হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া হলো আজ

আজ হাজারো কণ্ঠে গাওয়া হলো জাতীয় সংগীত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষ সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছায়ানট। ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ শীর্ষক এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আজ রোববার বিকেল পৌনে চারটায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। ১৯৭১ সালে যে সময় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, ঠিক সেই বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে আবারও গাওয়া হয় হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত। এই পুরো আয়োজনে অংশ নিয়েছেন ছায়ানটের সব শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছিলেন সেখানে আসা সাধারণ মানুষজনও।

মঞ্চ ঘিরে ছিলেন ছায়ানটের শিল্পী ও শিক্ষার্থীরা। ছবি: আশরাফুল আলমআগেই জানানো হয়, সবার পোশাক হবে সবুজ রঙের। ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি অথবা ফতুয়া আর মেয়েদের জন্য শাড়ি অথবা সালোয়ার-কামিজ। নির্ধারিত সময়েই সবাই এসে ভিড় করেন মাঠে।

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  মো. আখতারুজ্জামান এবং ছায়ানটের সহসভাপতি ডা. সারওয়ার আলী ও সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা।

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি ছিল একক ও সম্মেলক কণ্ঠে গাওয়া গান, দলীয় নাচ ও আবৃত্তি।

একক কণ্ঠে গান গেয়েছেন ডালিয়া নওশীন (একই অপরূপ রূপে মা তোমায়) ও সেমন্তী মঞ্জরী (সবারে বাসরে ভালো)। সম্মেলক কণ্ঠে ছায়ানটের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা গেয়েছেন রবীন্দ্রসংগীত ‘আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে’ ও ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা’; নজরুলসংগীত ‘চল চল চল’ ও ‘সংঘ শরণ তীর্থযাত্রা পথে’; সুকান্তের ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন হঠাৎ বাংলাদেশ’, সারিগান ‘হেঁইয়োঁরে হেঁইয়োঁ’, মীরাদেব বর্মণের ‘আমি টাকডুম টাকডুম বাজাই’, আবদুল লতিফের ‘লাখো লাখো শহীদের রক্ত’। সব কটি গানের সঙ্গে ছিল দলীয় নাচ। আর কবি তারিক সুজাতের কবিতা আবৃত্তি করেছেন আবদুস সবুর খান।আবৃত্তির সঙ্গেও ছিল নাচ। ছবি: আশরাফুল আলমআবৃত্তির সঙ্গেও ছিল নাচ।

ছায়ানটের ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে দীপ্ত টিভি।জাতীয় সংগীত ছাড়া সব কটি গানের সঙ্গেই ছিল নাচ। ছবি: আশরাফুল আলম

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *