ২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশালের মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। আজ (১৯) মার্চ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম। তিনি জানান, নৌ পুলিশ, থানা পুলিশের সহযোগীতায় বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন মেঘনা নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

    অবিযানে প্রায় ৫০ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। আর ওইসব জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা বলেও জানান তিনি।

  • পিরোজপুরে ১৪ বছর পর স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন

    পিরোজপুরে ১৪ বছর পর স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন

    ১৪ বছরের অধিক সময় পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলনা স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রধান আসামী নজরুল ইসলামের। সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তাকে পিরোজপুর জেলা সদরের কৃষ্ণচূড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল র‌্যাব-৮ সিপিএসসি’র সদস্যরা। গ্রেফতার মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৩) পিরোজপুর জেলার সদর থানাধীন চলিশা এলাকার মৃত জাবেদ আলী খানের ছেলে।আজ মঙ্গলবার (১৯) মার্চ দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল র‌্যাব ৮ প্রধান কার্যলয় মিডিয়া সেল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ২০০৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিরোজপুর সদর থানাধীন ধূলিয়ারী কদমতলা গ্রামের ঝরঝরিয়া তলা নামক স্থানের একটি ডোবা থেকে হাত বাধাঁ অবস্থায় অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

    যে ঘটনায় থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি গ্রেফতার সাজাপ্রাপ্ত নজরুল ইসলামের স্ত্রী নাসিমা (২০) এর বলে শনাক্ত করা হয়। আর নাসিমার মৃত্যুর ঘটনার সাথে স্বামী নজরুলের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে। পাশাপাশি ২০১ ধারায় ০৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করেন।তবে নজরুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওইসময় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। র‌্যাব জানায়, র‌্যাব ৮, সিপিএসসি, বরিশাল ছায়া তদন্ত করে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামীর অবস্থান সনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উল্লেখিত যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামীকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়।

  • ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সুলতান হোসেন খান

    ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সুলতান হোসেন খান

    মোঃ-জাহিদ, ঝালকাঠি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই ঝালকাঠি সদর উপজেলার গ্রামে-গঞ্জে, চায়ের দোকান কিংবা বিভিন্ন আড্ডাখানায় শুরু হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী বাছাই নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা।

    চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী কয়েকজনের নাম শোনা গেলেও ঝালকাঠি সদর উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গণে মাঠ কাঁপানো নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সুলতান হোসেন খান একজন যোগ্য দলীয় প্রার্থী হিসেবে উপজেলার সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর একাধিক নাম শোনা গেলেও সুলতান হোসেন খান চেয়ারম্যানের নামই আলোচনায় শীর্ষে আছেন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সুলতান হোসেন খান প্রার্থী হিসেবে উঠছে তারুণ্যের গণজোয়ার ও তাঁর বিশাল কর্মীবাহিনী বলে দিচ্ছে জনপ্রিয়তায় সুলতান চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে বিজয় নিশ্চিত হবে।
    স্থানীয় বিজ্ঞ জনেরা মনে করছেন, সুলতান হোসেন খান চেয়ারম্যান একজন উদীয়মান সাহসী, ত্যাগী, সৎ, নিষ্ঠাবান ও নির্যাতিত আওয়ামীলীগ নেতা।

    তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলা পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন উপজেলা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবেন। জনসাধারণের দোয়া ও ভালবাসায় নির্বাচিত হলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সকল সম্প্রদায়ের পাশে থেকে কাজ করতে পারবে বলে বিশ্বাস তাদের। মোঃ সুলতান হোসেন খান চেয়ারম্যান ঝালকাঠি মাটি ও মানুষের নেতা জননেতা।

  • ববির নতুন উপাচার্য ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া

    ববির নতুন উপাচার্য ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এ নিয়োগ দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে গতকাল সোমবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১০ (১) ধারা অনুসারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ হতে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ করা হলো।

    অধ্যাপক ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন এর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিনের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের ৬ নভেম্বর। এর প্রায় চারমাস পরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, উপাচার্য হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। উপাচার্য পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি প্রাপ্য হবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

    অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তাছাড়া অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জনপ্রিয় কলামিস্ট এবং টকশো ব্যক্তিত্ব হিসেবে সারাদেশে পরিচিত।

  • পাওনা টাকা ফেরত পেলো ইভ্যালির আরও ১০০ গ্রাহক

    পাওনা টাকা ফেরত পেলো ইভ্যালির আরও ১০০ গ্রাহক

    অনলাইন ডেস্ক ::: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে পাওনা টাকা ফেরত পেয়েছেন ইভ্যালির আর ১০০ জন গ্রাহক। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।

    অধিদপ্তরের সভাকক্ষে মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান উপস্থিত থেকে গ্রাহকদের হাতে এসব পাওনা টাকার চেক তুলে দেন। এর আগে গত মাসে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১৫০জন গ্রাহক টাকা ফেরত পেয়েছিলেন অধিদপ্তরের নিষ্পত্তির মাধ্যমে।

    ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে অর্ডার করে পণ্য না পেয়ে যারা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন এমন গ্রাহকরাই দ্বিতীয়বারেরর মতো টাকা ফেরত পেয়েছেন। অধিদপ্তরে প্রায় ৭ হাজার ৫০০টি অভিযোগ রয়েছে।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনের একটি কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরের মতো জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনটি হচ্ছে। সম্মেলনে মন্ত্রী ও সচিবরা তাদের মুখোমুখি হন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আজকে ডিসিদের একটি সভা হয়েছে। সভায় ডিসিরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে কিছু বলেননি। তারা ছোট ছোট কিছু পয়েন্ট সভায় তুলেছেন।

    তিনি বলেন, ডিসিরা জানতে চেয়েছেন করোনার সময়ের মতো ভার্চুয়াল কোর্টের ব্যবস্থা করা যায় কি না। তারা বলেছেন বিশেষ করে জঙ্গিদের আদালতে আনা নেওয়া করায় কিছুটা ঝুঁকি থাকে। তাই ভার্চুয়াল কোর্টের কথা বলেছেন ডিসিরা। আমরা সেটা যাচাই-বাছাই করে দেখব।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ডিসিদের সভায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে— জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কোর কমিটির সভা যেন প্রতি মাসে তারা করেন। যাতে সবার সঙ্গে সবার একটা বোঝাপড়া থাকে। যেন কোনো অসুবিধা হলে সেটা দ্রুত সমাধান করা যায়। সভায় ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয় যেন তারা ইয়াবা ও এলএসডির মতো মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলেন। আমরা ধূমপানের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এখন দেখা যায় প্রকাশ্যে কেউ ধূমপান করে না। কেউ ধূমপান করলে তা আড়ালে করে।

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিসিদের অনুরোধ করা হয়েছে তারা যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করেন। বিশেষ করে রোজার আগে তারা যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহযোগিতা করেন।

    নদীপথে যেন যত্রতত্র বালু উত্তোলন না করা হয় সেজন্য ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের অনুরোধ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। ডিসিদের যখন প্রয়োজন তখনই নিরাপত্তা বাহিনী তাদের পাশে থাকবে- এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।