মঙ্গলবার , ২৮ জুন ২০২২ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি টেক
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. করোনা
  9. ক্যাম্পাস
  10. ক্রিকেট
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকুরীর খবর

এক মুসলমানের প্রতি অন্যের কয়টি হক

প্রতিবেদক
banglarmukh official
জুন ২৮, ২০২২ ৬:০৯ পূর্বাহ্ণ

সমাজিক জীবনে প্রতিনিয়তই একজনের সঙ্গে অন্যজনের দেখা-সাক্ষাৎ হয়। প্রতিনিয়ত দেখা-সাক্ষাৎ হওয়া মানুষগুলোর একজনের সঙ্গে অন্যজনের ৫টি হক বা অধিকার রয়েছে। যারা একজনের আবদার বা আহ্বনে অন্যজন সাড়া দেবে। এটি ইসলামের দিকনির্দেশনা। এ হক বা অধিকারগুলো কী? এ সম্পর্কে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই বা কী বলেছেন?

পরস্পরের সঙ্গে আবদার-আহ্বান কিংবা আচার-আচরণ কেমন হবে, তা সুস্পষ্টভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসের বর্ণনাটি তুলে ধরা হলো-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবিজী সাল্লাল্লাহু বলেছেন (এক) মুসলমানের ওপর (অপর) মুসলমানের পাঁচটি হক বা অধিকার রয়েছে। তাহলো-

১. সালাম দিলে তার উত্তর দেওয়া;

২. কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া;

৩. কেউ মারা গেলে তার জানাযার নামাজে শরিক হওয়া;

৪. কেউ দাওয়াত দিলে তাতে অংশগ্রহণ করা এবং

৫. কেউ হাঁচি দিলে তার উত্তর দেওয়া।’ (বুখারি ও মুসলিম)

হাদিসের শিক্ষা

এ হাদিসে এক মুসলমানের ওপর অপর মুসলমানের প্রাপ্য পাঁচটি হকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ পাঁচটি হকই ফরজে কিফায়া পর্যায়ের। হকগুলো হলো-

১. সালাম দেয়া সুন্নাত; উত্তর দেয়া ওয়াজিব। এটি এমন একটি সুন্নাত, যা ফরজের মতোই উত্তম। কেননা সালামের মাধ্যমে বিনয় ও নম্রতা প্রকাশ পায়। এর মাধ্যমে একটি ওয়াজিব আদায় করা হয়।

২. প্রতিবেশি অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া সুন্নাত। তাঁর খোঁজ খবর নেওয়া। এমনকি প্রতিবেশি যদি অমুসলিমও হয় তবুও তার খোঁজ-খবর নেওয়া জরুরি।

৩. মৃতব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহণ করা ফরজে কিফায়া। মৃতব্যক্তির জানাযা আদায় থেকে দাফন পর্যন্ত সঙ্গ দেওয়া মুস্তাহাব।

৪. দাওয়াতের দুটি অর্থ হতে পারে-

ক. কাউকে সাহায্য করার জন্য কেউ আহ্বান করলে, তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া;

খ. কারো দাওয়াত কবুল করা; এ দাওয়াত কবুল করা তখনই আবশ্যক, যখন তা গ্রহণ করলে কোনো গোনাহ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। এমনিভাবে মেজবানের কামাই-রোজগার যদি হালাল হয় তবে দাওয়াত গ্রহণ করা ওয়াজিব। আর কামাই-রোজগার যদি সুস্পষ্ট হারাম হওয়া প্রমাণিত হয় তবে দাওয়াত বর্জন করা ওয়াজিব।

৫. কোনো মুসলমান হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে, তাঁর উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা। হাঁচির উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে মানুষ ভালো-মন্দ উভয়েই সমান। তবে নেককারদের হাঁচির জবাব হাসিমুখে দেওয়া উত্তম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁদের হকগুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ - অপরাধ